Tag: হাসপাতাল

  • হাম ভয়াবহ রূপে, দেড় মাসে প্রাণ গেল ৪৩২ শিশুর

    হাম ভয়াবহ রূপে, দেড় মাসে প্রাণ গেল ৪৩২ শিশুর

    এবিএনএ: সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১ শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৭ জন। নতুন এই মৃত্যুর ঘটনায় দেশে হাম ও এর উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩২ জনে।

    বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় মাসে সারা দেশে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ১৩ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৬৯ শিশু। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৫০ জনে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছে ৫৩ হাজার ৫৬ জন।

    স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিকাদানে ঘাটতি, সচেতনতার অভাব এবং দ্রুত সংক্রমণের কারণেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের মধ্যে হাম সংক্রমণ রোধে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের সব হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের মধ্যে জ্বর, র‍্যাশ বা হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

  • হাম আতঙ্ক বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় ৯ শিশুর মৃত্যু—হাসপাতালে ভর্তি হাজারের বেশি

    হাম আতঙ্ক বাড়ছে, ২৪ ঘণ্টায় ৯ শিশুর মৃত্যু—হাসপাতালে ভর্তি হাজারের বেশি

    এবিএনএ: দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি মৃত্যুর ক্ষেত্রে হাম নিশ্চিত হয়েছে, আর বাকি আট শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে মারা গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, ১৩ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১৪ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১০৫ শিশু। একই সময়ে ১৭৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে সরাসরি আক্রান্ত হয়ে ৩১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ১৬৪ জন। এতে সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।

    এ সময়ে হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে আসা মোট রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ২৩১ জন। তাদের মধ্যে ভর্তি হতে হয়েছে ১১ হাজার ৬৫২ জনকে। পরীক্ষার মাধ্যমে ২ হাজার ৮৯৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে ৯ হাজার ৩০৪ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯ শিশুর মধ্যে ৬ জনই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। ফলে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা এবং জ্বর, র‍্যাশ বা হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

  • ‘মঈন বাহিনীর’ দৌরাত্ম্য: দেড় বছরে প্রায় ৬০ হাসপাতালে চাঁদাবাজি, মূলহোতাসহ ৭ জন গ্রেপ্তার

    ‘মঈন বাহিনীর’ দৌরাত্ম্য: দেড় বছরে প্রায় ৬০ হাসপাতালে চাঁদাবাজি, মূলহোতাসহ ৭ জন গ্রেপ্তার

    এবিএনএ: রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় ‘মঈন বাহিনী’ নামে একটি চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির মূলহোতা মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

    তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত দেড় বছরে এই চক্রটি এলাকায় অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করেছে। শুধু হাসপাতালই নয়, সাধারণ মানুষের বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

    গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই বাহিনী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চাঁদার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং টাকা না দিলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ বা দখলের হুমকি দেওয়া হয়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বেসরকারি হাসপাতালের মালিক জানান, আগে মাসে ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে হতো। পরে তা বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়। টাকা না দিলে প্রাণনাশ ও প্রতিষ্ঠান দখলের ভয় দেখানো হতো বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    চক্রটির বিরুদ্ধে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাং পরিচালনা এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন মোড়ে তাদের সদস্যরা প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করে এবং প্রতিবাদ করলে হুমকি দেয়। ফলে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।

    গোয়েন্দা সূত্র বলছে, মঈনের সঙ্গে কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী সক্রিয়ভাবে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিল। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

    সম্প্রতি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সামনে আসে। এ ঘটনায় র‍্যাব অভিযান চালিয়ে প্রথমে কয়েকজন সহযোগীকে আটক করে। পরে পৃথক অভিযানে আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সবশেষে মূলহোতা মঈন উদ্দিনকে নড়াইলের কালিয়া এলাকা থেকে আটক করা হয়।

