Tag: অস্ত্র উদ্ধার

  • সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে করিম শরীফ বাহিনীর দুই সদস্য আটক, উদ্ধার ৪ জেলে

    সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে করিম শরীফ বাহিনীর দুই সদস্য আটক, উদ্ধার ৪ জেলে

    এবিএনএ: সুন্দরবনে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত করিম শরীফ বাহিনীর দুই সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ডাকাতদের জিম্মিদশা থেকে চার জেলেকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

    রবিবার (১৭ মে) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে পশ্চিম জোন সদর দপ্তর মোংলায় আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন বিসিজিএস তৌফিকের নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট আশিকুল ইসলাম ইমন।

    কোস্ট গার্ড জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সুন্দরবন এলাকায় সক্রিয় বনদস্যুদের নির্মূলে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ষষ্ঠ দফার অভিযানে এই সাফল্য আসে।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা খুলনার দাকোপ উপজেলার সুন্দরবনের ঢাংমারী খাল এলাকায় অবস্থান করছে। পরে রবিবার ভোর চারটার দিকে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলার একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।

    অভিযানের সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় একটি বিদেশি একনলা বন্দুক, দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক এবং ২৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

    আটক দুই ডাকাত হলেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার মো. রবিউল শেখ (৩০) এবং মোরেলগঞ্জ উপজেলার রাজন শরীফ (২০)। কোস্ট গার্ডের দাবি, রাজন শরীফ দীর্ঘদিন ধরে করিম শরীফ বাহিনীর দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা হিসেবে সুন্দরবনে ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলাও রয়েছে।

    অভিযান চলাকালে ডাকাতদের কবল থেকে চার জেলেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।

    এদিকে জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    কোস্ট গার্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও বনদস্যু ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

  • সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘মেজ জাহাঙ্গীর বাহিনী’র প্রধান অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক

    সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘মেজ জাহাঙ্গীর বাহিনী’র প্রধান অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক

    মাসুদ রানা,মোংলা: অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড এ সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘মেজ জাহাঙ্গীর বাহিনী’র প্রধানকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে কোস্ট গার্ড।

    মঙ্গলবার ১২ মে  সকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। এছাড়া কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন (সদর দপ্তর মোংলায় ) ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় ব্রিফিং প্রদান করেন  লেঃ ইকরা মোহাম্মদ নাসিফ,(এক্স), বিএন, নির্বাহী কর্মকর্তা, বিসিজিএস তৌহিদ।

    মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সকল বনদস্যুর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর অংশ হিসেবে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এই অভিযানের ধারাবাহিক সফলতা হিসেবে চতুর্থ বারের মতো “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” -এর আওতায় অভিযান পরিচালনা করে কুখ্যাত ডাকাত মেজ জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান মোঃ জাহিদুল ইসলাম ওরফে মেজ জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়।

    সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত মেজ জাহাঙ্গীর দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের শিবসা নদীর আদাচাই ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কালীর খাল এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানা যায়। প গোপন তথ্যের ভিত্তিতে,  ১২ মে  মঙ্গলবার মধ্যরাত ১ টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা কর্তৃক উক্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে ২ টি একনলা বন্দুক ও ৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ আটক করা হয়।

    আটককৃত ডাকাত মোঃ জাহিদুল ইসলাম ওরফে মেজ জাহাঙ্গীর (৫৬) নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন যাবৎ এ বাহিনীর প্রধান হিসেবে সুন্দরবনে ডাকাতি এবং সাধারণ জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল।জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আটককৃত ডাকাতের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

  • অস্ত্র ও ড্রোনসহ রাজধানীতে গোপন তৎপরতা: নিষিদ্ধ সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

    অস্ত্র ও ড্রোনসহ রাজধানীতে গোপন তৎপরতা: নিষিদ্ধ সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

