Tag: অস্ত্র উদ্ধার

  • দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১,৭০০, উদ্ধার অস্ত্র–গুলিসহ

    দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১,৭০০, উদ্ধার অস্ত্র–গুলিসহ

    এবিএনএ: সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এ অভিযানে মোট এক হাজার ৭০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, গ্রেফতারদের মধ্যে ৯৮২ জন বিভিন্ন মামলা ও আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। এছাড়া অন্যান্য অপরাধসংক্রান্ত ঘটনায় আরও ৭১৮ জনকে আটক করা হয়েছে।

    রবিবার এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এই বিশেষ অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, ১২ বোর শর্টগানের ৯৫০ রাউন্ড কার্তুজ, পিস্তলের ৬ রাউন্ড গুলি, একটি বার্মিজ চাকু, একটি বন্দুকের ব্যারেলের অংশ এবং একটি বন্দুকের বাট।

    তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১,৬৬৫ জন, অস্ত্র ও আলামত উদ্ধার

    দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১,৬৬৫ জন, অস্ত্র ও আলামত উদ্ধার

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে একযোগে পরিচালিত অভিযানে ১,৬৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তাদের মধ্যে মামলাভুক্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির সংখ্যা ১,১৫১ জন, বাকিরা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ধরা পড়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলমান সাঁড়াশি অভিযানে সারাদেশের বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ইউনিট অংশ নেয়। গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অভিযান চলাকালীন সময়ে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ওয়ান শুটারগান, একটি একনলা বন্দুক, পাঁচ রাউন্ড গুলি, একটি বার্মিজ ছুরি এবং অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত আরও কিছু আলামত।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে কঠোর অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনী ও ইউপিডিএফের গুলিবিনিময়, অস্ত্র-গুলিসহ সরঞ্জাম উদ্ধার

    খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনী ও ইউপিডিএফের গুলিবিনিময়, অস্ত্র-গুলিসহ সরঞ্জাম উদ্ধার

    এবিএনএ:  খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার দুর্গম জগাপাড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (মূল) সদস্যদের গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল অভিযানে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

    আইএসপিআর জানায়, অভিযানের সময় ইউপিডিএফের ১৫ থেকে ২০ জন সশস্ত্র সদস্য টহল দলের ওপর গুলি চালায়। পাল্টা জবাব দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে কিছুক্ষণ গুলিবিনিময় চলে। পরে তল্লাশি চালিয়ে একটি রাশিয়ান পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, আট রাউন্ড গুলি, ২০০ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, একটি ওয়াকিটকি সেট ও ইউনিফর্মসহ নানা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

    তবে এলাকার দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থার কারণে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

    প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সশস্ত্র গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করল পুলিশ

    লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করল পুলিশ

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ পুলিশ লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করতে এই প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    শুক্রবার পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি পিস্তল ও শটগানের জন্য ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। একইভাবে চায়না রাইফেলের জন্য এক লাখ, এসএমজি’র জন্য দেড় লাখ, এলএমজি’র জন্য ৫ লাখ এবং প্রতিটি রাউন্ড গুলির জন্য ৫০০ টাকা হারে পুরস্কার প্রদান করা হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের তথ্য প্রদানকারী ব্যক্তির পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে, যাতে তারা নিরাপদে সহযোগিতা করতে পারেন।

    পুলিশ আশা করছে, এই প্রণোদনা সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গোলাবারুদ দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

  • ২৪ ঘণ্টার অভিযানে পুলিশের জালে ১ হাজার ৫০১ জন, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি

    ২৪ ঘণ্টার অভিযানে পুলিশের জালে ১ হাজার ৫০১ জন, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি

    এবিএনএ: সারা দেশে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫০১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ১,০১৮ জন ছিলেন বিভিন্ন মামলার পলাতক ও ওয়ারেন্টভুক্ত, আর বাকি ৪৮৩ জনকে অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়।

    সোমবার (৭ জুলাই) পুলিশ সদরদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অভিযানের সময় একনলা বন্দুক, বিদেশি পিস্তল, গুলি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

