Tag: সুষ্ঠু ভোট

  • অভূতপূর্ব নিরাপত্তা: ৮ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র, সারা দেশে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    অভূতপূর্ব নিরাপত্তা: ৮ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র, সারা দেশে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে রাত পোহালেই। দেশের ২৯৯টি আসনে ভোট হবে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি কেন্দ্রে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসার বাহিনী সমন্বয়ে ভোটের মাঠ নিরাপদ করছে।

    প্রায় ৮ হাজার ৭৭০ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ১ লাখ ৮৭ হাজার পুলিশ ও আনসার সদস্য নির্বাচনের নিরাপত্তায় কাজ করছে। কেন্দ্রে স্থির, ভ্রাম্যমাণ এবং স্ট্রাইকিং টিম হিসেবে বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি করা হবে, যেমন সিসি ক্যামেরা, বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা এবং ড্রোন।

    নির্বাচনে লাইসেন্সধারী অস্ত্র থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। লুট হওয়া হাজারেরও বেশি অস্ত্র উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। দেশের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে “মশারির মতো” নিরাপদ করার নীতি অনুসরণ করা হয়েছে, যাতে কোনো অপরাধী বা নাশকতাকারী সুযোগ না পায়।

    ডিএমপি ২৬,৫১৫ জন সদস্য, র‍্যাব ৮ হাজার সদস্য এবং আনসার ও ভিডিপি ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিজিবি দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প থেকে হেলিকপ্টার, বিশেষ টহল ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করে নিরাপত্তা দেবে। সেনা ও নৌবাহিনীও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করবে।

    নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষা করতে সকল বাহিনী ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত। সম্ভাব্য সহিংসতা, নাশকতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বাড়ি ফিরতে পারবে—এটি নিশ্চিত করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

    এছাড়া, প্রবাসী ও ভোটারদের মনিটরিং, ইলেকট্রনিক নজরদারি এবং তফসিল অনুসারে নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠু রাখার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করছে।

  • নির্বাচনে বাধা আসবেই, সতর্ক থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

    নির্বাচনে বাধা আসবেই, সতর্ক থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

    এবিএনএ:  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচনে নানা ধরনের বাধা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, যারা নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চায়, তারা বিভিন্ন কৌশলে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে। ইতোমধ্যেই কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে এবং সামনে আরও চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। এ কারণে সবারই সতর্ক থাকা জরুরি।

    মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাতটি রাজনৈতিক দল ও একটি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস স্পষ্ট করে বলেন, যেকোনো বাধা সত্ত্বেও ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অবাধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়া নাগরিকদের জন্য এটি হবে একটি ইতিবাচক অভিজ্ঞতা। অতীতে যারা ভোটের সময় নানা তিক্ততার মুখোমুখি হয়েছেন, তাদেরও এবার নিরাশ হতে দেওয়া হবে না।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা এবং নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।”

    নির্বাচন আয়োজনকে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচন কেবল অন্তর্বর্তী সরকারের নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিক ও রাজনৈতিক দলের। তিনি এটিকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে তোলার নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেন।

    এ সময় তিনি সতর্ক করে বলেন, “প্রতি পদে পদে বাধা আসবে, বিভ্রান্তি তৈরি হবে। তবে সবাইকে স্থির থাকতে হবে এবং একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”

    আসন্ন দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা হবে, তবে উৎসবমুখর পরিবেশেই এবারও দুর্গাপূজা উদযাপন করতে হবে।

    বৈঠকে এবি পার্টি, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, এলডিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় গণফ্রন্ট এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন, কঠোর অবস্থানে সিইসি

    ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন, কঠোর অবস্থানে সিইসি

    এবিএনএ:  আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। শনিবার রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ ঘোষণা দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।

    তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এবারের নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নজরদারিতে থাকবে এবং যেকোনো অনিয়মের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনে ভোটগ্রহণ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    সিইসি আরও জানান, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচনী কার্যক্রমে যাদের কাজে লাগানো হবে, সে বিষয়ে ইতোমধ্যে পরিকল্পনা শুরু হয়েছে এবং সময়মতো তা দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।