    এবিএনএ: রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও কেরাণীগঞ্জ এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ড্রোনসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে তাদের কাছ থেকে নাশকতার প্রস্তুতিতে ব্যবহারের সন্দেহে বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. ইমরান চৌধুরী (২৯), মো. মোস্তাকিম চৌধুরী (২৫), রিপন হোসেন শেখ (২৮) এবং আবু বক্কর (২৫)। মঙ্গলবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত পৃথক সময়ে পরিচালিত অভিযানে ডিবি রমনা বিভাগের একটি দল তাদের আটক করে।

    ডিবি সূত্র জানায়, প্রথমে ভোর ৩টা ৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর থানার তারা মসজিদ সংলগ্ন কয়লাঘাট এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ইমরান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে কেরাণীগঞ্জের জিয়ানগর এলাকা থেকে মোস্তাকিম চৌধুরীকে আটক করা হয়। একই দিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর শিকসন ব্রিজের আশপাশে অভিযান চালিয়ে রিপন হোসেন শেখ ও আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ওয়ান শ্যুটারগান, ১৪ রাউন্ড গুলি, তিনটি খালি কার্তুজ, কয়েকটি স্মার্টফোন, একটি মেটাল ডিটেক্টর, একটি ড্রোন ও ড্রোন পরিচালনার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এছাড়া উগ্রবাদী মতাদর্শ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বই ও লিফলেটও জব্দ করা হয়েছে।

    তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্রেপ্তারকৃতরা নিষিদ্ধ সংগঠন ‘আকসা’র সঙ্গে যুক্ত। তারা রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নাশকতা ও গোপন হামলার পরিকল্পনা করছিল। এ উদ্দেশ্যে তারা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সংগ্রহ করে সংগঠিত হচ্ছিল বলে মনে করছে পুলিশ।

    গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তাদের নেটওয়ার্কের অন্য সদস্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

  • সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযান: অস্ত্রসহ ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড গ্রেপ্তার

    সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযান: অস্ত্রসহ ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড গ্রেপ্তার

    এবিএনএ: সুন্দরবনে সক্রিয় কুখ্যাত ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. আব্দুস সামাদ মোল্লা (৩৫) কে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় বনদস্যুদের দমনে কোস্টগার্ড কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

    তিনি বলেন, অভিযানের ধারাবাহিকতায় ছোট সুমন বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, আব্দুস সামাদ মোল্লা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে সুন্দরবন থেকে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শুকদারা বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

    এই তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাত ১০টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস মোংলার একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে মোংলা থানার আওতাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে একটি একনলা বন্দুক, একটি এয়ার গান এবং দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

    আটক আব্দুস সামাদ মোল্লা বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে দস্যু কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন বলে জানায় কোস্টগার্ড।

    আটক ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গোলাবারুদ সংক্রান্ত আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের বড় অভিযান: অস্ত্র-গুলিসহ ছোট সুমন বাহিনীর সদস্য আটক

    সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের বড় অভিযান: অস্ত্র-গুলিসহ ছোট সুমন বাহিনীর সদস্য আটক

    এবিএনএ,মোংলা: বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ কুখ্যাত ছোট সুমন বাহিনীর এক সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে বাহিনীটি জানতে পারে যে সুন্দরবনের সক্রিয় ডাকাত দলের সদস্যরা চিলা ইউনিয়নের ফেলুরখন্ড-বৈদ্যমারী এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার বিকেলে বৈদ্যমারী বাজারের আশপাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযান চলাকালে ইয়াছিন শেখ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়, যিনি ছোট সুমন বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার গভীর রাতে সুন্দরবনের ধানসিঁড়ির চর খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি একনালা বন্দুক, চার রাউন্ড তাজা গুলি এবং চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি উদ্ধার করা হয়।

    আটক ইয়াছিন শেখ মোংলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডাকাত দলের সঙ্গে জড়িত থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের পাশাপাশি অস্ত্র ও রসদ সরবরাহে ভূমিকা রাখছিলেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গুলিও জব্দ করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

  • সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দয়াল বাহিনীর সদস্য গ্রেপ্তার

    সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দয়াল বাহিনীর সদস্য গ্রেপ্তার

    এবিএনএ,মোংলা : সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর ১ সক্রিয় সদস্য আটক।

    মঙ্গলবার ১০ মার্চ  বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর এক সদস্য রসদ সরবরাহের নিমিত্তে সুন্দরবনে গমন করবে।  তথ্যের ভিত্তিতে  ১০ মার্চ  মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও আউটপোস্ট নলিয়ান কর্তৃক দাকোপ থানাধীন শিবসা নদীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন ওই এলাকা হতে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহকারী আব্দুল হালিমকে আটক করা হয়।

    পরবর্তীতে আটককৃত ডাকাতের তথ্যের ভিত্তিতে, আজ দুপুর ১টায় দাকোপ থানাধীন টাকাতোলা খাল সংলগ্ন এলাকা হতে ১টি একনলা বন্দুক ও ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়।

    আটককৃত ডাকাত আব্দুল হালিম (৩৬) সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন যাবৎ দয়াল বাহিনীর সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছিলো।

    জব্দকৃত আলামত ও আটককৃত ডাকাতের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা দস্যুদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুন্দরবনের দস্যু অস্ত্রসহ ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র সক্রিয় সদস্য গ্রেপ্তার

    সুন্দরবনের দস্যু অস্ত্রসহ ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র সক্রিয় সদস্য গ্রেপ্তার

    এবিএনএ,মাসুদ রানা,মোংলা: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সক্রিয় সদস্য আটক।

    মঙ্গলবার ৩ মার্চ  দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে কোস্ট গার্ড সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু চক্র পুনরায় সুন্দরবনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। তবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার দৃঢ় সংকল্পে ইতোমধ্যে কোস্ট গার্ড বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান আরম্ভ করেছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ৩ মার্চ  মঙ্গলবার ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা, আউটপোস্ট নলিয়ান, স্টেশন কয়রা এবং পুলিশের সমন্বয়ে কয়রা থানাধীন নারায়নপুর এলাকায় একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।  অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আফজাল সরদার (৩২) কে আটক করা হয়।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে  তথ্যের ভিত্তিতে, সকাল ১১টায় মোংলা থানাধীন পাশাখালী ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১টি শট গান, ১টি একনলা বন্দুক, ২১ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ১টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়।

    নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে সুন্দরবনে যৌথ অভিযান শুরু হলে উক্ত ডাকাত সদস্য আতঙ্কিত হয়ে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদসমূহ উক্ত এলাকায় পুঁতে রেখে কয়রার নারায়ণপুর এলাকায় আত্মগোপন করে বলে জানা যায়।

    আটককৃত ডাকাত আফজাল সরদার (৩২) খুলনা জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন যাবৎ বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছিলো। উল্লেখ্য  আটক  ডাকাত সদস্যের বিরুদ্ধে কয়রা ও ডুমুরিয়া থানায় মোট ৫টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।

    আটককৃত ডাকাত এবং জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    কোস্টগার্ড আরো বলেন, আমরা দস্যুদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সুন্দরবনের গহীনে অভিযান! অস্ত্র-গুলিসহ করিম শরীফ বাহিনীর সহযোগী আটক

    সুন্দরবনের গহীনে অভিযান! অস্ত্র-গুলিসহ করিম শরীফ বাহিনীর সহযোগী আটক

    এবিএনএ,মাসুদ রানা,মোংলা: সুন্দরবনের শেলা নদীর মূর্তির খাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র ও গুলিসহ কুখ্যাত বনদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর এক সহযোগীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের শ্যালা নদী সংলগ্ন মূর্তির খাল ও তৈয়বের খাল এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকাল ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও আউটপোস্ট নলিয়ান এর আভিযানিক দল ওই এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন ওই এলাকা হতে ৪টি একনলা বন্দুক, ১টি ওয়ান শুটার গান, ১০ রাউন্ড তাজা গোলা, ১৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ১০ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজসহ সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর ১ সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়।

