Category: লিড নিউজ

  • হাম ভয়াবহ রূপে, দেড় মাসে প্রাণ গেল ৪৩২ শিশুর

    হাম ভয়াবহ রূপে, দেড় মাসে প্রাণ গেল ৪৩২ শিশুর

    এবিএনএ: সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১ শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৭ জন। নতুন এই মৃত্যুর ঘটনায় দেশে হাম ও এর উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩২ জনে।

    বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় মাসে সারা দেশে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ১৩ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৬৯ শিশু। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৫০ জনে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছে ৫৩ হাজার ৫৬ জন।

    স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিকাদানে ঘাটতি, সচেতনতার অভাব এবং দ্রুত সংক্রমণের কারণেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের মধ্যে হাম সংক্রমণ রোধে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের সব হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের মধ্যে জ্বর, র‍্যাশ বা হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

  • “দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদেরই এগিয়ে আসতে হবে”—রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় তরুণদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    “দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদেরই এগিয়ে আসতে হবে”—রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় তরুণদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    প্রতিবেদক: দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া কোনো উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। এ জন্য তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের আরও সচেতন এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

    মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় ১৭ জন শিক্ষার্থী সরকারের নানা উদ্যোগ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ অনেক পরিবর্তন ও উন্নয়ন দেখতে চায়। তবে ধাপে ধাপে সেই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ। অস্থিরতা থাকলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হয় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, শুধু রাজপথের আন্দোলন বা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দিয়ে দেশ গঠন সম্ভব নয়। সংসদীয় রাজনীতি, আলোচনা ও পরিকল্পনার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তরুণদের হাতেই। তাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার পাশাপাশি দেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

    ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি অন্তত আরও একটি বিদেশি ভাষা শেখার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, এতে আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে বাংলাদেশি তরুণদের সুযোগ আরও বাড়বে।

    সাংস্কৃতিক বিকাশ প্রসঙ্গে এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি চর্চা ছাড়া কোনো জাতির পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়। সরকার শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, ৪ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সংগীত শিক্ষার ব্যবস্থাও করা হবে। এসব উদ্যোগের পূর্ণ সুফল পেতে সময় লাগলেও আগামী এক দশকে এর ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    মতবিনিময় সভায় একপর্যায়ে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসঙ্গও উঠে আসে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে একটি বালিশের অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে আলোচিত ঘটনার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, একটি বালিশের দাম ৮০ হাজার টাকা হওয়া সাধারণ মানুষের কাছে অবিশ্বাস্য।

    এসময় তিনি অতীত সরকারের সময়ে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে অনিয়ম, অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়েও শিক্ষার্থীদের সামনে আলোচনা করেন।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, শিক্ষক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিশ্বে গণমাধ্যম স্বাধীনতা তলানিতে, সূচকে আরও পিছালো বাংলাদেশ—উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নতুন রিপোর্ট

    বিশ্বে গণমাধ্যম স্বাধীনতা তলানিতে, সূচকে আরও পিছালো বাংলাদেশ—উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নতুন রিপোর্ট

    এবিএনএ: বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বর্তমানে গত এক চতুর্থাংশ শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ৩ মে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস’ উপলক্ষে প্রকাশিত রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)-এর ২০২৬ সালের বৈশ্বিক সূচকে উঠে এসেছে এমন উদ্বেগজনক তথ্য।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি দেশ এখন এমন অবস্থায় রয়েছে, যেখানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ‘কঠিন’ কিংবা ‘অত্যন্ত গুরুতর’ সংকটে রয়েছে। এর ফলে নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রাপ্তি ক্রমেই সীমিত হয়ে পড়ছে।

    সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো—বিশ্বের প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে মাত্র একজন স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম থেকে তথ্য পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

    এদিকে, সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আরও নিচের দিকে নেমে গেছে। ১৮০টি দেশের তালিকায় এবার বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম, যা গত বছর ছিল ১৪৯তম। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে রয়েছে। পাকিস্তান বাংলাদেশের ঠিক পরেই অবস্থান করছে, আর ভারতের অবস্থান ১৫৭তম।

    অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা পাঁচ ধাপ এগিয়ে ১৩৪তম স্থানে উঠে এসেছে এবং নেপাল তিন ধাপ উন্নতি করে ৮৭তম অবস্থানে পৌঁছেছে।

    প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রেও গত এক দশকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। বর্তমানে দেশটির অবস্থান ৬৪তম।

