Category: জাতীয়

  • ১৯ দিনে ৯৪ শিশুর মৃত্যু: হামের উপসর্গে দেশজুড়ে আতঙ্ক, দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    ১৯ দিনে ৯৪ শিশুর মৃত্যু: হামের উপসর্গে দেশজুড়ে আতঙ্ক, দ্রুত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যদিও পরীক্ষাগারে নিশ্চিতভাবে হামের কারণে এখন পর্যন্ত ৯ জন শিশুর মৃত্যুর প্রমাণ মিলেছে।

    শুক্রবার (৩ এপ্রিল ২০২৬) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ হাজার ৭৯২ শিশুকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে ৭৭১ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে।

    একই সময়ে ৭১১ শিশুর শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে, যা পরিস্থিতির গুরুতর দিক নির্দেশ করে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে মোট ৩১৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৪৭ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ৪২ জনের শরীরে সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। ঢাকা বিভাগেই সবচেয়ে বেশি ১৮ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে এই সময়ে ময়মনসিংহ বিভাগে নতুন কোনো রোগী পাওয়া যায়নি।

    বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজশাহী বিভাগে ৮ জন, খুলনা ও সিলেটে ৫ জন করে, চট্টগ্রামে ৪ জন এবং বরিশাল ও রংপুরে ১ জন করে নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে।

    হামের লক্ষণ ও সতর্কতা:
    চিকিৎসকদের মতে, হামের ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর সাধারণত ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গ প্রকাশ পায়। শুরুতে সর্দি, কাশি, জ্বর, চোখ লাল হওয়া এবং চোখ দিয়ে পানি পড়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে গালের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (কপ্লিক স্পট) দেখা দেয়।

    পরবর্তীতে ত্বকে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা প্রথমে মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই র‍্যাশ সাধারণত কয়েকদিন স্থায়ী হয় এবং পরে মিলিয়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞরা জানান, অধিকাংশ রোগী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে এবং শরীরে দীর্ঘমেয়াদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিলে তা প্রাণঘাতী হতে পারে, তাই দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

  • ২৪ ঘণ্টায় হামে ২৬ আক্রান্ত, ৪ সন্দেহজনক মৃত্যু—দেশজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    ২৪ ঘণ্টায় হামে ২৬ আক্রান্ত, ৪ সন্দেহজনক মৃত্যু—দেশজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    এবিএনএ: দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ আবারও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে এ রোগের উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা সন্দেহজনক হিসেবে উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

    বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত একদিনে নতুন করে কোনো নিশ্চিত মৃত্যুর ঘটনা না থাকলেও উপসর্গের ভিত্তিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেগুলো এখনো যাচাইাধীন।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫৮৫ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহভাজন রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৩৬৩ জন।

    এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৩ জন। আর উপসর্গের ভিত্তিতে সন্দেহজনকভাবে মৃত্যু হয়েছে আরও ২৭ জনের।

    তবে আশার খবরও রয়েছে। একই সময়ের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯৩০ জন রোগী।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের বিস্তার রোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসার আওতায় আনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

  • সংসদে উঠছে না ১৬ অধ্যাদেশ—গণভোটসহ গুরুত্বপূর্ণ আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিলের পথে

    সংসদে উঠছে না ১৬ অধ্যাদেশ—গণভোটসহ গুরুত্বপূর্ণ আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিলের পথে

    এবিএনএ: গণভোট, মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদে উপস্থাপন না হওয়ায় সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা এসব অধ্যাদেশ সংবিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনুমোদন না পেলে কার্যকারিতা হারায়।

    জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ কমিটি তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মোট ১৬টি অধ্যাদেশ এবার সংসদে তোলা হচ্ছে না। ফলে আগামী নির্ধারিত সময়সীমা পার হলে এগুলো ‘ল্যাপস’ বা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। কমিটি মনে করছে, এই অধ্যাদেশগুলো আরও পর্যালোচনা ও পরিমার্জনের পর ভবিষ্যতে নতুনভাবে বিল আকারে আনা উচিত।

    সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো অধ্যাদেশ জারির পরবর্তী সংসদ অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে তা উপস্থাপন করতে হয় এবং ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন পেতে হয়। তা না হলে ওই অধ্যাদেশের কার্যকারিতা শেষ হয়ে যায়। এই নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে উল্লিখিত অধ্যাদেশগুলো বাতিল হয়ে যাবে।

    বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অপরিবর্তিত অবস্থায় পাসের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং চারটি অধ্যাদেশ বিল হিসেবে তাৎক্ষণিকভাবে উত্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    যেসব অধ্যাদেশ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে গণভোট অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন কমিশন সংশোধন, তথ্য অধিকার সংশোধন, রাজস্ব ও কর ব্যবস্থাপনা, কাস্টমস ও আয়কর সংশোধন, বেসামরিক বিমান চলাচল সংশোধনসহ আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন।

    এদিকে কমিটির কিছু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভিন্নমত জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর তিন সদস্য। তারা ১২টি অধ্যাদেশের বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ প্রদান করেছেন।

    প্রতিবেদনটি সংসদ অধিবেশনে উপস্থাপন করেন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশন পরিচালিত হয়।

    রিপোর্টে স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট কয়েকটি অধ্যাদেশ নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছে। সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ের আলোকে নির্বাচিত প্রতিনিধির পরিবর্তে প্রশাসক নিয়োগকে অসাংবিধানিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে ১৩ সদস্যের এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয় এবং ধারাবাহিক বৈঠকের মাধ্যমে তারা সবগুলো অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন তৈরি করে।

  • দেশজুড়ে মৌসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ শুরু—তাপমাত্রা কি ৪১ ডিগ্রি ছাড়াবে?

    দেশজুড়ে মৌসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ শুরু—তাপমাত্রা কি ৪১ ডিগ্রি ছাড়াবে?

    এবিএনএ: গ্রীষ্মের শুরুতেই দেশে অনুভূত হচ্ছে তাপমাত্রার তীব্রতা। আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।

    বর্তমানে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়াও টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ এবং নীলফামারী জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে। এতে জনজীবনে অস্বস্তি বেড়েছে এবং দিনের বেলা বাইরে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ছে।

    আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস বলছে, এপ্রিল মাসজুড়ে দেশে প্রায় ছয়টি তাপপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, যা ছিল ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া যশোরে ৩৮.২ ডিগ্রি এবং মোংলায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সাধারণত কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে সেটিকে তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। সেই হিসেবে দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে ইতোমধ্যেই তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা এই সময়ে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা পোশাক পরিধান এবং রোদে কাজ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • সরকারি চাকরিতে বিশাল শূন্যপদ—পৌনে ৫ লাখ পদ খালি, প্রত্যাহার ২৪ হাজার রাজনৈতিক মামলা!

    সরকারি চাকরিতে বিশাল শূন্যপদ—পৌনে ৫ লাখ পদ খালি, প্রত্যাহার ২৪ হাজার রাজনৈতিক মামলা!

    এবিএনএ: দেশে সরকারি চাকরিতে বিপুল সংখ্যক পদ এখনো খালি রয়েছে—এমন তথ্য উঠে এসেছে জাতীয় সংসদে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হাজারো মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টিও জানানো হয়েছে।

    সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী Abdul Bari জানান, বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে মোট ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী (৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত), দেশে মোট কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন।

    পদভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণিতে ১ লাখ ৯০ হাজার ৭৭৩ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৩৫ জন এবং চতুর্থ শ্রেণিতে ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৫৭ জন কর্মরত আছেন। এছাড়া অন্যান্য শ্রেণিতে রয়েছেন প্রায় ৭ হাজার ৯৮০ জন।

    অন্যদিকে শূন্যপদের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ৬৮ হাজার ৮৮৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৬টি, তৃতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯টি এবং চতুর্থ শ্রেণিতে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৫টি পদ খালি রয়েছে। অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও রয়েছে কয়েক হাজার শূন্যপদ।

    এদিকে, আইনমন্ত্রী Asaduzzaman সংসদে জানান, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ও হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা ইতোমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব মামলা মূলত জনগণকে হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছিল।

