Tag: করোনা আপডেট

  • দেশে ফের করোনার হানা: ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারালেন ২, শনাক্ত আরও ৭ জন

    দেশে ফের করোনার হানা: ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারালেন ২, শনাক্ত আরও ৭ জন

    এবিএনএ: দেশে আবারও করোনাভাইরাসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও সাতজনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত নিয়মিত করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ৫৩৫ জন নতুনভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে মহামারি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫২ হাজার ৮০ জনে।

    নতুন করে দুইজন মৃত্যুবরণ করায় দেশে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯ হাজার ৫২১ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত দেশে করোনার গড় শনাক্তের হার ১৩.০৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় এই হার ছিল ৩.৮৭ শতাংশ।

    স্বাস্থ্য বিশ্লেষকদের মতে, সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও পরিস্থিতিকে অবহেলা করা ঠিক হবে না। সতর্কতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছে তারা।

  • করোনায় আবারও প্রাণহানি, ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু ও নতুন শনাক্ত ৩৬

    করোনায় আবারও প্রাণহানি, ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু ও নতুন শনাক্ত ৩৬

    এবিএনএ:  গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ফের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। এ সময়ে নতুন করে ৩৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।


    রবিবার (২২ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে ৩৬টি নমুনায়।
    মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন পুরুষ এবং একজন নারী। এদের মধ্যে তিনজন চট্টগ্রামের, একজন করে ঢাকা ও রাজশাহীর বাসিন্দা ছিলেন।

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ জুন পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ৫৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৩৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন।

    সবশেষ এই তথ্য অনুযায়ী, দেশে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৯৭৮ জনে। এর মধ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৫১৫ জনের।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এখনো করোনার হুমকি পুরোপুরি কেটে যায়নি। তাই জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি ৬ নির্দেশনা, করোনার নতুন ধরন ও ডেঙ্গু রোধে কঠোর সতর্কতা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি ৬ নির্দেশনা, করোনার নতুন ধরন ও ডেঙ্গু রোধে কঠোর সতর্কতা

    এবিএনএ:

    দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট এবং ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এই নির্দেশনার আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একযোগে সচেতনতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হয়েছে।

    রবিবার (১৫ জুন) মাউশির সহকারী পরিচালক মো. খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ছয়টি জরুরি স্বাস্থ্যবিধিমূলক নির্দেশনার কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, “সারা দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন রূপ এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগের প্রকোপ মোকাবেলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক যৌথভাবে গৃহীত নির্দেশনার ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।”

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়:

    • শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা।

    • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা ও পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখা।

    করোনা প্রতিরোধে ৬ দফা নির্দেশনা:

    ১. সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।
    ২. জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
    ৩. সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা।
    ৪. চোখ, নাক বা মুখে হাত না লাগানো।
    ৫. হাঁচি বা কাশির সময় বাহু, টিস্যু বা রুমাল দিয়ে মুখ-নাক ঢেকে রাখা।
    ৬. ক্লাসরুম ও ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সচেতন করা।

    অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, এই নির্দেশনাগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি সময়মতো স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর হয়, তবে এই সংক্রমণ প্রতিরোধ অনেকটাই সহজ হবে।


    📌 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের পোর্টালে চোখ রাখুন।

  • করোনায় ফের একজনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৬

    করোনায় ফের একজনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৬

    এবিএনএ:

    দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আবারও একজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ২৬ জন।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই সময়ে ২৯১টি নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে এসব তথ্য উঠে এসেছে। নতুন আক্রান্তসহ দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৩৩ জনে। আর মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫০৩ জনে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪০৫ জনে।

    উল্লেখ্য, এর আগের দিন শনিবার দেশে করোনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি, তবে শুক্রবার দুইজনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, করোনার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও এর বিস্তার রোধে সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। বিশেষ করে যাদের বয়স বেশি বা আগে থেকে রোগ আছে, তাদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

  • দেশে ফের বাড়ছে করোনা শনাক্ত, ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৭ রোগী

    দেশে ফের বাড়ছে করোনা শনাক্ত, ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৭ রোগী

    এবিএনএ:

