Tag: সিসিটিভি ফুটেজ

  • সেন্ট্রাল রোডে উপদেষ্টা রিজওয়ানার বাসার সামনে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    সেন্ট্রাল রোডে উপদেষ্টা রিজওয়ানার বাসার সামনে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ, এলাকায় আতঙ্ক

    এবিএনএ: রাজধানীর সেন্ট্রাল রোডে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বাসার সামনে রবিবার রাত ৯টার দিকে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। আকস্মিক এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, যদিও কেউ হতাহত হয়নি।

    রিজওয়ানা হাসান জানান, বাসার সামনে প্রচণ্ড শব্দ শুনে বাইরে এসে তিনি বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত হন। বাসার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুইজন অজ্ঞাত ব্যক্তি দ্রুত এসে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে মুহূর্তের মধ্যে পালিয়ে যায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরাও একই তথ্য দিয়েছেন। তারা বলেন, দুর্বৃত্ত দুইজনের তৎপরতা এতটাই দ্রুত ছিল যে ঘটনাস্থলে থাকা মানুষরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিস্ফোরণ ঘটে যায়। শব্দে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়।

    ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। কর্মকর্তারা জানান, বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য কী ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশপাশের বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দুর্বৃত্তদের শনাক্তে কাজ চলছে।

    এর আগেই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা মোড়েও দুই দফায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। সেখানেও কেউ আহত হয়নি, তবে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • ঢাবি শিক্ষার্থী সাম্য হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার তিন হামলাকারী

    ঢাবি শিক্ষার্থী সাম্য হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার তিন হামলাকারী

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্য তার দুই বন্ধুর ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় ১০-১২ জনের একটি দল, যাদের মধ্যে কেউ একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাম্যের উরুতে আঘাত করে।

    ডিএমপি জানায়, মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে সাম্য তার দুই বন্ধু নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ফিরছিলেন। পথে রমনা কালীমন্দিরের উত্তরে পুরনো ফোয়ারার কাছে একটি দল তাদের গতি রোধ করে মোটরসাইকেল ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।

    পরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের একপর্যায়ে, হামলাকারীরা ইট দিয়ে আঘাত করতে শুরু করে এবং এক ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাম্যের ডান পায়ের উরুর পেছনে আঘাত করে। রক্তক্ষরণে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সাম্য। হামলাকারীরা ভয় দেখিয়ে স্থান ত্যাগ করে।

    আহত অবস্থায় সাম্যকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পরদিন ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাম্যের বড় ভাই শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তিনজনকে শনাক্ত করে। গ্রেফতার তিনজন হলেন—তামিম হাওলাদার (৩০), সম্রাট মল্লিক (২৮) পলাশ সরদার (৩০)। তাদের শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে বুধবার সকালে গ্রেফতার করা হয়।

    সাম্য ছিলেন স্যার এফ রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর ওপর ধরনের নৃশংস হামলা গোটা শিক্ষাঙ্গনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কারণ বাকি জড়িতদের আইনের আওতায় আনা কত দ্রুত সম্ভব হয়।