Tag: হাসনাত আবদুল্লাহ

  • গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা, সাঁজোয়া যানে নিরাপত্তায় ঘেরা যাত্রা

    গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা, সাঁজোয়া যানে নিরাপত্তায় ঘেরা যাত্রা

    এবিএনএ: গোপালগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে হামলার শিকার হয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা অবশেষে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে নিরাপদে এলাকা ত্যাগ করেছেন।

    বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে সংঘটিত সহিংসতার পর এনসিপির শীর্ষ নেতারা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সেনাবাহিনীর বর্মযান (এপিসি) ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের সেখান থেকে বের করে আনা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান থেকে নামছেন এবং পরে সেই গাড়িতেই গোপালগঞ্জ ত্যাগ করছেন।

    এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন,

    “হামলার মুখে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা কাছাকাছি একটি ভবনে আশ্রয় নেন, পরে জানা যায় সেটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়। সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তারা এলাকা ছাড়েন।”

    একজন স্থানীয় সাংবাদিক জানান, তিনি নিজ চোখে দুটি সাঁজোয়া যান দেখেছেন, যাতে করে এনসিপির নেতাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হলে, জেলা প্রশাসন গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করে এবং সেনা মোতায়েন করা হয়।

    এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়,

    “আন্দোলনের অংশ হিসেবে পদযাত্রা কর্মসূচি চলমান থাকবে, তবে নেতৃত্বকে সুরক্ষিত রাখা ছিল জরুরি।”

  • গাজীপুরে হাসনাতের গাড়িতে হামলা: ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ৫৪

    গাজীপুরে হাসনাতের গাড়িতে হামলা: ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ৫৪

    এবিএনএ: গাজীপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলার ঘটনায় বড় পরিসরে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) আওতাধীন বাসন থানায় দায়ের হওয়া এই মামলায় ১০০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকজন পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও রয়েছেন।

    বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলাটি দায়ের করেন এনসিপি নেতা আল আমিন খন্দকার। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন রাব্বিকে।

    এছাড়া মামলায় ‘হুকুমদাতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে।

    ওসি আরও জানান, হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে রবিবার রাতভর অভিযান চালিয়ে জিএমপি মোট ৫৪ জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে ৪৩ জনকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, বাকি ১১ জনকে অন্যান্য মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। হামলাকারীদের গ্রেফতারে অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।

    উল্লেখযোগ্য, রবিবার সন্ধ্যায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়ির চালকের বরাতে জানা যায়, হঠাৎ মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা পিছন থেকে গাড়িটিকে আঘাত করে। হামলায় গাড়ির কাঁচ ভেঙে যায় এবং হাসনাতের ডান হাতে রক্তাক্ত জখম হয়।

    ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত অভিযান শুরু করে এবং পুরো গাজীপুরে অভিযানের মাধ্যমে এ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

  • গাজীপুরে আতঙ্কের সৃষ্টি, প্রকাশ্য রাস্তায় এনসিপি নেতার উপর হামলা

    গাজীপুরে আতঙ্কের সৃষ্টি, প্রকাশ্য রাস্তায় এনসিপি নেতার উপর হামলা

    এবিএনএ:  গাজীপুর মহানগরের ব্যস্ততম এলাকা চান্দনা চৌরাস্তা রোববার সন্ধ্যায় রূপ নেয় আতঙ্কের নগরীতে, যখন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী।

    এনসিপির একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, “গাজীপুরে ১০-১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী হাসনাত ভাইয়ের গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। গাড়ির কাচ সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে, হাসনাত ভাইয়ের হাত রক্তাক্ত। যারা আশপাশে ছিলেন, তারা তাকে সুরক্ষিত রাখুন।”

    তার পোস্টের সঙ্গে সংযুক্ত ছবিতে দেখা যায়, গাড়ির জানালার কাচ ভাঙা এবং হাসনাতের হাতে রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন। পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে গাড়ির উপর আঘাত চালানো হয়।

    ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) রবিউল হাসান। বর্তমানে তদন্ত চলছে এবং দোষীদের খুঁজে বের করার জন্য পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

    এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, “গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় হাসনাত আবদুল্লাহ ভাইয়ের গাড়িতে ন্যাক্কারজনক হামলা হয়েছে। এটি গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য চরম হুমকি।”

    সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের সহিংসতা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে। প্রশাসনের কাছে দাবি উঠেছে, দ্রুত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।