    বিশ্বব্যাপী চলমান সংঘাত, তথ্যপ্রাপ্তিতে নানা প্রতিবন্ধকতা এবং আইনি জটিলতা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনের অপপ্রয়োগ, হয়রানিমূলক মামলা এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পথে বাধা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে।

    এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ সৃষ্টি এবং আইনের অপব্যবহার বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আরএসএফ।

  • স্বৈরাচার বিদায়ের পর নতুন বাংলাদেশ গড়ার ডাক—মে দিবসে তারেক রহমানের বড় বার্তা

    স্বৈরাচার বিদায়ের পর নতুন বাংলাদেশ গড়ার ডাক—মে দিবসে তারেক রহমানের বড় বার্তা

    এবিএনএ: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এখন দেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে একসঙ্গে কাজ করে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

    শুক্রবার (১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে আয়োজিত বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর জন্য সরকার ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনি বলেন, সরকার গঠনের পরপরই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে দ্রুত বন্ধ কলকারখানা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কর্মহীন শ্রমিকরা আবার কাজের সুযোগ পান। এ বিষয়ে অগ্রগতি তদারকিতে নিয়মিত বৈঠকও চলছে।

    তিনি আরও বলেন, শুধু বন্ধ কারখানা চালু করলেই বেকার সমস্যার সমাধান হবে না। দেশে বিপুল সংখ্যক বেকার যুবক রয়েছে, যাদের কর্মসংস্থানের জন্য দেশীয় উদ্যোগের পাশাপাশি বিদেশি শ্রমবাজারও সম্প্রসারণ করতে হবে। এ লক্ষ্যে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং নতুন শিল্প স্থাপনে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

    তারেক রহমান বলেন, শিল্পায়ন বাড়লে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে এবং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। একইসঙ্গে কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত হলে সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

    রাজধানীতে হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, সড়কে অনিয়ন্ত্রিত হকার বসার কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছিল, তাই তাদের সরানো হয়েছে। তবে তাদের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে। নির্দিষ্ট স্থানে হকারদের ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

    তিনি জানান, সব হকারকে একসঙ্গে পুনর্বাসন করা সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।

  • বাসে মৃত্যু ঝুঁকি কমাতে বড় সিদ্ধান্ত: জানালার স্টিল রড অপসারণে বিআরটিএর কঠোর নির্দেশ

    বাসে মৃত্যু ঝুঁকি কমাতে বড় সিদ্ধান্ত: জানালার স্টিল রড অপসারণে বিআরটিএর কঠোর নির্দেশ

    এবিএনএ: সড়ক দুর্ঘটনায় যাত্রীদের প্রাণহানি কমাতে নতুন নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এতে নন-এসি বাসের জানালায় থাকা স্টেইনলেস স্টিলের রড অপসারণ এবং এসি বাসে জরুরি বহির্গমন পথ (ইমার্জেন্সি ডোর) নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, দুর্ঘটনার সময় দ্রুত বাস থেকে বের হতে না পারাই অধিকাংশ হতাহতের প্রধান কারণ। তাই যাত্রীদের নিরাপদে বের হওয়ার পথ সহজ করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    কেন এই নির্দেশনা?

    বিআরটিএর মতে, সড়ক, মহাসড়ক, ফেরিঘাট বা রেলক্রসিং এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটলে অনেক সময় বাসের দরজা আটকে যায় বা জানালার পথ সংকীর্ণ থাকে। ফলে যাত্রীরা দ্রুত বের হতে পারেন না, যা প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    বিশেষ করে নন-এসি বাসের জানালায় লাগানো সমান্তরাল স্টিলের রডগুলো বড় বাধা হিসেবে কাজ করে। দুর্ঘটনার সময় এগুলো যাত্রীদের বের হওয়ার পথ কার্যত বন্ধ করে দেয়। তাই এসব রড অপসারণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    এসি বাসে কী করতে হবে?

    এসি বাসের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান স্থানে ‘ইমার্জেন্সি ডোর’ চিহ্ন স্পষ্টভাবে বসাতে হবে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে কাঁচ ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও রাখতে হবে, যাতে বিকল্প পথে দ্রুত যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া যায়।

    আইন অমান্য করলে কী হবে?

    বিআরটিএ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক বা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    নিরাপত্তায় কতটা প্রভাব পড়বে?

