Tag: ইশরাক হোসেন

  • প্রথমবার এমপি হয়েই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব, তবু ‘নগর ভবন’ ছুঁতে চান ইশরাক হোসেন—কেন এই নতুন সমীকরণ?

    প্রথমবার এমপি হয়েই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব, তবু ‘নগর ভবন’ ছুঁতে চান ইশরাক হোসেন—কেন এই নতুন সমীকরণ?

    এবিএনএ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে উত্তরাধিকারের ছায়া ছাড়িয়ে নিজস্ব পরিচয় গড়ার চেষ্টা করছেন তরুণ নেতা ইশরাক হোসেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রথমবার সংসদে গিয়েই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া—এই অর্জন তাকে দেশের কনিষ্ঠ নীতিনির্ধারকদের কাতারে এনে দিয়েছে। তবে ক্ষমতার মঞ্চে উঠেও তার চোখ ঢাকার পুরোনো স্বপ্নে—নগর ভবন।

    পারিবারিক ঐতিহ্য থেকে রাজনীতির মাঠে

    রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠলেও দীর্ঘদিন সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না ইশরাক। বাবার মৃত্যুর পর মাঠে নামেন তিনি। খুব অল্প সময়েই শিক্ষিত, স্পষ্টভাষী ও মাঠে নামা নেতা হিসেবে দলীয় কর্মী ও নগরবাসীর দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন।

    শিক্ষাজীবন ও পেশাগত অভিজ্ঞতা

    ঢাকার স্কলাস্টিকা থেকে ও-লেভেল ও এ-লেভেল শেষ করে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেন। University of Hertfordshire থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর মোটরগাড়ি শিল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

    সিটি নির্বাচন ও আইনি লড়াইয়ের অধ্যায়

    ২০২০ সালের বিতর্কিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও মাঠে থাকা তাকে ‘লড়াকু’ রাজনীতিকের পরিচিতি দেয়। ফলাফল নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ে তার পক্ষে রায় আসে—যা নগর রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দেয়।

    এমপি থেকে প্রতিমন্ত্রী—রাজনীতির নতুন অধ্যায়

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে জয়ী হওয়ার পরপরই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষা, কল্যাণ কার্যক্রমের আধুনিকায়ন এবং তরুণদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই।

    আবারও মেয়র পদে লড়াইয়ের ইঙ্গিত

    মন্ত্রীসভায় থেকেও ঢাকাকেন্দ্রিক রাজনীতির টান ছাড়তে পারেননি ইশরাক। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি আবারও ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা জানান। সমর্থকদের মতে, বাবার অসমাপ্ত নগর উন্নয়নের স্বপ্ন বাস্তবায়নই তার প্রধান লক্ষ্য।

    রাজপথের সংগ্রাম ও তরুণদের সংযোগ

    আধুনিক ভাষ্য, প্রযুক্তি-বান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় উপস্থিতি—সব মিলিয়ে নতুন প্রজন্মের রাজনীতির এক আলাদা মুখ হয়ে উঠছেন তিনি। আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থাকা, মামলা-মোকদ্দমা ও গ্রেপ্তারের অভিজ্ঞতা তার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে কর্মীদের কাছে।

    সামনে চ্যালেঞ্জ কোথায়

    জাতীয় নীতিনির্ধারণের দায়িত্ব আর ঢাকার নগর রাজনীতিতে সরাসরি ভূমিকা—দুটি ময়দান একসঙ্গে সামলানো সহজ নয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলেই তার রাজনৈতিক যাত্রা আরও শক্ত ভিত পাবে।

  • নারীদের অধিকার রক্ষায় বিএনপির কঠোর অঙ্গীকার, নির্বাচনী প্রচারে ইশরাক হোসেনের বার্তা

    নারীদের অধিকার রক্ষায় বিএনপির কঠোর অঙ্গীকার, নির্বাচনী প্রচারে ইশরাক হোসেনের বার্তা

    এবিএনএ: নারী সমাজের অধিকার, নিরাপত্তা ও সম্মান রক্ষায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

    রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সূত্রাপুরের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    ইশরাক হোসেন জানান, সম্প্রতি কর্মজীবী কয়েকজন নারী তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গেলে নারীদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

    আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই নির্বাচনই নির্ধারণ করবে আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা। গত ১৭ বছরে বিএনপি নেতাকর্মীরা আন্দোলন-সংগ্রামের পথে নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় ছাত্রনেতাদের গুম ও হত্যার ঘটনাও তুলে ধরেন।

