Tag: সেনা মোতায়েন

  • ঢাকা-১৭ আসনে ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা, সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণে

    ঢাকা-১৭ আসনে ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা, সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণে

    এবিএনএ: ঢাকা-১৭ আসনের ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আদর্শ বিদ্যানিকেতন ভোটকেন্দ্রে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নির্বাচনী উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রের আশপাশে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

    মফিজুল ইসলাম নামের এক ভোট এজেন্ট জানান, সকাল থেকেই কেন্দ্রের ভিতরে একটি পক্ষ প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছিল। কেন্দ্রের ভেতরে বিএনপির চারজন এজেন্ট ছিলেন। প্রাথমিকভাবে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরে বিষয়টি পুলিশের এবং সেনাবাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।

    তবে, কেন্দ্রের ১০০ গজের ভেতরে বিএনপির বুথ অব্যাহত থাকা ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে।

    প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সোহেল আহমেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “কোনো অনিয়ম হয়নি। এখানে আইনশৃঙ্খলা বজায় রয়েছে। আমি ভোটকেন্দ্র মনিটর করছি এবং ভোটের পরিবেশ অনেক ভালো রয়েছে।”

    এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ দ্রুত কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করে ভোটগ্রহণের স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। ভোটাররা নিরাপদে কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন।

  • অভূতপূর্ব নিরাপত্তা: ৮ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র, সারা দেশে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    অভূতপূর্ব নিরাপত্তা: ৮ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র, সারা দেশে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে রাত পোহালেই। দেশের ২৯৯টি আসনে ভোট হবে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি কেন্দ্রে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসার বাহিনী সমন্বয়ে ভোটের মাঠ নিরাপদ করছে।

    প্রায় ৮ হাজার ৭৭০ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ১ লাখ ৮৭ হাজার পুলিশ ও আনসার সদস্য নির্বাচনের নিরাপত্তায় কাজ করছে। কেন্দ্রে স্থির, ভ্রাম্যমাণ এবং স্ট্রাইকিং টিম হিসেবে বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি করা হবে, যেমন সিসি ক্যামেরা, বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা এবং ড্রোন।

    নির্বাচনে লাইসেন্সধারী অস্ত্র থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। লুট হওয়া হাজারেরও বেশি অস্ত্র উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। দেশের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে “মশারির মতো” নিরাপদ করার নীতি অনুসরণ করা হয়েছে, যাতে কোনো অপরাধী বা নাশকতাকারী সুযোগ না পায়।

    ডিএমপি ২৬,৫১৫ জন সদস্য, র‍্যাব ৮ হাজার সদস্য এবং আনসার ও ভিডিপি ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিজিবি দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প থেকে হেলিকপ্টার, বিশেষ টহল ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করে নিরাপত্তা দেবে। সেনা ও নৌবাহিনীও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করবে।

    নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষা করতে সকল বাহিনী ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত। সম্ভাব্য সহিংসতা, নাশকতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বাড়ি ফিরতে পারবে—এটি নিশ্চিত করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

    এছাড়া, প্রবাসী ও ভোটারদের মনিটরিং, ইলেকট্রনিক নজরদারি এবং তফসিল অনুসারে নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠু রাখার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করছে।

  • রায়কে ঘিরে উত্তেজনা: ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা, সেনা মোতায়েনের অনুরোধ সুপ্রিমকোর্টের

    রায়কে ঘিরে উত্তেজনা: ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা, সেনা মোতায়েনের অনুরোধ সুপ্রিমকোর্টের

    এবিএনএ: মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি আলোচিত মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ আশেপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা মোতায়েনের অনুরোধ করেছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিচারাধীন এই মামলাটিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা থাকায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    রবিবার সুপ্রিমকোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, রেজিস্ট্রার জেনারেলের অফিস থেকে সেনা সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে ট্রাইব্যুনাল এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত সেনা সদস্য নিয়োগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার তারিখ প্রকাশ পাওয়ার পরও একই ধরনের অনুরোধ পাঠানো হয়েছিল। সেই অনুযায়ী ওইদিন সুপ্রিমকোর্ট ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

    দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও মামলাটির সংবেদনশীলতার কারণে আদালতপাড়ায় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। এ কারণে ঢাকাসহ চারটি জেলায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্যও মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে।

