Category: রাজনীতি

  • ঢাকা মহানগর আ’লীগকে দুই ভাগ করে কমিটি ঘোষণা

    ঢাকা মহানগর আ’লীগকে দুই ভাগ করে কমিটি ঘোষণা

    এবিএনএ : নতুন কমিটি পেল ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ। ঢাকাকে দুই ভাগ করে রোববার নগরের উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    এছাড়াও নগরীর প্রতিটি থানা এবং ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।

    দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল ১১টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

    ঘোষিত নগর কমিটির নেতারা হলেন- ঢাকা উত্তরে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহকে সভাপতি, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাদেক খানকে সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা দক্ষিণে বর্তমান লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতকে সভাপতি ও নগরের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়েছে।

    এর মাধ্যমে প্রায় ১৩ বছর পর শাসক দল আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ এ শাখাটির দুই ভাগে নতুন নেতা পেল।
    এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, প্রায় সাড়ে নয় বছর পর ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এর পরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ছাড়াই পার হয়েছে এক মেয়াদেরও বেশি সময়।

    এর আগে ২০০৩ সালের ১৮ জুনের সম্মেলনে ঢাকার সাবেক মেয়র প্রয়াত মোহাম্মদ হানিফকে সভাপতি ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

    মোহাম্মদ হানিফের মৃত্যুর পর ওমর আলী ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পেলেও ১/১১’র প্রেক্ষাপটে এমএ আজিজ ভারপাপ্ত সভাপতি দায়িত্ব পান। গত ২৩ জানুয়ারি এমএ আজিজের মৃত্যুর পরে সভাপতি পদটি শূন্য হয়ে যায়।

    ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরপরই সংগঠনকে গতিশীল করতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগকে দুই ভাগে বিভক্ত করার উদ্যোগ নেয়।

    ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরে উত্তরে কর্নেল (অব.) ফারুক খান এবং দক্ষিণে ড. আব্দুর রাজ্জাককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল নগরের কমিটি সমন্বয় করতে।

    দলের কেন্দ্রীয় কমিটির এই দুই সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দল সমর্থিত দুই প্রাথীর নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছিলেন। দায়িত্ব নিয়ে তারা দুই ভাগে নগরের উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি এবং নগরের থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটির খসড়া তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেন গত সেপ্টেম্বরে।

  • আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দেবো

    আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দেবো

    এবিএনএ : জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ বলেছেন, চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ায় কোনো দিক থেকেই গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে না সরকার। এতে আওয়ামী লীগের দুর্নাম বাড়ছে, সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের এখন স্লোগান আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দেবো।

    শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    এরশাদ বলেন, দেশে সবচেয়ে সস্তা এখন মানুষের জীবন। মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই। কোথায় মরে, কোথায় গুম হয়, তার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এই মৃত্যুর মিছিল কবে যে শেষ হবে একমাত্র আল্লাহই জানেন !

    এরশাদ অভিযোগ করে বলেন, দেশে একের পর এক ব্যাংক লুটের ঘটনা ঘটলেও, একটিরও বিচার হয়নি। কারণ এর সঙ্গে সরকারের আত্মীয়-স্বজন জড়িত। সোনালী, বেসিকসহ কয়েকটি ব্যাংক থেকে ৩০ কোটি টাকা লুট হলো, অথচ কোনো বিচার হলো না। এই টাকা সরকারের নয়, এই টাকা জনগণের টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ লোপাট প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, হ্যাকিংয়ের কথা বলা হলেও, আসলে হ্যাকিং হয়নি। লুটপাট করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তার আঙ্গুলের ছাপ ছাড়া এই টাকা উঠানো সম্ভব নয়। এই ছয়জন মানুষ বাংলাদেশের। তাদের পরিচয় আমরা এখনো জানতে পারিনি।

    বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে এরশাদ বলেন, এই দলটির প্রতি মানুষের আর কোনো গ্রহণ যোগ্যতা নেই। তারা তিন মাসের আন্দোলনে অনেক মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। তারা এক সঙ্গে মা-মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। মানুষের কাছ থেকে বিএনপি এখন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এসব কারণে দলটির প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। তাই জাতীয় পার্টিই এখন মানুষের শেষ ভরসা। দলকে তৃণমূল পর্যায় থেকে শক্তিশালী করে আগামীতে ক্ষমতায় আসবে।

