Tag: ইনকিলাব মঞ্চ

  • শাহবাগে হঠাৎ সংঘর্ষে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে আহত ৩০—রক্তাক্ত ইনকিলাব মঞ্চ

    শাহবাগে হঠাৎ সংঘর্ষে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে আহত ৩০—রক্তাক্ত ইনকিলাব মঞ্চ

    এবিএনএ: রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে শুক্রবার বিকেলে পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপে অন্তত ৩০ জন আন্দোলনকারী আহত হন। আহতদের মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ডাকসুর নেত্রী ফাতেমা তাসনিম জুমা এবং রাকসুর নেতা সালাউদ্দিন আম্মার রয়েছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেল ৪টার দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে আন্দোলনকারীরা যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের স্থাপন করা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে গেলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করে।

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা সম্প্রতি সংগঠনের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পরিচালনা এবং জড়িতদের বিচারের দাবিতে ওই এলাকায় বিক্ষোভ করছিলেন।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষে আহত বহু আন্দোলনকারী সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক জানান, অধিকাংশ আহত ব্যক্তি লাঠিপেটা ও দৌড়ঝাঁপের সময় পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত কোনো গুলিবিদ্ধ রোগী শনাক্ত হয়নি।

    তবে সংঘর্ষের পর ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই দাবি নিশ্চিত করেনি।

    ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ফারুক জানান, আহতের সংখ্যা ৩০ থেকে ৩৫ জনের মধ্যে হতে পারে। তবে কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।

    এর আগে একই দিনে যমুনার সামনে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচিকেও কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনার ঘটনা ঘটে, যেখানে কয়েকজন আহত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

  • খুনিদের ধরতে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিল ইনকিলাব মঞ্চ, শাহবাগে আবারও কর্মসূচি

    খুনিদের ধরতে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিল ইনকিলাব মঞ্চ, শাহবাগে আবারও কর্মসূচি

    এবিএনএ: শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। একই সঙ্গে হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সে বিষয়ে জনগণের সামনে স্বচ্ছ জবাবদিহির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

    শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের এ আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন। এর আগে দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি বলেন, হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রত্যক্ষ ঘাতক থেকে শুরু করে পরিকল্পনাকারী ও সহায়তাকারী—সবার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    তিনি জানান, আগামী রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় শাহবাগে আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও সহকারী উপদেষ্টাকে জনগণের সামনে এসে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা না হলে তাদের পদত্যাগ দাবি করা হবে।

    আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, “এটি কোনো একক ব্যক্তির কাজ নয়। এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়। আমরা কাউকে অন্ধভাবে দোষারোপ করছি না, আবার কাউকে সন্দেহের ঊর্ধ্বেও রাখছি না।”

    তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদির রাজনৈতিক সংগ্রাম কেবল একটি দলের জন্য নয়, বরং বিভিন্ন মহলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিল। তাই এই হত্যাকাণ্ডকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    তিনি আরও বলেন, হত্যার ১৭২ ঘণ্টা পার হলেও রাষ্ট্র এখনো জানাতে পারেনি—খুনিরা কোথায়। “ওসমান হাদির রক্তের বিনিময়ে আমরা ঘোষণা করছি—খুনিদের সঙ্গে কোনো আপস নেই। যারা গণমাধ্যমে বা টকশোতে এই হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করবে, জনগণ তাদের প্রতিহত করবে।”

    নির্বাচন সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, নির্বাচন বানচাল করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক শক্তিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করতেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    বিক্ষোভ চলাকালে জনগণকে শান্ত থাকার এবং ভাঙচুরে না জড়ানোর আহ্বান জানান ইনকিলাব মঞ্চের এই নেতা।

    এদিকে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শাহবাগ এলাকায় নেয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, এপিবিএন ও বিজিবির বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়। প্রস্তুত রাখা হয় জলকামান ও এপিসি। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে মিন্টো রোডমুখী সড়ক সাময়িকভাবে ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ রাখা হয়।

    এর আগে শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়। জানাজা ও দাফনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • চট্টগ্রামে ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা 

