Tag: স্বেচ্ছাসেবক দল

  • অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপে ফেলতেই নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে—মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে মির্জা ফখরুল

    অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপে ফেলতেই নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে—মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর দাবি, দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের লোমহর্ষক সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঘটানো হচ্ছে, যাতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা যায়।

    বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের তেজতুরি বাজার এলাকার একটি গলিতে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার দেওয়া এক শোকবার্তায় মির্জা ফখরুল এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনের পতনের পর একটি মহল নতুন করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে ফায়দা লুটতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড সেই ষড়যন্ত্রেরই নির্মম বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অন্যথায় সুযোগসন্ধানী ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের সহযোগীরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে, যা দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।

    মির্জা ফখরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে এবং সহিংস ঘটনাগুলো তারই অংশ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। রাষ্ট্রকে অচল করে দেওয়ার যেকোনো অপচেষ্টা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।

    শোক বিবৃতিতে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে নিহত আজিজুর রহমান মুছাব্বিরের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

  • রাজধানীতে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা

    রাজধানীতে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা

    এবিএনএ: রাজধানীতে আবারও রক্তক্ষয়ী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। একই ঘটনায় আনোয়ার হোসেন নামের অপর এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতের দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা মার্কেটের পেছনে তেজতুরি বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ গোলাগুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ফজলুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গুলিবিদ্ধ দুইজনকে দ্রুত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। অপরজনকে চিকিৎসার জন্য রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনার পেছনের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

  • ষড়যন্ত্র হলে রাজপথেই জবাব দেবে বিএনপি: স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি

    ষড়যন্ত্র হলে রাজপথেই জবাব দেবে বিএনপি: স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ:  রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এবং ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে রাজপথে সরব হয়ে উঠেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে দলটির নেতারা হুঁশিয়ারি দেন—বিএনপি ও তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে যে কোনো ষড়যন্ত্র রাজপথেই প্রতিহত করা হবে।

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল সমাবেশে বলেন, “সন্ত্রাস ও খুনের কোনো দল বা আদর্শ থাকে না। মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আগে নিজের মুখ আয়নায় দেখুন, তারপর অন্যের দিকে আঙুল তুলুন।”

    তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো মহল বিএনপি ও তার নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, তবে সে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে রাজপথেই। আমাদের ধৈর্যের সীমা পরীক্ষা করবেন না। ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।”

    সমাবেশ শেষে বিকেল ৫টায় নয়াপল্টন থেকে মিছিল শুরু হয়ে কাকরাইল, মৎস্য ভবন হয়ে শাহবাগ মোড় গিয়ে শেষ হয়। সেখানেই সোয়া ৬টার দিকে ১৫ মিনিটের অবস্থান কর্মসূচি পালন করে স্বেচ্ছাসেবক দল। এর ফলে শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট।

    বিক্ষোভে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন ও পতাকা নিয়ে অংশ নেন। বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে তাঁরা স্লোগানে স্লোগানে গর্জে ওঠেন।

    সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এস এম জিলানী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান। বক্তব্য দেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান ও ফখরুল ইসলাম রবিন।

    বক্তারা সরকারের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র’ ও ‘প্রশাসনিক সহায়তায় বিরোধী দল দমন’ করার অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলনের প্রস্তুতির আহ্বান জানান।