Tag: এভারকেয়ার হাসপাতাল

  • মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে চলছে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার, শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে চিকিৎসকরা

    মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে চলছে দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার, শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে চিকিৎসকরা

    এবিএনএ: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক Mirza Abbas গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর Evercare Hospital Dhaka-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার মস্তিষ্কে প্রথম দফার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়ার পর শারীরিক জটিলতার কারণে দ্বিতীয় দফার অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল প্রায় ৩টার দিকে তার মস্তিষ্কে প্রথম অপারেশন শুরু হয় এবং সন্ধ্যা প্রায় সোয়া ৬টার দিকে সেটি শেষ হয়। পরে চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আবারও দ্বিতীয় দফার অস্ত্রোপচার শুরু করা হয়। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অপারেশন তখনও চলছিল।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী অবস্থার উন্নতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু করেছে পরিবার। এজন্য বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ইফতারের সময় পানি পান করার মুহূর্তে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। এরপর দ্রুত তার শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে গেলে ওই রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে শুক্রবার দুপুরে হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান Tarique Rahman। সেখানে তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

    এছাড়া বিএনপির মহাসচিব Mirza Fakhrul Islam Alamgir এবং Shafiqur Rahmanসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানান।

    মির্জা আব্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

  • খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় সারাদেশের মসজিদে দোয়া

    খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় সারাদেশের মসজিদে দোয়া

    এবিএনএ: রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সপরিবারে দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সারাদেশের মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

    বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে এই দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মুসল্লিরাও অংশ নেন।

    এর আগে দলের পক্ষ থেকে এই দোয়া কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নেতাকর্মীদের মসজিদভিত্তিক দোয়ায় শরিক হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান। শুক্রবার জুমার নামাজের পর তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করেই এই দোয়া কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    এদিকে, শনিবার ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান। এরপর তিনি ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে যাওয়ার সূচি রয়েছে।

  • খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যে স্বস্তির বার্তা: আগের চেয়ে স্থিতিশীল অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন

    খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যে স্বস্তির বার্তা: আগের চেয়ে স্থিতিশীল অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন

    এবিএনএ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আগের চেয়ে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, গত এক মাসের চিকিৎসা পর্যবেক্ষণে তার অবস্থার কোনো অবনতি হয়নি।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. জাহিদ বলেন, ২৩ নভেম্বর থেকে বেগম খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।

    তিনি আরও জানান, শুক্রবার তার শরীরে একটি ছোট চিকিৎসা প্রক্রিয়া (প্রসিডিউর) সম্পন্ন করা হয়েছে, যা তিনি সফলভাবে গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি ক্রিটিক্যাল কেয়ার সুবিধাসম্পন্ন একটি কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    খালেদা জিয়ার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ বলেন, তার বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং নতুন করে কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। তিনি দেশবাসীর কাছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া কামনা করেন, যেন এই স্থিতিশীল অবস্থা আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে যায়।

  • হাদির অবস্থা নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ, এখনো জীবনঝুঁকিতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র

    হাদির অবস্থা নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ, এখনো জীবনঝুঁকিতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনও গুরুতর ও ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছে তার চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিকেল বোর্ড। চিকিৎসকদের মতে, আপাত উন্নতির কিছু লক্ষণ থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতি এখনো সংকটজনক পর্যায়ে রয়েছে।

    রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের মাল্টিডিসিপ্লিনারি মেডিকেল বোর্ড দ্বিতীয় দিনের মতো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়। এতে জানানো হয়, পরিস্থিতির প্রয়োজনে রোগীকে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

    মেডিকেল বোর্ড জানায়, রোগীর পরিবার অথবা সরকারিভাবে বিদেশে চিকিৎসার উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সব প্রক্রিয়ায় এভারকেয়ার হাসপাতাল পূর্ণ সহায়তা করবে। বর্তমান অবস্থায় রোগীর সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করাই বোর্ডের প্রধান লক্ষ্য।

    এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ওসমান হাদির ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন দেখা দিলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

    সর্বশেষ সিটি স্ক্যান রিপোর্টে তার মস্তিষ্কে ফোলা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যা চিকিৎসকদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। যদিও ফুসফুস ও কিডনির কার্যকারিতা আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে ব্রেন স্টেমে আঘাতজনিত জটিলতা থাকায় সার্বিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।