    র‍্যাব জানায়, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয় এবং ভুক্তভোগীদের বক্তব্য নেওয়া হয়। তদন্তের ভিত্তিতে একাধিক ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মঈন বাহিনীর চাঁদাবাজির শিকার কেউ থাকলে লিখিত অভিযোগ দিতে অনুরোধ করা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    পুলিশ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে শেরেবাংলা নগর থানায় মঈন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে আরও অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • ২৪ ঘণ্টায় হামে ২৬ আক্রান্ত, ৪ সন্দেহজনক মৃত্যু—দেশজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    ২৪ ঘণ্টায় হামে ২৬ আক্রান্ত, ৪ সন্দেহজনক মৃত্যু—দেশজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    এবিএনএ: দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ আবারও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে এ রোগের উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা সন্দেহজনক হিসেবে উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

    বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, গত একদিনে নতুন করে কোনো নিশ্চিত মৃত্যুর ঘটনা না থাকলেও উপসর্গের ভিত্তিতে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেগুলো এখনো যাচাইাধীন।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫৮৫ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহভাজন রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৩৬৩ জন।

    এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৩ জন। আর উপসর্গের ভিত্তিতে সন্দেহজনকভাবে মৃত্যু হয়েছে আরও ২৭ জনের।

    তবে আশার খবরও রয়েছে। একই সময়ের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯৩০ জন রোগী।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের বিস্তার রোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। পাশাপাশি আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসার আওতায় আনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

  • মারাত্মক সংক্রমণে হাসপাতালে সাবা আজাদ, পাশে ছায়ার মতো রয়েছেন হৃতিক রোশন

    মারাত্মক সংক্রমণে হাসপাতালে সাবা আজাদ, পাশে ছায়ার মতো রয়েছেন হৃতিক রোশন

    এবিএনএ: বলিউড অঙ্গনে দুশ্চিন্তার খবর—অভিনেত্রী সাবা আজাদ গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তিনি শারীরিকভাবে ভীষণ দুর্বল অবস্থায় রয়েছেন।

    জানা গেছে, বিরল ধরনের এক সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন সাবা, যার কারণে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। অসুস্থতার কারণে তিনি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে স্বাভাবিকভাবে উঠে বসাও তার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের এই সময়টিকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

    ওজন কমেছে, শক্তি হারিয়েছেন

    এই সংক্রমণের প্রভাবে মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৪ কেজি ওজন কমে গেছে সাবার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বর্তমান অবস্থার ছবি শেয়ার করে তিনি জানান, আগে নিয়মিত শরীরচর্চা ও ভারোত্তোলন করলেও এখন সামান্য কাজ করার শক্তিও তার নেই।

    তিনি আরও বলেন, সবসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সত্ত্বেও কীভাবে এই সংক্রমণ হলো, তা তার কাছে রহস্যই রয়ে গেছে।

    ভক্তদের সতর্কবার্তা

    নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সাবা সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে কাঁচা শাকসবজি বা সালাদ খাওয়ার আগে সেগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। সামান্য অসতর্কতা থেকেও বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে জানান অভিনেত্রী।

    পাশে আছেন হৃতিক

    এই কঠিন সময়ে সাবার পাশে সার্বক্ষণিকভাবে রয়েছেন বলিউড সুপারস্টার হৃতিক রোশন। প্রেমিকার দ্রুত সুস্থতার জন্য তিনি নিয়মিত সময় দিচ্ছেন এবং মানসিকভাবে শক্তি জোগাচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে হৃতিক রোশন ও সাবা আজাদ সম্পর্কে রয়েছেন। বিভিন্ন পারিবারিক অনুষ্ঠানেও তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে।

    শেষ কথা

    সাবা আজাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন ভক্তরা। একই সঙ্গে তার সতর্কবার্তা সাধারণ মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

  • অস্ত্রোপচারের পর পাঁচ দিন হাসপাতালে নচিকেতা: এখন কী অবস্থায় আছেন গায়ক?

    অস্ত্রোপচারের পর পাঁচ দিন হাসপাতালে নচিকেতা: এখন কী অবস্থায় আছেন গায়ক?

