Category: এবিএনএ স্পেশাল

  • আটলান্টিক সিটিতে সাউথ জারসি মেট্রো আওয়ামী লীগের সভা অনুষ্ঠিত

    আটলান্টিক সিটিতে সাউথ জারসি মেট্রো আওয়ামী লীগের সভা অনুষ্ঠিত

    এবিএনএ: নিউজারসি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে সাউথ জারসি মেট্রো আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গত নয় অক্টোবর,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় একটি ভেনুতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সাউথ জারসি মেট্রো আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল ইসলাম শাহজাহান ও সঞ্চালণা করেন শেখ শওকত শিমুল।সভায় সংগঠনের নেতা সাব্বির হোসেন ভূঁইয়া, আহসান হাবীব ,রতন ভট্টাচার্য ,রওশনউদদীন, শহীদ খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার‘এ ব্রোকেন ড্রীম: রুল অব ল, হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেমোক্র্যাসি’ নামক গ্রন্থে উল্লেখিত তথ্যাদি প্রসংগে বলেন, একান্ত ব্যক্তিস্বার্থে এসকে সিনহা কল্পনাপ্রসূত, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক বই প্রকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা তথা সরকারের বিরুদ্ধে নানা কল্পকাহিনী রটাচ্ছেন,বিশ্বসভায় বাংলাদেশকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এটা দেশদ্রোহিতার সামিল। তাঁরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিচারপতি সিনহা এবং তাঁর পেছনে মদদদাতাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন । আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে মহল বিশেষের কূটচাল ও প্ররোচনায় এই বই প্রকাশিত হয়েছে বলে বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেন।

  • আটলান্টিক সিটিতে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত

    আটলান্টিক সিটিতে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত

    এবিএনএ:মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন নিউজারসি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে উদযাপিত হয়েছে।  সাউথ জারসি মেট্রো আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গত আঠাশ সেপ্টেম্বর,শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি ভেনুতে এই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    এই অনুষ্ঠানে সাউথ জারসি মেট্রো আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল ইসলাম শাহজাহান  সহ সংগঠনের নেতা সাব্বির হোসেন ভূঁইয়া, আহসান হাবীব,কাঞ্চন বল, আবুল হোসেন, শেখ শওকত শিমুল, অভিজিত চৌধুরী লিটন ,রওশনউদদীন, শহীদ খান,  জাহাংগির হোসেন সহ প্রবাসী আওয়ামী লীগ সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

    সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরব উপস্থিতিতে  অনুষ্ঠানস্থলে এক মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং প্রিয় নেত্রীর শুভ জম্মদিন কেক কেটে পালন করা হয়। কেক কাটার সূচনা লগ্নে ‘শুভ শুভ শুভ দিন, মানবতার নেত্রীর জম্মদিন’ সহ বিভিন্ন বিশেষণের স্লোগানে মুখরিত হয় অনুষ্ঠানস্থল।

    এই উপলক্ষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,  শেখ হাসিনা এখন শুধু জাতীয় নেতাই নন, তিনি আজ তৃতীয় বিশ্বের একজন বিচক্ষণ বিশ্বনেতা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন নতুন ভূমিকায়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার, পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণসহ জাতীয় জীবনের বহুক্ষেত্রে তার নেতৃত্বে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও গতিশীল নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ নিম্ম মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে, বিশ্বে উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে পরিচিত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী শেখ পরিবারে জন্ম নেয়া শেখ হাসিনা সময়ের পরিক্রমায় আজ বিশ্ব নেতাদের অন্যতম একজন।  তাঁরা  শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

  • ডঃ সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলে তারা প্রকৃত আওয়ামীলীগ কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা উচিত

    ডঃ সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলে তারা প্রকৃত আওয়ামীলীগ কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা উচিত

