Category: জাতীয়

  • আপিলেও বহাল জঙ্গি নেতা মাসুমের মৃত্যুদণ্ড

    আপিলেও বহাল জঙ্গি নেতা মাসুমের মৃত্যুদণ্ড

    এবিএনএ : লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টে বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য মাসুমুর রহমান ওরফে মাসুমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জেএমবি সদস্য মোহম্মদ আমজাদ আলীকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের রায় বাতিল করা হয়েছে।
    এই মামলায় আমজাদ আলীর পুনর্বিচারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কনডেম সেল থেকে সাধারণ কয়েদিদের সেলে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
    প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ বুধবার এই রায় দেন।

  • ‘দেশপ্রেমিক জীবন দেন, কিন্তু আত্মসমর্পন করেন না’

    ‘দেশপ্রেমিক জীবন দেন, কিন্তু আত্মসমর্পন করেন না’

    এবিএনএ : সারাবিশ্বে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে প্রতিটি সদস্যকে নিরলস কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।

    আজ বুধবার দুপুরে যশোরে ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠান থেকে এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় আপনাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকতে হবে। মনে রাখবেন, দেশপ্রেমিক সৈন্যরা জীবন দেন, কিন্তু আত্মসমর্পন করেন না। পাশাপাশি মনে রাখতে হবে জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা সারাবিশ্বে প্রশংসিত। এ অবস্থান সমুন্নত রাখতেও আপনাদের নিরলস প্রচেষ্টা চালু রাখতে হবে, বলেন রাষ্ট্রপতি। জাতির পিতার উদ্ধৃতি দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, যে জাতি সম্মান করতে পারে না, আত্মমর্যাদা রক্ষা করতে পারে না। সেই জাতি কোনো দিন বড় হতে পারে না। সেই জন্য আজকে আমরা আত্মমর্যাদা বিশিষ্ট জাতি হিসেবে আত্মমর্যাদা নিয়ে বাস করতে চাই। আমরা অন্য কারো ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। অন্য কেউ আমাদের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক, তা আমরা সহ্য করব না। আমরা এই নীতিতে বিশ্বাসী। তাই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপনাদের সব ধরনের ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকতে হবে। মনে রাখবেন, দেশ প্রেমিক সৈন্যরা জীবন দেন, কিন্তু আত্মসমপর্ণ করেন না। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্যারেড চত্বরে পৌঁছলে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার এবং বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটির অধিনায়ক এয়ার কমডোর মো. শফিকুল আলম তাকে স্বাগত জানান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শ্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি।

  • ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প

    ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প

    এবিএনএ : দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপদেশ ভানুয়াতুতে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.৯।
    বুধবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১২টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

    মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূকম্পনটির উৎপত্তিস্থল ভানুয়াতুর সোলা এলাকা থেকে ১০৯ কিলোমিটার পশ্চিম দক্ষিণ-পশ্চিমে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩৩.৭ কিলোমিটার গভীরে।

    ভূমিকম্পে তৎক্ষণাৎ কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি। এ ঘটনায় কোনো সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।

  • দেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

    দেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ : দেশের চিকিৎসকদের মেধাবী আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের কাজের সুযোগ করে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

    একই সঙ্গে দেশেই বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।

    বুধবার রাজধানীর চাঁনখারপুলে ‘শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের’ নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, “বহুলোক বিদেশে চলে যাচ্ছে চিকিৎসা নিতে। যারা বড়লোক তারা বিদেশে যাবে তাতে আমার আপত্তি নাই।

    “কিন্তু সমমানের চিকিৎসা আমাদের দেশের ডাক্তাররা দিতে পারবে না এটা আমি বিশ্বাস করি না। কারণ আমার দেশের ডাক্তাররা যথেষ্ট মেধাবী। তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। উন্নত ব্যবস্থা করতে হবে।”

    ‘শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’ চিকিৎসার পাশাপাশি গবেষণা, শিক্ষা কার্যক্রম এবং প্লাস্টিক সার্জারি সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে ‘সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে’ পরিণত হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    বিশ্বমানের এই ইনস্টিটিউটের সঙ্গে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার জন্য থাকবে ৫০০ শয্যার হাসপাতালে। চাঁনখারপুলে ১ দশমিক ৭৬ একর জমিতে এই ইনস্টিটিউট নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৩৪ কোটি টাকা।

    ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পাওয়া এ প্রকল্পের কাজ ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা যাবে বলে আশা করছে সরকার।

    দক্ষ লোকবল সৃষ্টিতে নতুন এই ইনস্টিটিউট কাজ করবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

    বাংলাদেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতেও দুটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।

    দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তি ঘিরে বিএনপির আন্দোলনের মধ্যে দেশজুড়ে পেট্রোল বোমায় দগ্ধ হাজার হাজার রোগীর ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিট থেকে চিকিৎসা নেওয়ার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, “২০১৪ সালে বিএনপি জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াও শুরু হয়। নির্বাচন ঠেকানোর কথা বলে মানুষকে পুড়িয়ে মারার মিশন শুরু হয়। আর তাদের ক্যাডার বাহিনী সারা দেশে মানুষকে পুড়িয়ে মারা শুরু করে।

    “১৩ থেকে ১৫ সাল পর্যন্ত তারা তাণ্ডব চালিয়েছে। কেউই তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি।তারা কিভাবে আশা করে যে, জনগণকে পুড়িয়ে মেরে আবার ক্ষমতায় যাবে।”

    চিকিৎসার্ধীদের নিরাপত্তায় নিশ্চিত করতে ঊপনিবেশিক আমলে নির্মিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভবন ভেঙে ফেলার পরামর্শ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজের যে পুরোনো বিল্ডিংগুলো আছে .. আমরা হেরিটেজ হেরিটেজ বলে এই পুরনো বিল্ডিংগুলো ব্যবহার করতে যেয়ে কখন যে মাথার ওপর ভেঙে পড়ে, মানুষ মারা যাবে তার কোনো ঠিক নাই।”

    ঐহিত্যবাহী দালানগুলোর কিছু অংশ সংস্কার করার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও বলেন, “কিছুটা হ্যারিটেজ রক্ষার জন্য যেটুকু দরকার, সেটুকু রাখা যাবে। এর বাইরে বিল্ডিংগুলো সম্পূর্ণ ভেঙে অত্যন্ত আধুনিক এবং উন্নত যুগোপোযুগী প্রযুক্তি সম্পন্ন হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ নির্মাণ করতে চাই।”

    প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের এই অংশের জন্য সমালোচিত হবেন এমন আভাস দিয়ে বলেন, “আমি জানি, আমি কিছু করতে গেলে এক গ্রুপ আছে লাফ দিয়ে পড়ে..হেরিটেজ রক্ষা। জীবন বড়, না হেরিটেজ বড়। চিকিসা সেবা বড়, না হেরিটেজ বড়।

    “শত বছরের বিল্ডিং ধসে যে মানুষ মারা যাবে, তখন তো ওই হেরিটেজওয়ালারা দায়িত্ব নেবে না। তখন দোষ পড়বে সরকারের ওপর।”

    তিনি বলেন, “এখনই শুনবেন টকশো শুরু হয়ে গেল। লেখালেখি শুরু হয়ে গেল। সেটা হতে পারে। কিন্তু দেশের মানুষের জন্য যেটা করা দরকার সেটা আমি করব।”

    স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাইদ খোকন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক।

  • সিরাজগঞ্জে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ চালক নিহত

    সিরাজগঞ্জে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ চালক নিহত

    এবিএনএ : সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাশে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ট্রাক দুটির চালক নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোর ৬টায় বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাশে এ ঘটনা ঘটে।

    যমুনা ব্রিজ পশ্চিম থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ব্রিজের পশ্চিম পাশে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক ও পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী পাথর বোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি ট্রাকের চালকই ঘটনাস্থলে নিহত হন। নিহতরা হলেন নওগা জেলার মহাদেবপুর থানার ভীমপুর গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে সাকোয়াত হোসেন(২২) ও পঞ্চগড় জেলার ইকরাম ইসলাম (৪০)। এ ঘটনায় ট্রাকের সহকারিসহ আরও চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

  • আর্সেনিকজনিত রোগে বছরে ৪৩০০০ মানুষের মৃত্যু

    আর্সেনিকজনিত রোগে বছরে ৪৩০০০ মানুষের মৃত্যু

    এবিএনএ : দেশের আর্সেনিক সমস্যা ২০ বছর আগে যে অবস্থায় ছিল, এখনো সে অবস্থায় রয়েছে। মূলত রাজনৈতিক কারণে এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। প্রতিবছর ৪৩ হাজার মানুষ আর্সেনিকজনিত রোগে মারা যাচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায়। সংবাদ সম্মেলনে ‘স্বজনপ্রীতি এবং অবহেলা: বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের খাবার পানিতে আর্সেনিক প্রতিরোধে ব্যর্থ প্রচেষ্টা’ শিরোনামের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিনিধিরা বলেন, দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকির ভেতর রয়েছে। প্রতিবছর ৪৩ হাজার মানুষ আর্সেনিকজনিত রোগে মারা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের ৬৫ হাজার মানুষ আর্সেনিকজনিত রোগে ভুগছে। তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মনে করে, প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি।