    দেশে আবারও করোনা সংক্রমণ ধীরে ধীরে মাথাচাড়া দিচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এই সময়ে কেউ করোনায় মারা যাননি।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সর্বশেষ ১৩৯টি নমুনা পরীক্ষায় এই ৭ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ জনে।

    এর আগের দিন অর্থাৎ ১৩ জুন, ১৭৪টি নমুনা বিশ্লেষণ করে আরও ১৫ জন নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। ওইদিন দুইজনের মৃত্যু হয়েছিল করোনায়। ফলে দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর মোট সংখ্যা বর্তমানে ২৯ হাজার ৪০২ জন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪০১ জনে পৌঁছেছে।

    উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের মৃত্যু ঘটে করোনায়। সবচেয়ে ভয়াবহ দিন ছিল ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট, যেদিন দু’দিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন করে প্রাণ হারান।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা করোনা সংক্রমণ বাড়ার এই ধীর প্রবণতাকে অবহেলা না করার পরামর্শ দিয়েছেন। সংক্রমণ ঠেকাতে এখনই সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • দেশে ফের করোনা শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী, ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ১৫ জন

    দেশে ফের করোনা শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী, ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ১৫ জন

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে আবারও বাড়ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রবণতা। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩৪টি নমুনা পরীক্ষার মধ্যে ১৫ জনের শরীরে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। তবে আশার খবর হচ্ছে—এই সময়ের মধ্যে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    বৃহস্পতিবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে বর্তমানে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৮৫ জনে।

    এর আগের দিন, অর্থাৎ বুধবার, ১০৭টি নমুনা পরীক্ষায় ১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৮ জন। ফলে দেশে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৩৯৮ জনে।

    উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

    ২০২১ সালের আগস্ট মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড গড়ে। ৫ এবং ১০ আগস্ট, এই দুই দিনে করোনা কেড়ে নেয় ২৬৪ জনের প্রাণ—যা এখনো পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার অনেক কমে এসেছে, তবু সাবধানতা বজায় রাখতে হবে। সংক্রমণের গতি বাড়ার আভাস পাওয়া গেলে তা প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

    করোনার বিরুদ্ধে দেশের দীর্ঘ লড়াইয়ে সাফল্য এলেও, নজরদারি ও সচেতনতা যেন শিথিল না হয়—এমনটাই বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • দেশে আবার করোনার হানা, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত ১০ জন!

    দেশে আবার করোনার হানা, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত ১০ জন!

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে আবারও নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে আশার কথা হলো, এ সময়ে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    বুধবার পাঠানো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত করোনা বুলেটিনে জানানো হয়, এই ২৪ ঘণ্টায় মোট ১০৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়, যেখানে শনাক্তের হার ছিল ৯.৩৫ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৭০ জনে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দেশে করোনা শনাক্তের শুরু থেকে এ পর্যন্ত পরীক্ষার ভিত্তিতে গড় শনাক্তের হার ১৩.০৫ শতাংশ এবং মোট মৃত্যুহার ১.৪৪ শতাংশ।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এরপর ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দিন দু’টিতে সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মৃত্যুবরণ করেন।

    দেশে করোনা সংক্রমণ বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিত নজরদারি ও পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসচেতনতা ও টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখাই এ ভাইরাস প্রতিরোধে মূল চাবিকাঠি।

  • আবারও করোনা সতর্কতা, টিকার বাড়তি ডোজ নিতে বলা হচ্ছে এইসব ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের

    আবারও করোনা সতর্কতা, টিকার বাড়তি ডোজ নিতে বলা হচ্ছে এইসব ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের

    এবিএনএ:

    বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের নতুন রূপ ফের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বেশ কয়েকটি শ্রেণির মানুষকে অতিরিক্ত করোনা টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফর জানিয়েছেন, বর্তমানে সরকারের কাছে রয়েছে ১৭ লাখ ১৬ হাজার ৯০০ ডোজ টিকা, যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া হবে গর্ভবতী নারী, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া রোগী এবং জটিল শারীরিক সমস্যায় ভোগা মানুষদের।