    কলেজছাত্রী তনু হত্যার প্রসঙ্গ টেনে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, শোনা যাচ্ছে তনুকে ধর্ষণ করা হয়নি। তাহলে মেয়েটিকে হত্যা করা হলো কেন ? তনু হত্যার আসল তদন্ত প্রতিবেদন কোন দিনও পাওয়া যাবে না। তনুর মায়ের কান্নাও কখনো থামবে না। তবে তনুর মায়ের চোখের পানিতে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠবে।

    তিনি বলেন, ধর্ষণের কারণেই দেশে বাল্য বিয়ের প্রবণতা বাড়ছে। কোনো নিরাপত্তা নেই, এ কারণে অভিভাবকরা অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে।

    এরশাদ দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিবর্তন সম্পর্কে বলেন, প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা ছাড়া এই দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। জাতীয় পার্টি আগামীতে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে দেশের উন্নয়ন করবে।

    জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সম্মেলনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মানিকগঞ্জ জেলা জাপা সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার, যুগ্ম-মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক জহিরুল আলম রুবেল, কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরু, কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন খান প্রমুখ।

  • নিজামীর রিভিউ শুনানি রোববার

    নিজামীর রিভিউ শুনানি রোববার

    এবিএনএ : একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর করা আবেদন শুনানির জন্য আগামীকাল রোববার আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় রাখা হয়েছে।

    প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চের কার্যতালিকার ১৯ নম্বরের আবেদনটি শুনানির জন্য রাখা হয়েছে। এই বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

    এর আগে ৩ এপ্রিল আবেদনটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ছিল। ওই দিন নিজামীর আইনজীবী এস এম শাহজাহান রিভিউ আবেদনের শুনানি মুলতবির আরজি জানান। পরে আদালত আদেশে বলেন, নট দিস উইক (এ সপ্তাহে নয়)।

    ২৯ মার্চ নিজামীর আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জমা দেন। এরপর বিষয়টি দ্রুত শুনানির জন্য আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। গত বুধবার চেম্বার আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। ওই আদেশ অনুসারে এটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে।

    মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে নিজামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে গত ৬ জানুয়ারি রায় ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রায় আড়াই মাস পর ১৫ মার্চ আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। ওই রাতেই পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছায়। পরের দিন কাশিমপুর কারাগারে নিজামীকে রায় জানানো হয়।

    নিজামী আপিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করায় এর কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে। আবেদন খারিজ হলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তখন সবশেষ সুযোগ হিসেবে নিজামী রাষ্ট্রপতির কাছে অপরাধ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। প্রাণভিক্ষার আবেদন না করলে কিংবা আবেদন করার পর নাকচ হয়ে গেলে ফাঁসি কার্যকর করা হবে।

    ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে করা একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন নিজামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই বছরের ২ আগস্ট তাঁকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০১২ সালের ২৮ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁর বিরুদ্ধে ১৬টি অভিযোগ গঠন করে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারকাজ শুরু করেন। ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল এ মামলার রায়ে নিজামীকে ফাঁসির আদেশ দেন।

  • বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ ১৫ পদের ১২টিতে নতুন মুখ

    বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ ১৫ পদের ১২টিতে নতুন মুখ

    এবিএনএ : বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাত যুগ্ম মহাসচিব ও আট সাংগঠনিক সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেছে। এই ১৫ জনের মধ্যে ১২ জনই নতুন মুখ।

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দুই পদে নেতাদের নাম ঘোষণা করেন।

    যুগ্ম মহাসচিব পদে দায়িত্ব পেলেন মাহবুব উদ্দিন খোকন, মুজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, হারুন-অর রশীদ ও আসলাম চৌধুরী। তাঁদের মধ্যে শুধু মাহবুব উদ্দিন খোকন আগের কমিটিতে যুগ্ম মহাসচিবের দা​য়িত্বে ছিলেন।

