Tag: ইনকিলাব মঞ্চ

  • হাদি’র উপর হামলার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

    হাদি’র উপর হামলার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

    এবিএনএ, শরণখোলা: শুক্রবার দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বাগেরহাটের শরণখোলায় বিক্ষোভ মিছিল ও বিক্ষোভ সভা করেছে শরণখোলা উপজেলা বিএনপি। ১৩ ডিসেম্বর শনিবার বিকেল ৪:০০ টায় শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা পাঁচরাস্তা থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি রায়েন্দা বাজার প্রদক্ষিণ করে শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে শেষ হয়।

    বিক্ষোভ মিছিল শেষে শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খান মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন, শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন বাদল, সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল আলম লিটন,ধানসাগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অহিদুজ্জামান বাবু, রায়েন্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ, শরণখোলা উপজেলা যুবদল নেতা মাসুম হোসেন, শরণখোলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মদলের সভাপতি রবিউল ইসলাম, খোন্তাকাটা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি স্বাধীন জোমাদ্দারসহ শরণখোলা উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

    এ সময় সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল আলম লিটন বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতেই ওসমান হাদীর উপর হামলা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের গুন্ডারা এই ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

    শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন বাদল বলেন, ওসমান হাদীর উপর হামলা সম্পুর্ন পরিকল্পিত। জুলাই আন্দোলনের অগ্রসেনা ওসমান হাদীর উপর হামলায় জড়িতদের অতিদ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।

    শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খান মতিয়ার রহমান বলেন, ওসমান হাদীর উপর হামলা বর্তমান বাংলাদেশে একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এই ঘটনায় আওয়ামী প্রেতাত্মারা জড়িত। শরণখোলা উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ওসমান হাদীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।

  • হাদিকে গুলির ঘটনার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ

    হাদিকে গুলির ঘটনার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ

    এবিএনএ,মোংলা: ঢাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদির উপর গুলির ঘটনার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের পৌর ও উপজেলা শাখার আয়োজনে নেতা-কর্মীরা শুক্রবার রাতে মোংলা পৌর শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে পৌর মার্কেট চত্বরে আধা ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

    এ অবস্থান কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের মোংলা পৌর সভাপতি মোঃ নাঈম বিন রফিক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলআমিন কাজী, উপজেলা সভাপতি মোঃ ফরহাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল বিন আব্দুল আজিজ ও পৌর যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম।

    এ সময় বক্তারা বলেন, হাদির উপর যারা গুলি চালিয়েছে তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। প্রয়োজনে আবারও জুলাইর মত আন্দোলন শুরু করা হবে।

    বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচি শেষে হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • ইনকিলাব মঞ্চের হাদিকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

    ইনকিলাব মঞ্চের হাদিকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল করেছে একাধিক সংগঠন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘বীর চট্টলার ছাত্র-জনতা’ ব্যানারে নগরীর দুই নম্বর গেইট এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। তারা অবিলম্বে হাদির হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    মিছিলে এনসিপি, ইনকিলাব মঞ্চ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ছিলেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব সাগুফতা বুশরা মিশমা ও চট্টগ্রাম নগরের সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয়কে দেখা যায় মিছিলে।

    সন্ধ্যা ৬টায় নগরীর বিপ্লব উদ্যানে অবস্থান নেয় শতাধিক ছাত্রজনতা। পরে তারা দুই নম্বর গেট মোড়ে গিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। সেখানে ১০ মিনিট অবস্থানের পর মিছিল নিয়ে নগরীর জিইসি মোড়ের দিকে যান বিক্ষোভকারীরা।

    রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর দেওয়ানহাট মোড় থেকে আগ্রাবাদ পর্যন্ত মিছিল করে ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম নগর দক্ষিণ শাখা। আর রাত ৯টায় নগরীর চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম নগর উত্তর শাখা।
    এর আগে বিকেলে নগরীর বিপ্লব উদ্যান এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে নগর ছাত্রদল।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু):
    ক্যাম্পাসের জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দীর মোড় ঘুরে আবার জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ শেষে মাগরিবের নামাজের পর জিরো পয়েন্ট মসজিদে ওসমান হাদির সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল হয়।

    শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকার বিজয়নগরে বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হাদি। মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।পরে তাকে ‘লাইফ সাপোর্টে’ রাখার কথা জানান হাসপাতালের পরিচালক। এখন তাকে ঢাকার বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

  • গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদির জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, উন্নত চিকিৎসায় এভারকেয়ারে স্থানান্তর

    গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদির জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, উন্নত চিকিৎসায় এভারকেয়ারে স্থানান্তর

    এবিএনএ: গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাঁর মাথা, বুকে ও পায়ের আঘাতের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, হাদির মাথায় বুলেটবিদ্ধ ক্ষত রয়েছে, পাশাপাশি বুকেও আঘাত পাওয়া গেছে। পায়ের চোটটি রিকশা থেকে পড়ে যাওয়ার কারণে হতে পারে বলে ধারণা করছেন চিকিৎসকরা।

    তিনি আরও জানান, পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাদিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। প্রথমে তাঁকে সিএমএইচে নেওয়ার কথা থাকলেও পরিবার পরে মত বদলে এভারকেয়ারকেই চূড়ান্ত করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আগেই প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

    এর আগে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে বিজয়নগর কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় চলার সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত হাদির ওপর গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলি তাঁর বাম কানের নিচে বিদ্ধ হয়। আহত অবস্থায় সহকর্মীরা তাঁকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন, যেখানে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করা হয়।

  • অবস্থা গুরুতর, সিএমএইচে নেওয়ার প্রস্তুতি ওসমান হাদীর: ঢামেক পরিচালকের সর্বশেষ আপডেট

    অবস্থা গুরুতর, সিএমএইচে নেওয়ার প্রস্তুতি ওসমান হাদীর: ঢামেক পরিচালকের সর্বশেষ আপডেট

    এবিএনএ: সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদীর চিকিৎসায় নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হতে পারে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢামেকের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, “ওসমান হাদীর মাথার অস্ত্রোপচার চলছে। সরকারিভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—তার অবস্থা নিয়ন্ত্রণে এলেই সিএমএইচে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে।”

    হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক মোস্তাক আহমেদ জানান, ওসমান হাদীর সিটি স্ক্যান সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে। তিনি এখনো সংকটাপন্ন অবস্থায় আছেন।

    এর আগে শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে এসে দুজন সশস্ত্র ব্যক্তি রিকশায় থাকা ওসমান হাদীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বেলা ২টা ৩৫ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ জানান, গুলিবর্ষণকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

  • ঢামেকে গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদীর জরুরি মস্তিষ্ক অস্ত্রোপচার চলমান, উদ্বেগে স্বজন-সমর্থকরা

    ঢামেকে গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদীর জরুরি মস্তিষ্ক অস্ত্রোপচার চলমান, উদ্বেগে স্বজন-সমর্থকরা

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদী গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তার সিটি স্ক্যান সম্পন্ন করে জরুরি ভিত্তিতে মাথায় অস্ত্রোপচার শুরু করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসক দল। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক।

    শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢামেক জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাক আহমেদ জানান, রোগীকে আনা মাত্রই জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে মাথায় জটিল আঘাত ধরা পড়ায় দ্রুত সার্জারি শুরু করা হয়েছে।

    এর আগে দুপুরে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি রিকশায় থাকা ওসমান বিন হাদীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। দ্রুত স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসে।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী রিকশা করে যাওয়ার সময় কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহীরা কাছে এসে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, তা উদঘাটনে একাধিক পুলিশ টিম মাঠে নেমেছে।

    হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঢামেক হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জুলাই অভ্যুত্থান আন্দোলনের অনেকে হাসপাতালে জড়ো হন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও সেখানে গিয়ে অবস্থার খোঁজখবর নেন।

    এদিকে হাসপাতালের সামনে সংগঠক ও সমর্থকরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্লোগান দিচ্ছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।