    এবিএনএ: গত ২৩ই সেপ্টেম্বর রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের ব্যস্ততম শহর ম্যানহাটানের হিলটন হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশের  প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক সংবর্ধনা। এতে দলীয় নেতাকর্মীরা ছাড়াও শত শত প্রবাসীরা অংশগ্রহন করেন।প্রতিবারের ন্যায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলেও এবারের আয়োজনে ভিন্নতা ছিল । প্রবাসের কোন নেতাকর্মীদেরকে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ না দেয়া। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গীদের মধ্যে আওয়ামীলীগের প্রথম সারির নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখার সুযোগ পাননি।আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেখ সেলিম, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোঃ আলী।তাদের আলোচনায় বিভিন্ন দল ও দলের নেতাদের সমালোচনা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল বস্তুনিষ্ঠ, তথ্যভিত্তিক ও বাংলাদেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত পরিকল্পনা নিয়ে। এছাড়াও বাংলার মেহনতি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে তার  প্রতিচ্ছবি  প্রবাসীদের কাছে তুলে ধরে তিনি বলেন আগামী নির্বাচনে জনগনের সমর্থন পেলে বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করা হবে। তিনি দেশের সার্বিক উন্নয়ন, নিরাপত্তা, জঙ্গীবাদ দমন, পদ্মা সেতু নির্মান, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও রিজার্ভ ফান্ডের কথা উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন এবং প্রবাসীদের বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে অসীম অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ভবিষ্যতে ঢাকা টু নিউইর্য়ক সরাসরি বিমান চালুর পরিকল্পনার কথা জানান।

    এদিকে প্রবাসের নেতাকর্মীরা দলের টানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ষ্টেট থেকে শত শত মাইল পাড়ি দিয়ে, রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে সংবর্ধনায় অংশ নিয়ে যখন তৃপ্ত হয় ঘরে ফেরা তখনি নিজেদের কাছেও দীর্ঘ পথ যাত্রার সফর সংঘীদের কাছে যেন এক কঠিন প্রশ্ন উকিঁ দেয় যে আওয়ামীলীগের জনসভায় আওয়ামীলীগ বিরোধীরা কিভাবে এই সংবর্ধনা সভায় প্রবেশ করে বীরদর্পে প্রধানমন্ত্রীর সামনে দাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সন্মানিত সভাপতি ডঃ সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে  প্রশ্ন তুলে।যে মানুষটি   আওয়ামীলীগের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের লোভনীয় চাকরি, স্ত্রী -সন্তান, আত্নীয়-স্বজন, লোভ-লালসা ও বিলাসিতা পরিহার করে শুধু আওয়ামীলীগের জন্য বৈরাগীর ন্যায় যুক্তরাষ্ট্রের গন্ডি পেরিয়ে গোটা বিশ্বে আওয়ামীলীগকে শক্তিশালী করার জন্য নিজের ব্যক্তিগত অর্থ খরছ করে ঘুরে বেড়ায়। যে নেতা নিজের জীবন বাজি রেখে জামাত শিবির এবং বিএনপির বিরোদ্ধে রুখে দাঁড়ায় তার নেতৃত্ব নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলে তারা প্রকৃত আওয়ামীলীগ কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা উচিত। নেতাকর্মীদের প্রশ্ন এরা কি একাত্তরের পরাজিত শক্তির দোসর জামাত শিবিরের নেয়া আওয়মীলীগ ও তাদের নেতাকর্মীদের ধবংস করার যে পরিকল্পনা এটা কি তার অংশবিশেষ কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত। এছাড়াও সেদিন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের পলাশীর প্রান্তের  মত  নিরবতার কারনটিও প্রশ্নবিদ্ধ।

    অন্যদিকে উক্ত সম্মেলনে সাউথ জার্সি মেট্টো আ’লীগের ১ নং যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক শওকত শিমুল ডঃ সিদ্দিকুর রহমানের পক্ষে অবস্থন নিয়ে স্লোগান দিতে থাকলে ডঃ সিদ্দিকুর রহমান বিরুদীদের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এ গটনায় সাংবাদিক শওকত শিমুরকে অপমান করায় ডঃ সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অসধাচরনকারীদের সাংগঠনিক বিচার দাবী করেছেন। সাউথ জার্সি মেট্টো আ’লীগের সভাপতি সামসুল ইসলাম, শাহজাহান, ১নং সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন ভুইয়া,  সহ-সভাপতি আহসান হাবিব, রতন ভট্টাচার্য, কামাল হোসেন, মো: শাহীন, কাঞ্চন বল, আব্দুল জলিল, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শওকত শিমুল, লিচন চৌদুরী, বিপ্লব দেব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ সিদ্দিক, রওশন উদ্দিন, শেখ সেলিম। আ’লীগ নেতা শহীদ খান, আবুল হোসেন, রেজাউল ইসলাম খালিদ , হুমায়ন সিকদার, সুলতানা শেখ, নারগিস আক্তার, সাবেরা চেীধুরী, গোলাম হাফিজ, রেখা খাতুন, আবুল হোসেন, সেলিনা আক্তার, শিল্পী বেগম, সুজন দাস প্রমুখ। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্ট্রেটের আ’লীগের ত্যাগি নেতা কর্মীরা ডঃ সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদীদের তিবৃ নিন্দা ও সমালচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এর যতার্থ বিচার দাবী করেছেন।

