Tag: সোশ্যাল মিডিয়া

  • এআই চ্যাটে কিশোরদের আলোচনা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন অভিভাবক

    এআই চ্যাটে কিশোরদের আলোচনা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন অভিভাবক

    এবিএনএ: কিশোর ব্যবহারকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাট সহকারীর সঙ্গে কী বিষয়ে কথা বলছে—এখন তা জানার সুযোগ পাচ্ছেন অভিভাবকেরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারে নতুন নজরদারি সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছে মেটা। তবে এই পদক্ষেপ ঘিরে গোপনীয়তা ও ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    ‘ইনসাইটস’ ট্যাবে দেখা যাবে আলোচনার ধরন

    মেটা জানিয়েছে, তাদের টিন অ্যাকাউন্ট তদারকি ব্যবস্থায় ‘ইনসাইটস’ নামে একটি নতুন বিভাগ যুক্ত করা হচ্ছে। এখানে অভিভাবকেরা সরাসরি বার্তা না দেখে কিশোরদের এআই চ্যাটের আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা পাবেন। আলোচনাগুলো বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে দেখানো হবে।

    উদাহরণ হিসেবে পড়াশোনা, বিনোদন, লেখালেখি, স্বাস্থ্য, মানসিক সুস্থতা—এ ধরনের বড় ক্যাটাগরি প্রদর্শিত হবে। অভিভাবকেরা চাইলে নির্দিষ্ট বিভাগে ক্লিক করে কিছু অতিরিক্ত তথ্য দেখতে পারবেন। তবে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা বজায় রাখতে নির্দিষ্ট কথোপকথনের টেক্সট দেখানো হবে না।

    সীমিত তথ্য, সাত দিনের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ

    মেটার ভাষ্য অনুযায়ী, এই তথ্যগুলো সর্বশেষ সাত দিনের কথোপকথনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। এতে স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিভাগের অধীনে শারীরিক ফিটনেস, অসুস্থতা বা মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনার সারসংক্ষেপ থাকতে পারে। এর মাধ্যমে সন্তানের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে একটি সামগ্রিক ধারণা পাবেন অভিভাবকেরা।

    শিশু নিরাপত্তা বিতর্কের মাঝেই নতুন উদ্যোগ

    শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকায় এই ফিচার চালু করছে মেটা। সম্প্রতি শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত দুটি মামলায় আইনি চাপে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগ ছিল, তাদের প্ল্যাটফর্মগুলো আসক্তিমূলকভাবে ডিজাইন করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। এসব রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

    আদালতে প্রকাশিত কিছু নথিতে আরও উঠে আসে, এআইচালিত ভার্চ্যুয়াল ক্যারেক্টার কখনো অনুপযুক্ত বা যৌনধর্মী কথোপকথনে জড়িয়ে পড়তে পারে—এমন ঝুঁকি সম্পর্কে মেটার নেতৃত্ব অবগত ছিল। এরপর থেকেই কিশোরদের জন্য এসব ফিচারে ধাপে ধাপে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়।

    আগের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও জোরদার

    গত বছরের আগস্টে কিশোরদের জন্য এআই ক্যারেক্টার ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়। পরে অক্টোবরে অভিভাবকদের জন্য নতুন কিছু টুল যোগ করা হয়—যেমন ব্যক্তিগত এআই চ্যাট বন্ধ করা বা নির্দিষ্ট ক্যারেক্টার ব্লক করা। চলতি বছরের শুরুতে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয় এবং বর্তমানে কিশোরদের জন্য কিছু এআই ক্যারেক্টার সুবিধা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

    সমালোচনাও রয়েছে

    তবে এই নতুন ব্যবস্থাকে যথেষ্ট মনে করছেন না শিশু অধিকার কর্মীরা। তাদের মতে, অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা বাড়ানোর মূল কাজ যথেষ্টভাবে হচ্ছে না। ফলে ফিচারটি কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে বিতর্ক থেকেই যাচ্ছে।

