Tag: ইশরাক হোসেন

  • ‘রাজপথ ছাড়বো না’—ডিএসসিসি ইস্যুতে ইশরাকের আহ্বানে উত্তাল রাজধানী

    ‘রাজপথ ছাড়বো না’—ডিএসসিসি ইস্যুতে ইশরাকের আহ্বানে উত্তাল রাজধানী

    এবিএনএ: 

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে শপথ গ্রহণ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর রাজপথ। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ডিএসসিসি মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন তার সমর্থকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন— “একটা কথাই বলবো, যতক্ষণ দরকার রাজপথ ছাড়বেন না।”

    বুধবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই বার্তা দেন। তার এই আহ্বানের পরপরই রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবস্থান নেয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।

    🚧 বিক্ষোভে অচল রাজধানী:

    মৎস্য ভবন, কাকরাইল মসজিদ এলাকা এবং যমুনা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন ইশরাকের অনুসারীরা। একইসঙ্গে ডিএসসিসি নগর ভবনের সামনেও আরেকটি বড় অংশ জড়ো হয়ে পড়েছে। এতে নগর ভবনের সামনের সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

    এর ফলে রাজধানীর ওইসব এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। ব্যস্ততম এই এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে।

    🔥 রাজনৈতিক বার্তা পরিষ্কার:

    ইশরাক হোসেনের এই অবস্থান এবং আহ্বান বিএনপির আন্দোলন কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি তার বার্তায় আরও বলেন, “গণতন্ত্রের জন্য যে মূল্য দিতে হয়, আমরা তা দিতেই রাজপথে এসেছি। এখান থেকে পিছু হটা চলবে না।”

    বিএনপি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, দলীয় ফোরামে ইশরাককে নিয়ে শপথ ইস্যুতে সৃষ্ট জটিলতা আরও বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে রূপ নিতে পারে।

    📌 সতর্ক প্রশাসন:

    অবস্থার গুরুত্ব বিবেচনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও দেখা গেছে সতর্ক অবস্থানে। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে জন্য নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • ইশরাককে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব না দিলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: নগর ভবন ঘেরাওয়ে হুঁশিয়ারি

    ইশরাককে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব না দিলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: নগর ভবন ঘেরাওয়ে হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রের দায়িত্ব ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নগর ভবনের সামনের এলাকা। সোমবার বিকেলে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে নগর ভবনের সামনেই পালন করা হবে একটানা অবস্থান কর্মসূচি।

    আন্দোলনের অন্যতম মুখপাত্র সাবেক সচিব মশিউর রহমান এদিন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে বলেন, “এই যৌক্তিক দাবি বারবার জানানো সত্ত্বেও সরকার রহস্যজনকভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। এমন হঠকারী আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”

    তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি আগামীকাল পর্যন্ত এই দাবি না মানা হয়, তাহলে এর দায় সরকারের ঘাড়েই যাবে। আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।”

    এর আগেই সোমবার সকাল ১১টা থেকে ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে নগর ভবনের সামনে এবং আশপাশে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা। বঙ্গমার্কেট গোলাপ শাহ মাজার সংলগ্ন সড়কও অবরোধ করে দেওয়া হয়। এতে পুরো এলাকাতেই সৃষ্টি হয় অচলাবস্থা।

    এই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে আগের দিনগুলোতেও আন্দোলনকারীরা সচিবালয় অভিমুখে বিশাল মিছিল বিক্ষোভ করেছেন। শনিবার রবিবারের কর্মসূচিতে হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তাদের একটিই দাবি—ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে দ্রুত মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে।

    মশিউর রহমান আরও বলেন, “এই আন্দোলন কেবল ইশরাককে নিয়ে নয়, এটি ঢাকাবাসীর গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লড়াই। আমরা পিছু হটছি না, এই লড়াই চলবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত।”

  • ইশরাক সমর্থকদের অবরোধে অচল নগর ভবন, সোমবার ঘোষিত হলো ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি

    ইশরাক সমর্থকদের অবরোধে অচল নগর ভবন, সোমবার ঘোষিত হলো ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি

    এবিএনএ: ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনরত সমর্থকরা আগামীকাল সোমবার নগর ভবনে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

    তাদের দাবি, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নগর ভবনের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগর ভবনের সামনে তারা অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

    রবিবার এক প্রতিবাদ সমাবেশে ঢাকাবাসীর পক্ষে আন্দোলনের ঘোষণা দেন মশিউর রহমান। তিনি বলেন, “আমরা দাবি করছি, নগর ভবনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হোক। আমাদের আন্দোলন চলবে যতক্ষণ না ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।”

    আন্দোলন চলাকালে সমর্থকদের মুখে শোনা গেছে—“দফা এক দাবি এক, আসিফের পদত্যাগ”—এই স্লোগান।

    নগর ভবনের সামনে টানা চার দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। আন্দোলনকারীরা ভবনের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়ায় প্রশাসনিক কাজকর্ম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

    সকাল থেকে বিভিন্ন সেবা নিতে নগর ভবনে আসা অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন, কেউ কেউ দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও সেবা পাচ্ছেন না।

    নগর ভবনের অভ্যন্তরে কর্মীদের প্রবেশ স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় নাগরিক সেবায় মারাত্মক প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

    আন্দোলনকারীরা বলছেন, এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হলেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা পিছু হটবেন না। আগামীকাল ঘোষিত ‘ব্লকেড’ সফল করতে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন পুরোদমে।

    সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরাসরি কোনো সমঝোতা বা আলোচনা হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

  • ইশরাককে মেয়র ঘোষণার রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট, শপথ না নেওয়ার আবেদন

    ইশরাককে মেয়র ঘোষণার রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট, শপথ না নেওয়ার আবেদন

    এবিএনএ:  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথগ্রহণ ঠেকাতে এবং তাকে মেয়র ঘোষণা করা রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের হয়েছে।

    বুধবার মো. মামুনুর রশিদ নামে একজনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী আকবর আলী রিট আবেদন করেন। তিনি জানান, আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টে বিষয়টি শুনানির জন্য তোলা হবে।

    রিট আবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় যেন ইশরাক হোসেনকে শপথ পাঠ না করায় এবং একই সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়, যেন নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিরুদ্ধে প্রতারণা জালিয়াতির অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    এর আগে গত ২৭ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের নতুন মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে। অথচ তার আগেই দুই নাগরিকের পক্ষে এক আইনজীবী নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ দিয়ে গেজেট প্রকাশ শপথ বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়ে ছিলেন।

    মামলার পেছনের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস বিজয়ী হন। তবে চলতি বছরের ২৭ মার্চ নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম পূর্বঘোষিত ফল বাতিল করে ইশরাককে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

    এই রায়ের পর ২২ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে গেজেট প্রকাশের বিষয়ে মতামত চায় এবং মাত্র পাঁচ দিন পরেই, ২৭ এপ্রিল গেজেট জারি করা হয়।

    নতুন রিটে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—এই রায় গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া কতটা আইনগতভাবে সঠিক হয়েছে, এবং এর পেছনে কোনো অনিয়ম বা জালিয়াতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার।

    আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। শপথ গ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও, বিষয়টি এখন পুরোপুরি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।