    তাই প্রবাসের সকল নেতাকর্মীদের দাবি ডঃ সিদ্দিকুর রহমান যতদিন বেঁচে থাকবে তিনি যেন যু্ক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে থাকতে পারে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সম্মিলন

    যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সম্মিলন

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগে নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে চায়। এ লক্ষে তারা গঠন করেছে বাংলাদেশি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব নিউইয়র্ক। শুক্রবার (২৪ আগস্ট) সংগঠনের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মূলধারার ও বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা। সুদূর প্রবাসে বেড়ে উঠলেও বাংলা কৃষ্টি আর সংস্কৃতির চর্চা করে চলেছেন যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব নিউইয়র্কের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তারা গানে-নৃত্যে তারই স্বাক্ষর রাখলেন। বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে জিইয়ে রেখে সবাইকে নিয়ে একসাথে চলার শপথ নিলেন তারা। বাংলাদেশি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব নিউইয়র্ক এর সভাপতি শেখ আল আমীন বলেন, ‘আমাদের মিশন ও ভিশন এক-অভিন্ন। আমরা বাংলাদেশের ট্রাডিশন, কালচার ও হেরিটেজ নিয়ে কাজ করতে চাই। এ লক্ষেই আমরা এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়াস পেয়েছি।’ বাংলাদেশি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব নিউইয়র্ক এর উপদেষ্টা সৈয়দ মোস্তফা আল আমীন রাসেল বলেন, ‘আমার সংগঠন করার কয়েকটি উদ্দেশের একটি হচ্ছে- যেসব বাংলাদেশি ছেলেমেয়েরা এখানে জন্মগ্রহণ করেছে এবং যারা পরবর্তীতে এদেশে পড়তে এসেছে তাদের কাছে আমাদের সংস্কৃতিকে পৌঁছে দেয়া। তারা যেন বাঙালি সংস্কৃতির চর্চাটা এদেশে করতে পারে। চর্চা করার আগ্রহ পায়। তিনি বলেন, পাশাপাশি আমরা চেষ্টা করছি বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা শেষ করার পর যেন তাদের কাঙ্ক্ষিত চাকরিটা পায় সেই ব্যবস্থা করা।’ অনুষ্ঠান যেন পরিণত হয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায়। অনুষ্ঠানে গল্পে-আড্ডায় মেতে ওঠেন বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। বাংলাদেশি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব নিউইয়র্ক এর নির্বাহী কমিটির সদস্য জেনিফার তাসমিয়া বলেন, ‘দেরিতে হলেও এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে কানেকটিভিটি তৈরি হয়েছে। আমি এতে খুবই আনন্দিত। এতে করে আমরা পেশাগত জীবনে আরও উন্নতি করতে পারবো।’ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মূলধারার বিভিন্ন পেশার কর্তাব্যক্তিরাও। তারা শিক্ষার্থীদের হাতে মার্কিন কংগ্রেস, নিউইয়র্কের গভর্নর অফিস ও স্টেট সিনেটের স্বীকৃতি ও প্রশংসাপত্র তুলে দেন। তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরাও।সংগঠনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে একটি স্মরণিকাও প্রকাশিত হয়। শেষে গানে গানে শেষ হয় মিলনমেলা।

  • রক্তস্নাত, ভয়াল-বিভীষিকাময় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের স্মরণে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ

    রক্তস্নাত, ভয়াল-বিভীষিকাময় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের স্মরণে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ

    এবিএনএ: সেই রক্তস্নাত, ভয়াল-বিভীষিকাময় ২১ আগস্ট। বারুদ আর রক্তমাখা বীভৎস রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞের দিন। মৃত্যু-ধ্বংস-রক্তস্রোতের নারকীয় গ্রেনেড হামলার চৌদ্দতম বার্ষিকী। বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় থাকাকালে সভ্যজগতের অকল্পনীয় এক নারকীয় হত্যাকান্ড চালানো হয় ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট এই দিনে। গ্রেনেডের হিংস্র দানবীয় সন্ত্রাস আক্রান্ত করে মানবতাকে। রক্ত-ঝড়ের প্রচন্ডতায় মলিন হয়ে গিয়েছিল বাংলা ও বাঙালীর মুখ। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণ এদিন মুহূর্তেই পরিণত হয়েছিল মৃত্যুপুরীতে। সেদিন যদি ঘাতকদের নিক্ষিপ্ত গ্রেনেড সমাবেশের জন্য ব্যবহৃত ট্রাকে বিস্ফোরিত হতো তবে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কোন সিনিয়র নেতাই প্রাণে রক্ষা পেতেন না। আর এটাই ছিল ঘাতকচক্রের মূল নীলনক্সা। গভীর শ্রদ্ধার সাথে-একুশে আগষ্ট, ভয়াবহ গ্রেনড হামলার ১৪তম বার্ষিকী স্মরণ করেছেন,  সোমবার রাতে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের স্মরণে নিউ ইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসে  মেজবান রেস্টুরেন্টে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ডঃ সিদ্দিকুর রহমান ও পরিচালনা করেন  ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ।