    আইনমন্ত্রী আরও জানান, অতীত সরকারের আমলে দায়ের করা এমন আরও অনেক মামলা রয়েছে, যেগুলো যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, কোনো ব্যক্তি আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হলে তার সম্মান ও অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। একই সঙ্গে অতীতে অস্বাভাবিক কিছু মামলার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, বহু বছর আগে মারা যাওয়া ব্যক্তি কিংবা প্রতিবন্ধীদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছিল।

    এ ধরনের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার এখন এসব মামলা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

    আইনমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে আবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, কারণ এ বিষয়টি শুধু আইন মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হয় না।

    সব মিলিয়ে, একদিকে বিপুল শূন্যপদ পূরণের চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ—দুই দিকেই সরকারের বড় ধরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • চারদিন সাগরে ভেসে ছিল ট্রলার—অবশেষে ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করল নৌবাহিনী

    চারদিন সাগরে ভেসে ছিল ট্রলার—অবশেষে ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করল নৌবাহিনী

    এবিএনএ: বঙ্গোপসাগরের গভীর সাগরে বিপদে পড়া ১৫ জন জেলেকে সফলভাবে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ইঞ্জিন বিকল হয়ে চারদিন ধরে ভাসতে থাকা একটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ মার্চ বিকেলে নিয়মিত টহল চলাকালে সেন্টমার্টিন লাইট হাউসের পশ্চিমে প্রায় ৬ নটিক্যাল মাইল দূরে ট্রলারটিকে অসহায় অবস্থায় ভাসতে দেখা যায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নৌবাহিনীর সদস্যরা জেলেদের উদ্ধার করে।

    জানা গেছে, ২৭ মার্চ ট্রলারটির ইঞ্জিন হঠাৎ বিকল হয়ে যায়। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জেলেরা দিকভ্রান্ত হয়ে গভীর সাগরে ভেসে থাকতে বাধ্য হন। দীর্ঘ সময় সমুদ্রে আটকে থাকার ফলে তাদের খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তোলে।

    উদ্ধারের পর নৌবাহিনী তাদের সেন্টমার্টিনে অবস্থিত ফরওয়ার্ড বেইজে নিয়ে যায়। সেখানে জেলেদের খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

    বর্তমানে উদ্ধার হওয়া সবাই সুস্থ রয়েছেন এবং তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    নৌবাহিনী জানিয়েছে, দেশের সমুদ্রসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা নিয়মিত টহল পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে জেলেদের সুরক্ষা ও ব্লু ইকোনমির উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

  • সংসদে তুমুল আলোচনা: সিইসি ‘শপথ ভঙ্গ’ করেছেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ

    সংসদে তুমুল আলোচনা: সিইসি ‘শপথ ভঙ্গ’ করেছেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)-এর বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘন ও শপথ ভঙ্গের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদে তীব্র বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংবিধানের বাইরে গিয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের ফরম বিতরণ করা সম্পূর্ণ অবৈধ।

    মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আনা মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। স্পিকারের অনুমতি নিয়ে তিনি সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ তুলে ধরে বিষয়টির আইনি দিক ব্যাখ্যা করেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রের সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন। কিন্তু সেই দায়িত্বে থেকেও তিনি কীভাবে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হওয়ার জন্য শপথের ফরম সংসদ সচিবালয়ে পাঠালেন—তা প্রশ্নবিদ্ধ। তার মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সিইসি তার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনের সময় যে ব্যালট ব্যবহার করা হয়েছিল, সেখানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। জনগণ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেছে, অন্য কোনো পরিষদের সদস্য হিসেবে নয়।

    বিগত সরকারের জারি করা ‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এটিকে শুরু থেকেই অবৈধ (ভয়েড অ্যাব ইনিশিও) হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সংবিধানের চতুর্থ তফশিল অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের পর রাষ্ট্রপতির এমন আদেশ জারির ক্ষমতা নেই।

    তার ভাষায়, এই আদেশটি কোনো বৈধ আইন বা অধ্যাদেশ নয়, বরং এটি সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা খর্ব করার একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা। পুরো প্রক্রিয়াকে তিনি ‘প্রতারণামূলক’ বলেও আখ্যা দেন।

    এ বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, বিষয়টি নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হতে পারে।

  • পুলিশকে আধুনিক শক্তিতে গড়ে তুলতে জোর—ত্রিমাত্রিক সক্ষমতায় সরকারের বড় পরিকল্পনা

    পুলিশকে আধুনিক শক্তিতে গড়ে তুলতে জোর—ত্রিমাত্রিক সক্ষমতায় সরকারের বড় পরিকল্পনা

    এবিএনএ: দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ পুলিশকে আধুনিক ও বহুমাত্রিক সক্ষমতায় গড়ে তুলতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ও উন্নত সরঞ্জাম ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

    জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীকে ত্রিমাত্রিক সক্ষমতায় উন্নীত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশে হেলিকপ্টার সংযোজন, আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, উন্নত যানবাহন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের কাজ চলমান রয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার সময়োপযোগী নানা পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এর ফলে পুলিশ বাহিনী আগের তুলনায় আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়েছে।

    তিনি জানান, বাংলাদেশ পুলিশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে বৈজ্ঞানিক তদন্ত পদ্ধতির ব্যবহার, মানবাধিকার বজায় রেখে আইন প্রয়োগ, এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ।

    এছাড়া জরুরি সেবা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯’-এর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই সেবার মাধ্যমে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও অগ্নিনির্বাপণ সহায়তা দ্রুত সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে।

    সব মিলিয়ে, প্রযুক্তি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে পুলিশ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • সংসদে উত্তাপ: মুলতবি প্রস্তাব ঘিরে বিরোধী দলকে কড়া বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    সংসদে উত্তাপ: মুলতবি প্রস্তাব ঘিরে বিরোধী দলকে কড়া বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    এবিএনএ: জাতীয় সংসদে মুলতবি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়েছে। প্রস্তাবটির প্রক্রিয়াগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলের কড়া সমালোচনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Salahuddin Ahmed

    রোববার সংসদ অধিবেশনে ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’-এ দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা Shafiqul Rahman যে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন, তা সংসদীয় বিধি অনুসরণ করে দেওয়া হয়নি। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করতে হলে নির্ধারিত নিয়ম মেনে নোটিশ দিতে হয়।

    মন্ত্রী আরও বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মুলতবি প্রস্তাব আনতে হলে নির্দিষ্ট বিধি অনুসরণ জরুরি। তবে সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবে কারিগরি ত্রুটি রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রয়োজনে সংশোধিত নোটিশ জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    সংসদের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদকে আগের বিশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরিয়ে নেওয়া উচিত নয়। তিনি স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানান, সংসদীয় বিধি অনুযায়ী বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে।

    মুলতবি প্রস্তাবের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেসব বিষয় আইন প্রণয়ন বা সংবিধান সংশোধনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত, সেগুলো সাধারণ মুলতবি প্রস্তাবের মাধ্যমে আলোচনা করা যায় না। এ ধরনের বিষয়ে আলাদা প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন।

    পরিস্থিতি সমাধানে একটি সমঝোতার প্রস্তাবও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করতে সরকার ও বিরোধী দলসহ সব পক্ষকে নিয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা করে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

    তিনি আরও বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সংবিধান প্রণয়নের জন্য সবার মতামত জরুরি। তাই সংসদীয় কাঠামোর মধ্যেই আলোচনার মাধ্যমে একটি ঐকমত্যে পৌঁছানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

  • জ্বালানি তেল নিয়ে কঠোর বার্তা: চোরাচালান ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    জ্বালানি তেল নিয়ে কঠোর বার্তা: চোরাচালান ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    এবিএনএ:দেশে জ্বালানি তেলকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা কঠোরভাবে দমন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, চোরাচালান ও অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে।

    শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠকে এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি জানান, সরকার জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই।

    বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির বিষয়টি। এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িতদের চিহ্নিত করতে দ্রুত অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত পথে জ্বালানি তেলের চোরাচালান ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    চিফ হুইপ আরও জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    অধ্যাদেশ সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, এদিন বৈঠকে তা উত্থাপন করা হয়নি। তবে পরদিন অধিবেশন শুরুর আগে সরকারদলীয় বিশেষ কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

    এদিকে, বৈঠকের শুরুতে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। উপস্থিত সবাই তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

    বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের এই কঠোর অবস্থান বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।