    মেটা জানিয়েছে, কিশোরদের নিরাপদ এআই ব্যবহার নিশ্চিত করতে তারা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করছে এবং অভিভাবকদের জন্য নির্দেশনাও তৈরি করছে।

  • চ্যাটেই প্রেমের ইঙ্গিত! ভার্চুয়ালি কেউ আপনাকে পছন্দ করছে—বোঝার ৫টি স্পষ্ট লক্ষণ

    চ্যাটেই প্রেমের ইঙ্গিত! ভার্চুয়ালি কেউ আপনাকে পছন্দ করছে—বোঝার ৫টি স্পষ্ট লক্ষণ

    এবিএনএ:  ডিজিটাল যুগে সম্পর্কের শুরুটা অনেক সময় স্ক্রিনের আড়ালেই হয়। সামনাসামনি দেখা না হলেও, কথোপকথনের ধরন, মেসেজের ভঙ্গি আর ছোট ছোট অনলাইন আচরণ থেকেই বোঝা যায়—কেউ আপনাকে বিশেষভাবে পছন্দ করছে কিনা।

    অনলাইনে এই সূক্ষ্ম ইঙ্গিতগুলো ধরতে পারলে সম্পর্কের দিকটি আরও পরিষ্কার হয়ে ওঠে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু লক্ষণ, যা ভার্চুয়াল দুনিয়ায় ভালো লাগার বার্তা দেয়—

    দ্রুত উত্তর দেওয়ার অভ্যাস
    আপনি মেসেজ পাঠানোর পরপরই যদি উত্তর চলে আসে, তাহলে বুঝতে হবে আপনি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যস্ততার মধ্যেও কেউ যদি আপনাকে সময় দেয়, তাহলে সেটি নিছক সৌজন্য নয়—তার মধ্যে আগ্রহ কাজ করছে।

    ইমোজি ও এক্সপ্রেশন ব্যবহারে আগ্রহ
    শুধু সাধারণ কথোপকথন নয়, বরং ইমোজি, বিস্ময়সূচক চিহ্ন কিংবা মজার টোনে চ্যাট করা—এসবই আগ্রহের ইঙ্গিত। অনেক সময় দেখা যায়, আপনি যেভাবে কথা বলেন, সেও ঠিক সেভাবেই প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করে—যাকে বলা হয় ‘মিররিং’। এটি সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার একটি লক্ষণ।

    ডাবল টেক্সট করার সাহস
    আপনি উত্তর না দিলেও যদি সে আবার মেসেজ পাঠায়, তাহলে ধরে নেওয়া যায়—সে কথোপকথন চালিয়ে যেতে আগ্রহী। আধুনিক অনলাইন যোগাযোগে এটি এক ধরনের ঝুঁকি হলেও, আগ্রহ থাকলেই মানুষ এমনটা করে।

    নিয়মিত শুভেচ্ছা বার্তা
    প্রতিদিন সকালে ‘গুড মর্নিং’ বা রাতে ‘গুড নাইট’ বলা মানে আপনি তার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছেন। বিশেষ করে দিনের শুরু ও শেষ যদি আপনার কথা দিয়ে হয়, তাহলে বিষয়টি নিছক বন্ধুত্বের সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় উপস্থিতি
    আপনার পোস্ট বা স্টোরি নিয়মিত দেখা, প্রতিক্রিয়া জানানো বা আপনার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু শেয়ার করা—এসবই ইঙ্গিত দেয় যে, সে আপনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এমনকি ছোট কোনো বিষয় দেখেও যদি আপনাকে মনে করে, তাহলে বুঝবেন আপনি তার চিন্তার জগতে জায়গা করে নিয়েছেন।

    সব মিলিয়ে, ভার্চুয়াল জগতে ভালো লাগার প্রকাশটা হয় ভিন্নভাবে। সরাসরি না বললেও, আচরণ আর যোগাযোগের ধরনেই লুকিয়ে থাকে সম্পর্কের গভীরতা। তাই এসব ছোট ছোট ইঙ্গিত বুঝতে পারলেই আপনি সহজেই বুঝে নিতে পারবেন—আপনি কি কারো কাছে সত্যিই বিশেষ কেউ।