    আলোচনা সভার শুরুতে নিহতদের স্মরণে ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন সাইফুল আলম সিদ্দিকী।
    ২০০৪ সালে শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় চালিয়ে ২২ জন  নেতাকর্মীকে হত্যা, কয়েকশত মানুষকে আহত করার জন্যে খালেদা জিয়া, তারেক রহমান গংদের দায়ী করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে।

    ডঃ সিদ্দিকুর রহমান বলেন,  বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে, আরেকটি ১৫ই আগষ্টের জন্ম দেওয়ার এবং চিরতরে-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশুন্য ও দেশের গণতন্ত্র ধবংস করার জন্যই, ২১শে আগষ্ট ২০০৪, বঙ্গবন্ধু এ্যাভিউনিতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সন্ত্রাসবিরোধী বিশাল সমাবেশে, তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আশ্রয়পুষ্ট সশস্ত্র জঙ্গী মৌলবাদীগোষ্টী এযাবতকালের নারকীয় ও বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালিয়ে ছিল

    আরো বলেন, এই নৃশংস ও ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায়-জননেত্রী শেখ হাসিনা অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেও, মহিলা আওয়ামী লীগের  নেত্রী আইভি রহমানসহ নিহত হয় ২২ জন তাজাপ্রাণ হারায়। এবং আহত হয় শত শত নেতা-কর্মী।  সেদিনের বোমার স্পিলিন্টার এখনও শরীরে বহন করে, জীবনের মতো পঙ্গু হয়ে, অসহায় অবস্থায়-বেঁচে আছে শত শত মানুষ। রক্তাক্ত একুশে আগষ্ট, ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ১৪তম বার্ষিকীতে-আইভি রহমানসহ একুশে আগষ্ট, নিহত সকল শহীদদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ‘শ্রদ্ধাঞ্জলী’ জানাই।

    আরো বলেন  বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মদদেই যে, সেদিন নারকীয় বোমা হামলা ঘটানো হয়েছিল, তা এখন জনগণের কাছে পরিস্কার। সেদিনের ওই সমাবেশস্থলের চারিদিকে জোট সরকারের তিনশত পুলিশ কর্তব্যরত থাকলেও তারা ছিল মূলত নির্বিকার। ভয়াবহ এই গ্রেনেড হামলায় ঢাকার আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হলেও, বঙ্গবন্ধু এ্যাভিউনিতে সেদিন রক্তের বন্যা বয়ে গেলেও, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের পুলিশ বাহিনী সন্ত্রাসীদের লক্ষ করে একটি গুলিও ছুড়েনি। বরং নির্বিগ্নে সেখান থেকে সন্ত্রাসীদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করে থাকে তৎকালীন জোট সরকারের পুলিশ বাহিনী। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে ‘জজ মিয়া’ নাটকের নামে গ্রেনেড হামলার মামলার তদন্তও ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা হয়েছিল।

    আরও বলেন তৎকালীন সময়ের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানও একুশে আগষ্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার সঙ্গে তারা জড়িত। বেগম খালেদা জিয়াকেও এই মামলায় বিচারের আওতায় আনার জন্যও বর্তমান সরকারের নিকট জোর দাবী জানানই। এবং একুশে আগষ্টের নারকীয় গ্রেনেড হামলার সুষ্টু তদন্তের দোষী ব্যক্তি যারাই হোক না কেন, তাদের গ্রেফতার করে, তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীও জানিয়েছে, বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার পথ ত্বরান্বিত করতে প্রবাসীদেরকেও ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে। এ লক্ষ্যে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সকলকে সোচ্চার থাকার বিকল্প নেই। শুধু তাই নয়, সামনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাষ্ট্র পরিচালনায় অধিষ্ঠিত করার জন্যেও প্রবাসীদের সমর্থন বাড়াতে হবে’ ২১শে আগষ্ট, গ্রেনেড হামলায়-নিহত আইভি রহমানসহ সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন। এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের তিন বারের সফল ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

    ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ বলেন  ২১শে আগষ্ট ২০০৪   “বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে দলকে নেতৃত্বশূন্য করতেই ওই হামলা হয়েছিল এবং তাতে প্রত্যক্ষ মদদ ছিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোটের শীর্ষ নেতাদের। উচ্চ পর্যায়ের তদন্তে সে ষড়যন্ত্র উদঘাটিত হয়েছে। তাই অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিকল্প নেই।”

    সভায় নেতাদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন   সহ-সভাপতি লুৎফুল কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, উপ-প্রচার সম্পাদক তৈয়বুর রহমান টনি, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক সোলায়মান আলী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য  শাহানারা রহমান,নুরুল আফসার সেন্টু,গজনবী, আনিসুর রহমান, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুর রহমান ও সহ সভাপতি সাইকুল ইসলাম, নিউ ইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শেখ আতিকুল ইসলাম, নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক স্বীকৃতি বড়ুয়ার মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শিবলী সাদিক, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের  সহ-সভাপতি কবির আলী,সৈয়দ কিবরিয়া জামান,যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হাসান, জাতীয় শ্রমিকলীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, মহিলা আওয়ামী লীগের নূরুন নাহার গিনি ও যুবলীগের আহ্বায়ক তারেকুল হায়দার চৌধুরী যবু লীগের নান্টু মিয়া,পেনসিলভেনিয়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তালুকদার রহমান হীমু ও প্রমূখ।

  • যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক সিটিতে অনুষ্ঠিত হল ‘বাংলাদেশ মেলা’

    যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক সিটিতে অনুষ্ঠিত হল ‘বাংলাদেশ মেলা’

    প্রবাস প্রজন্মে বাঙালি সংস্কৃতি জাগ্রত রাখার পাশাপাশি মূলধারায় সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির সংকল্পে নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে অনুষ্ঠিত হল ‘বাংলাদেশ মেলা’। বাংলাদেশ থেকে সাড়ে ১৪ হাজার মাইল দূরে আটলান্টিক মহাসাগর বিধৌত যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক সিটির বুকে গতকাল বুধবার যেন জেগে উঠেছিল একখণ্ড বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউন্টির উদ্যোগে ‘সেন্ড ক্যাসল স্টেডিয়াম’এর সুবিশাল প্রান্তরে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ মেলা’য় জড়ো হয়েছিল আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারি নতুন প্রজন্মের শতশত তরুণ-তরুণীও।পার্শ্ববর্তী অঙ্গরাজ্যগুলো থেকেও ছিল বাংলাদেশিদের সরব উপস্থিতি। এক পর্যায়ে প্রবাসীদের ভিড়ে এই মেলা পরিণত হয় জনারণ্যে।মেলায় ছিল দেশীয় পণ্যের বিকিকিনি, দেশীয় খাবারের স্টল। মেলায় কৃতী ছাত্র-ছাত্রী সংবর্ধনা, গুণীজন সংবর্ধনা, র‌্যাফেল ড্র এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।

    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ‘আবদুল কাদের মিয়া ফাউন্ডেশন’ এর চেয়ারম্যান এবং ‘যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন’র সেক্রেটারি আবদুল কাদের মিয়া। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন আটলান্টিক সিটির মেয়র ফ্রাঙ্ক এম গিলিয়াম, নিউ জার্সি স্টেট সিনেটর ভ্যান ড্রিউ, স্টেট সিনেটর ক্রিস ব্রাউন, এ্যাসেম্বলিম্যান জন আরমাটো, আটলান্টিক কাউন্টি শেরিফ এরিক শেফলার, কাউন্টির প্রধান নির্বাহী ডেনিস লেভিনসন, কাউন্টির প্রসিকিউটর ডেমন জি টাইনার এবং আটলান্টিক সিটির নির্বাচিত কাউন্সিলরবৃন্দ।

    আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ অতিথিদের বাংলাদেশ মেলায় উপস্থিত প্রবাসীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে, কপালে জাতীয় পতাকার ব্যান্ড বেঁধে, জাতীয় পতাকার রংয়ের পোশাক পরে মেলায় যোগ দেয় নতুন প্রজন্মের সদস্যরা। তাদের উৎসাহ, উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা নেচে-গেয়ে তারা মেলা প্রান্তরকে মুখরিত করে রাখে।