    সাংগঠনিক সম্পাদকেরা হলেন ঢাকায় ফজলুল হক মিলন, চট্টগ্রামে শাহাদাত হোসেন, খুলনায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু, রাজশাহীতে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বরিশালে বিলকিস শিরিন, রংপুরে আসাদুল হাবিব দুলু, ময়মনসিংহে এমরান সালেহ প্রিন্স ও ফরিদপুরে শামা ওবায়েদ। তাঁদের মধ্যে ফজলুল হক মিলন ও আসাদুল হাবিব দুলু পুরোনো কমিটিতে একই পদে ছিলেন।

    ১৯ মার্চ দলের জাতীয় সম্মেলনে কাউন্সিলররা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কমিটি গঠনের সর্বময় ক্ষমতা দেন। সেই ক্ষমতাবলে চেয়ারপারসন তাঁদের মনোনয়ন দেন। এর আগে দলের মহাসচিব পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে রুহুল কবির রিজভী ও কোষাধ্যক্ষ পদে মিজানুর রহমান সিনহাকে মনোনয়ন দেন খালেদা জিয়া।

  • খালেদার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা ছিল

    খালেদার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশের ভূমিকা ছিল

    এবিএনএ : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল মনে করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, গেল বছর বিএনপি নেত্রীর আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও গ্রাম পুলিশের ভূমিকা ছিল। শহরে আগুন দিলেও গ্রামে খালেদার সন্ত্রাস প্রতিহত করেছে তারা।

    গ্রাম পুলিশ বাহিনীকে চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারীর ন্যায় জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তকরণের দাবিতে শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গ্রাম পুলিশের ডাকা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইনু এসব কথা বলেন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, সামাজিক নিরাপত্তার বাড়ানোর তাগিদে গ্রাম পুলিশের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। গ্রাম পুলিশের উন্নয়ন সময়ের দাবি।

    তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অংশের উন্নয়ন ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তার উন্নয়ন হবে না। তিনি গ্রাম পুলিশের দাবিসমূহের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

    ইনু বলেন, গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অংশ গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। মানুষের বিশেষ আস্থাও রয়েছে তাদের ওপর।

    গ্রাম পুলিশকে গ্রামের বন্ধু উল্লেখ করে জাসদ নেতা বলেন, ‘সরকার সর্বস্তরের মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ভাতা বাড়ানো হয়েছে। সমাজের একটি অংশকে বাদ দিয়ে সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই জন্যই তৃণমূলের এই সদস্যদেরও সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে। গ্রাম পুলিশ ভালো থাকলে গ্রামও ভালো থাকবে।

    পরে তিনি গ্রাম পুলিশের বিভিন্ন দাবি দাওয়ার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিষয়টি তুলে ধরা হবে বলে ঘোষণা দিয়ে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘অবশ্যই আজকের এ্ই দাবির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সরকার গুরুত্ব দিয়েই এর সমাধান করবে বলে আমি কথা দিচ্ছি। তিনি অচিরেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানান।

  • ‘রাজনীতিতে শুদ্ধাচার না থাকলে প্রশাসনেও সম্ভব নয়’

    ‘রাজনীতিতে শুদ্ধাচার না থাকলে প্রশাসনেও সম্ভব নয়’

    এবিএনএ : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় রাজনীতিতে যদি শুদ্ধাচার প্রয়োগ করা না যায়, তাহলে প্রশাসনের কোথাও শুদ্ধাচার প্রয়োগ সম্ভব না। রাজনীতিতে আগে শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন করতে হবে।

    শনিবার সকালে রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মপরিকল্পনায় উদ্ধৃত শুদ্ধাচার ও সুশাসনের সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

    কর্মশালায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ৬৫ জন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন।