    ইশরাক হোসেন বলেন, বিএনপি একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায়, যাতে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ী হবে কেবল কোনো দল নয়—জয়ী হবে বাংলাদেশ ও এর জনগণ।

    নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শান্ত পরিবেশ বজায় রাখতে হবে এবং প্রতিপক্ষের কোনো উসকানিতে পা দেওয়া যাবে না। দেশজুড়ে বিএনপির যে ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে, তা নষ্ট করার কোনো অপচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না।

    তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। তার মতে, বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হবেন।

    বক্তব্যের শেষাংশে ইশরাক হোসেন বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ও অবদানের ধারাবাহিকতায় বিএনপি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মৌলিক ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাবে।

    এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সাইদুর রহমান মিন্টু, সূত্রাপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ আজিজুল ইসলাম, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর এম এ সাহেদ মন্টুসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • ইতিহাস কাউকে ছাড় দেয় না: ইশরাককে ঘিরে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের কড়া বার্তা

    ইতিহাস কাউকে ছাড় দেয় না: ইশরাককে ঘিরে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের কড়া বার্তা

    এবিএনএ:  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইস্যু ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের এক মন্তব্যের পাল্টা জবাবে কড়া বার্তা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি বলেন, “ইতিহাস কাউকেই ছাড় দেয় না, যার প্রাপ্য তাকে একদিন ঠিকই বুঝিয়ে দেয়।”

    বুধবার বিকেলে দেওয়া ওই ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ একাধিক প্রশ্ন তুলে বলেন, “আমার ছবিতে জুতা মারা, আমার বাবাকে ‘চালচোর’ বলা কিংবা আন্দোলনে সংঘর্ষ ও মানুষের দুর্ভোগের জন্য কেউ কি ক্ষমা চেয়েছে?” তিনি আরও বলেন, “সরকার আলোচনার প্রস্তাব দিলেও তা যারা অহংকারে প্রত্যাখ্যান করেছে, তারাই আসলে ভোগান্তির জন্য দায়ী। এখন উল্টো আমাকেই কেন ক্ষমা চাইতে হবে?”

    উল্লেখ্য, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর দাবিতে তাঁর সমর্থকরা দুই মাস ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি নগর ভবনে সংঘর্ষে আহতদের দেখতে গিয়ে উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইশরাক, এবং তাকে ক্ষমা চাইতে বলেন।

    এই প্রেক্ষিতে ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, “আমি বলেছিলাম— কয়েকজন নেতার প্ররোচনায় আন্দোলন হয়েছে। আমি মিথ্যা বলিনি, বরং তিনিও (ইশরাক) জানেন যে তাকে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। তিনি একাধিক ব্যক্তিকে সেটা স্বীকারও করেছেন।”

    ব্যক্তিগতভাবে কখনো কাউকে ছোট করেননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গত দেড় মাসে একবারের জন্যও ভদ্রতার সীমা অতিক্রম করিনি। ব্যক্তিগত আক্রমণ করিনি। কারণ আমার রাজনীতি, আমার পরিবার আমাকে তা শেখায়নি। আমি চুপ থেকেছি, কিন্তু তার মানে এই নয় যে অন্যায়গুলো চুপচাপ মেনে নেব।”

    তিনি লেখেন, “আমার পরিবার বা পথচলা কখনো প্রতিশোধের শিক্ষা দেয়নি। কিন্তু সত্য কখনো হার মানে না। ইতিহাস তার বিচার ঠিকই করে।”

    এ পোস্টে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার ঝড় ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা সময়ই বলবে।

  • নগর ভবনে ইশরাক সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, সাংবাদিককে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি!

    নগর ভবনে ইশরাক সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, সাংবাদিককে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি!

    এবিএনএ:  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঘনিষ্ঠ শ্রমিক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় সংঘর্ষ কাভার করতে যাওয়া একাধিক সাংবাদিক আক্রান্ত হন, এমনকি একজনকে ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১২টার দিকে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান প্রিন্স তার সমর্থকদের নিয়ে নগর ভবনে প্রবেশ করলে সেখানে উপস্থিত দলের আরেক পক্ষের নেতা আরিফ চৌধুরীর অনুসারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তেই তা রূপ নেয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায়। দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হলেও তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