    এবিএনএ: বাংলা সংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী গত কয়েক দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। হৃদ্‌যন্ত্রে ব্লকেজ ধরা পড়ার পর তাকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাঁচ দিন চিকিৎসা চলার পর এখন তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তিনি আগের তুলনায় অনেকটাই সুস্থ অনুভব করছেন।

    চিকিৎসা দল জানায়, গত শনিবার রাতে হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে নচিকেতাকে দ্রুত বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষার পর দেখা যায় হৃদ্‌যন্ত্রে দুটি ব্লকেজ রয়েছে। রাতেই জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীরে দুটি স্টেন্ট বসানো হয়।

    অস্ত্রোপচারের পর নচিকেতাকে আইসিইউতে পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও বর্তমানে তাকে জেনারেল বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি স্বাভাবিকভাবে খাওয়া–দাওয়া করছেন এবং পরিবার ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন। সবকিছু অনুকূলে থাকলে শুক্রবারই তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    নচিকেতার শারীরিক অবস্থার আপডেট দিতে গিয়ে তার মেয়ে ধানসিঁড়ি চক্রবর্তী বলেন,
    “বাবা আগের তুলনায় অনেকটাই স্থিতিশীল। তার অবস্থা দ্রুত ভালো হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, আশঙ্কা কেটে গেছে।”

    এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে নচিকেতার খোঁজখবর নেন। চিকিৎসা অগ্রগতি ও নচিকেতার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তিনি সরাসরি চিকিৎসকদের থেকে তথ্য নেন।

  • দশ বছরের অপেক্ষার পর পাঁচ সন্তানের জন্ম

    দশ বছরের অপেক্ষার পর পাঁচ সন্তানের জন্ম

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: এক নারী দীর্ঘ ১০ বছর নিঃসন্তান থাকার পর একসঙ্গে ৫ সন্তানের মা হয়েছেন। জন্ম নেওয়া সন্তানদের মধ্যে দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মা ও নবজাতকরা সুস্থ আছেন। তবে নিরাপত্তার কারণে নবজাতকদের পার্কভিউ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) রাখা হয়েছে।

    সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চট্টগ্রামের পিপলস হাসপাতালে। জানা গেছে, এনি আক্তার (৩০) বিয়ের দশ বছর পার হলেও সন্তান হচ্ছিল না। পরে তাঁরা ডা. ফরিদা ইয়াসমিন সুমির পরামর্শে ইন্ট্রা-ইউটেরাইন ইনসেমিনেশন (আইইউআই) পদ্ধতি গ্রহণ করেন। প্রথম মাসেই এ পদ্ধতিতে সফলতা আসে এবং দম্পতি সন্তানসুখের আশায় উল্লসিত হন। হাসপাতালের কর্মকর্তা মানিক জানিয়েছেন, বিকেলের দিকে এনি আক্তার প্রসূতি ব্যথা নিয়ে ভর্তি হন। ডা. সুমির তত্ত্বাবধানে পাঁচ সন্তানের জন্ম সম্পন্ন হয়। সকল নবজাতকের ওজন স্বাভাবিক এবং তাদের স্বাস্থ্য ঠিক আছে।নবজাতকরা বর্তমানে এনআইসিইউতে রাখা হয়েছে যাতে তারা পর্যাপ্ত যত্ন ও নজরদারির মধ্যে থাকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রথম কয়েক সপ্তাহের পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে বিশেষ যত্ন নেওয়া হচ্ছে যাতে সব শিশু স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

    পরিবারের সদস্যরা সন্তানদের জন্মে আনন্দিত। তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষার পর একসঙ্গে পাঁচ সন্তান জন্মের ঘটনা তাদের জন্য এক নতুন আনন্দের সূচনা। পরিবার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত।ডা. সুমি বলেন, একাধিক সন্তানের জন্মের ক্ষেত্রে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতা খুবই জরুরি। তাই হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা সব সময় তাদের তত্ত্বাবধানে রেখেছেন। ভবিষ্যতে তারা স্বাভাবিকভাবে বাড়ি ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।এই ঘটনা চট্টগ্রামের চিকিৎসা জগতে বিরল একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মা ও শিশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। এটি নিঃসন্তান দম্পতিদের জন্য আশা ও আনন্দের এক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফরিদা ইয়াসমিন সুমি জানিয়েছেন, জন্মপ্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল মা এবং নবজাতকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাঁচ শিশুর জন্ম হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনের ওজন যথাক্রমে ১ হাজার ৬০০ গ্রাম, ১ হাজার ৫০০ গ্রাম ও ১ হাজার ৪০০ গ্রাম। বাকি দুজনের ওজন ১ হাজার গ্রাম। সকল নবজাতক সুস্থ ও স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।