    চট্টগ্রামে ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা 

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: সারাদেশের মত চট্টগ্রামেও অনুষ্ঠিত হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে বিকেল চারটায় চট্টগ্রামের সর্বস্থরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে এ জানাজা অনুষ্ঠিতহয়। জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাসহ বিপুলসংখ্যক মুসল্লি এ জানাজায় অংশ নেয়। জানাজা শেষে মিছিল নিয়ে নগরের নিউ মার্কেট মোড়ে গিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়।

    জানাজা পূর্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাবেক সমন্বয়ক জুবায়েরুল ইসলাম মানিক, ইবনে ওমর যায়েদ ও চট্টগ্রাম জুলাই ঐক্যের আহ্বায়ক ইবনে হাসান জিয়াদ।​

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ইবনে ওমর যায়েদ বলেন, আজকের এই জানাজা থেকে আমরা একটি বার্তা দিতে চাই। আমাদের হাদি ভাইয়ের লড়াই ছিল সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে। আমাদের হাদি ভাইয়ের লড়াই ছিল ইনসাফের পক্ষে। আমাদের হাদি ভাইয়ের লড়াই ছিল ইনকিলাবের পক্ষে। আমরা বলতে চাই—ইনসাফের লড়াই, ইনকিলাবের লড়াই। আমরা ফ্যাসিবাদী সরকারকে বিদায় করেছি। সুতরাং কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তি যদি বাংলাদেশকে নেক্সট টার্গেট করতে চায়, বাংলাদেশকে বাইরে ঠেলে দিতে—তাহলে বাংলার জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের প্রতিরোধ করবে, ইনশাআল্লাহ।

    জানাজায় ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন কল্পোলোক আবাসিক জামে মসজিদের খতিব ইমরানুল হক সায়েম

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়​
    শনিবার (২০ ডিসেম্বর) জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)র উদ্যোগে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. আবদুল কাদের।​

    জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অধ্যাপক মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমরা ওসমান হাদির মতো কোনো সন্তানকে হারাতে চাই না। আমরা জীবনের বৃত্ত পূরণ করে ফেলেছি, আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও আল্লাহ যেন এই সন্তানগুলোকে বাঁচিয়ে রাখেন। ওসমান হাদি আমাদের দেখিয়ে গেছেন, কীভাবে স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ন্যায় ও নীতির পথে চলতে হয় এবং কীভাবে দেশের জন্য আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়।’

    চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, ‘মাত্র ৩২ বছর বয়সে আমাদের ভাই ওসমান হাদি বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এত অল্প বয়সে এমন প্রভাব বিস্তার কেউ করতে পারেনি। তিনি যেমন প্রকৃত শত্রু চিনতে পেরেছিলেন, তেমনি তার শত্রুরাও একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিককে চিনতে পেরেছিল।’

    চাকসুর সাধারণ সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিবের সঞ্চালনায় জানাজায় উপস্থিত ছিলেন দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোজাম্মেল হক, চবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, চাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনিসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

  • হাদি হত্যার বিচার দাবীতে চট্টগ্রামে ‘কফিন মিছিল’ 

    হাদি হত্যার বিচার দাবীতে চট্টগ্রামে ‘কফিন মিছিল’ 

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার ও প্রতিবাদে শুক্রবারের দুপুরটা বিক্ষোভে উত্তাল ছিল চট্টগ্রাম নগরী। ‘জুলাই ঐক্যের’ ব্যানারে দুপুরে নামাযের পর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ থেকে কফিন মিছিল করা হয়। যেখানে গেল বছরের জুলাই-অগাস্ট মাসের আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সংগঠনও অংশগ্রহণ করে। জুলাই ঐক্যের ব্যানারে জাতীয় পতাকা মোড়ানো প্রতিকী কফিন নিয়ে আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ থেকে বের হওয়া মিছিলটি জামালখান মোড়ে গিয়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

    বক্তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলমের পদত্যাগ, ওসমান হাদির খুনিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবির পাশাপাশি ভারতীয় আধিপত্যবাদমুক্ত দেশ গড়ার কথা বলেন। সমাবেশে জুলাই ঐক্যের সংগঠক আবরার হাসান রিয়াদের সঞ্চালনায় বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ইবনে হাসান জিয়াদ বলেন, ওসমান হাদি হত্যার দায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এড়াতে পারে না। হত্যাকারীদের জীবিত বা মৃত দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।

    জমিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদ থেকে মিছিল বের করে ইসলামী ছাত্র শিবির।
    মব ট্যাগ দিয়ে যারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিয়েছেন, তাদের বিচার দাবি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব তৌসিফ ইমরোজ।

    গণঅধিকার পরিষদের নেতা জসীম উদ্দিন বলেন, অতীতের যেকোনো সরকারের চেয়ে সবচেয়ে বেশি জনসর্থন নিয়ে ইন্টেরিম সরকার গঠিত হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে তারাই সবচেয়ে ব্যর্থ সরকার। সমাবেশে বক্তরা জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর কোনো হামলা হলে দলমত ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, হাদির স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ধৈর্য্যসহ আন্দোলন চালিয়ে নিতে হবে। কোনো ধরনের উস্কানিতে পা দেওয়া যাবে না।

    সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুবশক্তির নেতা টিপু সুলতান, জুলাই আন্দোলনে নিহত মাহবুবর রহমানের ভাই মঞ্জুর আলমসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    এদিকে জমিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদ থেকে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিল দেওয়ান হাট মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

  • বিদ্রোহী কবির চিরনিদ্রার পাশে বিপ্লবীর শেষ ঠিকানা: নজরুলের সমাধিতে শায়িত শহীদ হাদি

    বিদ্রোহী কবির চিরনিদ্রার পাশে বিপ্লবীর শেষ ঠিকানা: নজরুলের সমাধিতে শায়িত শহীদ হাদি

    এবিএনএ: লাখো মানুষের ভালোবাসা ও অশ্রুসিক্ত বিদায়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন জুলাই বিপ্লবের শহীদ নেতা শরিফ ওসমান বিন হাদি। শনিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন নজরুল সমাধি প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হয়।

    দাফন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদ, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্রসংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    শহীদ হাদির দাফনকে কেন্দ্র করে নজরুল ইসলাম সমাধি কমপ্লেক্স ও আশপাশের পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় রাখা হয়। টিএসসি, কেন্দ্রীয় মসজিদ ও সমাধির প্রধান ফটকের সামনে ব্যারিকেড বসানো হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রীয় মসজিদের একাধিক ফটক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

    এর আগে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা এবং সর্বস্তরের জনগণ।

    জানাজার আগে বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শহীদ হাদির আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। তার ভাই আবু বকর সিদ্দিকও আবেগঘন কণ্ঠে হাদির সংগ্রামী জীবনের কথা তুলে ধরে দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।

    জানাজায় অংশ নিতে সকাল থেকেই সংসদ ভবন এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। অনেক মানুষ ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবস্থান নিয়েই জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

    এর আগে সকালে ময়নাতদন্ত শেষে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে হাদির মরদেহ নেওয়া হয়। সেখানে শেষ গোসল সম্পন্ন করে সংসদ ভবনে জানাজার জন্য পাঠানো হয়।

    শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শনিবার সারাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সব সরকারি ও আধা-সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।

    ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সম্মুখ সারির নেতা ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। তিনি আধিপত্যবাদবিরোধী সংগঠন ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।

    গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে নির্বাচনী প্রচারণাকালে দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। শুক্রবার তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

  • আধিপত্যবাদবিরোধী স্লোগানে মুখর রাজধানী

    আধিপত্যবাদবিরোধী স্লোগানে মুখর রাজধানী

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে ব্যাপক বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি ও আধিপত্যবাদবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে শুক্রবার পুরো শাহবাগ এলাকা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে।

    শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে বিক্ষোভকারীরা শাহবাগে জড়ো হন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনসমাগম বাড়তে থাকায় শাহবাগ কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

    সমাবেশস্থলে ‘দিল্লি না ঢাকা—ঢাকা, ঢাকা’, ‘হাদি ভাই কবরে—খুনি কেন বাইরে’, ‘আজাদী না রাজপথ—রাজপথ, রাজপথ’সহ নানা স্লোগানে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারীরা।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন ঘটলেও তাদের সহযোগীরা এখনো সক্রিয় রয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করতে সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। তিনি হাদি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

    জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান রাশেদ প্রধান বলেন, ওসমান হাদির মৃত্যু একটি আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে এবং দেশের মাটিতে কোনো বিদেশি প্রভাব মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি ঘোষণা দেন।

    সমাবেশে অংশ নেওয়া রায়েরবাগ থেকে আসা বাবলা ও সজীব বলেন, একজন সাহসী কণ্ঠস্বরকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাই খুনিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতেই তারা রাজপথে নেমেছেন।

    কাঁঠালবাগান থেকে আগত মৌসুম সিদ্দিক বলেন, গণআন্দোলনের পরও এমন হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা। তিনি অবিলম্বে দায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চ ছাড়াও জুলাই ঐক্য, এবি পার্টি, ডাকসু, জাগপাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • শেষ ঠিকানায় ওসমান হাদি: ঢাকায় পৌঁছেছে মরদেহ

    শেষ ঠিকানায় ওসমান হাদি: ঢাকায় পৌঁছেছে মরদেহ

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ অবশেষে দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩৮৫ নম্বর ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

    এর আগে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিটে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

    উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মাথায় গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।

    দীর্ঘ চিকিৎসা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল শাহবাগ, ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে ছাত্র-জনতা

    হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল শাহবাগ, ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে ছাত্র-জনতা

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্র-জনতা দলে দলে শাহবাগে এসে জড়ো হতে থাকেন।

    সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। কেউ মিছিল নিয়ে, আবার কেউ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেখানে পৌঁছান। হাতে জাতীয় ও প্রতিবাদী পতাকা, মুখে উচ্চারিত হচ্ছে স্লোগান—হাদির হত্যার বিচার চাই, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান।

    শনির আখড়া এলাকা থেকে আসা মাদ্রাসাছাত্র আশফাকুর রহমান বলেন, শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও সাহসী কণ্ঠস্বর। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। প্রতিবাদ জানাতে আর ঘরে বসে থাকতে পারিনি।

    রামপুরা থেকে আসা ইমরুল কায়েস জানান, হাদির মৃত্যুর খবর গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, এই শোককে শক্তিতে পরিণত করে হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ শুরু হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের মাত্রা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

  • সিঙ্গাপুরে অস্ত্রোপচারের পর ওসমান হাদির মৃত্যু, যে তথ্য জানালেন চিকিৎসক ডা. আহাদ

    সিঙ্গাপুরে অস্ত্রোপচারের পর ওসমান হাদির মৃত্যু, যে তথ্য জানালেন চিকিৎসক ডা. আহাদ

    এবিএনএ:  ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়ার পর তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক এবং ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদ।

    বৃহস্পতিবার রাতে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ডা. আহাদ জানান, বাংলাদেশ সময় বিকেল পাঁচটার দিকে হাদির পরিবার অস্ত্রোপচারের জন্য সম্মতি দেয়। এরপর তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অপারেশন শেষ হওয়ার পর আর কোনো চিকিৎসা আপডেট পাওয়া যায়নি। পরে সরাসরি তার মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়।

    হাদির মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আব্দুল আহাদ বলেন, মৃত্যুর খবরটি এইমাত্র পাওয়া গেছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

    উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগ কার্যক্রম চলাকালে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে অস্ত্রোপচারের পর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

  • সিঙ্গাপুরে জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে শরিফ ওসমান হাদি, অবস্থা চরম সংকটাপন্ন

    সিঙ্গাপুরে জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে শরিফ ওসমান হাদি, অবস্থা চরম সংকটাপন্ন

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।

    বুধবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরিফ ওসমান হাদিকে দেখতে যান।

    রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় তিনি হাদির চিকিৎসা কার্যক্রম ও বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং জানান, তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদির দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও প্রার্থনার অনুরোধ জানিয়েছেন।

    এর আগে, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলযোগে আসা দুই যুবক শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়।

    পরবর্তীতে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।