Tag: সুষ্ঠু নির্বাচন

  • প্রশাসন একদলীয় হলে নির্বাচন কি আদৌ নিরপেক্ষ থাকবে? কড়া সতর্কতা জামায়াতের

    প্রশাসন একদলীয় হলে নির্বাচন কি আদৌ নিরপেক্ষ থাকবে? কড়া সতর্কতা জামায়াতের

    এবিএনএ: দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে—এমন অভিযোগ তুলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে গুরুতর শঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নষ্ট হলে জনগণের কাছে নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতা হারাবে।

    রোববার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. তাহেরের অভিযোগ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশেষ করে যেসব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার একযোগে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের কার্যক্রমে নিরপেক্ষতার অভাব দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা প্রস্তুত করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এখনো দেওয়া হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও প্রটোকল দেওয়ার ঘটনা নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ জোরালো হচ্ছে।

    জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, কারও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিরোধিতা তারা করেন না। তবে একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবে জামায়াত আমিরের ক্ষেত্রেও একই আচরণ প্রত্যাশিত। তা না হলে প্রশাসনের ভূমিকা পক্ষপাতদুষ্ট হিসেবে বিবেচিত হবে।

    নির্বাচন কমিশনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এ ধরনের বৈষম্য রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে কমিশন দায় এড়াতে পারবে না। এতে নির্বাচনী মাঠের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়বে।

    ডা. তাহের জানান, এসব উদ্বেগ সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার নজরে আনা হয়েছে। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন কার্যকর ভূমিকা না নিলে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

    তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে প্রধান উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চান। তবে তার আশপাশের কিছু উপদেষ্টা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে পরিস্থিতি জটিল করে তুলছেন—এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

    এদিকে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে জামায়াত নেতা জানান, প্রধান উপদেষ্টা মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের কথা জানিয়েছেন। এটি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচন ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

  • আইনশৃঙ্খলার বড় সংকট নেই, বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতেই পারে: নির্বাচন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সিইসি

    আইনশৃঙ্খলার বড় সংকট নেই, বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতেই পারে: নির্বাচন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সিইসি

    এবিএনএ: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, দেশে বড় ধরনের কোনো অবনতি ঘটেনি। সাম্প্রতিক কিছু সহিংস ঘটনাকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছেন।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে তরুণ ভোটারদের নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে সিইসি বলেন, এ ধরনের ঘটনা অতীতেও ঘটেছে এবং এগুলো নতুন কিছু নয়।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মাঝেমধ্যে বিচ্ছিন্ন খুনখারাবি বা হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এগুলো দিয়ে সামগ্রিক পরিস্থিতিকে খারাপ বলা যাবে না।” তিনি অতীতের রাজনৈতিক সহিংসতার উদাহরণ টেনে বলেন, বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা আগেও ছিল।

    নির্বাচন ঘিরে শঙ্কা প্রসঙ্গে সিইসি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচন কমিশনের কোনো দ্বিধা নেই। কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং সবার সহযোগিতায় নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন আয়োজন করা হবে। তিনি গণমাধ্যম ও জনমনে থাকা উদ্বেগ দূরে সরিয়ে রাখার আহ্বান জানান।

    সিইসি আরও জানান, সম্প্রতি শীর্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাহিনীগুলো নির্বাচনের আগ পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রস্তুত রয়েছে বলে কমিশনকে আশ্বস্ত করেছে।

    তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় হতে যাচ্ছে। কারণ প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশি, কারাবন্দি, দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নিজ এলাকায় না থাকা সরকারি কর্মচারীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

    একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় এটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন সিইসি। তরুণদের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

  • ঐক্যের সুরে নতুন বাংলাদেশের পথে: নির্বাচনের অঙ্গীকার প্রধান উপদেষ্টার

    ঐক্যের সুরে নতুন বাংলাদেশের পথে: নির্বাচনের অঙ্গীকার প্রধান উপদেষ্টার

    এবিএনএ:  জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এখন ঐক্যের নতুন যাত্রায়— এমনটাই জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আজ আমরা ঐক্যের সুরে যাত্রা শুরু করেছি, সেই সুর নিয়েই নির্বাচনে যাব।”

    অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে ইউনূস বলেন, “আজ সমস্ত জাতি একত্রিত হয়েছে। এমন ঘটনা অতীতে চিন্তাও করা যায়নি।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা বর্বরতা থেকে সভ্যতায় পা রাখলাম। এখন সময় এসেছে এমন একটি সমাজ গড়ার, যাকে পৃথিবী ঈর্ষার চোখে দেখবে। এই ঐক্যই আমাদের ভবিষ্যতের শক্তি।”

    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে ইউনূস বলেন, “মানুষ যেন মনে রাখে, এই সনদে যারা স্বাক্ষর করেছেন, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করবেন। নিজেদের নির্বাচন নিজেরাই করবো— বাইরের কাউকে এসে ধাক্কা দিতে হবে না।”

    ঐকমত্য থেকে ঐক্যে: পরিবর্তনের নতুন অধ্যায়

    প্রধান উপদেষ্টা জানান, ঐকমত্য কমিশন গঠন ছিল এক সময়ের স্বপ্ন, যা এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। “যখন আলী রীয়াজকে দায়িত্ব দিলাম, ভেবেছিলাম হয়তো দুই-একটি বিষয়ে একমত হবো। কিন্তু আজ দেখছি, সব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে বসে একই লক্ষ্য ঠিক করেছে— এটি এক অনন্য অর্জন।”