    এদিকে চিকিৎসকরা রোগীর বিষয়ে গুজব ও অনুমাননির্ভর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করেছে মেডিকেল বোর্ড।

  • জীবন রক্ষায় ১১ দফা চিকিৎসা সিদ্ধান্ত, হাদিকে ঘিরে বিশেষ মেডিকেল বোর্ডের কঠোর নজরদারি

    জীবন রক্ষায় ১১ দফা চিকিৎসা সিদ্ধান্ত, হাদিকে ঘিরে বিশেষ মেডিকেল বোর্ডের কঠোর নজরদারি

    এবিএনএ: রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় থাকা ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশেষ মেডিকেল বোর্ড। মাথায় গুলিবিদ্ধ এই রাজনীতিকের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল থাকলেও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    শনিবার এক বিবৃতিতে হাসপাতালের আইসিইউ ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও সমন্বয়ক ডা. মো. জাফর ইকবাল জানান, বিভিন্ন বিভাগের ১৫ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড হাদির চিকিৎসা নিয়ে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    বিবৃতিতে জানানো হয়, শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। অস্ত্রোপচার পরবর্তী জটিলতা মোকাবিলায় এখন কনজারভেটিভ চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

    চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, হাদির মস্তিষ্কে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে এবং ব্রেন সুরক্ষায় নির্দিষ্ট প্রটোকল অনুযায়ী চিকিৎসা চলছে। ফুসফুসে আঘাত থাকায় ভেন্টিলেটর ও চেস্ট ড্রেইনের সহায়তা অব্যাহত রাখা হয়েছে, যাতে সংক্রমণ বা এআরডিএসের ঝুঁকি না বাড়ে।

    এ ছাড়া কিডনির কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে তরল ব্যবস্থাপনা, রক্ত জমাট ও রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত সঞ্চালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্রেন স্টেমে আঘাতের কারণে হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ ওঠানামা করায় বিশেষ সাপোর্ট ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    মেডিকেল বোর্ড জানায়, রোগীর সামগ্রিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। পরিবারকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়েছে এবং তারাই গণমাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য জানাতে পারবেন। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অপ্রয়োজনে ভিড় না করা, গুজব বা ভুল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

    চিকিৎসকরা বলেন, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে হাদির চিকিৎসা চালানো হচ্ছে। তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন মেডিকেল বোর্ড ও পরিবারের সদস্যরা।

  • গুলির আঘাতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ওসমান হাদি, পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    গুলির আঘাতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ওসমান হাদি, পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    এবিএনএ: গুলিতে গুরুতর আহত ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকদের মতে, তার চিকিৎসা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আগামী ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এর আগে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

    শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণার সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে পরবর্তীতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    শনিবার দুপুরে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এভারকেয়ার হাসপাতাল বাংলাদেশের মেডিকেল সার্ভিসেস পরিচালক ডা. আরিফ মাহমুদ জানান, ওসমান হাদির মস্তিষ্কে আঘাত অত্যন্ত জটিল। যদিও তার হৃদ্‌যন্ত্র সচল রয়েছে, তবে মস্তিষ্কের অবস্থা উদ্বেগজনক।

    তিনি আরও বলেন, মস্তিষ্কের স্টেমে আঘাতের কারণে রোগীর চোখের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। তবে কিছুটা আশার দিক হলো—শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এখনও কার্যকর রয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি বা অবনতি—সবকিছুর জন্য আরও সময় প্রয়োজন বলে জানান চিকিৎসক।

  • গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদির জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, উন্নত চিকিৎসায় এভারকেয়ারে স্থানান্তর

    গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদির জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, উন্নত চিকিৎসায় এভারকেয়ারে স্থানান্তর

    এবিএনএ: গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাঁর মাথা, বুকে ও পায়ের আঘাতের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, হাদির মাথায় বুলেটবিদ্ধ ক্ষত রয়েছে, পাশাপাশি বুকেও আঘাত পাওয়া গেছে। পায়ের চোটটি রিকশা থেকে পড়ে যাওয়ার কারণে হতে পারে বলে ধারণা করছেন চিকিৎসকরা।