    সংস্থাটি আশা করছে, এই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করা হলে দুর্ঘটনার সময় যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হবে। ফলে প্রাণহানির হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

  • মৌলিক সুবিধা দেশের সব অঞ্চলে গড়ে তোলার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

    মৌলিক সুবিধা দেশের সব অঞ্চলে গড়ে তোলার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক নাগরিক সুবিধা ধাপে ধাপে দেশের সব অঞ্চলে সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ-সুবিধা ঢাকাকেন্দ্রিক হওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়ে রাজধানীমুখী হচ্ছে, এই প্রবণতা কমাতে বিকেন্দ্রীকরণই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দন আহমদ।

    কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে রূপ দিতে জনঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক-অর্থনৈতিক কার্যক্রম ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান। তিনি বলেন, ঢাকার নাগরিক সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন এবং মানুষের ঢাকামুখী প্রবণতা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

    জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান, উন্নত চিকিৎসা ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাকেন্দ্রিকভাবে গড়ে উঠেছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ কাজ, পড়াশোনা ও চিকিৎসার প্রয়োজনেই রাজধানীতে চলে আসে। এই বাস্তবতা পরিবর্তনে সময়সাপেক্ষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    সরকারপ্রধান আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে শিল্পায়ন বাড়াতে বিশেষ শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ চলছে। পাশাপাশি জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ এবং আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কাজও ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    তিনি বলেন, এসব সুযোগ-সুবিধা যদি আঞ্চলিকভাবে গড়ে ওঠে, তাহলে মানুষের ঢাকায় আসার প্রয়োজন কমে যাবে। এর ফলে রাজধানীর ওপর চাপ কমবে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নও ভারসাম্যপূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • অস্ত্র ও ড্রোনসহ রাজধানীতে গোপন তৎপরতা: নিষিদ্ধ সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

    অস্ত্র ও ড্রোনসহ রাজধানীতে গোপন তৎপরতা: নিষিদ্ধ সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

    এবিএনএ: রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও কেরাণীগঞ্জ এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ড্রোনসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে তাদের কাছ থেকে নাশকতার প্রস্তুতিতে ব্যবহারের সন্দেহে বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. ইমরান চৌধুরী (২৯), মো. মোস্তাকিম চৌধুরী (২৫), রিপন হোসেন শেখ (২৮) এবং আবু বক্কর (২৫)। মঙ্গলবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত পৃথক সময়ে পরিচালিত অভিযানে ডিবি রমনা বিভাগের একটি দল তাদের আটক করে।

    ডিবি সূত্র জানায়, প্রথমে ভোর ৩টা ৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর থানার তারা মসজিদ সংলগ্ন কয়লাঘাট এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ইমরান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে কেরাণীগঞ্জের জিয়ানগর এলাকা থেকে মোস্তাকিম চৌধুরীকে আটক করা হয়। একই দিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর শিকসন ব্রিজের আশপাশে অভিযান চালিয়ে রিপন হোসেন শেখ ও আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ওয়ান শ্যুটারগান, ১৪ রাউন্ড গুলি, তিনটি খালি কার্তুজ, কয়েকটি স্মার্টফোন, একটি মেটাল ডিটেক্টর, একটি ড্রোন ও ড্রোন পরিচালনার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এছাড়া উগ্রবাদী মতাদর্শ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বই ও লিফলেটও জব্দ করা হয়েছে।

    তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্রেপ্তারকৃতরা নিষিদ্ধ সংগঠন ‘আকসা’র সঙ্গে যুক্ত। তারা রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নাশকতা ও গোপন হামলার পরিকল্পনা করছিল। এ উদ্দেশ্যে তারা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সংগ্রহ করে সংগঠিত হচ্ছিল বলে মনে করছে পুলিশ।

    গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তাদের নেটওয়ার্কের অন্য সদস্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

  • সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ ইস্যুতে তুমুল ঝড়! এক বক্তব্যেই অচল অধিবেশন

    সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ ইস্যুতে তুমুল ঝড়! এক বক্তব্যেই অচল অধিবেশন

    এবিএনএ: মুক্তিযুদ্ধ এবং জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে এক সংসদ সদস্যের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে সৃষ্টি হয় তীব্র উত্তেজনা। দিনের বড় অংশজুড়ে চলে হট্টগোল, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এবং তর্ক-বিতর্ক, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়ে।

    কীভাবে শুরু হলো বিতর্ক?

