Tag: হাসপাতাল ভর্তি রোগী

  • ডেঙ্গুতে আবারও প্রাণহানি বাড়ল: একদিনে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৭ জন

    ডেঙ্গুতে আবারও প্রাণহানি বাড়ল: একদিনে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৭ জন

    এবিএনএ: ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৫৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী।

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে সর্বাধিক রোগী ভর্তি হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটিতে ভর্তি হয়েছেন ১২৫ জন এবং দক্ষিণ সিটিতে ৮৬ জন। এছাড়া ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরে ভর্তি হয়েছেন ৯২ জন। চট্টগ্রামে ভর্তি হয়েছে ৮৬ জন, বরিশালে ৬৯ জন, খুলনায় ৪১ জন, ময়মনসিংহে ৩৭ জন, রাজশাহীতে ২৫ জন, রংপুরে ২ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    তবে আশার খবর হলো, গত একদিনে ৫৮৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৯০ হাজার ২১৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯২ হাজার ৭৮৪ জন। এর মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৭৭ জন রোগী।

    গত কয়েক বছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলনা করলে দেখা যায়, ২০২৪ সালে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের। আর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১ হাজার ৭০৫ জন, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ওই বছর মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার প্রভাব, জলাবদ্ধতা, অপর্যাপ্ত মশা নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতাহীনতা—সব মিলিয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিচ্ছেন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬ রোগী

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) প্রাণঘাতী এ রোগে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৩৬ জন রোগী। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সরকারি হিসেবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৫-এ। আর এ বছর দেশে সর্বমোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ৫২৭ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগ ও ঢাকা উত্তর সিটিতে ২ জন করে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১ হাজার ৮৪৪ জন ডেঙ্গু রোগী। এর মধ্যে ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৯৮ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের হার কমলেও মৃত্যু ঠেকাতে দ্রুত শনাক্তকরণ ও সময়মতো চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি।

  • ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: এক সপ্তাহে ১৩ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি বাড়ছে প্রতিদিন

    ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে: এক সপ্তাহে ১৩ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি বাড়ছে প্রতিদিন

    এবিএনএ: দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ আবারও আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহেই ডেঙ্গুতে ১৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বছরজুড়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩৫ জনে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের একজন করে রোগী।

    অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবারের মধ্যে বরিশাল বিভাগে সর্বাধিক ১২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৯৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা বিভাগে ৮৫ জন করে মোট ১৭০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৮০ জন, রাজশাহীতে ৫৫ জন, খুলনায় ৩২ জন, ময়মনসিংহে ১৭ জন, রংপুরে ৩ জন এবং সিলেটে ১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে রোববার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১৩৫ জন। এর মধ্যে ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেই সর্বাধিক ৬৮ জন মারা গেছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, বরিশালে ১৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১২ জন, রাজশাহীতে ৬ জন, খুলনায় ৫ জন এবং ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে ২ জন করে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১ হাজার ৭০৬ জন ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি ৫২২ জন এবং ঢাকার বাইরে ১ হাজার ১৮৪ জন।

    উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্তের পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করছে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে দেশে সর্বাধিক ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং ওই বছরই রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু ঘটে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩১১ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩১১ রোগী

    এবিএনএ:  ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজন রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এবং দু’জন রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। একই সময়ে নতুন করে ৩১১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৭৮২ জন। তাদের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১১০ জন।

    বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বরিশাল বিভাগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি— ৯ হাজার ৩৭০ জন, যা মোট আক্রান্তের প্রায় ৩৩ শতাংশ। তবে মৃত্যুর দিক থেকে এগিয়ে ঢাকা মহানগর, যেখানে মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের, যা মোট মৃত্যুর অর্ধেকেরও বেশি।

    বয়সভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা। এ বয়সে আক্রান্ত ১০ হাজারেরও বেশি রোগী, যা মোট সংক্রমণের ৩৬ শতাংশের কাছাকাছি। মৃত্যুও সবচেয়ে বেশি হয়েছে এই বয়সে— ৩১ জন।

    গত একদিনে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীদের মধ্যে ঢাকায় ১১২ জন, বরিশালে ৮২ জন, ঢাকা বিভাগের বাইরে ৪২ জন, চট্টগ্রামে ৩৭ জন, রাজশাহীতে ২১ জন, খুলনায় ১৫ জন এবং ময়মনসিংহে ২ জন। তবে রংপুর ও সিলেটে কোনো নতুন রোগী ভর্তি হয়নি।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ২৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাইরে ৮৫৩ জন এবং রাজধানীতে ৪৪০ জন।

    মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারিতে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ হাজার ১৬১ জন এবং মৃত্যু হয় ১০ জনের। ফেব্রুয়ারিতে আক্রান্ত ৩৭৪ জন, মৃত্যু ৩ জন। মার্চে আক্রান্ত ৩৩৬ জন হলেও কোনো মৃত্যু হয়নি। এপ্রিলে আক্রান্ত ৭০১ জন ও মৃত্যু ৭ জন। মে মাসে আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭৩ জন ও মৃত্যু ৩ জন। জুনে আক্রান্ত ৫ হাজার ৯৫১ জন এবং মৃত্যু ১৯ জন। জুলাই মাসে আক্রান্ত সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৬৮৪ জন ও মৃত্যু ৪১ জন। চলতি আগস্টে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮০২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের।

    উল্লেখ্য, ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান সংরক্ষণ করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় ২০২৩ সালে, যখন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২১ হাজারের বেশি এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন। ২০২৪ সালেও আক্রান্ত হন ১ লাখের বেশি মানুষ এবং মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।