Tag: সীমান্ত নিরাপত্তা

  • জ্বালানি তেল নিয়ে কঠোর বার্তা: চোরাচালান ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    জ্বালানি তেল নিয়ে কঠোর বার্তা: চোরাচালান ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    এবিএনএ:দেশে জ্বালানি তেলকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা কঠোরভাবে দমন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, চোরাচালান ও অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে।

    শনিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠকে এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি জানান, সরকার জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই।

    বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির বিষয়টি। এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িতদের চিহ্নিত করতে দ্রুত অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত পথে জ্বালানি তেলের চোরাচালান ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    চিফ হুইপ আরও জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    অধ্যাদেশ সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, এদিন বৈঠকে তা উত্থাপন করা হয়নি। তবে পরদিন অধিবেশন শুরুর আগে সরকারদলীয় বিশেষ কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

    এদিকে, বৈঠকের শুরুতে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। উপস্থিত সবাই তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

    বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের এই কঠোর অবস্থান বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অনুপ্রবেশ শূন্য: ট্রাম্প

    সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অনুপ্রবেশ শূন্য: ট্রাম্প

    এবিএনএ: গত সাত মাসে একজন বিদেশিও অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেননি—এমনই জোরালো দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক নীতির নানা দিক তুলে ধরেন।

    ট্রাম্প বলেন, ভিসা ও সীমান্ত নীতিতে কঠোর অবস্থানের ফলেই অবৈধ অনুপ্রবেশ কার্যত শূন্যে নেমে এসেছে। তার ভাষায়, অনেকেই বলেছিল এটি অসম্ভব, কিন্তু আমরা করে দেখিয়েছি। কংগ্রেসের নতুন আইন ছাড়াই শক্ত সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের মাধ্যমেই সীমান্ত পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে।

    তিনি আরও দাবি করেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল সীমান্ত পরিস্থিতির মুখে ছিল। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যেই সেটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সীমান্তে রূপ দেওয়া হয়েছে।

    ভাষণে ট্রাম্প শুল্কনীতির কথাও উল্লেখ করেন। তার দাবি, আমদানি শুল্কের কড়াকড়ির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বহু প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে ফিরে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমোবাইল খাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    এ ছাড়া শুল্ক প্রয়োগের কৌশল ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক সংঘাত থামানো সম্ভব হয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। তার মতে, এভাবে অন্তত আটটি যুদ্ধ বন্ধ করা গেছে, যা বৈশ্বিক রাজনীতিতে বড় সাফল্য।

  • রাখাইন রাজ্যের হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলা: এক রাতে নিহত ৩১, আহত ৬৮

    রাখাইন রাজ্যের হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলা: এক রাতে নিহত ৩১, আহত ৬৮

    এবিএনএ: বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আবারও ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সন্ধ্যায় এমরাউক-উ জেলার একটি হাসপাতালে সামরিক সরকারের বিমান বাহিনী বোমাবর্ষণ করলে অন্তত ৩১ জন নিহত এবং আরও ৬৮ জন আহত হন।

    হামলার পরপরই উদ্ধারকাজে যুক্ত থাকা স্বাস্থ্যকর্মী ওয়াই হুন অং এএফপিকে বলেন, “অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। এখন পর্যন্ত ৩১ জনের মরদেহ এবং ৬৮ জন আহতকে উদ্ধার করেছি। মনে হচ্ছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে।”

    তিনি জানান, হামলার পর পুরো রাতজুড়ে উদ্ধার অভিযান চলেছে এবং এখনো চলছে। রাতেই অন্তত ২০টি লাশ উদ্ধার করা হয়।

    এএফপি জানায়, হামলার বিষয়ে মন্তব্য জানতে জান্তা মুখপাত্রদের একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হননি।

    গত কয়েক মাস ধরে রাখাইন প্রদেশের বেশির ভাগ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে মিয়ানমারের অন্যতম সশস্ত্র জান্তাবিরোধী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। বুধবার রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে হাসপাতাল হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে এএ-ও।

    মানবিক পরিস্থিতি ক্রমশই অবনতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে এ ধরনের হামলা, দাবি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর। সীমান্তবর্তী অঞ্চল হওয়ায় এই সংঘর্ষের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

  • চিকেন নেকে রাফাল ও এস-৪০০ মোতায়েন, পূর্ব সীমান্তে ভারতের জোরালো সামরিক প্রস্তুতি

    চিকেন নেকে রাফাল ও এস-৪০০ মোতায়েন, পূর্ব সীমান্তে ভারতের জোরালো সামরিক প্রস্তুতি

    এবিএনএ :

    ভারত তার পূর্ব সীমান্তে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেন নেক’ করিডরে রাফাল যুদ্ধবিমান ও এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। মাত্র ২০-২২ কিলোমিটার প্রশস্ত এই করিডরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত রাখে। ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে এটি বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান ও চীনের কাছাকাছি হওয়ায় অঞ্চলটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

    ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, নয়াদিল্লি এখন তার কৌশলগত মনোযোগ পশ্চিম সীমান্ত থেকে সরিয়ে পূর্বাঞ্চলের দিকে কেন্দ্রীভূত করছে। বিশেষ করে চীন সীমান্তে বাড়তি উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক বিবৃতিতে বলেন, “পূর্বাঞ্চলের পরিস্থিতি আমরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছি। জাতীয় স্বার্থে যা করণীয়, তা করতে আমরা প্রস্তুত।”

    এরই ধারাবাহিকতায় ভারতের সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ড্রোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিলিগুড়ি করিডরে দ্রুত সেনা ও সরঞ্জাম পাঠাতে রাস্তাঘাট, টানেল ও রেল সংযোগ উন্নত করার কাজ চলছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত এমন একটি সময়ে এই প্রস্তুতি নিচ্ছে যখন চীন-ভারত সম্পর্কের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে এবং পূর্ব সীমান্তে চীনের আগ্রাসী অবস্থানের জবাবে ভারত পাল্টা প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    এই পদক্ষেপ ভারতের কৌশলগত সক্ষমতা বাড়াবে এবং পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

  • সাতক্ষীরার সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির নজরদারি ও টহল জোরদার

    সাতক্ষীরার সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির নজরদারি ও টহল জোরদার

    এবিএনএ: ভারত-পাকিস্তান সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে সাতক্ষীরা জেলার ১৩৮ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির ৩৩ ব্যাটালিয়ন কর্তৃক সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েনসহ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

    বিশেষ করে তলুইগাছা, কুশখালী, ভোমরা, লক্ষীদাঁড়ি, খানজিয়া, ঘোনা, গাজীপুর, পদ্মাশাঁখরা, কোমরপুর, বসন্তপুর, দেবহাটা ভাদিয়ালী কাকডাঙ্গা এলাকায় বিজিবি সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

    সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সতর্কতা জারি করেছে বিজিবি। সীমান্ত এলাকায় ঘন ঘন টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে অনুপ্রবেশ যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

    বিজিবির সাতক্ষীরা সদর দফতরের উপ-অধিনায়ক জানান, ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা আশেপাশের অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে পারে—এই আশঙ্কা থেকে সীমান্তে আমাদের অবস্থান আরও মজবুত করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় সীমান্ত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।