    তিনি আরও বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এটি আমাদের সংবিধান, সরকার পরিচালনা ও সমাজ গঠনের ধারায় পরিবর্তন আনবে।”

    বঙ্গোপসাগর ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা

    অধ্যাপক ইউনূস তাঁর বক্তৃতায় দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, “বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের সম্পদ। আমরা যদি সুশৃঙ্খলভাবে ব্যবহার করতে পারি, তাহলে কক্সবাজার, মাতারবাড়ি ও মহেশখালী একত্রে নতুন সিঙ্গাপুরে পরিণত হতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি হলে বিশ্বের বহু জাহাজ আমাদের বন্দরে নোঙর ফেলবে। নেপাল, ভূটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত আমাদের অর্থনৈতিক সংযোগ তৈরি হবে।”

    আন্দোলনের স্মৃতিচারণা ও তরুণদের ভূমিকা

    জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “যারা জীবন দিয়েছেন, তারাই আজকের পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছেন। জাতি তাদের কাছে চিরঋণী।”

    তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, “এই দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের হাতে। তারা যদি একসঙ্গে এগিয়ে আসে, তাহলে বাংলাদেশকে কেউ থামাতে পারবে না।”

    আলী রীয়াজের বক্তব্যে গণতান্ত্রিক স্বপ্নের কথা

    অনুষ্ঠানে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “আমাদের অনেক স্রোত আছে, কিন্তু মোহনা একটি— গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়া। জুলাই সনদ সেই স্বপ্নের প্রথম পদক্ষেপ।”

    তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, “মত ও পথের পার্থক্য থাকলেও ঐক্যের যাত্রা যেন থেমে না যায়।”


    জুলাই জাতীয় সনদ শুধু একটি কাগজ নয়— এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের রূপরেখা। ঐক্যের সুরে নির্বাচন ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি এখন নতুন বাংলাদেশের পথচলার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

  • বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীসহ ডিবি হেফাজতে থাকা সবাইকে সম্মানের সঙ্গে মুক্তির দাবি কাদের সিদ্দিকীর

    বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীসহ ডিবি হেফাজতে থাকা সবাইকে সম্মানের সঙ্গে মুক্তির দাবি কাদের সিদ্দিকীর

    এবিএনএ, টাঙ্গাইল: বীর উত্তম ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বড় ভাই আবদুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ডিবি পুলিশের হেফাজতে থাকা সবাইকে সসম্মানে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের নিজ বাসা ‘সোনার বাংলা’-য় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

    তিনি বলেন, “সকালে ৭১ মঞ্চের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যোগ দিতে গিয়ে লতিফ সিদ্দিকীকে ‘মব’ সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, তাকে সম্মানের সঙ্গে মুক্তি দেওয়া হোক। যদি কোনো মামলা থাকে, আমরা তা আইনি পথে মোকাবিলা করবো।”

    কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, “চব্বিশের আন্দোলন আমি স্বাধীনতার কাছাকাছি মনে করেছিলাম। কিন্তু এখন দেশের মানুষ তাদের আচরণে অতিষ্ঠ। তাদের বিজয় স্থায়ী হবে ভেবেছিলাম, কিন্তু এক বছরের মধ্যেই তা ভেঙে পড়ছে। আওয়ামী দোসর কিংবা বর্তমান সরকারের দোসররা আসলে বড় স্বৈরাচার।”

    তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “যেমন বঙ্গবন্ধু না হলে দেশ স্বাধীন হতো না, তেমনি লতিফ সিদ্দিকী জন্ম না নিলে টাঙ্গাইল হতো না, আমরাও রাজনীতি করতে পারতাম না।”

    এ সময় তিনি দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারেরও দাবি জানান।

  • নির্বাচনে রেফারির ভূমিকা পালন করবে ইসি, প্রত্যয় জানালেন সিইসি

    নির্বাচনে রেফারির ভূমিকা পালন করবে ইসি, প্রত্যয় জানালেন সিইসি

    এবিএনএ:

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিরপেক্ষ রেফারির ভূমিকা পালন করবে বলে জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

    রবিবার সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ঈদ পরবর্তী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন সিইসি। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া সভায় কমিশনের চার সদস্য, ইসি সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সিইসি বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত অনেক কাজ এগিয়ে নিয়েছি। বাকিগুলো সমন্বিতভাবে শেষ করতে হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জাতিকে একটি সুন্দর ও স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দেওয়া।”

    তিনি আরও জানান, “সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বারবার বলে আসছে—আমরা একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। এই ঘোষণার পেছনে আমাদের ওপর আস্থাই বড় প্রমাণ।”

    কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “রমজানেও আপনারা অঙ্গীকার করেছিলেন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন। আজ আবার সেই শপথের পুনরাবৃত্তি করুন—কোনো দলের অনুসারী না হয়ে, কেবল আইন মেনে ও ন্যায়ের ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করুন।”

    পূর্ববর্তী ইসি কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনার কথা স্বীকার করে সিইসি বলেন, “আমরা অতীতের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজ করছি। এবার নির্বাচন কমিশন আরও সঠিক পথে এগোবে।”

    সবশেষে তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, “আমরা একটি রেফারির মতো নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করব। রাজনৈতিক দলগুলো যার যার মতো মাঠে খেলবে। আমরা শুধু নিশ্চিত করব, মাঠটা সবার জন্য সমান ও ন্যায্য থাকে। এই লক্ষ্যে আমরা বদ্ধপরিকর।”