  • ফেসবুকে পোস্ট করেই আয় হাজার ডলার! মেটার নতুন প্রোগ্রামে বদলে যেতে পারে ক্রিয়েটরদের ভবিষ্যৎ

    ফেসবুকে পোস্ট করেই আয় হাজার ডলার! মেটার নতুন প্রোগ্রামে বদলে যেতে পারে ক্রিয়েটরদের ভবিষ্যৎ

    এবিএনএ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কন্টেন্ট তৈরি করে আয়ের সুযোগ আরও বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে Meta Platforms। প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা করেছে, তাদের ‘ক্রিয়েটর ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রোগ্রামের আওতায় এখন ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট ও রিলস শেয়ার করেই মাসে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।

    সম্প্রতি প্রকাশিত এক অফিসিয়াল ঘোষণায় জানা গেছে, মূলত অন্যান্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মের সফল কন্টেন্ট নির্মাতাদের ফেসবুকে সক্রিয় করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    কারা এই সুযোগ পাবেন?

    এই সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।

    • যাদের Instagram, TikTok অথবা YouTube-এ অন্তত ১ লাখ ফলোয়ার রয়েছে, তারা মাসে প্রায় ১ হাজার ডলার আয় করতে পারবেন।
    • আর যাদের ফলোয়ার সংখ্যা ১০ লাখ বা তার বেশি, তারা মাসিক ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত আয়ের সুযোগ পাবেন।

    কীভাবে কাজ করবে এই প্রোগ্রাম?

    এই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত ক্রিয়েটররা টানা তিন মাস নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পাবেন। তবে এর জন্য নিয়মিত মানসম্মত রিলস বা ভিডিও পোস্ট করতে হবে।
    এছাড়া ফেসবুক তাদের কন্টেন্টের রিচ বাড়াতে বিশেষ প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে, যাতে দ্রুত বড় অডিয়েন্স তৈরি করা যায়।

    আয়ের আরও নতুন পথ

    মেটা তাদের মনেটাইজেশন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনেছে। এখন শুধু ভিডিও নয়—রিলস, ছবি, স্টোরি এমনকি টেক্সট পোস্ট থেকেও আয় করা সম্ভব।
    প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে মোট আয়ের বড় অংশই এসেছে রিলস থেকে, তবে ছবি ও লেখার মাধ্যমেও ভালো আয় হচ্ছে।

    কীভাবে যুক্ত হবেন?

    এই প্রোগ্রামটি বর্তমানে আমন্ত্রণভিত্তিক। তবে আগ্রহীরা ফেসবুকের ‘প্রফেশনাল ড্যাশবোর্ড’ থেকে মনেটাইজেশন অপশনে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন। যোগ্য হলে মেটা নিজেই নোটিফিকেশন বা ইমেইলের মাধ্যমে জানাবে।

    প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, ইউটিউব ও টিকটকের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে এবং দক্ষ ক্রিয়েটরদের আকর্ষণ করতেই মেটার এই পদক্ষেপ। বাংলাদেশের অনেক তরুণ কন্টেন্ট নির্মাতার জন্য এটি বৈদেশিক আয় বাড়ানোর একটি বড় সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।

  • অফিসেই নাকি প্রভা সবচেয়ে প্রোডাক্টিভ! ভাইরাল ভিডিওতে জানালেন বদলে যাওয়া রুটিনের গল্প

    অফিসেই নাকি প্রভা সবচেয়ে প্রোডাক্টিভ! ভাইরাল ভিডিওতে জানালেন বদলে যাওয়া রুটিনের গল্প

