Tag: হোয়াইটওয়াশ

  • চট্টগ্রামে ধস, হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে ব্যর্থ বাংলাদেশ

    চট্টগ্রামে ধস, হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে ব্যর্থ বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  চট্টগ্রামের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে পারল না বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ম্যাচে ৫ উইকেটের ব্যবধানে হার মেনে নিতে হয়েছে লাল-সবুজের দলকে।

    প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ২০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে তোলে ১৫১ রান। ব্যাট হাতে একাই লড়েছেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তার ঝড়ো ৮৯ রানের ইনিংস দলকে লড়াইয়ে রাখলেও অন্য প্রান্তে ব্যর্থ ছিলেন সবাই। সাইফ হাসান ২৩ রান করলেও বাকিদের ব্যাট ছিল নীরব।

    জবাবে রোস্টন চেজ (৫৭) ও আকিম অগাস্তে (অপরাজিত ৫২) সহজেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ১৬.৫ ওভারে। ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই সম্পূর্ণ আধিপত্য ছিল সফরকারীদের।

    বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। তিনি ৪ ওভারে ৪৩ রান খরচায় নেন ৩টি উইকেট। কিন্তু তার লড়াইও জয়ের মুখ দেখাতে পারেনি দলকে।

    ইনিংসের শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। পারভেজ ইমন দ্রুত আউট হয়ে ফিরলে চাপ বাড়ে ওপরে। অধিনায়ক লিটন দাসও ব্যর্থ—৯ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তানজিদ ও সাইফের ৬৩ রানের জুটি কিছুটা আশার আলো দেখালেও, মাঝ ও শেষের ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় ইনিংস ভেঙে পড়ে।

    একপ্রান্তে অবিচল তানজিদ তুলে নেন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস। ৩৬ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পথে তিনি টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ১০০০ রান পূর্ণ করেন মাত্র ৪২ ইনিংসে। সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় গিয়ে ৮৯ রানে আউট হন রোমারিও শেফার্ডের বলে।

    শেষদিকে শরিফুল, রিশাদ, সোহান ও নাসুমের দ্রুত বিদায়ে বড় স্কোর গড়া সম্ভব হয়নি। তাসকিন আহমেদের শেষ ওভারে একটি ছক্কায় স্কোর ১৫১ রানে থামে।

    বোলিংয়ে আলো ছড়ান ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমারিও শেফার্ড। তিনি হ্যাটট্রিকসহ ৩ উইকেট নেন এবং টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইতিহাসে দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক বোলার হিসেবে নাম লেখান। এছাড়া পিয়েরে ও হোল্ডার নেন ২টি করে উইকেট, আকিল হোসেন ও রোস্টন চেজ নেন ১টি করে।

    বাংলাদেশের জন্য এই হার কেবল আরেকটি পরাজয় নয়, বরং ধারাবাহিক ব্যাটিং ব্যর্থতার প্রতিফলন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে লড়াই করেও জয় পাওয়া সম্ভব হয়নি—তানজিদের একার প্রচেষ্টা যেন হারিয়ে গেছে দলের ভুলে ভরা পারফরম্যান্সে।

  • হোয়াইটওয়াশের স্বপ্নে মাঠে টাইগাররা, শেষ ম্যাচে একাদশে বড় পরিবর্তন

    হোয়াইটওয়াশের স্বপ্নে মাঠে টাইগাররা, শেষ ম্যাচে একাদশে বড় পরিবর্তন

    এবিএনএ:  নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে শিরোপা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। তবে এখানেই থেমে যেতে রাজি নয় টাইগাররা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ সিরিজের শেষ ম্যাচে লক্ষ্য একটাই—ডাচদের হোয়াইটওয়াশ করা। টস হেরে আগে ব্যাট করছে বাংলাদেশ দল।

    শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ দলে এসেছে বড় ধরনের রদবদল। বাদ পড়েছেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান, অভিজ্ঞ দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান এবং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদি হাসান।

    তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন ও অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। এক ম্যাচ পর দলে ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম ও লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেন।

    সিরিজে লাল-সবুজের পারফরম্যান্স ছিল দাপুটে। প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেট আর দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটের জয় তুলে নেয় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন দল। এখন নজর শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ নিশ্চিত করা এবং আসন্ন এশিয়া কাপের প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করা।

    বাংলাদেশ একাদশ:

    লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান।

  • হোয়াইটওয়াশ এড়াতে গর্জে উঠল টাইগাররা, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঝলমলে ব্যাটিংয়ে ১৯৬ রান

    হোয়াইটওয়াশ এড়াতে গর্জে উঠল টাইগাররা, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঝলমলে ব্যাটিংয়ে ১৯৬ রান

    এবিএনএ:

    পাকিস্তানের মাঠে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে আজ মরিয়া হয়ে নামে বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়েছে টাইগাররা। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ শুরু থেকেই দেখিয়েছে আক্রমণাত্মক মনোভাব।

    প্রথম দুই ম্যাচে হেরে সিরিজ আগেই হারিয়েছে লাল-সবুজের দল। আজকের ম্যাচ ছিল সম্মান রক্ষার লড়াই। এমন পরিস্থিতিতে দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। পাওয়ার প্লেতে আসে ৫৩ রান। ইমন মাত্র ২৭ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, এবং একাদশ ওভারের শুরুতে বিশাল ছক্কায় দলীয় স্কোর নিয়ে যান তিন অঙ্কে।

    উদ্বোধনী জুটিতে তামিম-ইমন যোগ করেন ১১০ রান। এরপর তামিম ৩২ বলে ৪২ রান করে আউট হলে ভাঙে প্রথম উইকেট। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইমনও ফিরে যান শাদাব খানের বলে ক্যাচ দিয়ে। তিনি করেন ৩৪ বলে ৬৬ রান, যেখানে ছিল ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা।

    তৃতীয় উইকেটে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। তবে অধিনায়ক লিটন ১৮ বলে ২২ রান করে বোল্ড হন হাসান আলীর বলে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও, ব্যাটাররা থামেননি।

    শেষ দিকে আফিফ হোসেন, হৃদয় ও জাকির হাসানের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ পৌঁছে যায় ১৯৬ রানের সংগ্রহে। প্রতিপক্ষের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য এখন ১৯৭।

     

    টাইগারদের এ পারফরম্যান্স দলীয় আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি, ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে আশার আলো জ্বালিয়েছে। এখন দেখার পালা, এই সংগ্রহ রক্ষা করতে কতটা সফল হয় বাংলাদেশের বোলাররা।