    মেলা উদ্বোধন করে আবদুল কাদের মিয়া বলেন, বহুজাতিক এই সমাজে বাঙালি সংস্কৃতি তথা বাংলাদেশকে সমুন্নত রাখতে এমন আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। এভাবেই আমাদের প্রজন্মকে বাঙালি সংস্কৃতির সাথে জড়িয়ে রাখার পাশাপাশি মূলধারায় নিজেদের সুদৃঢ় অবস্থানের জানান দেয়াও সহজ। প্রিয় মাতৃভূমির কল্যাণে জোরদার ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া সহজ হবে যদি আমরা সকলেই মার্কিন প্রশাসনে সম্পৃক্ত হতে পারি।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠনের শহীদ খান, মো. সেলিম, সৈয়দ মো. কাউছার, কাঞ্চণ বল, সেলিম সুলতান, সোহেল আহমদ, ফরহাদ সিদ্দিক, মিরাজ খান, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউন্টির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রধান কাঞ্চণ বল, ট্রাস্ট্রি বোর্ডের সদস্য সাব্বির হোসেন ভূঁইয়া, সেলিম সুলতান, শামসুল ইসলাম শাহজাহান, মনির হোসেন, আবদুল জামিল, জাহাঙ্গীর হোসেন ভূঁইয়া, জসিম উদদীন, আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শহীদ খান, সাধারন সম্পাদক সোহেল আহমদ, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ মো. কাউছার, মেলার আহবায়ক মো. সেলিম, সদস্য সচিব ফরহাদ সিদ্দিক, প্রধান পৃষ্ঠপোষক মিরাজ খান, সার্বিক তত্ত্বাবধানের প্রধান মাসুদ চৌধুরী, প্রধান সমন্বয়কারী বিপ্লব দাশ, সার্বিক সহযোগীতায় প্রধান গোলাম হাফিজ।

    আটলান্টিক সিটির তিন কৃতি প্রবাসীকে বাংলাদেশ মেলায় বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। তারা হলেন কমিউনিটি সেবায় সাব্বির হোসেন ভূঁইয়া, সেলিম সুলতান ও সাংবাদিকতায় সুব্রত চৌধুরী। প্রধান অতিথি আবদুল কাদের মিয়াকে কমিউনিটি সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য সন্মাননা স্মারক হিসাবে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। মেলার সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেন সংগীত শিল্পী সায়রা রেজা ও মারিয়া । সবশেষে বিপুৃল করতালির মধ্যে মঞ্চ মাতাতে আসেন বাংলাদেশের কিংবদন্তী সংগীত শিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী। অনুষ্ঠানে তাকে আজীবন সন্মাননা প্রদান করা হয়।

  • অাজ যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক সিটিতে ‘বাংলাদেশ মেলা’

    অাজ যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক সিটিতে ‘বাংলাদেশ মেলা’

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক মহাসাগর বিধৌত আটলান্টিক সিটি, যা ‘ক্যাসিনো শহর’ হিসাবে সমধিক পরিচিত।এই আটলান্টিক সিটি ও তৎসংলগ্ন শহরগুলোতে ব্যাপক সংখ্যক বাংলাদেশীর বসবাস।এই প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাংবাৎসরিক আনন্দ আয়োজন ‘বাংলাদেশ মেলা’, যার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশীরা চাতক পাখির মতো প্রতীক্ষা করতে থাকে।আজ বাংলাদেশ মেলা অনুষ্ঠিত হবে।ঐদিন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউনটির উদ্যোগে আটলান্টিক সিটির ৫৪৫, আলবেনী এভিনিউস্থ সার্ফ স্টেডিয়াম এর উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে বিকেল পাঁচটা থেকে শুরু হয়ে রাত বারোটা পর্যন্ত চলবে “বাংলাদেশ মেলা’র কার্যক্রম। “বাংলাদেশ মেলা’য় সংগীত পরিবেশন করবেন বাংলাদেশের কিংবদন্তী কণ্ঠশিল্পী আবদুল হাদী।

    07132018_01_ATLANTIC_CITY_BANGLADESH_MELA (1)