    মঙ্গলবার বিকেলে সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পর নিয়মিত কার্যসূচি শেষে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এ সময় কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বক্তব্য দিতে উঠলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    তার বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক দলের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য আসতেই বিরোধী দলের সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে হট্টগোল শুরু করেন।

    স্পিকারের হস্তক্ষেপেও থামেনি উত্তেজনা

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার সদস্যদের সতর্ক করেন এবং সংসদের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানান। তবে এরপরও সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থামেনি।

    বিতর্কিত মন্তব্যে উত্তাপ বাড়ে

    বক্তব্যে ফজলুর রহমান দাবি করেন, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না। এই মন্তব্যের পর বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান এবং সংসদে হট্টগোল আরও বেড়ে যায়।

    এছাড়া তিনি মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলনার তুলনারও সমালোচনা করেন, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

    নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া ও পাল্টা বক্তব্য

    বিরোধীদলীয় নেতা তার বক্তব্যে এই মন্তব্যকে ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, অন্যের অবদান খাটো করার অধিকার কারও নেই।

    অন্যদিকে সরকারি দলের সদস্যরাও পাল্টা অবস্থান নেন। বিভিন্ন দল ও জোটের সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন, ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    স্পিকারের কঠোর বার্তা

    ক্রমাগত বিশৃঙ্খলার মধ্যে স্পিকার সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, জাতি সরাসরি অধিবেশন দেখছে—এ ধরনের আচরণ সংসদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। তিনি সংসদের কার্যপ্রণালি মেনে চলার ওপর জোর দেন এবং অসংসদীয় বক্তব্য রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়ার কথাও জানান।

    অন্যান্য ইস্যুতেও উত্তেজনা

    একই দিনে সংসদে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুর্নীতির অভিযোগ, গণভোটের বৈধতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সাংবাদিকদের অধিকার, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এবং জাল নোট প্রতিরোধে নতুন আইন প্রণয়ন।

    রাজনৈতিক বিভাজন আরও স্পষ্ট

    দিনভর আলোচনায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, রাজনৈতিক অবস্থান এবং সমসাময়িক ইস্যুগুলোতে এই বিভাজন আরও প্রকট হয়েছে।

    সব মিলিয়ে, একটি বক্তব্য ঘিরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পুরো দিনের সংসদ কার্যক্রমকে প্রভাবিত করেছে এবং দেশের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • পাঁচ দিন পর উৎপাদনে ফিরল আদানির ইউনিট, আবারও পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু

    পাঁচ দিন পর উৎপাদনে ফিরল আদানির ইউনিট, আবারও পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু

    এবিএনএ: কারিগরি ত্রুটি মেরামত শেষে আদানি পাওয়ারের বন্ধ ইউনিট ফের চালু হয়েছে। দুই ইউনিট থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রি

    কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে থাকা আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট মেরামত শেষে আবার উৎপাদনে ফিরেছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির দুই ইউনিট থেকেই এখন পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে, যা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়াতে সহায়ক হবে।

    পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (পিডিবি) ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটের দিকে বন্ধ থাকা ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়। এরপর থেকেই বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক হয়ে দুই ইউনিট থেকেই একযোগে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে।

    এর আগে গত ২২ এপ্রিল আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিটে হঠাৎ কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। নিরাপত্তার কারণে তখন ইউনিটটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন আংশিক কমে যায় এবং জাতীয় গ্রিডে সরবরাহও কিছুটা প্রভাবিত হয়।

    ত্রুটি শনাক্তের পর দ্রুত মেরামত কাজ শুরু করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন, সমস্যা সমাধান করে ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে তিন থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হওয়ায় এখন আবার স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরেছে প্ল্যান্টটি।

    দুই ইউনিট একসঙ্গে চালু হওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশেষ করে গরমের মৌসুমে বাড়তি চাহিদা মোকাবিলায় এই সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ডে বাড়ছে উৎপাদন।

  • রাতে ঢাকায় হঠাৎ ঝড়ের শঙ্কা, ৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা

    রাতে ঢাকায় হঠাৎ ঝড়ের শঙ্কা, ৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় রাতে ঝড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও।

    সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে সাময়িকভাবে মেঘাচ্ছন্ন হতে পারে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।

    পূর্বাভাসে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে সাধারণত ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। তবে অস্থায়ীভাবে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে দমকা হাওয়া বয়ে গিয়ে এর গতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৮ শতাংশ।

    আজ রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ছয় ঘণ্টায় ঢাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।

    এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৬ মিনিটে। আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে রাতে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।