    উল্লেখ্য, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার প্রধান আসামি শেখ হাসিনার পাশাপাশি আরও দুজন আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। মামুন এ মামলায় ‘অ্যাপ্রুভার’ হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

  • বিজয়নগরে উত্তেজনা: জাপা কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সংঘর্ষ

    বিজয়নগরে উত্তেজনা: জাপা কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সংঘর্ষ

    এবিএনএ:  রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎই একদল লোক কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভেতরে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তেই পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ শুরু করে। এরপর বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কাকরাইলের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন তারা। মিছিলটি জাপা কার্যালয়ের সামনে এলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। মুহূর্তেই সংঘর্ষ শুরু হয় উভয়পক্ষের মধ্যে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা জাপা কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

    এর আগে শনিবার বিকেলে জাপা একাংশের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, শুক্রবারও মশাল মিছিলের আড়ালে জাতীয় পার্টির কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তখন সেনা ও পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সেনাবাহিনীর আরও সক্রিয় থাকা জরুরি।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সন্ধ্যায় গণঅধিকার পরিষদ জাপা নিষিদ্ধের দাবিতে মিছিল করলে জাপা কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ আহত হন। এরপরই তারা মশাল মিছিল বের করে জাপা অফিসের সামনে এসে পুলিশের সঙ্গে নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার সময় এক পুলিশ সদস্য ইটের আঘাতে আহত হন। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    এদিকে শনিবার রাতেও গণঅধিকার পরিষদ জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নেতাদের ধাওয়া দিলে নুরুল হক নুরসহ শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

  • ট্রাম্পবিরোধী নীতি ও সেনা মোতায়েনে ক্ষোভ: আমেরিকার ৯০০ শহরে বিক্ষোভের ডাক

    ট্রাম্পবিরোধী নীতি ও সেনা মোতায়েনে ক্ষোভ: আমেরিকার ৯০০ শহরে বিক্ষোভের ডাক

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী পদক্ষেপ ও সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১ সেপ্টেম্বর সোমবার দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে মার্কিন শ্রমিক সংগঠন এএফএল-সিআইও। শ্রমিক দিবসকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে প্রায় ৯০০-এরও বেশি স্থানে

    শিকাগো টিচার্স ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট জ্যাকসন পোটার জানান, এই কর্মসূচি শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, “ট্রাম্পের নীতিতে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ হচ্ছে এবং অভিবাসীদের ওপর নির্যাতন বাড়ছে। আমরা এই পরিস্থিতি মেনে নিতে পারি না।”

    ‘ওয়ার্কার্স অভার বিলিয়নেয়ার’ ব্যানারে আয়োজিত এ আন্দোলন শান্তিপূর্ণ রাখার জন্য পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে, ১৪ জুন ‘নো কিংস’ শীর্ষক এবং ২ আগস্ট আরও একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি সারা যুক্তরাষ্ট্রে পালিত হয়েছিল। তবে এবারের শ্রমিক দিবসের বিক্ষোভের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে ডেমোক্র্যাটদের কৌশল, যার লক্ষ্য রিপাবলিকান প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি ও আসন্ন নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার।

    নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস, হিউস্টন, মায়ামি, আটলান্টা, সানফ্রান্সিসকো, সিয়াটল, ডেট্রয়েট, ডেনভারসহ প্রায় সব বড় শহরেই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আলাস্কা, আলাবামা, নেব্রাস্কা, নর্থ ক্যারোলিনা, ওকলাহোমা, লাসভেগাস, হাওয়াই, মিনিয়াপোলিসসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ছোট-বড় শহরেও একযোগে বিক্ষোভ চলবে।

    শ্রমিক সংগঠনগুলোর মতে, এ কর্মসূচি শুধু প্রতিবাদ নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী বার্তা বহন করবে।

  • বাল্টিমোরে সেনা পাঠানোর হুমকি ট্রাম্পের, চরম উত্তেজনা ছড়াচ্ছে মার্কিন রাজনীতিতে

    বাল্টিমোরে সেনা পাঠানোর হুমকি ট্রাম্পের, চরম উত্তেজনা ছড়াচ্ছে মার্কিন রাজনীতিতে

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোরে সেনা মোতায়েনের হুমকি দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে গভর্নর ওয়েস মুরের সঙ্গে তার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও প্রকট আকার ধারণ করছে।