    এছাড়া নিজস্ব গায়কী শৈলীতে বাংলাদেশ মেলার মঞ্চ মাতাবেন প্রবাসের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সায়রা রেজা ও মারিয়া। পাশাপাশি বাংলাদেশ মেলায় বাড়তি পাওনা থাকবে প্রবাস প্রজন্মে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান । বাংলাদেশ মেলায় থাকবে রকমারী স্টল সহ ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী পণ্যের সমাহার।মেলায় আরো থাকবে আকর্ষণীয় র‍্যাফেল ড্র।বাংলাদেশ মেলায় প্রবাসী কৃতি ছাএ-ছাএীদের সম্বর্ধনা দেওয়া হবে।বাংলাদেশ মেলার টাইটেল স্পন্সর রেডিয়েণ্ট আইপি টিভি ও গ্র্যান্ড স্পন্সর উৎসব কুরিয়ার। ‘বাংলাদেশ মেলা’র মিডিয়া পার্টনার এনটিভি। মেলায় কোন প্রবেশ মূল্য নাই। ‘বাংলাদেশ মেলা’য় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন আবদুল কাদের মিয়া ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল কাদের মিয়া। প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রাণের মেলা “ বাংলাদেশ মেলা” সফল ও সার্থক করে তোলার জন্য বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউনটির সভাপতি শহীদ খান ও সাধারন সম্পাদক সোহেল আহমদ এবং “ বাংলাদেশ মেলা-২০১৮” আয়োজক কমিটির আহবায়ক মোঃ সেলিম ও সদস্য সচিব ফরহাদ সিদ্দীক প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন। ‘বাংলাদেশ মেলা’র আয়োজন উপলক্ষে কমিউনিটিতে বেশ সাড়া পড়েছে, আয়োজকরা পার করছেন ব্যস্ত সময়। সবাই এখন প্রতীক্ষার প্রহর গুনছেন সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য।

     

  • শহীদ খান ও সোহেল আহমেদকে আটলান্টিক সিটির স্টেট সিনেটরের  ”কমান্ডেশন স্বীকৃতি ”

    শহীদ খান ও সোহেল আহমেদকে আটলান্টিক সিটির স্টেট সিনেটরের ”কমান্ডেশন স্বীকৃতি ”

    এবিএনএ : বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউনটির সভাপতি শহীদ খান এবং সাধারন সম্পাদক সোহেল আহমেদ কমিউনিটির কল্যাণে  গুরুত্বপূর্ণ  অবদান রাখায়  নিউজারসি স্টেট সিনেটরের  ”কমান্ডেশন স্বীকৃতি ” পেয়েছেন।  বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউনটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘বৈশাখী উৎসব’ এর অনুষ্ঠানে  তাঁদেরকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। নিউজারসি স্টেট সিনেটর জেফ ভ্যান ড্রিউ নিজেই শহীদ খান ও সোহেল আহমেদ এর হাতে সনদ তুলে দেন।

    গত আট মে,মঙ্গলবার আটলান্টিক সিটির ওহ সেন্ট জোসেফ রিসোর্ট এর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বৈশাখী উৎসব’ এর   অনুষ্ঠানে নিউজারসি স্টেট সিনেটর জেফ ভ্যান ড্রিউ তাঁর বক্তব্যে নিউজারসি স্টেট  এর অগ্রযাএায় বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটির ত্যাগ ও অবদানের ভূয়সী  প্রশংসা করেন।তিনি বলেন , অন্যান্য কমিউনিটির মতো  বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটিও  বেশ সুনামের সাথে সমাজের সর্বস্তরে প্রশংসনীয়  অবদান রেখে চলেছে। সিনেটর আরো বলেন,বাংলাদেশী-আমেরিকানদের সংগঠন  ‘বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউনটি’  দীর্ঘ  দিন ধরে বিভিন্ন ধরনের কমিউনিটি সেবা ও কমিউনিটির লোকজনকে সাহায্য সহযোগীতা করার মাধ্যমে নিউজারসি স্টেট  এর অগ্রযাএায় অগ্রনী ভূমিকা রেখে  আসছে যা সত্যিই প্রশংসনীয়।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউনটির সভাপতি  শহীদ খান ২০০৮ সাল থেকে এই সংগঠনের সাথে জড়িত এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব। এখানে উল্লেখ্য যে,বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউনটির সাধারন সম্পাদক সোহেল আহমেদও প্রায় নয় বছর যাবত এই সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। 

  • বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও সজিব ওয়াজেদ জয় কে অভিনন্দন জানিয়েছেন শেখ শওকত শিমুল

    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও সজিব ওয়াজেদ জয় কে অভিনন্দন জানিয়েছেন শেখ শওকত শিমুল

     

