Tag: হাসপাতালে ভর্তি

  • ডেঙ্গুতে মৃত্যুর মর্মান্তিক ধারা অব্যাহত, এক দিনে প্রাণ হারাল আরও ৮ জন

    ডেঙ্গুতে মৃত্যুর মর্মান্তিক ধারা অব্যাহত, এক দিনে প্রাণ হারাল আরও ৮ জন

    এবিএনএ:  বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমার পরিবর্তে নতুন করে থাবা বসাচ্ছে মানুষের জীবনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন নতুন করে ৭৭৮ জন রোগী।

    রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত রিপোর্টে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রোগী সংখ্যা ১২৯ এবং দক্ষিণ সিটিতে ভর্তি হয় ৮১ জন। ঢাকার বাইরে বিভাগগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ১৩৪, খুলনায় ১১২, বরিশালে ৮৩, রাজশাহীতে ৪৮, ময়মনসিংহে ৪৪, রংপুরে ১৯ এবং সিলেটে ৭ জন ভর্তি হয়েছে।

    একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১,১১১ জন রোগী। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ৮৭ হাজার ৪৪২ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

    চলতি বছরের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার ২৬৪ জনে। এর মধ্যে পুরুষ রোগী ৬২.০৩ শতাংশ এবং নারী রোগী ৩৭.০৭ শতাংশ।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৬৪ জনের। গত বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল এক হাজার ৭০৫ জনের এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

    ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ এক হাজারের বেশি মানুষ, আর মৃত্যু হয়েছে ৫৭৫ জনের।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গুর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। সতর্কতা, সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণই হতে পারে ডেঙ্গু মোকাবিলার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

  • ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ৮৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি, আরও ৪ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ৮৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি, আরও ৪ জনের মৃত্যু

    এবিএনএ:  দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে নতুন করে ৮৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে মারা গেছেন আরও চারজন। এ বছর একদিনে সর্বাধিক রোগী ভর্তির রেকর্ড এটি।

    এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর একদিনে ৭৪০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হওয়ার তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    মৃত্যু ও আক্রান্তের সর্বশেষ চিত্র

    গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন নারী ও দুজন পুরুষ। তারা চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কভিড-১৯ হাসপাতালে।

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গুতে ভর্তি রয়েছেন ২ হাজার ২৩০ জন রোগী। এর মধ্যে ঢাকার বাইরে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৪৮৪ জন এবং ঢাকার ভেতরে ৭৪৬ জন।

    বিভাগভিত্তিক পরিস্থিতি

    সর্বশেষ একদিনে নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে সর্বাধিক ১৬৬ জন। ঢাকার মহানগরে ভর্তি হয়েছেন ২০৯ জন, ঢাকার অন্য অংশে ১৬৪ জন, খুলনায় ১০১ জন, চট্টগ্রামে ৯১ জন, রাজশাহীতে ৫৪ জন, ময়মনসিংহে ৩৭ জন, রংপুরে ১৭ জন এবং সিলেটে ৬ জন।

    চলতি বছরের পরিসংখ্যান

    ২০২৫ সালে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬ হাজার ৫১ জন, আর প্রাণ হারিয়েছেন ১৯২ জন। আক্রান্তের দিক থেকে বরিশাল বিভাগ শীর্ষে, আর মৃত্যুর দিক থেকে এগিয়ে ঢাকা মহানগর।

    বরিশালে আক্রান্ত ১৩ হাজার ৯৪ জন, মৃত্যুর সংখ্যা ২৮। ঢাকা মহানগরে আক্রান্ত ১২ হাজার ২৩৭ জন, তবে মৃত্যু হয়েছে সবচেয়ে বেশি—১১৯ জনের।