    কয়েক দিন আগেই ওয়েস মুর ট্রাম্পকে নিরাপত্তা পদযাত্রায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, প্রয়োজন হলে তিনি ‘সেনা পাঠাবেন’, যেমন ওয়াশিংটন ডিসিতে পাঠানো হয়েছিল। তার দাবি, এভাবেই দ্রুত অপরাধ দমন সম্ভব হবে।

    ডেমোক্র্যাট নেতারা এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করছেন। তাদের অভিযোগ, শহরের ভেতরে সামরিক বাহিনী ব্যবহার করা সরাসরি ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’। গভর্নর মুর ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘অজ্ঞতাপূর্ণ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন, স্থানীয় জনগণের বাস্তবতা না জেনেই বারবার ভুল ধারণা ছড়ানো হচ্ছে।

    ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রায় দুই হাজার সেনা মোতায়েন করেছেন, যেখানে অপরাধ দমন অভিযানে কয়েকশ’ মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, রাজধানীসহ অন্যান্য শহরে সেনা নামানো মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ।

    ২০২৪ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে অপরাধের হার ৩০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে, আর ২০২৫ সালেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। তবুও ট্রাম্প শিকাগো ও নিউইয়র্কেও সেনা পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইলিনয়ের গভর্নর জেবি প্রিটজকার এটিকে ‘ক্ষমতার চরম অপব্যবহার’ বলে মন্তব্য করেছেন।

    এক জরিপে দেখা গেছে, বাল্টিমোরের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ শহরে সেনা বা ফেডারেল বাহিনী মোতায়েনের বিপক্ষে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত দেশটির রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও বাড়িয়ে তুলবে।

  • গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে রণক্ষেত্র, সংঘর্ষে নিহত ৩

    গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে রণক্ষেত্র, সংঘর্ষে নিহত ৩

    এবিএনএ:  গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বঘোষিত লং মার্চ ও সমাবেশ ঘিরে চরম সহিংসতায় রূপ নেয় পরিস্থিতি। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। প্রশাসন জারি করেছে কারফিউ, মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী।

    বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়, যখন সমাবেশ শেষে ফিরে যাওয়ার সময় এনসিপির গাড়িবহরে হামলা চালায় আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষে নিহতরা হলেন—ইমন তালুকদার (১৮), রমজান কাজী (২২) ও দীপ্ত সাহা (২৫)। নিহতদের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল।

    হামলার কেন্দ্রবিন্দু ছিল শহরের লঞ্চঘাট এলাকা, যেখানে দুপুর তিনটার দিকে গাড়িবহর অবরুদ্ধ করে হামলা হয়। এনসিপির সমাবেশের মঞ্চে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। ইউএনওর গাড়িবহরেও হামলা চালানো হয়েছে।

    বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেনাবাহিনী মাঠে নামলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রশাসন সন্ধ্যা ৮টা থেকে পরদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করেছে এবং শহরজুড়ে ১৪৪ ধারা কার্যকর করা হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, পুরো গোপালগঞ্জ শহরজুড়ে চলছে সংঘর্ষ, রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে গাছের গুঁড়ি ও ব্যারিকেড। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এনসিপির শীর্ষ নেতারা আপাতত নিরাপত্তার কারণে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান করছেন।

    উল্লেখ্য, জুলাই মাসজুড়ে পদযাত্রা ও গণসমাবেশের কর্মসূচি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনায় রয়েছে এনসিপি। গোপালগঞ্জ ছিল তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য, যা শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    🔴 সাম্প্রতিক এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসন বলছে, সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • লস অ্যাঞ্জেলেসকে ‘মুক্ত করার’ ঘোষণা ট্রাম্পের, কারফিউ-সহ উত্তাল শহরজুড়ে সংঘর্ষ

    লস অ্যাঞ্জেলেসকে ‘মুক্ত করার’ ঘোষণা ট্রাম্পের, কারফিউ-সহ উত্তাল শহরজুড়ে সংঘর্ষ

    এবিএনএ:

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরজুড়ে আবারও উত্তাল পরিস্থিতি। অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে ঘিরে শহরের বিভিন্ন স্থানে গণবিক্ষোভ, গণগ্রেফতার ও কারফিউ জারি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিস্ময়কর মন্তব্যে জানিয়েছেন, তিনি ‘লস অ্যাঞ্জেলেসকে স্বাধীন’ করবেন।

    বিক্ষোভের পঞ্চম দিনেও উত্তপ্ত পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। শহরের মেয়র কারেন বাস ডাউনটাউনের একটি অংশে রাতভর কারফিউ ঘোষণা করেছেন। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “শহরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”

    এদিকে, ন্যাশনাল গার্ড এবং মেরিন সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে ফেডারেল বাহিনী এখন অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর সহায়তায় কাজ করছে। সীমান্ত নিরাপত্তায় মোতায়েন এসব সেনাদের হাতে গ্রেফতারের ক্ষমতা না থাকলেও, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র ফেডারেল স্থাপনা এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

    ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য সরকারের সঙ্গে তার বিরোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এই পদক্ষেপকে গণতন্ত্রের ওপর হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, “ট্রাম্প আবারও উসকানিমূলক পথ বেছে নিয়েছেন, যা রাজ্যগুলোর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।”

    মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে কারফিউ কার্যকর হতেই শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে ভিড় ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এরপরও বহু বিক্ষোভকারী ডাউনটাউনে অবস্থান করে।

    ট্রাম্পের ভাষায়, “লস অ্যাঞ্জেলেস যেন বিদেশি শত্রুদের কবলে চলে গেছে। আমি এ শহরকে উদ্ধার করব।” তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তেজনা ছড়ানোর কৌশল।

  • লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি, ট্রাম্পের নির্দেশে ২ হাজার সেনা মোতায়েন

    লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি, ট্রাম্পের নির্দেশে ২ হাজার সেনা মোতায়েন

    এবিএনএ:

    লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসনবিরোধী উত্তেজনা রুখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২ হাজার ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড়ের জেরে উদ্ভূত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে।

    এই ঘটনায় পুরো ক্যালিফোর্নিয়া জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দ্বিতীয় দিনের মতো শনিবার প্যারামাউন্ট জেলার একটি ল্যাটিনো অধ্যুষিত এলাকায় অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা (ICE)-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জের আশ্রয় নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    সপ্তাহব্যাপী এই অভিযানে লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ১১৮ জন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে একদিনেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৪ জনকে।

    বর্ডার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা টম হোম্যান ফক্স নিউজকে জানান, “লস অ্যাঞ্জেলেসকে নিরাপদ রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় সব কিছু করব। অতিরিক্ত সেনা ও সরঞ্জাম আনা হচ্ছে এবং আজ রাতেই ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হবে।” তিনি বলেন, সহিংসতা বা সম্পত্তি ধ্বংসের ক্ষেত্রে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।

    এদিকে, এফবিআইর ডেপুটি ডিরেক্টর ড্যান বঙ্গিনো এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক বার্তায় বলেন, “আপনারা বিশৃঙ্খলা আনলে, আমরা হাতকড়া আনব।” তিনি বিক্ষোভ দমনে আরও গ্রেপ্তারের ইঙ্গিত দেন।

    মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, তার দপ্তর লস অ্যাঞ্জেলেসে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জরুরি ভিত্তিতে ন্যাশনাল গার্ড পাঠিয়েছে। সহিংসতা চলতে থাকলে, ক্যাম্প পেন্ডলটনের সক্রিয় ডিউটির মেরিনদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজুম এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, ফেডারেল সরকারের এই সেনা মোতায়েন “উত্তেজনাপূর্ণ” এবং এটি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করবে। তিনি জানান, লস অ্যাঞ্জেলেসের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিজেরাই আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র কারেন বাস অভিযোগ করেছেন, ICE-এর আচরণ জনমনে সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে। এর জবাবে, ফেডারেল সংস্থাগুলি দাবি করেছে যে মেয়রের মন্তব্য তাদের কর্মীদের ঝুঁকিতে ফেলছে।

    বর্তমানে প্যারামাউন্ট এলাকায় তুলনামূলক শান্তি ফিরলেও, কিছু স্থানে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে এখনও উত্তেজনা রয়েছে। টিয়ার গ্যাস ও ফ্ল্যাশ ব্যাং ব্যবহারে এলাকাটি ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, অনেক অভিবাসী তাদের বাড়িতে আটকা পড়ে আছেন এবং বাইরে আসতে ভয় পাচ্ছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই এলাকার ৮০ শতাংশেরও বেশি জনগণ হিস্পানিক বংশোদ্ভূত।