    তিনি আরও জানান, পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাদিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। প্রথমে তাঁকে সিএমএইচে নেওয়ার কথা থাকলেও পরিবার পরে মত বদলে এভারকেয়ারকেই চূড়ান্ত করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আগেই প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

    এর আগে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে বিজয়নগর কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় চলার সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত হাদির ওপর গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলি তাঁর বাম কানের নিচে বিদ্ধ হয়। আহত অবস্থায় সহকর্মীরা তাঁকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন, যেখানে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করা হয়।

  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উন্নতি নেই, বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী

    খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় উন্নতি নেই, বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় এখনও কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। তিনি আগের মতোই জটিল স্বাস্থ্য অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    রবিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড এখনও কোনো চূড়ান্ত মতামত দেয়নি। বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।”

    তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির সব কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর প্রতি তার সুস্থতার জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    হাসপাতালের সামনে বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, “অতিরিক্ত ভিড় হলে চিকিৎসায় বিঘ্ন ঘটে। তাই সবাইকে হাসপাতালের সামনে ভিড় না করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দোয়া করার অনুরোধ করছি।”

    তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। মেডিকেল বোর্ডই খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে এবং সবশেষ তথ্য জানাচ্ছে।

    গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। প্রথমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে সিসিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

    এর আগে অক্টোবরেও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। কয়েক দিনের চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে আসেন। প্রায় ৮০ বছর বয়সী বিএনপি চেয়ারপারসন দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছেন।

    গত মে মাসে লন্ডন থেকে উন্নত চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে তিনি ঢাকায় নিজ বাসায় চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। লন্ডনে অবস্থানকালে ‘লন্ডন ক্লিনিকে’ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিয়েছিলেন তিনি। তবে গুরুতর ঝুঁকি বিবেচনায় লিভার প্রতিস্থাপন করা হয়নি বলেও জানানো হয়।

    দলীয় নেতাদের মতে, খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসা জরুরি হলেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে চিকিৎসক বোর্ড।

  • হাসপাতালে সঙ্কটাপন্ন খালেদা জিয়া: বিদেশে নেয়ার মতো অবস্থায় নন, জানালেন মির্জা ফখরুল

    হাসপাতালে সঙ্কটাপন্ন খালেদা জিয়া: বিদেশে নেয়ার মতো অবস্থায় নন, জানালেন মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, চিকিৎসকরা মত দিয়েছেন যে, এখনই বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয় তার স্বাস্থ্য অবস্থা।

    শনিবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সন কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও লন্ডনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা জানিয়েছেন, রোগীর শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে তাকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে, প্রয়োজনে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘নেত্রী বর্তমানে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে আমরা দেশবাসী ও নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছি, যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’ তিনি জানান, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিতভাবে আপডেট জানানো হবে।

    জানা গেছে, এভারকেয়ার হাসপাতালে দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। ৮০ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছেন।

    দলের নেতাদের মতে, বর্তমান শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে। এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছে চিকিৎসক বোর্ড ও পরিবার।

  • এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে খালেদা জিয়া, সারাদেশে দোয়া-মোনাজাতের প্রস্তুতি

    এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে খালেদা জিয়া, সারাদেশে দোয়া-মোনাজাতের প্রস্তুতি

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর সার্বিক শারীরিক অবস্থা নজরদারিতে রেখেছেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ব্যাক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে নিবিড় পরিচর্যায় রাখা হয়েছে। বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রিপোর্ট মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য আগামীকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর সারাদেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতারা এতে অংশ নেবেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সিনিয়র নেতারাও এতে উপস্থিত থাকবেন।

    গত রোববার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে তাঁকে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবরও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিনি একই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং একদিন পর বাসায় ফিরে যান।

    এর আগে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চার মাস ছিলেন তিনি। সেখানে ‘লন্ডন ক্লিনিকে’ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা হয়। দেশে ফেরার পরও এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চলমান রয়েছে তাঁর চিকিৎসা।

    প্রায় ৮০ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরেই লিভার সিরোসিস, হার্ট ও কিডনি সমস্যা, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা ও সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ব্যবস্থায় রাখা হচ্ছে।

    দেশজুড়ে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া-মোনাজাতের প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও উদ্বেগ বাড়ছে বিএনপি নেত্রীর স্বাস্থ্যের উন্নতি নিয়ে।