    এবিএনএ : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণ হওয়ায প্রধানমন্ত্রী ও সজিব ওয়াজেদ জয় কে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাউথজার্সি মেট্টো আ’লীগের ১নং যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও আমেরিকা বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সীর চেয়ারম্যান ও প্রধান সম্পাদক শেখ শওকত শিমুল।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তথ্য প্রযুক্তির গোড়াপত্তন করেন ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়া ভূ উপগ্রহ কেন্দ্রটি স্থাপনের মধ্যে দিয়ে।রাঙ্গামটির এই ভূ উপগ্রহের মাধ্যমে বিনা তারে সারা বিশ্বর সাথে যোগাযোগ স্থাপন হয় । স্বাধীনতা-উত্তর বিধ্বস্ত বাংলাদেশ গঠনে যোগাযোগে এর অবধান ছিলো অপরিসীম । তারই সূত্র ধরে আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ । বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে সরকারে এসে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ করার লক্ষে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা শুরু করেন। তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশের জন্য তিনি বিশাল প্রকল্প বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ হাতে নেন । বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সাহসী নেতৃত্বে নির্মীত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। এটির মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় নাম লেখালেন বাংলাদেশ, পরিবেশ অনুকূলে থাকাই যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরালের লঞ্চিং প্যাড থেকে “বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১” আগামী ১০ মে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় ফ্লোরিডা থেকে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।এর আগে ছয় বার উৎক্ষেপণের তারিখ পরিবর্তন হয়েছে। নতুন তারিখ ঘোষণা হলেও উৎক্ষেপণের ব্যাপারে এখনো শতভাগ নিশ্চিত নয় বিটিআরসি। শুধুমাত্র উৎক্ষেপণের দিন সকালে এ বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে থাকে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে। এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। বাকি ২০টি ট্রান্সপন্ডার বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির জন্য রাখা হবে। বর্তমানে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে স্যাটেলাইট ভাড়া নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এজন্য বছরে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট চালু হলে এই ব্যয় কমবে। একই সাথে দেশের টাকা দেশেই থেকে যাবে।
    উক্ত স্যাটেলাইটের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সুবিধা হলো:

    ১) টিভি চ্যানেল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে প্রদানকৃত ১৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ সাশ্রয় হবে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উক্ত স্যাটেলাইটটি ভাড়া দেয়ার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ প্রতি বছর ৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করতে পারবে ।
    ২) দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে ।
    ৩) আবহাওয়ার গতি পর্য্বেক্ষন করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে ।
    ৪) ঝড়ের গতিবেগ ও পথ নির্ণয় করে ক্ষয়-ক্ষতি কমিয়ে আনা যাবে ।
    ৫) ইন্টারনেটের গতি বাড়বে ।
    ৬) ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধানে সহায়তা করা যাবে ।
    ৭) সমগ্র দক্ষিন এশিয়াসহ ইন্দোনেশিয়া,ফিলিপাইন,তুর্কমিনিস্তান,কাজাখিস্তান সহ অন্যান্য দেশে সেবা প্রদান করতে পারবে বাংলাদেশ ।
    ৮) টিভি এবং রেডিও ব্রডকাস্ট আরও দ্রুত ও মসৃণ হবে । HD কোয়ালিটি বাড়ানো যাবে ।

    যে সাহসীকতা,মনোবল ও স্বপ্ন নিয়ে দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্যাটেলাইটটি নির্মান করিয়েছেন তাই  সফলভাবে উৎক্ষেপণ হয়।

  • গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ‘ এ ভূষিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আ:লীগ

    গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ‘ এ ভূষিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আ:লীগ

    এবিএনএ : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদার অব হিউম্যানিটি জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্লোবালি আবারও খবরের শীর্ষে এসেছেন গতকাল ২৬শে এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে গ্লোবাল সামিট অন ওম্যান সন্মেলনে “ গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ এ্যাওয়ার্ড “ প্রাপ্তির এক বিরল সন্মানে ভূষিত হওয়ারমাধ্যমে। এই বিরল প্রাপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাণঢালা অভিনন্দন এবং উষ্ণ শুভেচ্ছা।

    ইতিমধ্যেই জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাপী জননন্দিত হয়েছেন গতিশীল নেতৃত্বের কারনে এবং ভূষিত হয়েছেন বিভিন্ন এ্যাওয়ার্ডে, অস্ট্রেলিয়ায় প্রাপ্ত সর্বশেষ এ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে আমাদের প্রাণ প্রিয় নেত্রীর বিশ্বব্যাপী খ্যাতি, সন্মান, পরিচিতি আরো বৃদ্ধি পাবে।শান্তিময় বিশ্ব গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাখবেন আরো অবদান এই আশাবাদ আমরা দৃঢ় ভাবে ব্যক্ত করছি । সেই সংগে উনার সর্বাংগীন মংগল ও সুস্বাস্হ্য কামনা করছি । জয় বাংলা, জয় বংগবন্ধু ।

    নিবেদক —

    ড. সিদ্দিকুর রহমান
    সভাপতি

    আব্দুস সামাদ আজাদ
    ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক

    যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ ।