Tag: হল সংসদ

  • জাকসু নির্বাচনে হল সংসদের ফল: ভিপি ও জিএস পদে যারা নির্বাচিত হলেন

    জাকসু নির্বাচনে হল সংসদের ফল: ভিপি ও জিএস পদে যারা নির্বাচিত হলেন

    এবিএনএ: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে অনুষ্ঠিত জাকসু নির্বাচনের হল সংসদে ভিপি ও জিএস পদে নির্বাচিতদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে পর্যায়ক্রমে ফলাফল প্রকাশ শুরু হয়।

    আল বেরুনী হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন রিফাত আহমেদ শাকিল এবং জিএস পদে জয় পেয়েছেন মুনতাসির বিল্লাহ খান।

    নবাব জয়জুন্নেসা হলে ভিপি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বুবলি আহমেদ (মার্কেটিং), আর জিএস পদে জয়ী হয়েছেন সুমাইয়া খানম।

    জাহানারা ইমাম হলে ভিপি পদে বিজয়ী হয়েছেন গণিত বিভাগের মাহমুদা খাতুন এবং জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন পাবলিক হেলথ বিভাগের রিজওয়ানা বুশরা।

    ১০ নম্বর ছাত্র হল (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হল) থেকে ভিপি পদে জয় পেয়েছেন আসিফ মিয়া (সরকার ও রাজনীতি বিভাগ) এবং জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মেহেদী হাসান।

    ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে ভিপি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন শারমিন রহমান এবং জিএস পদে জয়ী হয়েছেন মেহনাজ মোহনা।

    শহীদ সালাম-বরকত হলে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন রসায়ন বিভাগের মারুফ হোসেন এবং জিএস পদে জয়ী হয়েছেন ইতিহাস বিভাগের মাসুদ রানা।

    সুফিয়া কামাল হলে ভিপি পদে জয় পেয়েছেন জান্নাতুল নাইম জেরিন এবং জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন রুবিনা জাহান তিথি।

    ফল ঘোষণার পর ক্যাম্পাসজুড়ে নির্বাচিতদের সমর্থকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে।

  • ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন: বেলা বাড়ার সাথে বেড়ে চলছে ভোটারদের ভিড়

    ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন: বেলা বাড়ার সাথে বেড়ে চলছে ভোটারদের ভিড়

    এবিএনএ:  দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে শুরু হলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলের ২২৪টি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

    সকালেই ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে ভোটকেন্দ্রে ভিড় বাড়াচ্ছেন। শহীদ রফিক-জব্বার হল ও শহীদ সালাম-বরকত হলে সকাল বেলায় ভোটদানের হার খুবই কম ছিল। তবে নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুপুর গড়ানোর পর ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হচ্ছে।

    এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৮৯৭। কেন্দ্রীয় ও হল সংসদের ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৭৮ জন প্রার্থী। ভোট গ্রহণে নিয়োজিত রয়েছেন ৬৭ জন শিক্ষক পোলিং অফিসার এবং সমসংখ্যক কর্মকর্তা সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভোট শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে বিশেষ ওএমআর মেশিনে গণনা করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

    প্রার্থীদের মধ্যে ২৫ শতাংশ নারী এবং ৭৫ শতাংশ পুরুষ। যদিও ভিপি পদে কোনো নারী প্রার্থী নেই, তবে জিএস পদে দুইজন ছাত্রী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মেয়েদের পাঁচটি হলে একাধিক পদে কোনো প্রার্থী না থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমিত হয়ে গেছে।

    বাম, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রসহ মোট আটটি প্যানেল অংশ নিয়েছে এ নির্বাচনে। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের শেখ সাদী হাসান ও তানজিলা হোসেন বৈশাখী, শিবিরের আরিফুল্লাহ আদিব ও মাজহারুল ইসলাম, ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’-এর আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল, ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’-এর আব্দুর রশিদ জিতু ও মো. শাকিল আলী, এবং বিভিন্ন বাম সংগঠনের সংশপ্তক পর্ষদ থেকে একাধিক প্রার্থী।

    ৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে অংশ নিচ্ছেন। দিনের শুরুতে ভোটের গতি ধীর হলেও দুপুর গড়ানোর সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভোটারদের সরব উপস্থিতি নির্বাচনকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

  • ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাকসু নির্বাচন বৃহস্পতিবার

    ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাকসু নির্বাচন বৃহস্পতিবার

    এবিএনএ:  অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। টানা ৩৩ বছর পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন।

    ইতোমধ্যেই নির্বাচন কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি ছাত্র হল এবং ১০টি ছাত্রী হলে মোট ২১টি কেন্দ্রে ২২৪টি বুথে ভোট নেওয়া হবে। এ জন্য নিয়োজিত থাকবেন ৬৭ জন শিক্ষক পোলিং অফিসার ও সমসংখ্যক সহায়ক কর্মকর্তা।

    ভোট শেষে সিনেট হলে গণনা সম্পন্ন করা হবে। নির্বাচন উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাসে নজিরবিহীন নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে থাকছে ১৫০০ পুলিশ, ৭ প্লাটুন বিজিবি এবং ৫ প্লাটুন আনসার। পাশাপাশি ক্যাম্পাস ও আশপাশে টহলে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, মীর মশরারফ হোসেন হল গেইট ও প্রান্তিক গেইট ছাড়া সব গেইট ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এছাড়া ভোটের দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের সব দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে হলের ভেতরের ক্যান্টিন ও দোকান খোলা থাকবে এবং পর্যাপ্ত খাবার মজুদ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    একই সময়ে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। কেবলমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাকার স্টিকার ও নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে।

    নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টিএসসি থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি। ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীরা স্লোগান দেন, “নির্বাচনে কারচুপি, মানি না মানব না।”

    আবিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনে ভোট কারচুপি করেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স দেওয়া হয়নি। ভোট গণনার দুই ঘণ্টা পার হওয়ার পর ছাত্রদলের এজেন্টদের ভোট গণনা কক্ষে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া আমরা নির্বাচনী ফলাফল মেনে নেব না।”

    উল্লেখ্য, প্রায় ৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে এবং বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

  • ডাকসু নির্বাচন সামনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা চারদিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    ডাকসু নির্বাচন সামনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা চারদিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    এবিএনএ:  আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ উপলক্ষে চারদিনের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    শনিবার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচন চলাকালীন নির্বিঘ্ন পরিবেশ বজায় রাখতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) থেকে ১০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) পর্যন্ত সকল ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময়ে হল ও ক্যাম্পাস এলাকায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কাজে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিয়োজিত থাকবেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালে। ছয় বছর পর আবারও নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাম্পাসে। শিক্ষার্থীরা নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে মুখিয়ে আছে।

  • ডাকসু নির্বাচন: ঢাবির ৮ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন

    ডাকসু নির্বাচন: ঢাবির ৮ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ এবার অনুষ্ঠিত হবে ক্যাম্পাসের ৮টি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে

    শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    কোন হলে কোন কেন্দ্রে ভোট দেবেন শিক্ষার্থীরা:

    • কার্জন হল কেন্দ্র: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা।

    • শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র: জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা।

    • টিএসসি (ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র): শুধুমাত্র রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা।

    • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব: বাংলাদেশ–কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা।

    • সিনেট ভবন: স্যার এ এফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা।

    • উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ: সূর্য সেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীরা।

    • ভূতত্ত্ব বিভাগ: কবি সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীরা।

    • ইউল্যাব স্কুল অ্যান্ড কলেজ: শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা।

    এছাড়া একই দিনে প্রকাশিত আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ক্যাম্পাসে যেসব বিলবোর্ড ও ব্যানার ঝোলানো হয়েছে সেগুলো দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্ধারিত তারিখ থেকে আচরণবিধি মেনে কেবল প্রচারকাজ চালানো যাবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, নির্ধারিত ৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে।

  • ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ডাকসু নির্বাচন, এবার ভোটকেন্দ্র থাকবে হলের বাইরে

    ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ডাকসু নির্বাচন, এবার ভোটকেন্দ্র থাকবে হলের বাইরে

    এবিএনএ: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঘোষণা এলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)হল সংসদ নির্বাচনের তারিখ। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন।

    মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সেনেট ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন।


    🗳️ এবার ভিন্নধর্মী উদ্যোগ: হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র

    ডাকসু নির্বাচনে এবার প্রথমবারের মতো হলের বাইরে ছয়টি নিরপেক্ষ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোটারদের যেন নির্বিঘ্নে এবং সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে এই নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।


    📍 নির্ধারিত ভোট কেন্দ্রগুলো:

    ১. কার্জন হল কেন্দ্র (পরীক্ষার হল):
    → ভোটার: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল, ফজলুল হক হল

    ২. ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি):
    → ভোটার: রোকেয়া হল, শামসুন নাহার হল, কবি সুফিয়া কামাল হল

    ৩. শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র:
    → ভোটার: জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল

    1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্র:
      → ভোটার: বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল, শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল

    2. সেনেট ভবন কেন্দ্র (এলামনাই ফ্লোর, সেমিনার কক্ষ, ডাইনিং রুম):
      → ভোটার: স্যার এ এফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মহসীন হল, বিজয় একাত্তর হল

    3. উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র:
      → ভোটার: সূর্য সেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল, কবি জসীমউদ্দীন হল


    🧭 পরবর্তী করণীয়

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের ভোটার তালিকা, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ এবং প্রচার-প্রচারণার সময়সীমাও শিগগির ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

    এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে, যা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় ছাত্রসমাজের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।