  • বিএনপি এখন এলাহিভরসার দল: যুবলীগ চেয়ারম্যান

    বিএনপি এখন এলাহিভরসার দল: যুবলীগ চেয়ারম্যান

    এবিএনএ : যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি এখন ব্রিফিং ও এলাহিভরসার দল, বিএনপির আন্দোলন ঈদের পর তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে হুশিয়ারী দেন কিন্তু ঈদও আসে না বিএনপির আন্দোলনও হয় না। কঠোর কর্মসূচী দেওয়া হবে বলে বিএনপি নেতারা বারবার হুশিয়ারী করলেও কঠোর কর্মসূচী কবে নাগাদ আসবে, তা নিয়ে হতাশায় তৃনমূল নেতারা। এখন নাকি বিলেত থেকে কমিটি আসলে আন্দোল তীব্র হবে। আসেন কর্মসূচী দেন আপনাদের আন্দোলন মোকাবেলা করার জন্য আমরা যুবলীগই যথেষ্ঠ।

    বৃহস্পতিবার সুইড বাংলাদেশ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওতাধীন ৩৫ নং ওয়ার্ডের (ইস্কাটন) ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি এসব কথা বলেন।

    যুবলীগ চেয়ারম্যান আরো বলেন বিদেশি জালিয়াত চক্রের নজর পড়েছে সম্ভাবনার বাংলাদেশে। ব্যাংক জালিয়াতি ঘটনা তারই সংকেত।
    অতিথিবৃন্ধ অনুষ্ঠান স্থলে পৌছালে ৩৫নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতাকর্মীরা যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক সহ অতিথিবৃন্দকে উষ্ণ অর্ভ্যথনা জানান। হলের সামনে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়, বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে কাউন্সিলের শুভ সুচনা হয়। প্রথম অধিবেশন কোরান তেলায়াত দিয়ে শুরু করা হয়। সকল শহীদদের স্মরনে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
    অত্র কাউন্সিলের উদ্ধোধন করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন শাখার সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী স¤্রাট

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হক আসাদ, দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমান, শিক্ষ ও প্রশিক্ষন সম্পাদক মিজানুল ইসলাম মিজু, শ্যামল কুমার রায়, প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, কেন্দ্রীয় যুবলীগের রওশন জামির রানা, মোহম্মদ আলী মিন্টু, মনিরুল ইসলাম হাওলাদার, রেকায়েত আলী খাঁন নিয়ন, সফেদ আসফাক তুহিন, মুক্তাদিউর রহমান শিমুল, কামরুল হাসান লিংকন,সামসুল আরেফিন নাইম, আশরাফুল আলম দুলাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিন সহ সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, সোহরাব হোসেন স্বপন, সারোয়ার হোসেন মনা, আনোয়ার ইকবাল সান্টু, এনামুল হক আরমান, মোরসালিন আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বকুল, মাকসুদুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক এমদাদ, আইন সম্পাদক শাহনাজ পারভীন হিরা, সভাপতিত্ব করেন মোঃ আনোয়ার হোসেন, সভা পরিচালনা করেন মোঃ বিল্লাল হোসেন গাজী।

    দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতি পদে আনোয়ার হোসেন, ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ বিল্লাল হোসে গাজী, সহ সভাপতি গোলাম মাওলা মিঠু, মনিরুজ্জামান মনির, দবিউর রহমান, মোঃ সিরাজ, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহীদ, হেলাল খাঁন কে নির্বাচিত ঘোষনা করা হয় এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুর্নাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

  • প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেরুদণ্ডহীন

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেরুদণ্ডহীন

    এবিএনএ : জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ বলেছেন, বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেরুদ্ণ্ডহীন। তার অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হবে না।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বগুড়া শহীদ টিটু মিলনায়তনে জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    এরশাদ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বেসরম। তাকে দায়িত্বে রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আজিজ মার্কার চেয়েও এই কমিশনার খারাপ। এ কারণে মানুষের মনে ক্ষোভ রয়েছে। মানুষ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসবে।

    দেশের সার্বিক পরিস্থিতি উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, দেশে কর্মসংস্থান নেই, সাধারণ মানুষের চাকুরি নেই। পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকুরি নিতে ১০ লাখ আর শিক্ষকের চাকুরি নিতে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়। শুধু ঘুষ দিলেই হবে না চাকরি প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের লোক হতে হবে।

