Tag: হাইতি

  • ব্রাজিলের হেক্সা মিশন শুরু: কখন কোথায় খেলবে নেইমার–ভিনিসিয়াসরা?

    ব্রাজিলের হেক্সা মিশন শুরু: কখন কোথায় খেলবে নেইমার–ভিনিসিয়াসরা?

    এবিএনএ: ফুটবল ইতিহাসে টানা প্রতিটি বিশ্বকাপে খেলার অনন্য কীর্তি গড়া এবং পাঁচবারের শিরোপাজয়ী ব্রাজিল এবারও নামছে হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে। ২০২৬ বিশ্বকাপের ড্র অনুযায়ী ‘সি’ গ্রুপে পড়েছে সেলেসাওরা। তাদের গ্রুপে সবচেয়ে শক্ত প্রতিপক্ষ মরক্কো, যারা কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠেছিল। গ্রুপের বাকি দুই দল হলো স্কটল্যান্ড ও হাইতি।

    আগামী ১৪ জুন নিউ ইয়র্ক–নিউ জার্সিতে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় মরক্কোর বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে। এরপর ২০ জুন ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি ২৫ জুন মায়ামিতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

    বাংলাদেশের ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য সময়সূচি বেশ স্বস্তির, কারণ ম্যাচগুলো ভোর বা সকালেই হওয়ায় গভীর রাত জাগতে হবে না।

    গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের ম্যাচ সূচি:

    • ১৪ জুন: ব্রাজিল বনাম মরক্কো — ভোর ৪টা (নিউ ইয়র্ক–নিউ জার্সি)

    • ২০ জুন: ব্রাজিল বনাম হাইতি — সকাল ৭টা (ফিলাডেলফিয়া)

    • ২৫ জুন: ব্রাজিল বনাম স্কটল্যান্ড — ভোর ৪টা (মায়ামি)

    সেলেসাও সমর্থকরা ইতিমধ্যেই হেক্সা স্বপ্নে উচ্ছ্বসিত, আর দলও প্রস্তুত নিজেদের ক্ষমতা প্রমাণে।

  • ট্রাম্পকে প্রভাবিত করতে দরিদ্র দেশগুলোর কোটি টাকার লবিং যুদ্ধ!

    ট্রাম্পকে প্রভাবিত করতে দরিদ্র দেশগুলোর কোটি টাকার লবিং যুদ্ধ!

    এবিএনএ: বিশ্বের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল কয়েকটি দেশ মার্কিন প্রভাবশালী রাজনীতিক ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ লবিস্টদের মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করছে। তাদের উদ্দেশ্য— ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা বজায় রাখা বা পুনরুদ্ধার করা।

    সোমালিয়া, হাইতি, ইয়েমেনসহ অন্তত ১১টি দেশ ইতোমধ্যে ট্রাম্প-সম্পর্কিত লবিস্টদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এসব দেশের বেশিরভাগই মার্কিন ত্রাণ সংস্থা ইউএসএইড-এর পূর্বতন সুবিধাভোগী। ট্রাম্প জানুয়ারিতে পুনরায় প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পরই ইউএসএইড বন্ধের ঘোষণা দেন, যা গত সপ্তাহে কার্যকর হয়েছে।

    গ্লোবাল উইটনেসের তদন্ত বলছে, ইউএসএইড বন্ধ হওয়ার পর কিছু দেশ তাদের প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশেষ করে খনিজ সম্পদ, ব্যবহার করে রাজনৈতিক লবিংয়ে জড়িয়েছে। এর মধ্যে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো উল্লেখযোগ্য, যারা মার্কিন খনিজ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ১৭ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ লবিং ফার্ম ব্যালার্ড পার্টনার্সের সঙ্গে ১২ লাখ ডলারের চুক্তি করে কঙ্গো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিশ্চিত করতে চাইছে।

    উল্লেখ্য, ব্যালার্ড পার্টনার্স ২০১৬ সাল থেকেই ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ, এমনকি তাঁর নির্বাচনী প্রচারে অন্যতম বড় দাতা হিসেবেও পরিচিত।

    এদিকে, সোমালিয়া ও ইয়েমেন বিজিআর গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স নামক লবিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে যথাক্রমে ৫.৫ লাখ ও ৩.৭২ লাখ ডলারে। বিজিআরের সাবেক অংশীদার শন ডাফি বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

    বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই চুক্তিগুলো মানবিক সাহায্যের বদলে প্রাকৃতিক সম্পদের বিনিময়ে হতে পারে, যা দারিদ্র্যপীড়িত দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে আরও দুর্বল করে তুলবে। গ্লোবাল উইটনেসের ট্রানজিশন মিনারেল বিভাগের প্রধান এমিলি স্টুয়ার্ট বলেন, “এই দেশগুলো এখন আরও বেশি মরিয়া। ফলে তারা তাদের মূল্যবান সম্পদ শোষণের ঝুঁকিতে পড়ছে।”

    বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা ও প্রভাব বিস্তারের লড়াইয়ে, ধনী দেশগুলোর সঙ্গে দরিদ্র দেশগুলোর এমন সম্পর্ক নতুন করে ভাবনার জন্ম দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।