Tag: সিএসই

  • পুঁজিবাজারে বড় ধস: একদিনেই ডিএসইএক্স ১০৭ পয়েন্ট পতন, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ

    পুঁজিবাজারে বড় ধস: একদিনেই ডিএসইএক্স ১০৭ পয়েন্ট পতন, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ

    এবিএনএ: সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে। রোববার (৫ এপ্রিল) লেনদেন শেষে দেখা গেছে, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক লাফে ১০৭ পয়েন্ট কমে গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দিনের শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক নেমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১১২ পয়েন্টে। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক সূচক কমেছে ১৮ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক হ্রাস পেয়েছে ৩৫ পয়েন্ট।

    লেনদেনের দিক থেকেও ঢাকার বাজারে কিছুটা স্থবিরতা দেখা গেছে। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৫১২ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। আগের কার্যদিবসে এই অঙ্ক ছিল ৬২৫ কোটির বেশি।

    বাজারের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রায় সব কোম্পানির শেয়ার দর নিম্নমুখী ছিল। মোট ৩৯০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ২৫টির শেয়ার দর বেড়েছে, বিপরীতে ৩৫৪টির দাম কমেছে এবং অল্প কিছু অপরিবর্তিত রয়েছে।

    লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেশ কয়েকটি পরিচিত কোম্পানি, যার মধ্যে রয়েছে ওষুধ, বীমা, স্টিল ও খাদ্য খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো।

    অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকও নিম্নমুখী ছিল। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২২৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৪৭৩ পয়েন্টে। তবে লেনদেনের পরিমাণ সেখানে বেড়েছে, যা বাজারে কিছুটা ভিন্ন প্রবণতা নির্দেশ করছে।

    সিএসইতে এদিন ৪৩ কোটির বেশি টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। তবে এখানেও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাজারে আস্থার ঘাটতি, বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান এবং সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবেই এই পতন দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

    সব মিলিয়ে, সপ্তাহের শুরুতেই এমন বড় পতন পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

  • শেয়ারবাজারে ধসের ছোঁয়া! ১৬ খাতে দরপতন, তবুও বেড়েছে লেনদেন

    শেয়ারবাজারে ধসের ছোঁয়া! ১৬ খাতে দরপতন, তবুও বেড়েছে লেনদেন

    এবিএনএ: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) লেনদেনের শুরুতে কিছুটা ইতিবাচক ধারা থাকলেও দিন শেষে অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের মধ্যেই লেনদেন শেষ হয়।

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ খাতেই মূল্যহ্রাস দেখা গেছে। মোট ২১টি খাতের মধ্যে ১৬টিতে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে, যা বাজারে চাপের ইঙ্গিত দেয়।

    দিনের শুরুতে সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও পরে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকায় শেয়ারগুলোর দাম কমতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত বাজারজুড়ে দরপতনের প্রবণতা স্থায়ী হয়।

    ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১১১টির দাম বেড়েছে, ২৩১টির কমেছে এবং ৫১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা, টেলিযোগাযোগ, ওষুধ ও রসায়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, বস্ত্র, খাদ্য, সিমেন্টসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে দরপতন হয়েছে। অন্যদিকে, সীমিত কয়েকটি খাত—যেমন তথ্যপ্রযুক্তি, সেবা ও আবাসন, করপোরেট বন্ড, কাগজ ও মুদ্রণ এবং চামড়া খাতে কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

    এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৩১ পয়েন্টে। এছাড়া শরিয়াহ সূচক কমেছে ৫ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক কমেছে ১৯ পয়েন্ট।

    তবে দরপতনের মধ্যেও লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। দিনশেষে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৭ কোটি টাকা বেশি।

    অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। সিএসসিএক্স সূচক ৯ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ২০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২১ পয়েন্ট এবং সিএসই ৩০ সূচক কমেছে ২৬ পয়েন্ট। তবে শরিয়াহ সূচক সামান্য বেড়েছে।

    সিএসইতে মোট ২০৬টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯টির দাম বেড়েছে, ৯৯টির কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    লেনদেনের পরিমাণেও বড় উল্লম্ফন দেখা গেছে। দিনশেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৯ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় অনেক বেশি।

    সব মিলিয়ে, শেয়ারবাজারে সূচক ও দরের পতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতার বার্তা দিচ্ছে, যদিও লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি বাজারে কিছুটা সক্রিয়তার ইঙ্গিত বহন করছে।