    এরশাদ বলেন, তনু হত্যার কথা সবারই জানা। এ পর্যন্ত দুইবার তার মরদেহ কবর থেকে তোলা হলো। কিন্তু বিচার প্রক্রিয়ার কোনো অগ্রসরতা পাওয়া যাচ্ছে না। একদিন হয়তো সরকার বলবে তনু নামের কোন মেয়েই ছিল না। এটি মিডিয়ার প্রচার।

    সরকারের উদ্দেশে এরশাদ বলেন, ‘জেলের ভয় দেখাবেন না। আমি জেল দেখে ভয় করিনা। যা সত্য তাই বলবো।’

    জেলা জাপা সভাপতি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপির সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাপা মহাসচিব, রুহুল আমীন হাওলাদার, জাপার কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, বগুড়া জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম এমপি, বগুড়া-৬ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আলতাব হোসেন প্রমুখ।

    বগুড়া জেলা জাপার সম্মেলন অনুষ্ঠানে এরশাদ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি পুনরায় সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম এমপিকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন।

  • বাগেরহাট জেলা শাখার আওয়ামীলীগ যুবলীগের আহবায়ক কমিটি গঠনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন- সোহেল

    বাগেরহাট জেলা শাখার আওয়ামীলীগ যুবলীগের আহবায়ক কমিটি গঠনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন- সোহেল

    এবিএনএ : বাগেরহাট জেলা ও তার সকল উপজেলার সম্মেলন সফল করার লক্ষে গত ৬ এপ্রিল ২৪ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করায় বাগেরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মুস্তাফিজুর রহমান সোহেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদের সম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়। এতে আহবায়ক নির্বাচিত হয়েছেন সরদার নাসির উদ্দিন ও যুগ্ম আহবায়ক পদে নির্বাচিত হয়েছেন শাহ নেওয়াজ মোল্লা দোলন, ও ফারুক তালুকদার।

    সদস্যরা হলেন লিটন সরকার, শেখ হুমায়ন কবির পলি, কাজী আলী আশরাফ টিটো, রাশেদুজ্জামান পুকুল, মো: সেলিম রেজা, আসাদুজ্জামান মিলন ওয়াহিদুজ্জামান বাবু, বক্কর খান, মো: হাসিব খান, মুন্সি তানজিল হোসেন, মনিরুল ইসলাম ঝুমুর, মনির আহমেদ প্রিন্স, শেখ শমসের আলী, এডভোকেট শংকর চক্রবর্তী, টিটো গাজী, মো: কবির হোসেন, দেবাশিষ দাস, মো: মোজাম্মেল হক, আজমল হোসেন মুক্তা মীর জেসি আশরাফ জেমস, শেখ ফাহারিয়ার ওয়ালিদ। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য বাগেরহাট আওয়ামী যুব লীগ সফলভাবে কাজ করে যাবে বলে দলটির চেয়ারম্যান ও সাধারন সম্পাদক আশা প্রকাশ করেন।

  • ইসি আমাদের প্রতি সুবিচার করবে, আশা ইনুর

    ইসি আমাদের প্রতি সুবিচার করবে, আশা ইনুর

    এবিএনএ : জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর আসল নেতৃত্বে কারা তা নির্ধারণ করতে এক অংশের শুনানি করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার বেলা ১১টায় একাংশের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতারকে নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

    শুনানি শেষে হাসানুল হক ইনু বলেন, ইসির আহ্বানে মঙ্গলবার কাউন্সিল সংক্রান্ত সব কাগজপত্র উপস্থাপন করেছি। কমিশনের প্রতি পূর্ণ আস্থা আছে। তারা আমাদের প্রতি সুবিচার করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    এদিকে বিকাল তিনটায় মঈনুদ্দীন খান বাদল ও নাজমুল হক উল্লেখ্য, ১২ মার্চ জাসদের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে জাসদ দুই খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। চলমান ইউপি নির্বাচনে জাসদের মশাল কোন অংশে থাকবে তা নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এই প্রতীক নিয়ে দুই অংশকেই শুনানিতে ডাকে নির্বাচন কমিশন।