Tag: হেফাজত

  • প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান, ৬ জনকে থানায় নেয়া হল

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান, ৬ জনকে থানায় নেয়া হল

    এবিএনএ: রাজধানীর গুলশান এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনকে থানায় হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ নারী ও একজন পুরুষ রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সহায়তা চাওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে এসেছিলেন।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে তাদের গুলশান থানা–এ নিয়ে আসা হয়। পুলিশের বরাতে জানা যায়, দায়িত্বরত নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা তাদের সরিয়ে দিতে চেষ্টা করলেও তারা সরতে রাজি হননি। এরপর স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে।

    ওসি রাকিবুল হাসান বলেন, “তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা চাওয়ার জন্য বাসভবনের সামনে অবস্থান করছিলেন। পুলিশ ও নিরাপত্তা সদস্যরা তাদের সরানোর চেষ্টা করেছেন। পরে এসএসএফ অবহিত করলে আমরা থানায় নিয়ে আসি। থানায় আনার পর তাদের ইফতার করানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। ছয়জনই শান্তিপূর্ণভাবে পরিবারের কাছে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন।

  • মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে, পলাতক এক জেনারেল: সেনাসদর

    মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে, পলাতক এক জেনারেল: সেনাসদর

    এবিএনএ: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরিতে থাকা ১৫ কর্মকর্তা বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন। এর মধ্যে একজন কর্মকর্তা এলপিআরে (লিভ প্রিপারেটরি টু রিটায়ারমেন্ট) আছেন। আরেক কর্মকর্তা এখনো পলাতক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে সেনাসদর।

    শনিবার বিকেলে ঢাকার সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “অভিযুক্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান আরও জানান, গুমসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলায় সাবেক ও বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯ জন অবসরে, একজন এলপিআরে এবং বাকিরা চাকরিতে কর্মরত। মামলা হওয়ার পর ১৫ কর্মকর্তা ও ওই এলপিআর কর্মকর্তা সেনা হেফাজতে আসেন।

    তিনি আরও বলেন, “মেজর জেনারেল কবির আহমেদ গত ৯ অক্টোবর আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করতে বাসা থেকে বের হন, তবে এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ। তিনি এখনো সেনাসদরে যোগ দেননি। তাঁর বিষয়ে বিমানবন্দর ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে, যাতে কেউ দেশত্যাগ করতে না পারে।”

    কর্মরত কর্মকর্তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে কিনা—এমন প্রশ্নে সেনা মুখপাত্র বলেন, “বিষয়টি এখন প্রক্রিয়াধীন। এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।”

    তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুম, হত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচার চায়। সেনাবাহিনী ইনসাফে বিশ্বাসী এবং কোনোভাবেই আইনের বাইরে কেউ নয়। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনাল থেকে চার্জশিটের কপি পাওয়া যায়নি। কপি হাতে পাওয়ার পর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ যাচাই করা হবে।”