    এবিএনএ: মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া আক্তার প্রভা নিয়মিতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিজীবনের টুকরো মুহূর্ত শেয়ার করেন। এবার এক ভিডিও বার্তায় জানালেন, কাজের চাপের কারণে নয়—বরং অফিসে থাকলেই তার দিন সবচেয়ে গুছিয়ে কাটে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    ভিডিওতে প্রভাকে দেখা যায় চনমনে মুডে। তিনি জানান, অফিসে এলে সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা সহজ হয়। সময়মতো নামাজ, খাবার ও বিশ্রাম—সবকিছুই নিয়মের মধ্যে চলে আসে। তার কথায়, অফিসে থাকলে পুরো দিনটা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাটে এবং দিনটি হয় বেশি ফলপ্রসূ।

    অন্যদিকে বাড়িতে থাকার দিনগুলো একেবারেই ভিন্ন রকম যায় বলে খোলামেলা স্বীকার করেছেন এই অভিনেত্রী। বাসায় থাকলে বেশিরভাগ সময় শুয়ে-বসে কাটে, কফির কাপের পর কাপ চলে, মোবাইলে স্ক্রলিং বাড়ে। এমনকি দৈনন্দিন রুটিন মানতেও আলসেমি ভর করে বলে জানান তিনি।

    খাবারের বিষয়েও নিজের পছন্দের কথা শেয়ার করেছেন প্রভা। অফিসে থাকলে পছন্দমতো হালকা খাবার—কখনো সালাদ, কখনো স্যুপ—সহজেই পাওয়া যায়। বিকেলের নাশতার ঝলক দেখিয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর খাবার পেলে সেটাই বেছে নেন, ডেজার্ট খেলেও চিনি কমানোর চেষ্টা করেন।

    সব মিলিয়ে প্রভার মতে, নিজের রুটিন ঠিক রাখতে ও প্রোডাক্টিভ থাকতে অফিসেই তার স্বাচ্ছন্দ্য বেশি। এই স্বীকারোক্তিমূলক ভিডিওটি ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।

  • মাতৃত্বের পর বদলে গেছে ভাবনা, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে সরে যাওয়ার কথা ভাবছেন আলিয়া ভাট

    মাতৃত্বের পর বদলে গেছে ভাবনা, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে সরে যাওয়ার কথা ভাবছেন আলিয়া ভাট

    এবিএনএ: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় হিসেবেই পরিচিত। সিনেমার প্রচার থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত মুহূর্ত—সবই নিয়মিত শেয়ার করেন তিনি। তবে সম্প্রতি এই সোশ্যাল মিডিয়া নিয়েই দ্বিধায় ভুগছেন আলিয়া।

    এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, এমন অনেক দিন আসে যখন ঘুম থেকে উঠেই মনে হয়, সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ মুছে ফেলবেন। বিশেষ করে মা হওয়ার পর এই অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে তার মধ্যে। আলিয়ার ভাষায়, একজন অভিনেত্রী হিসেবে শুধু কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত—এমন ভাবনাও মাথায় আসে।

    তবে বাস্তবতা ভিন্ন। আলিয়া মনে করেন, সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে দিলে তার কাজ ও জীবনের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আর সে কারণেই চাইলেও এই প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে নিজেকে পুরোপুরি সরিয়ে নিতে পারছেন না তিনি।

    অভিনেত্রী আরও বলেন, ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখতে তিনি বরাবরই সচেতন। কিন্তু বর্তমান সময়ে তা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। তার মোবাইলের গ্যালারি জুড়ে ছোট্ট রাহার ছবি, সেগুলো ব্যক্তিগত রাখার জন্য তাকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।

    আলিয়া ভাটের মতে, মাতৃত্ব তার জীবনে এক বড় পরিবর্তন এনেছে। এই অভিজ্ঞতা তার চিন্তাভাবনা ও জীবনবোধে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

    কাজের দিক থেকে সামনে আলিয়াকে দেখা যাবে অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘আলফা’-তে, যেখানে তার সহশিল্পী শর্বরী। পাশাপাশি সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিতে ভিকি কৌশল ও রণবীর কাপুরের সঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাকে।

  • হালকা নীল ম্যাক্সি ড্রেসে শীতকে বিদায়: গ্ল্যামার ছড়িয়ে নেটদুনিয়ায় ঝড় তুললেন সুনেরাহ