    মাসভিত্তিক সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান

    • জানুয়ারি: ১,১৬১ জন আক্রান্ত, ১০ জন মৃত্যু

    • ফেব্রুয়ারি: ৩৭৪ আক্রান্ত, ৩ মৃত্যু

    • মার্চ: ৩৩৬ আক্রান্ত, কোনো মৃত্যু হয়নি

    • এপ্রিল: ৭০১ আক্রান্ত, ৭ মৃত্যু

    • মে: ১,৭৭৩ আক্রান্ত, ৩ মৃত্যু

    • জুন: ৫,৯৫১ আক্রান্ত, ১৯ মৃত্যু

    • জুলাই: ১০,৬৮৪ আক্রান্ত, ৪১ মৃত্যু

    • আগস্ট: ১০,৪৯৬ আক্রান্ত, ৩৯ মৃত্যু

    • সেপ্টেম্বর (২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত): ১৪,৫৭৫ আক্রান্ত, ৭০ মৃত্যু

    আগের বছরের তুলনা

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০০০ সাল থেকে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২৩ সাল সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল। সে বছর ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে আসে ১ লাখ ১ হাজার ৯৯৭-এ, আর মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৫৭৫।

    চলতি বছরের পরিসংখ্যান দেখে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ২০২৩ সালের ভয়াবহতাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে ২০২৫ সালের ডেঙ্গু সংকট।

  • ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই: এক দিনে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১২

    ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই: এক দিনে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১২

    এবিএনএ:  ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও তিনজনের প্রাণহানি ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪১২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    সোমবার সকালে হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ মৃত্যু ও আক্রান্তের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১১৮ জনে। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ২৯ হাজার ৪৪ জন রোগী।

    আঞ্চলিক হিসেবে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৬৯ জন, ঢাকা দক্ষিণে ৫৩ জন, বরিশাল বিভাগে ১০২ জন, চট্টগ্রামে ৭৭ জন, খুলনায় ২৬ জন, ময়মনসিংহে চারজন এবং রাজশাহী বিভাগে ৩০ জন রয়েছেন।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এভাবে সংক্রমণ অব্যাহত থাকলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • ডেঙ্গুতে ফের দুই প্রাণহানি, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯৫ জন

    ডেঙ্গুতে ফের দুই প্রাণহানি, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯৫ জন

    এবিএনএ:  

    দেশজুড়ে ফের ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গু। গত ২৪ ঘণ্টায় এই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৯৫ জন ডেঙ্গুরোগী।

    রোববার (৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে রয়েছেন ৫৮ জন, চট্টগ্রামে ৬১ জন, ঢাকার বাইরের এলাকায় ৬৯ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৪ জন এবং দক্ষিণ সিটিতে ৫০ জন। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ জন, রাজশাহীতে ৪৮ জন, রংপুরে ৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন নতুন ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়েছেন।

    একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৯৩ জন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ৭৪৪ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

    ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২২ হাজার ৬৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ নারী।

    গত এক দিনে মৃত্যুবরণকারী দুইজনের মধ্যে একজন চট্টগ্রাম বিভাগ ও অন্যজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু দাঁড়ালো ৮৬ জনে।

    ২০২৪ সালে পুরো বছরজুড়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যুবরণ করেন ৫৭৫ জন। আর ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল আরও ভয়াবহ—আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণই পারে মৃত্যুর হার কমাতে।

  • ডেঙ্গুর ছোবলে একদিনেই প্রাণ গেল ৫ জনের, হাসপাতালে ভর্তি আরও ১৫৯

    ডেঙ্গুর ছোবলে একদিনেই প্রাণ গেল ৫ জনের, হাসপাতালে ভর্তি আরও ১৫৯

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আবারও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময় নতুন করে ১৫৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা চলতি বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

    শুক্রবার (১৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বরিশাল বিভাগে সর্বোচ্চ চারজনের মৃত্যু হয়েছে, আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মারা গেছেন একজন। বার্ষিক হিসাবে বর্তমানে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ জনে।

    নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৫৯ জন রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরের) রয়েছে ১২৪ জন। চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের বাইরের এলাকায় রয়েছে ৯ জন করে, ঢাকা দক্ষিণে ১২ জন, ঢাকা উত্তরে ১ জন, খুলনায় ৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন।

    তবে কিছুটা স্বস্তির খবর হচ্ছে—২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগী। বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫ হাজার ১১ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৩ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৭০ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৫৫.৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৪৪.৭ শতাংশ নারী।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু ছড়ানোর আশঙ্কা অনেক বেশি। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে সচেতন হওয়ার এবং মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।