    পুলিশের দাবি, এই ধরপাকড়ের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একধাপ এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্র ও চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধে এই ধরনের সমন্বিত অভিযান কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে উল্লেখ করা হয়।

    সদরদপ্তর জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে দেশজুড়ে এমন অভিযান চলমান থাকবে। জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করতে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।


    পুলিশের এই অভিযান শুধু অপরাধীদের দমন নয়, বরং সাধারণ জনগণের মাঝে নিরাপত্তার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। জনসাধারণের সহযোগিতা ও তথ্য প্রদান পুলিশের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি। আগামী দিনগুলোতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

  • ভোরবেলা সেনা অভিযানে কুষ্টিয়া থেকে ধরা পড়লো কুখ্যাত সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ

    ভোরবেলা সেনা অভিযানে কুষ্টিয়া থেকে ধরা পড়লো কুখ্যাত সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ

    এবিএনএ,

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সমন্বিত ও গোপন অভিযানে ধরা পড়েছে দেশের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ওরফে ফতেহ আলী এবং তার সহযোগী মোল্লা মাসুদ ওরফে আবু রাসেল মাসুদ। এই অভিযান পরিচালিত হয় কুষ্টিয়া জেলার একটি গোপন আস্তানায়, মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে।

    আইএসপিআরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযানে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বয়ে ধরা পড়া দুই অপরাধীর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এই তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুব্রত বাইনের দুই সহযোগী—পেশাদার শ্যুটার আরাফাত ও শরীফ—কেও গ্রেফতার করা হয়।

    অভিযানে উদ্ধার হয়:

    • ৫টি বিদেশি তৈরি পিস্তল

    • ১০টি পিস্তলের ম্যাগাজিন

    • ৫৩ রাউন্ড তাজা গুলি

    • ১টি স্যাটেলাইট ফোন

    সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদের বিরুদ্ধে রয়েছে:

    • একাধিক খুন

    • চাঁদাবাজি

    • নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মামলা

    • তালিকাভুক্ত শীর্ষ ২৩ সন্ত্রাসীর মধ্যে অন্যতম

    • ‘সেভেন স্টার গ্যাং’-এর শীর্ষ নেতৃত্ব

    সেনাবাহিনীর এই ঝুঁকিপূর্ণ ও সুচারুভাবে সংগঠিত অভিযানে কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। অভিযানটি সম্পূর্ণ হয় নিরবিচারে এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে। অভিযানে অংশ নেয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর যৌথ টিম।

    আইএসপিআর জানিয়েছে, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে যেকোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে কাছের সেনা ক্যাম্প অথবা পুলিশের কাছে তথ্য দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সচেতন মহলের মতে, এমন সন্ত্রাস বিরোধী সফল অভিযান দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা দৃঢ় করে। একইসঙ্গে অপরাধ দমনে সেনাবাহিনীর তৎপরতা আরও জোরদার হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

  • দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান: এক সপ্তাহেই গ্রেফতার ১৬৭৬ অপরাধী

    দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান: এক সপ্তাহেই গ্রেফতার ১৬৭৬ অপরাধী

    এবিএনএ: সারাদেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিচালিত এক ধারাবাহিক অভিযানে পুলিশ মোট ১,৬৭৬ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করেছেএদের মধ্যে ১০৪১ জনের বিরুদ্ধে মামলা আদালতের ওয়ারেন্ট ছিল, বাকি ৬৩৫ জনকে ধরা হয়েছে অন্যান্য অপরাধের দায়ে।

    মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) ইনামুল হক সাগর তথ্য জানান।

    তিনি জানান, চলমান এই অভিযানে শুধু অপরাধীই নয়, বিদেশি পিস্তল, ওয়ান শুটার গান, রিভলবার নানা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু অবৈধ সামগ্রী সন্দেহভাজন অপরাধ সংশ্লিষ্ট জিনিসপত্রও জব্দ করা হয়েছে।

    আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, অপরাধ প্রবণতা দমন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সমাজবিরোধী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে এই অভিযান অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

    দেশজুড়ে এই অভিযানের ফলে জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের টার্গেটেড অপারেশন নিয়মিত চালালে অপরাধ দমনে দীর্ঘস্থায়ী সুফল আসবে।