    হালকা নীল ম্যাক্সি ড্রেসে শীতকে বিদায়: গ্ল্যামার ছড়িয়ে নেটদুনিয়ায় ঝড় তুললেন সুনেরাহ

    এবিএনএ: সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ফ্যাশন সেন্স ও গ্ল্যামার বরাবরই ভক্তদের নজর কাড়ে। এবার শীত বিদায়ের মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে নতুন কিছু ছবি শেয়ার করে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন এই অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুনেরাহ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবিতে তাকে দেখা যায় স্লিভলেস ও ব্যাকলেস হালকা নীল রঙের ম্যাক্সি ড্রেসে। খোলা চুলে রোদেলা দুপুরে তার স্বাভাবিক কিন্তু আবেদনময় উপস্থিতি মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়ে নেয়। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘মিষ্টি শীতকে এক টুকরো বিদায়’, যা ভক্তদের আবেগ আরও বাড়িয়ে দেয়।

    শেয়ার করা ছবিগুলোতে ভক্তরা মন্তব্যে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সুনেরাহকে। কেউ তার গ্ল্যামারকে প্রশংসা করেছেন, কেউ আবার তার পোশাক নির্বাচনের রুচিশীলতা নিয়ে মন্তব্য করেছেন। খোলামেলা লুক হলেও ছবির নান্দনিকতা ও সাবলীলতা দর্শকদের কাছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

    ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম—সব মাধ্যমেই সমান দক্ষতায় কাজ করে চলেছেন সুনেরাহ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অভিনয় যেমন পরিণত হচ্ছে, তেমনি তার ফ্যাশন সচেতন উপস্থিতি তাকে সমসাময়িক অভিনেত্রীদের ভিড়ে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।

  • গুজব ও ট্রলিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান: সাইবার ক্রাইম বিভাগের সহযোগিতা চাইলেন বুবলী

    গুজব ও ট্রলিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার আহ্বান: সাইবার ক্রাইম বিভাগের সহযোগিতা চাইলেন বুবলী

    এবিএনএ: সোশ্যাল মিডিয়ায় তারকাদের নিয়ে ভিত্তিহীন খবর, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভিডিও ছড়ানোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। এ বিষয়ে তিনি দেশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন।

    সম্প্রতি রাজধানীতে একটি শোরুম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বুবলী বলেন, ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও ট্রলিং ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এতে শুধু শিল্পীদের সম্মানই ক্ষুণ্ন হচ্ছে না, দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    ট্রলিং প্রসঙ্গে বুবলী আক্ষেপ করে বলেন, নারীদের বিরুদ্ধে নারীদেরই ট্রলিংয়ের প্রবণতা বেড়েছে। তিনি বলেন, অনেক সময় হিজাব পরিহিত নারীদেরও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ভিডিও বানাতে দেখা যায়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তার মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী।

    তিনি আরও বলেন, ইসলামে গীবতকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে দেখা হয়। অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা অবলীলায় করা হচ্ছে, যা আমাদের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়েরই প্রতিফলন।

    সাইবার অপরাধ দমনে রাষ্ট্রীয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বুবলী বলেন, শিল্পীদের বিরুদ্ধে অনলাইন অপপ্রচার বন্ধে সাইবার ক্রাইম বিভাগকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব অপকর্ম দেশের শিল্পাঙ্গনকে আন্তর্জাতিক পরিসরেও ছোট করে দেখাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এদিকে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছড়ানো নানা গুঞ্জন সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে বুবলী কৌশলী উত্তর দেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মানুষের কৌতূহল থাকাটাই স্বাভাবিক, তবে এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য নির্দিষ্ট সময় ও পরিবেশ প্রয়োজন।

    বর্তমানে বুবলী তার আসন্ন চলচ্চিত্র ‘পিনিক’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সিনেমাটির ‘আধাচাঁদ’ শিরোনামের গানটি একটানা ‘ওয়ান টেক’-এ ধারণ করে বাংলা সিনেমার ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।