    পরে দেখা যায়, আরিফুজ্জামানের অনুসারী সন্দেহে নগর ভবনের এক কর্মী শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে মারধর করা হয়। পুলিশ হস্তক্ষেপ করলেও ইশরাক সমর্থকরা তাকে পুলিশের কাছে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানান। একইভাবে আরেক ব্যক্তিকেও প্রিন্সের অনুসারী সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হতে হয়। পুলিশ পরে দুইজনকেই উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    ঘটনার বিষয়ে আরিফুজ্জামান প্রিন্স দাবি করেন, নগর ভবনে তাদের শান্তিপূর্ণ প্রবেশকে প্রতিহত করতে প্রতিনিয়ত বহিরাগতরা হুমকি ও হামলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি জানান, তারা একত্রে প্রবেশের চেষ্টা করলেই প্রতিপক্ষ অতর্কিত হামলা চালায়।

    অন্যদিকে, আরিফ চৌধুরীর ভাষ্যমতে, তারা শান্তিপূর্ণভাবে নগর ভবনে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে বহিরাগত কিছু ব্যক্তি এসে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে অন্তত আটজনকে আহত করে।

    এই সংঘর্ষ চলাকালে সংবাদ সংগ্রহে থাকা সাংবাদিকদেরও ছাড় দেওয়া হয়নি। নাগরিক টেলিভিশনের রিপোর্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শিশির জানান, তিনি ভিডিও ধারণ করছিলেন, এমন সময় তার মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে সব ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলা হয়। এমনকি তাকে ছুরি দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়।

    এনটিভির রিপোর্টার নাজিবুর রহমানও জানান, তাকে এবং তার ক্যামেরাম্যানকে ভয় দেখিয়ে ভিডিও ধারণ থেকে বিরত রাখা হয়।

    এই ঘটনায় নগর ভবনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং তথ্য সংগ্রহের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে ইশরাকপন্থীদের বিরুদ্ধে।

  • ইশরাক হোসেনের হুঁশিয়ারি: আন্দোলন থামবে না, জরুরি সেবা চলবে আগের মতো

    ইশরাক হোসেনের হুঁশিয়ারি: আন্দোলন থামবে না, জরুরি সেবা চলবে আগের মতো

    এবিএনএ:

    বিএনপি নেতা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রার্থী ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, তাকে মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার সুযোগ না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, এ আন্দোলনের কারণে নগরবাসীর জরুরি নাগরিক সেবা ব্যাহত হবে না।

    রবিবার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় রাজধানীর নগর ভবনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে ইশরাক এই ঘোষণা দেন। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন করছি। জনগণের সেবা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে আমাদের সর্বোচ্চ নজর থাকবে।”

    তিনি আরও বলেন, “ডিএসসিসির দায়িত্ব নেওয়ার বৈধ অধিকার থেকে আমাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি, তাই আমার শপথ গ্রহণের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”

    এদিকে, সকাল থেকেই বিএনপির অসংখ্য নেতা-কর্মী নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ইশরাকের পক্ষে স্লোগান দিচ্ছেন এবং তাকে দ্রুত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।

    আন্দোলনের ফলে জনজীবন কিছুটা প্রভাবিত হলেও ইশরাক নিশ্চিত করেন যে, চিকিৎসা, পানি, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জরুরি নাগরিক সেবা চালু থাকবে।

    ডিএসসিসির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লেও, সাধারণ নাগরিকদের জন্য স্বস্তির বার্তা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন—আন্দোলন চললেও সেবামূলক কার্যক্রম থেমে থাকবে না।


  • ভোটারদের নিয়ে নিজেই শপথ নেব: মেয়র পদে হুঁশিয়ারি ইশরাক হোসেনের

    ভোটারদের নিয়ে নিজেই শপথ নেব: মেয়র পদে হুঁশিয়ারি ইশরাক হোসেনের

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রপদে শপথ গ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নতুন মোড় নিয়েছে। বিএনপি নেতা ও ডিএসসিসির নির্বাচিত মেয়র হিসেবে ঘোষিত ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, সরকার যদি দ্রুত শপথ গ্রহণের সুযোগ না করে, তবে তিনি নিজেই ঢাকার ভোটারদের নিয়ে নগর ভবনে প্রবেশ করে চেয়ারে বসবেন এবং শপথ নেবেন।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন ইশরাক।

    তিনি বলেন, “নগর ভবন কিভাবে চলবে সেটা ঠিক করবে ঢাকাবাসী, কোনো অনির্বাচিত উপদেষ্টা বা নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক নয়। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবেই আমি দায়িত্ব পালন করবো।”

