Tag: কৌশলগত অংশীদারিত্ব

  • যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যেও ‘ইতিবাচক’ বার্তা দিলেন মোদি

    যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যেও ‘ইতিবাচক’ বার্তা দিলেন মোদি

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক এখনো শক্তিশালী ও ভবিষ্যতমুখী।

    মোদি লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সৌহার্দ্যপূর্ণ মন্তব্য ও ইতিবাচক মূল্যায়ন আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গ্রহণ করছি এবং একইভাবে তাকেও তা ফিরিয়ে দিচ্ছি।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বর্তমানে সর্বাত্মক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিদ্যমান, যা আগামী দিনে আরও গভীর হবে।

    তবে এ বক্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন দুই দেশের সম্পর্ক নানা চ্যালেঞ্জের মুখে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে। পাশাপাশি রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত অপরিশোধিত তেল আমদানি করে ইউক্রেন যুদ্ধকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে বলে অভিযোগ তুলেছে ওয়াশিংটন।

    তবুও মোদি ও ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। ট্রাম্প প্রথম মেয়াদ থেকেই মোদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন। সাংবাদিকদের সঙ্গেও তিনি একাধিকবার বলেছেন, “আমি সবসময় মোদির বন্ধু থাকব।”

    যদিও চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উষ্ণতা ফেরাতে সম্প্রতি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে মোদির বেইজিং সফর ট্রাম্পকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে ভারতকে কাছে রাখার প্রতিযোগিতা নতুন করে স্পষ্ট হচ্ছে।

  • যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরবের মধ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ১৪২ বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষর

    যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরবের মধ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ১৪২ বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষর

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে ঐতিহাসিক ১৪২ বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র চুক্তি সই হয়েছে।

    এই চুক্তি দুটি দেশের মধ্যে কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের ভিত্তি শক্তিশালী করবে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা বিক্রয় চুক্তি, যা আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজনেরও বেশি প্রতিরক্ষা কোম্পানি সৌদি আরবকে অত্যাধুনিক যুদ্ধ সামগ্রী এবং সেবা সরবরাহ করবে।

    এছাড়া, চুক্তির অংশ হিসেবে জ্বালানি ও খনিজ বিষয়ক স্মারক, ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা সক্ষমতার জন্য আগ্রহপত্র, মহাকাশ গবেষণা এবং সংক্রামক ব্যাধির প্রতিরোধে সহযোগিতা নিয়ে নতুন সমঝোতা হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যখন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, তখন অনুষ্ঠানস্থল ছিল করতালিতে মুখরিত। এই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প সৌদি যুবরাজকে তার “বন্ধু” হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

    তবে এই বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়ে এখনও অনেক তথ্য অজানা রয়ে গেছে। ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, “আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে আমরা পরস্পরকে খুব পছন্দ করি।”

    উল্লেখ্য, এই সফরটিই হচ্ছে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রথম বড় বিদেশ সফর। তিনি বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন।

    চুক্তি সইয়ের পর, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমঝোতা বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে, কারণ এটি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।


    এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্কের উন্নয়নকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা শুধুমাত্র দুই দেশের জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্ব রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।