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিনিধিরা বলেন, নিরাপদ বা আর্সেনিকমুক্ত পানির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গভীর নলকূপ দেওয়া হয়। এতে দেখা যাচ্ছে, এই নলকূপ পাওয়ার ক্ষেত্রে বা বসানোর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করে। সাংসদ বা উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যানরা এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে বলা হয়, কার্যত আক্রান্ত ব্যক্তিদের কোনো চিকিৎসাই আপাতত হচ্ছে না। সুতরাং, রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়টি এখানে অবান্তর।

  • বার্ন ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বার্ন ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ : ‘শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট’ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকালে রাজধানীর চাঁনখারপুলে এই ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

    ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে ঢামেক হাসপাতাল সংলগ্ন সচিবালয় রোডে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    জানা গেছে, ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট এই ইনস্টিটিউটটি নির্মাণে ব্যয় হবে ৫৩৪ কোটি টাকা। মোট ১ দশমিক ৭৬ একর জমিতে বার্ন ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালটি সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে নির্মিত হবে। আন্ডারগ্রাউন্ডে দুই তলা বেইজমেন্টসহ মোট ১২তলা বিশিষ্ট বহুতল একাধিক ভবনের নির্মাণ কাজ খুব শিগগিরই শুরু হবে। পৃথক তিনটি ব্লকের একটিতে বার্ন, একটিতে প্লাস্টিক ও অপরটিতে একাডেমিক ভবন থাকবে।

  • বার্ন ইনস্টিটিউট ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    বার্ন ইনস্টিটিউট ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    এবিএনএ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, অগ্নিদগ্ধ মানুষকে বাঁচানোর ক্ষেত্রে বার্ন এ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে শেখ হাসিনা ন্যাশনাল বার্ন এ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    আগমীকাল বুধবার রাজধানীর চাঁনখারপুলে সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ইনস্টিটিউটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, অগ্নিদগ্ধ লোকদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য এই ইনস্টিটিউট নির্মাণ করা হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও পোড়াও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন প্রতিহত করার নামে বিএনপি-জামায়াত অশুভ উদ্দেশ্যে নিয়ে জ্বালাও পোড়াও করে মানুষ হত্যা করেছে। শত শত মানুষকে আহত করেছে। এই সকল আহত মানুষকে বার্ন ইউনিটে সেবা দিয়ে সুস্থ করা হয়েছে। ইতিহাসে এই বার্ন ইনস্টিটিউট মাইল ফলক হয়ে থাকবে। এ সময়ে স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হক, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন, বার্ন ইউনিটের পরিচালক অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনে ক্ষমতা বাড়লো পরিকল্পনামন্ত্রীর

    উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনে ক্ষমতা বাড়লো পরিকল্পনামন্ত্রীর

    এবিএনএ : উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনে ক্ষমতা বাড়লো পরিকল্পনামন্ত্রী আহম মুস্তফা কামালের। এখন থেকে ৫০ কোটি টাকা পযন্ত উন্নয়ন প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদনের পরিবর্তে তিনিই নিজ ক্ষমতাবলে অনুমোদন দিতে পারবেন। এর আগে ২৫ কোটি টাকা পর্যন্ত উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনে দিতে পারতেন পরিকল্পনা মন্ত্রী।

    মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ এনইসি বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
    ২০০৮ সালে ‘সরকার খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন’ প্রণীত নীতিমালার সংশোধন এনে নতুন নীতির খসড়া প্রস্তাবনা আজ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে করে পরিকল্পনামন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প নিজ ক্ষমতাবলে অনুমোদন দিতে পারবেন। এর আগে তিনি ২৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিতে পারতেন।

    ৫০ কোটি টাকার বেশি হলে তা একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাতিত্বে একনেক বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হবে।
    এ বিষয়ে এনইসি বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল বলেন, দেশের অর্থনীতি বড় হয়েছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। ‍উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও বৃদ্ধি পেয়েছে । এ কারণে ছোট ছোট প্রকল্পগুলো একনেকে অনুমোদনের জন্য না দিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কে অনুমোদনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে করে একনেক কমিটির কাজও কমে আসবে, প্রকল্প বাস্তবায়নের গতিও তৈরি হবে।
    এ সিদ্ধান্তের ফলে এডিপি বাস্তবায়নের গতি বেড়ে যাবে বলে মনে করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী।

  • অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদেও পদোন্নতি পেলেন ১৫৬ কর্মকর্তা

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদেও পদোন্নতি পেলেন ১৫৬ কর্মকর্তা

    এবিএনএ : পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার ১৫৬ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) পদে পদন্নোতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডিশনাল এসপি) পদ মর্যাদার ৭০ অফিসারকে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সুরাইয়া পারভীন শেলীর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে পদন্নোতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।