Tag: স্থানীয় সরকার নির্বাচন

  • আইনের চোখে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা: নয়াপল্টন থেকে মির্জা ফখরুলের কড়া বার্তা

    আইনের চোখে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা: নয়াপল্টন থেকে মির্জা ফখরুলের কড়া বার্তা

    এবিএনএ: রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার বিষয়টি আইনের আলোকে মূল্যায়ন করা হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলে কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই এবং এ ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোনো দলের সাংগঠনিক তৎপরতা পরিচালনা করতে হলে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান মানতেই হবে। আইনগত সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও কার্যালয় খোলার উদ্যোগ নিলে তা বৈধতা পাবে না—এমন ইঙ্গিতও দেন তিনি।

    স্থানীয় সরকার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব জানান, সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করেই। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর তুলনামূলক স্বল্প সময়ের মধ্যেই সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান তিনি।

    এ ছাড়া সংসদ অধিবেশন শুরু হলে সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কার্যক্রম এগোনোর কথাও উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যে তাঁর এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • জাতীয় নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে ঝাঁকুনি: ইসির নির্দেশে ১১২ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি

    জাতীয় নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে ঝাঁকুনি: ইসির নির্দেশে ১১২ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল এনেছে নির্বাচন কমিশন। দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করা মোট ১১২ জন নির্বাচন কর্মকর্তাকে একযোগে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে।

    সোমবার জারি করা অফিস আদেশে জানানো হয়, কমিশনের জনবল ব্যবস্থাপনা শাখার নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে নতুন জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।

    আদেশে আরও বলা হয়, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ১ মার্চের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে দায়িত্ব হস্তান্তর করে অবমুক্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব ছাড়তে ব্যর্থ হলে নির্দিষ্ট তারিখের অপরাহ্ণে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।

    ইসির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এটিই মাঠ প্রশাসনে সবচেয়ে বড় পরিসরের বদলি উদ্যোগ। সামনে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার করতেই এই রদবদল করা হয়েছে।

    একই দিনে ইসি সচিবালয়ে কমিশনের সঙ্গে কূটনৈতিক পর্যায়ের একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার আশ্বাস দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

  • ঘরে বসেই ভোটের ফল জানুন মুহূর্তে: ইসির নতুন অ্যাপে মিলছে লাইভ আপডেট

    ঘরে বসেই ভোটের ফল জানুন মুহূর্তে: ইসির নতুন অ্যাপে মিলছে লাইভ আপডেট

    এবিএনএ: বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফল দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পৌঁছে দিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) চালু করেছে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটার ও সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল এবং নির্বাচনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য রিয়েল-টাইমে দেখতে পারবেন।

    যেভাবে ব্যবহার করবেন অ্যাপটি

    ১) অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল
    অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর এবং আইফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপ স্টোরে গিয়ে Smart Election Management BD লিখে সার্চ করুন। ডাউনলোড শেষে অ্যাপটি ইনস্টল করে খুলুন।

    ২) লগইন দরকার কি না
    সাধারণভাবে ফলাফল দেখতে লগইনের প্রয়োজন নেই। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য, ভোটার স্ট্যাটাস বা ইভিএম–সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে চাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে লগইন করতে হতে পারে।

    ৩) ফলাফল দেখার ধাপ

    • নির্বাচন ও এলাকা নির্বাচন: হোম স্ক্রিন থেকে ‘ইলেকশন রেজাল্টস/ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনে গিয়ে জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা বা ইউনিয়ন নির্বাচন বেছে নিন। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করুন।

    • কেন্দ্রভিত্তিক লাইভ আপডেট: প্রতিটি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষ হলে ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাপে আপডেট হয়। প্রার্থী বা দলভিত্তিক ভোটসংখ্যা ও শতাংশ দেখা যায়।

    • গ্রাফ ও চার্টে উপস্থাপনা: ফলাফল গ্রাফ/চার্টে দেখানো হয়, ফলে এগিয়ে থাকা প্রার্থী বা দলের অবস্থান এক নজরেই বোঝা যায়। লাইভ আপডেটে ধাপে ধাপে অগ্রগতিও দেখা যায়।

    ইসির এই উদ্যোগের ফলে ফল প্রকাশে স্বচ্ছতা বাড়বে, বিভ্রান্তি কমবে এবং ভোটাররা দ্রুত নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন—সবকিছুই নিজের স্মার্টফোনে।