Tag: সিলেট স্টেডিয়াম

  • হোয়াইটওয়াশের স্বপ্নে মাঠে টাইগাররা, শেষ ম্যাচে একাদশে বড় পরিবর্তন

    হোয়াইটওয়াশের স্বপ্নে মাঠে টাইগাররা, শেষ ম্যাচে একাদশে বড় পরিবর্তন

    এবিএনএ:  নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে শিরোপা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। তবে এখানেই থেমে যেতে রাজি নয় টাইগাররা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ সিরিজের শেষ ম্যাচে লক্ষ্য একটাই—ডাচদের হোয়াইটওয়াশ করা। টস হেরে আগে ব্যাট করছে বাংলাদেশ দল।

    শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ দলে এসেছে বড় ধরনের রদবদল। বাদ পড়েছেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান, অভিজ্ঞ দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান এবং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদি হাসান।

    তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন ও অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। এক ম্যাচ পর দলে ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম ও লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেন।

    সিরিজে লাল-সবুজের পারফরম্যান্স ছিল দাপুটে। প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেট আর দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটের জয় তুলে নেয় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন দল। এখন নজর শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ নিশ্চিত করা এবং আসন্ন এশিয়া কাপের প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করা।

    বাংলাদেশ একাদশ:

    লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান।

  • এশিয়া কাপে সাফল্যের লক্ষ্য, ঘরোয়া মাঠেই প্রস্তুতির পরিকল্পনা: আকরাম খান

    এশিয়া কাপে সাফল্যের লক্ষ্য, ঘরোয়া মাঠেই প্রস্তুতির পরিকল্পনা: আকরাম খান

    এবিএনএ:  ২০২৫ সালের এশিয়া কাপের জন্য প্রস্তুতি শুরু করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) ঘোষণা করেছে টুর্নামেন্টের সূচি, যেখানে বাংলাদেশ পড়েছে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের সঙ্গে একই গ্রুপে। এই প্রতিযোগিতায় ভালো করার লক্ষ্যে ঘরের মাঠেই উপযুক্ত কন্ডিশন তৈরি করে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানালেন বিসিবির পরিচালক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান।

    তিনি বলেন, “ব্যাটসম্যানদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য ব্যাটিং সহায়ক উইকেট দরকার। আমাদের পরিকল্পনা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনুশীলন উইকেট তৈরি করা। সিলেট ও চট্টগ্রামের উইকেট খুবই উপযোগী—সেখানে প্রস্তুতি নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    তিনি আরও জানান, গ্রুপ পর্বে এগোতে হলে হংকং, আফগানিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। “পাকিস্তান সিরিজের মতো ধীর গতির উইকেট আমাদের কোনো উপকারে আসবে না। হংকংও শক্তিশালী, আর আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা তো সমান প্রতিদ্বন্দ্বী। তাই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা প্রয়োজন।”

    টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কেবল দলের শক্তি নয়, বরং খেলার ধরন ও মানসিকতা অনেক বড় ভূমিকা রাখে বলেও উল্লেখ করেন আকরাম খান।

    অন্যদিকে, ওপেনার নাঈম শেখকে নিয়েও কথা বলেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ম্যাচে চারে নেমে ধীর গতিতে ৩৪ রান করলেও, পাকিস্তানের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে ব্যর্থ হন নাঈম। এ প্রসঙ্গে আকরাম বলেন, “নাঈমের প্রতিভা রয়েছে, তবে তার ব্যাটিংয়ের ধরনে পরিবর্তন আনতেই হবে।”

    সব মিলিয়ে, এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ দল সঠিক পরিকল্পনায় এগোতে চায়, এবং প্রস্তুতির মূল মঞ্চ হবে নিজেদের ঘরোয়া ব্যাটিং সহায়ক উইকেট।