  • নভেম্বরেই ডেঙ্গু মৃত্যু এবারের সর্বোচ্চ, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়ালো ৯০ হাজার

    নভেম্বরেই ডেঙ্গু মৃত্যু এবারের সর্বোচ্চ, হাসপাতালে ভর্তি ছাড়ালো ৯০ হাজার

    এবিএনএ:  দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬৬ জনে। এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম।

    গত একদিনে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ৭০৫ জন। ফলে চলতি বছরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর মোট সংখ্যা পৌঁছেছে ৯০ হাজার ৯৬৯ জনে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৮৮ হাজার ২৫৮ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২ হাজার ৭১১ জন ডেঙ্গু রোগী।

    মৃত্যুর মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের নভেম্বরেই সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ৮৮ জনের। অক্টোবর মাসে মৃত্যু হয়েছিল ৮০ জনের, আর সেপ্টেম্বরে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৭৬ জন। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন ও ফেব্রুয়ারিতে মৃত্যু হয় ৩ জনের।

    মার্চ ছিল ডেঙ্গুমুক্ত। তবে এপ্রিল ও মে মাসে যথাক্রমে ৭ ও ৩ জনের মৃত্যু হলেও জুন থেকে পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। জুনে মৃত্যু হয় ১৯ জনের, জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪১ জনে এবং আগস্টে মৃত্যু হয় ৩৯ জনের।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়া পরিবর্তন, পানি জমে থাকা এবং পর্যাপ্ত সতর্কতা না নেওয়ায় ডেঙ্গু সংক্রমণ সীমাহীনভাবে বাড়ছে। সচেতনতা, দ্রুত চিকিৎসা এবং মশা নিয়ন্ত্রণই ডেঙ্গু মোকাবিলার মূল উপায়।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    এবিএনএ:  সারা দেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নতুন করে ৭৮২ জন রোগী।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তাদের হিসাবে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৫ জনে, আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৬৮৯ জনে।

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৭৪ জন, চট্টগ্রামে ৮৩ জন, ঢাকা বিভাগে ১৪৫ জন (এর মধ্যে উত্তর সিটিতে ১১৮ ও দক্ষিণ সিটিতে ৯০ জন), খুলনায় ৫৭ জন, ময়মনসিংহে ৩৫ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, রংপুরে ১১ জন এবং সিলেটে পাঁচজন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    এ সময় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং একজনের খুলনা বিভাগে। একই সময়ে ৭৪৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে মোট ৪৮ হাজার ১ জন রোগী চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস ডেঙ্গু বিস্তারের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এ সময় নাগরিকদের সতর্ক থাকা, জমে থাকা পানি অপসারণ ও নিয়মিত মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

    তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। তার আগের বছর ২০২৩ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জন মারা যান এবং ৩ লাখ ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরও ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নাগরিক সচেতনতা ও স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণই এ সংকট মোকাবিলার মূল চাবিকাঠি।

  • উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৩১, রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬৫

    উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৩১, রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৬৫

    এবিএনএ:  ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩১ জন এবং চিকিৎসাধীন রয়েছেন অন্তত ১৬৫ জন।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্ঘটনার শিকার আহত ব্যক্তিদের রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালভেদে নিহত ও আহতদের অবস্থা নিচে তুলে ধরা হলো—

    • কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল: ৮ জন আহত, কোনো মৃত্যুর খবর নেই।

    • শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট: ৪৬ জন আহত, ১০ জন মারা গেছেন।

    • ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: ৩ জন আহত, ১ জন নিহত।

    • সিএমএইচ, ঢাকা: ২৮ জন আহত, ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    • লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টার: ১৩ জন আহত, ২ জন নিহত।

    • উত্তরা আধুনিক হাসপাতাল: ৬০ জন আহত, ১ জন নিহত।

    • উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতাল: ১ জন আহত, কোনো মৃত্যু নেই।

    • শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: ১ জন আহত, মৃত্যু হয়নি।

    • ইউনাইটেড হাসপাতাল: ২ জন আহত, ১ জন নিহত।

    • কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল: ৩ জন আহত, কোনো মৃত্যুর খবর নেই।

    মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং আরও তথ্য পেলে হালনাগাদ জানানো হবে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।