    ইশরাক আরও অভিযোগ করেন, “মেয়র পদে শপথে বিলম্ব করে সরকার জনগণের রায় অস্বীকার করছে। এটা নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি অবিশ্বাস বাড়াচ্ছে।”

    এ নিয়ে নগর ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি সমর্থকরা। ফলে ডিএসসিসির হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তোলে বিএনপি। ইশরাক হোসেন সে সময় বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে চলতি বছরের ২৭ মার্চ নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করে এবং ২৭ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে।

    তবে ওই গেজেট ও রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়, যা আদালত খারিজ করে দেয় ২২ মে। পরে ‘লিভ টু আপিল’ দাখিল করা হলে ২৯ মে আদালত তা নিষ্পত্তি করে বলে নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে স্বাধীন।

    এই অবস্থায় বিএনপি ও ইশরাক হোসেনের দাবি—গেজেট প্রকাশের পর আর বিলম্বের সুযোগ নেই, অবিলম্বে শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে।

  • ইশরাক হোসেনের শপথ নিয়ে সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে ইসি, আদেশের কপি হাতে পেল কমিশন

    ইশরাক হোসেনের শপথ নিয়ে সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে ইসি, আদেশের কপি হাতে পেল কমিশন

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) আদালতের দেওয়া আদেশের অনুলিপি হাতে পেয়েছে। এই আদেশ পর্যালোচনা করে আগামীকাল (রবিবার) কমিশনে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে শপথ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “আদালতের আদেশের অনুলিপি আমরা হাতে পেয়েছি। পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে কমিশনে আলোচনা হবে।”

    এর আগে বিকেলে আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, “ইশরাক হোসেনের বিষয়েও আদালতের নির্দেশনা পাওয়া গেলে তা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    ইসি সূত্রে জানা গেছে, কালকের বৈঠকে আদেশের সারসংক্ষেপ ও আইনি দিক বিবেচনা করে গেজেট প্রকাশ, শপথ গ্রহণসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এর আগে, ২৯ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এক আবেদনের নিষ্পত্তি করে ইশরাক হোসেনের শপথ নিতে আর বাধা নেই বলে পর্যবেক্ষণ দেয়। আদালত স্পষ্টভাবে জানায়, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি রয়েছে।

    শীর্ষ আদালত আরও বলেছে, সংবিধান অনুযায়ী ইসি স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও তারা আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে, যা তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতার ব্যত্যয়। বরং সংবিধানের বিধান অনুযায়ী আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছিল ইসিকে সহযোগিতা করা, বাধা নয়।

    সবমিলিয়ে, আদালতের রায়ের আলোকে এখন সবার নজর ইসির আগামী দিনের পদক্ষেপের দিকে। ইশরাক হোসেন কবে নাগাদ শপথ নিতে পারবেন, সে বিষয়ে সম্ভাব্য ঘোষণা আসতে পারে আগামীকাল।

  • ইশরাককে শপথ না দিলে নগর ভবনের তালা খুলবে না: হুঁশিয়ারি আন্দোলনকারীদের

    ইশরাককে শপথ না দিলে নগর ভবনের তালা খুলবে না: হুঁশিয়ারি আন্দোলনকারীদের

    এবিএনএ, ঢাকা:

    বিএনপি নেতা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ানো পর্যন্ত নগর ভবনের মূল ফটক খোলা হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন তার সমর্থক ও সিটি করপোরেশনের শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা।
    মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে নগর ভবনের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে এমন ঘোষণা আসে।

    নগর ভবনের ফটকে তালা লাগিয়ে রাখা হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিভাগ এবং জরুরি নাগরিক সেবা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ও সাবেক সচিব মশিউর রহমান। তিনি জানান, শহরবাসী যেন দুর্ভোগে না পড়ে, সে জন্য ময়লা অপসারণসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজ চালু থাকবে।

    তিনি আরও বলেন, “ইশরাক হোসেনকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানো না হলে, আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাব। এই আন্দোলন ঢাকাবাসীর পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক দাবি আদায়ের একটি অংশ।”

    ১৪ মে থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ইতোমধ্যেই এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলছে। প্রতিদিনই নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিচ্ছেন ইশরাকের কর্মী-সমর্থক ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অনেক কর্মচারী। মূল ভবনে প্রবেশে বাধা থাকায় সেখানে নাগরিক সেবার বেশিরভাগ কাজ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

