Tag: আন্তর্জাতিক রাজনীতি

  • ইসলামাবাদে ঐতিহাসিক মুখোমুখি বৈঠক: সরাসরি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান, যুদ্ধের পর নতুন মোড়

    ইসলামাবাদে ঐতিহাসিক মুখোমুখি বৈঠক: সরাসরি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান, যুদ্ধের পর নতুন মোড়

    এবিএনএ: পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনা। এবার আর কোনো মধ্যস্থ বার্তা নয়—দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি মুখোমুখি বসে উত্তেজনা কমানোর পথ খুঁজছেন। আলোচনায় পাকিস্তানি কর্মকর্তারাও উপস্থিত থেকে পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়ক ভূমিকা রাখছেন।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করবে। তবে শেষ পর্যন্ত মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা সরাসরি সংলাপে অংশ নেন। এতে আলোচনার গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। অপরদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ। দুই পক্ষের সঙ্গে আরও কয়েকজন শীর্ষ কূটনীতিকও অংশ নিয়েছেন।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর টানা ৪০ দিন উত্তেজনা ও সংঘাত চলতে থাকে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও শুরু থেকেই তা ছিল নড়বড়ে। পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি।

    এদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে আবারও হামলা শুরু হতে পারে। তিনি জানান, সম্ভাব্য অভিযানের জন্য সামরিক প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মুখোমুখি বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ ও জার্ড ক্রুসনার। তারা ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে আলোচনা করেন। বৈঠকের সময় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও উপস্থিত ছিলেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ উত্তেজনার পর এই সরাসরি আলোচনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। তবে আলোচনার ফলাফলই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি শান্ত হবে, নাকি নতুন করে উত্তেজনা বাড়বে।

  • যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে, তবুও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র—ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতি

    যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে, তবুও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র—ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতি

    এবিএনএ: লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে কি না তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও ইরানের সঙ্গে নির্ধারিত আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

    কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পরিস্থিতি জটিল হলেও এই আলোচনা বাতিল করার সম্ভাবনা খুব কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান সমঝোতাকে আরও কার্যকর করতে আগ্রহী। সে কারণে উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও আলোচনা প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে ওয়াশিংটনের অবস্থান স্পষ্ট।

    পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের। তিনি ইউরোপ সফর শেষে ওয়াশিংটনে ফিরে এখন পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    এদিকে লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকায় ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবে জেডি ভান্স জানিয়েছেন, লেবানন ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। তার মতে, এই কারণে আলোচনা বন্ধ হওয়া উচিত নয়।

    তিনি আরও বলেন, যদি ইরান আলোচনায় অংশ না নেয়, তাহলে সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত হবে। যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার দরজা খোলা রাখতে চায়।

    মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা নিয়ে মিসর ও পাকিস্তানও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের সঙ্গে আলাপে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে সতর্কবার্তা দেন এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে কূটনৈতিক উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক সফল হলে উত্তেজনা কমতে পারে, তবে মাঠের পরিস্থিতি দ্রুত না বদলালে আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিতই থেকে যাবে।

  • যুদ্ধবিরতি ভাঙলে কঠোর শাস্তি, চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারে ইরান—বাড়ছে উত্তেজনা

    যুদ্ধবিরতি ভাঙলে কঠোর শাস্তি, চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারে ইরান—বাড়ছে উত্তেজনা

    এবিএনএ: যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, ইসরায়েল একাধিকবার চুক্তি ভেঙে হামলা চালাচ্ছে—এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনে যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

    তেহরানের একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, বারবার হামলার ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপের পরিকল্পনা তৈরি করছে ইরান। ওই সূত্রের মতে, উত্তেজনা কমাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নতুন করে সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

    এদিকে ফার্স প্রদেশে একটি ইসরায়েলি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কার কথাও উঠে এসেছে।

    আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগবিষয়ক মন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরী সব পক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংঘাত বাড়লে শান্তি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।

    তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ কখনোই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করবে।

  • ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির জবাব তেহরানের: ‘ভীত নয় ইরান, প্রতিরোধে প্রস্তুত’

    ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির জবাব তেহরানের: ‘ভীত নয় ইরান, প্রতিরোধে প্রস্তুত’

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুমকির পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানি সভ্যতা ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার হুঁশিয়ারি দেওয়ার জবাবে দেশটির প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরিফ বলেছেন, এমন হুমকিতে ইরান ভয় পায় না এবং তাদের অবস্থান অটল থাকবে।

    মঙ্গলবার দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, হাজার বছরের ইতিহাসে ইরানি সভ্যতা নানা সংকট ও শত্রুতার মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই তারা টিকে থেকেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও দেশের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও জাতীয় ঐক্যের ওপরই আস্থা রাখছে তেহরান।

    এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও ট্রাম্পের মন্তব্যের তীব্র জবাব দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, একটি সভ্য জাতির সাংস্কৃতিক শক্তি ও ন্যায্য লক্ষ্যের প্রতি বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত বর্বর শক্তির যুক্তিকে পরাজিত করবে। নিজেদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা ব্যবহারের কথাও জানান তিনি।

    পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্থানীয় বাসিন্দাদের সরিয়ে না নিয়ে বরং নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য হামলার মুখে এসব স্থাপনায় ‘মানবঢাল’ তৈরির অভিযোগও উঠেছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আক্রমণের জবাবে সমপরিমাণ পাল্টা হামলার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।

    তেহরান জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে কোনো যোগাযোগে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। উভয় পক্ষের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান থাকায় সমঝোতার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সামনে এখন কার্যত দুটি পথ—সমঝোতায় যাওয়া অথবা সংঘাতে জড়ানো। এমন অবস্থায় দেশটির সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রতিরোধের অবস্থানেই রয়েছে এবং সম্ভাব্য হামলার ক্ষেত্রে ‘সমানুপাতিক জবাব’ দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

  • ‘যুদ্ধাপরাধের আশঙ্কা’: ট্রাম্পের হুমকির জবাবে বিশ্বকে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান ইরানের

    ‘যুদ্ধাপরাধের আশঙ্কা’: ট্রাম্পের হুমকির জবাবে বিশ্বকে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান ইরানের

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হুমকির কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে সম্ভাব্য ‘যুদ্ধাপরাধ’ ঠেকাতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী মিশন এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে। তারা অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন সব অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করার কথা বলছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার জন্য অপরিহার্য।

    বিবৃতিতে বলা হয়, এই ধরনের প্রকাশ্য হুমকি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। একই সঙ্গে এটিকে বেসামরিক জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর প্রচেষ্টা হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে জাতিসংঘসহ বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ। তারা মনে করে, বিশ্ব সংস্থাগুলোর উচিত দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যাতে সংঘাত আরও বিস্তৃত না হয়।

    তেহরান আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনলে তা একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক সংকটে রূপ নিতে পারে। তাই এখনই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তারা মনে করছে।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার সম্ভাবনার কথা বলা হয়, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে বেসামরিক হতাহতের খবর পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উদ্যোগ এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

  • ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের: ‘মঙ্গলবারই বড় আঘাত’, উত্তেজনা চরমে

    ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের: ‘মঙ্গলবারই বড় আঘাত’, উত্তেজনা চরমে

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ঘিরে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিক বক্তব্যে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

    নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, নির্দিষ্ট দিনে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর বড় ধরনের আঘাত হানা হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

    এ সময় তিনি হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করেন, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তার এই মন্তব্যের ভাষা ছিল অত্যন্ত কঠোর, যা কূটনৈতিক শালীনতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

    এর আগে আরেকটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের দুর্গম এলাকায় বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, কর্নেল পদমর্যাদার ওই পাইলট বর্তমানে নিরাপদ অবস্থায় আছেন এবং চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    জানা গেছে, গত শুক্রবার একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে থাকা দুইজনের একজনকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা হলেও অপরজনকে খুঁজে পেতে সময় লাগে। পরে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাকে উদ্ধার করা হয়।

    ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার অভিযানটি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ইরানি বাহিনীও ওই পাইলটকে খুঁজছিল এবং প্রায় ধরতে সক্ষম হয়েছিল। তবুও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধারকারী দল কয়েক ঘণ্টার অভিযানে তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাধারণত এত বড় ঝুঁকি নিয়ে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হয় না। তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় একাধিক ধাপে অভিযান চালিয়ে দিনের আলোতেই পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য ও পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে এখন পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে।

  • বুশেহর হামলা ঘিরে ইরানের তীব্র হুঁশিয়ারি—তেজস্ক্রিয় বিপর্যয়ে নিশ্চিহ্ন হতে পারে উপসাগরীয় অঞ্চল!

    বুশেহর হামলা ঘিরে ইরানের তীব্র হুঁশিয়ারি—তেজস্ক্রিয় বিপর্যয়ে নিশ্চিহ্ন হতে পারে উপসাগরীয় অঞ্চল!

    এবিএনএ: ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দেশটির Abbas Araghchi কঠোর ভাষায় সতর্ক করে জানিয়েছেন, পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা অব্যাহত থাকলে তা গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

    শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, Bushehr Nuclear Power Plant-এর আশপাশে একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে। এই ধরনের আক্রমণ কেবল একটি দেশের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চলের মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানলে সেখান থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বা রেডিওঅ্যাকটিভ ফলআউট দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে Gulf Cooperation Council-এর সদস্য দেশগুলোর রাজধানীগুলোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, অতীতে Zaporizhzhia Nuclear Power Plant ঘিরে উত্তেজনার সময় আন্তর্জাতিক মহলের যে উদ্বেগ দেখা গিয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তার চেয়েও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।

    এদিকে, ইরানের অভিযোগ—তাদের জ্বালানি ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে বৃহত্তর কৌশলগত চাপ তৈরি করার চেষ্টা চলছে বলে মনে করছে তেহরান।

    তবে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনো পর্যন্ত United States বা Israel আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

    বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক স্থাপনা কেন্দ্র করে সংঘাত বাড়তে থাকলে তা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

  • ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নির্দেশ অমান্য! শীর্ষ জেনারেলদের বিদ্রোহে যুক্তরাষ্ট্রে অভূতপূর্ব সংকট

    ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নির্দেশ অমান্য! শীর্ষ জেনারেলদের বিদ্রোহে যুক্তরাষ্ট্রে অভূতপূর্ব সংকট

    এবিএনএ: ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর দেওয়া স্থল অভিযান সংক্রান্ত নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন একাধিক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা, যা নতুন করে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।

    জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালানোর পরিকল্পনা সামনে আসে। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের প্রায় এক ডজন জেনারেল এই নির্দেশ বাস্তবায়নে আপত্তি জানান। এর জেরে হোয়াইট হাউস এবং Pentagon-এর মধ্যে মতবিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে।

    এই পরিস্থিতিতে Joint Chiefs of Staff-এর চেয়ারম্যানসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকরা এটিকে আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সামরিক নেতৃত্বে অন্যতম বড় রদবদল হিসেবে দেখছেন।

    এখন প্রশ্ন উঠেছে—এই অস্বীকৃতি কি কোনো ‘অবৈধ নির্দেশ’ প্রত্যাখ্যানের আইনি অধিকার, নাকি এটি সামরিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল? একপক্ষ বলছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে কমান্ডার-ইন-চিফের নির্দেশ মানা বাধ্যতামূলক। অন্যদিকে বিরোধীরা মনে করছেন, এমন সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে এবং অভিজ্ঞ সামরিক কর্মকর্তারা ঝুঁকি এড়াতে এই অবস্থান নিয়েছেন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিজ্ঞ জেনারেলদের সরিয়ে রাজনৈতিকভাবে অনুগত ব্যক্তিদের নিয়োগ দিলে মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত এবং অপ্রত্যাশিত সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা বাড়ছে।

    বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শূন্য পদগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে এবং চলমান সামরিক কার্যক্রমে এর প্রভাব কী হবে—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি শক্তিধর দেশের অভ্যন্তরীণ এই দ্বন্দ্ব বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • স্থল হামলার হুঁশিয়ারি: শত্রু ঢুকলে কাউকেই ছাড় নয়—ইরান সেনাপ্রধানের কঠোর নির্দেশ

    স্থল হামলার হুঁশিয়ারি: শত্রু ঢুকলে কাউকেই ছাড় নয়—ইরান সেনাপ্রধানের কঠোর নির্দেশ

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আমির হাতামি সম্ভাব্য স্থল হামলার বিরুদ্ধে বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ যদি স্থলপথে আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তাদের কাউকেই জীবিত ফিরে যেতে দেওয়া হবে না।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এমন নির্দেশনা দেন তিনি। সেখানে তিনি সেনাদের প্রতি আহ্বান জানান, শত্রুপক্ষের প্রতিটি নড়াচড়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে।

    সেনাপ্রধান বলেন, শত্রুর কৌশল বুঝে আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং প্রয়োজনে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। তার মতে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ঠেকাতে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে।

    সম্প্রতি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানও বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর খবর পাওয়া যায়।

    বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রায় এক মাস অতিক্রম করেছে। এ অবস্থায় ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য স্থল হামলার আশঙ্কা বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন হামলার ক্ষেত্রে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। কারণ, এই দ্বীপ থেকেই ইরানের অধিকাংশ তেল রপ্তানি করা হয়।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে। কয়েক হাজার মেরিন সেনা পাঠানোর পাশাপাশি একটি বিমানবাহী রণতরীও ওই অঞ্চলে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

    বিশ্ব পরিস্থিতির এমন উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে ইরানের এই কড়া বার্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

  • “যুদ্ধবিরতি নয়, শেষ চাই”—ট্রাম্পের দাবি সরাসরি নাকচ করে ইরানের কড়া বার্তা

    “যুদ্ধবিরতি নয়, শেষ চাই”—ট্রাম্পের দাবি সরাসরি নাকচ করে ইরানের কড়া বার্তা

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর করা যুদ্ধবিরতির দাবিকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা কোনোভাবেই সাময়িক যুদ্ধবিরতি চায় না, বরং এই সংঘাতের স্থায়ী সমাপ্তিই তাদের লক্ষ্য।

    বুধবার ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, দেশটির প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছেন—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-এর তেহরান প্রতিনিধি সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi-ও একই অবস্থান তুলে ধরে বলেন, তাদের লক্ষ্য কোনো অস্থায়ী সমাধান নয়। বরং চলমান সংঘাতের স্থায়ী অবসান চায় তেহরান।

    বিশ্লেষকদের মতে, শুরু থেকেই ইরান এই অবস্থানে অনড় রয়েছে। দেশটি দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত বলেও বারবার জানিয়ে আসছে। তাদের মতে, যুদ্ধবিরতি হলে প্রতিপক্ষ নতুন করে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পাবে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করবে।

    অন্যদিকে, Donald Trump সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট নাকি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।

    ট্রাম্পের এমন বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের অবস্থান পরস্পরবিরোধী হওয়ায় কূটনৈতিক সমাধান আরও জটিল হয়ে উঠছে।