    আটক বনদস্যু বাহিনীর সহযোগীর নাম বাদশা শেখ (২৫)। তিনি বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ করিম শরীফ বাহিনীর সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছিলো।

    জব্দকৃত আলামত ও আটককৃত ডাকাতের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে কোস্টগার্ড সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু চক্র পুনরায় সুন্দরবনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। তবে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার দৃঢ় সংকল্পে ইতোমধ্যে কোস্ট গার্ড বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান আরম্ভ করেছে। উক্ত অভিযানে সুন্দরবনে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর ৫টি আস্তানা ধ্বংস করা হয়।

    সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্টগার্ডের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান কোস্টগার্ড কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

  • কুমিল্লায় জামায়াত নেতার মৎস্য খামার থেকে বিপুল দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

    কুমিল্লায় জামায়াত নেতার মৎস্য খামার থেকে বিপুল দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার

    এবিএনএ: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় জামায়াত নেতার মৎস্য খামার থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র এবং ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী।

    বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার মাগুয়া গ্রামে অবস্থিত ‘আল-বাশারাত’ মৎস্য খামারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। নাঙ্গলকোট সেনাবাহিনী ক্যাম্পের সার্জেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসিন মিয়ার নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।

    মৎস্য খামারের মালিক জামায়াতের যুব বিভাগের পেরিয়া ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল ইসলাম মামুন। অভিযানকালে খামার এলাকা থেকে ৫৯টি এসএস পাইপ, ৪৬টি জর্দার খালি কৌটা, ২০০ গ্রাম পটাশিয়াম, ১০০ গ্রাম গন্ধক, ১২টি কস্টেপ এবং একটি ফুয়েল পেপার উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলেছে, এসব উপকরণ ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

    বাহিনী অনুমান করছে, আসন্ন নির্বাচনের সময় নাশকতা ও সহিংসতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব সরঞ্জাম মজুত করা হয়েছিল। অভিযানের খবর পেয়ে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নাঙ্গলকোট থানার ওসি আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, সরঞ্জামগুলো ককটেল তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে কি না তা বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার পর বলা যাবে। এ ঘটনায় কোনো কাউকে আটক করা হয়নি।

  • র‌্যাবের গভীর রাতে অভিযান, রাজধানী থেকে অস্ত্র-গুলিসহ ধরা তিন শীর্ষ সন্ত্রাসী

    র‌্যাবের গভীর রাতে অভিযান, রাজধানী থেকে অস্ত্র-গুলিসহ ধরা তিন শীর্ষ সন্ত্রাসী

    এবিএনএ: রাজধানীতে অপরাধ দমনে গভীর রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ তিনজন চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪)। পল্লবী থানার আওতাধীন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

    র‌্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাতের অভিযানে প্রথমে শাহ আলী থানাধীন গোড়ার চটবাড়ি বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে পল্লবী থানার লালমাটি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে দুটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, একটি ম্যাগাজিন ও ১১ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ফাইজুর রহমান মুক্তি ওরফে ডন মুক্তি, শাকির আহম্মেদ সুমন ওরফে হকি সুমন এবং গোলাম মোস্তাফা কামাল বাপ্পি ওরফে শুটার বাপ্পি। তারা দীর্ঘদিন ধরে মিরপুর, পল্লবী, রূপনগর ও শাহ আলী থানাসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

    শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে মিরপুর-১ এর পাইকপাড়ায় র‌্যাব-৪ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কোম্পানি কমান্ডার নাজমুল ইসলাম। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং পরে অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়।

    একই অভিযানে তাদের সহযোগী হিসেবে কুখ্যাত মাদক কারবারি বাবু ওরফে পিচ্চি বাবুকেও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    র‌্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা বিভিন্ন থানায় বিচারাধীন রয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।