    আন্দোলনকারীদের দাবি, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে ইশরাক হোসেনের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হলে নগর ভবন ঘিরে চলমান এই কর্মসূচি আরও কঠিন হতে পারে। তারা বলেন, “ঢাকাবাসীর রায়কে উপেক্ষা করে মেয়রের শপথ আটকে রাখা গণতন্ত্র ও জনমতের প্রতি চরম অবমাননা।”

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আন্দোলন চলাকালীন মেয়রের দায়িত্বে কেউ নেই, যার ফলে নাগরিক সেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে চরম ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

    সচেতন মহলের মত, এই রাজনৈতিক অচলাবস্থা দ্রুত নিরসন না হলে জনজীবনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে। সরকার ও প্রশাসনের উচিত সুষ্ঠু আলোচনার মাধ্যমে এর সমাধান খোঁজা।

  • হাইকোর্ট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, সারজিস আলমকে আইনি নোটিশ জারি

    হাইকোর্ট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, সারজিস আলমকে আইনি নোটিশ জারি

    এবিএনএ: 

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলমকে হাইকোর্টের বিরুদ্ধে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী মো. জসিম উদ্দিন এই নোটিশটি প্রেরণ করেন।

    সম্প্রতি বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর জন্য করা রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায়ের যৌথ বেঞ্চ। রিট খারিজ হওয়ার পরপরই এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি বিতর্কিত স্ট্যাটাস দেন।

    ওই পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, “মব তৈরি করে যদি হাইকোর্টের রায় নেওয়া যায় তাহলে এই হাইকোর্টের দরকার কি?” — যা আদালতের মর্যাদার পরিপন্থী এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

    আইনি নোটিশে সারজিস আলমকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিতভাবে দুঃখ প্রকাশ করার পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত দুই ঘণ্টার মধ্যে এই পদক্ষেপ না নিলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ বিষয়ে অনেকেই মত দিয়েছেন যে, এ ধরনের মন্তব্য একজন সংগঠকের কাছ থেকে অনভিপ্রেত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন। আদালতের প্রতি সম্মান রক্ষা করা সকল নাগরিকের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

    সারজিস আলমের প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি, তবে তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আদালতের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আগ্রহ দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক ও আইনজীবী মহলে।

  • ইশরাকের মেয়র শপথে আর কোনো বাধা নেই, হাইকোর্টে রিট খারিজ

    ইশরাকের মেয়র শপথে আর কোনো বাধা নেই, হাইকোর্টে রিট খারিজ

    এবিএনএ: 

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে বিএনপির নেতা ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা নেই। নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশ ও শপথে বিরত রাখার আবেদন সংক্রান্ত রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায়ের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এ রায়ের ফলে, ২০২০ সালের নির্বাচনে দেওয়া নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইশরাক হোসেনের মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণে আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা রইল না বলে জানান তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

    উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টে ছাত্র ও জনগণের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সব সিটি করপোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়। এরপর অতিরিক্ত সচিব শাহজাহান মিয়াকে ঢাকা দক্ষিণের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    পরে, নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ২৭ মার্চের রায়ে ২০২০ সালের নির্বাচনে দেওয়া ফলাফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে বৈধ মেয়র ঘোষণা করে। আদালত ১০ দিনের মধ্যে এ গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেয়, যা ২৭ এপ্রিল প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।

    তবে একইদিনেই গেজেট ও শপথ গ্রহণ বন্ধে দুটি আইনি নোটিশ দিয়ে আপিলের ঘোষণা দেন রফিকুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ নামে দুই ব্যক্তি। এরপর মামুনুর রশিদ হাইকোর্টে রিট করেন। এতে গেজেট ও রায়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে শপথ বন্ধে নির্দেশনা চাওয়া হয়।

    আদালতে আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও কায়সার কামাল যুক্তি দেন, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার এখতিয়ার কেবল মামলার বিবাদী পক্ষের, যেমন সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপসের। অন্য কেউ রিট দায়ের করতে পারেন না, তাই এই রিট আইনত অযোগ্য।

    দুই পক্ষের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায়ের দিন নির্ধারণ করে আদালত এবং রিট আবেদন খারিজ করে দেন।

    এর ফলে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনের শপথের আর কোনো আইনি বাধা রইল না। ইতোমধ্যে তার সমর্থকেরা মৎসভবন ও কাকরাইল এলাকায় অবস্থান নিয়ে দ্রুত শপথ গ্রহণের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।