    তিনি বলেন, “যারা এখনো টিকা নেননি, তাদের মধ্যে ‘হাই রিস্ক’ গ্রুপে থাকা ব্যক্তিরা যেমন—ফ্রন্টলাইন ও কনট্যাক্ট কর্মী, গর্ভবতী নারী ও ইমিউনো-কমপ্রোমাইজড রোগীদের অবশ্যই টিকা নিতে হবে। আর যারা আগেই টিকা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে যাদের বয়স ৬০ পেরিয়েছে বা কোমর্বিডিটি আছে, তাদের ছয় মাস পর বুস্টার ডোজ নেওয়া উচিত।”

    🔄 পুরনো টিকাও কার্যকর:

    রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক ডা. হালিমুর রশিদ জানিয়েছেন, “বর্তমানে মজুত থাকা টিকাগুলো ওমিক্রন উপযোগী না হলেও রোগের তীব্রতা কমাতে সহায়ক হবে। WHO নির্দেশনায় বলা হয়েছে—লেটেস্ট না থাকলেও আগের টিকাও নিরাপদ ও কার্যকর।”

    তিনি আরও জানান, ২০২৪-২৫ সালের জন্য যেসব টিকা এসেছে, সেগুলোই দেওয়া হবে এবং নতুন টিকার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগের প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু করা হবে।

    🧪 করোনা পরীক্ষা ও হাসপাতাল প্রস্তুতি:

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতে, সকলের করোনা পরীক্ষা করানো এখনই প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী RT-PCR করা হবে। বিভিন্ন হাসপাতালে প্রয়োজন অনুযায়ী কিট পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

    এদিকে, করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় দেশের জেলা হাসপাতালগুলোতে শয্যা প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান জানান, “প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

  • ঢাকায় ফের করোনার হানা, ৪ জনের পরীক্ষায় ৩ জন আক্রান্ত

    ঢাকায় ফের করোনার হানা, ৪ জনের পরীক্ষায় ৩ জন আক্রান্ত

    এবিএনএ:

    দেশে আবারও করোনা সংক্রমণের আভাস মিলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের শরীরেই করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যদিও এই সময়ের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করেননি।

    রবিবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত নিয়মিত করোনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। আক্রান্তরা সবাই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে করোনায় আক্রান্তদের শনাক্তের হার ছিল ৭৫ শতাংশ, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম উচ্চ হার। তবে আশার কথা, একই সময়ে ৬ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    এর আগেও দীর্ঘ বিরতির পর গত ৫ জুন দেশে একজন করোনা রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল, যা ছিল সাম্প্রতিক কালের মধ্যে প্রথম প্রাণহানি। তবে রবিবারের হিসাব অনুযায়ী, মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে বাংলাদেশ।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, জনসচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই করোনা সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব। যদিও দৈনিক নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, তবুও সংক্রমণের হার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যেহেতু সংক্রমণের হার হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • দেশে ফের করোনা আতঙ্ক: ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩

    দেশে ফের করোনা আতঙ্ক: ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে করোনাভাইরাস। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে আরও তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (৫ জুন) বিকেলে প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের এক বেসরকারি হাসপাতালে ৮১ থেকে ৯০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

    এদিকে, গত এক দিনে মোট ২১টি নমুনা পরীক্ষার ভিত্তিতে ৩ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। এতে শনাক্তের হার দাঁড়ায় ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। দেশে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৩৯ জনে।

    একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থতার সংখ্যা ২০ লাখ ১৯ হাজার ৩৬০ জনে পৌঁছেছে। বর্তমানে দেশে কোভিড-১৯ রোগে সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং মৃত্যুহার এক দশমিক ৪৪ শতাংশ।

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৫০০ জন এই রোগে প্রাণ হারিয়েছেন। এখন পর্যন্ত দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ৫৭ লাখ ২৬ হাজার ২২৪টি।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যেহেতু শনাক্তের হার আবারও বাড়তে শুরু করেছে, তাই জনসাধারণকে সতর্কতা অবলম্বন করে চলাফেরা করা উচিত। এছাড়া বয়স্ক ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের বাড়তি সচেতনতা জরুরি বলেও জানিয়েছেন তারা।