Tag: সারজিস আলম

  • বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

    বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে এনসিপি নেতা সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

    এবিএনএ:  গাজীপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে এই মামলা করেন বাসন থানা বিএনপির সভাপতি তানভীর সিরাজ।

    অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি সাংবাদিক তুহিন হত্যার ঘটনায় প্রকৃত তথ্য যাচাই না করেই সারজিস আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপিকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালান, যা দলের সুনাম ক্ষুণ্ণ করেছে। তানভীর সিরাজের দাবি, তদন্তে ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। জিএমপি কমিশনারও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তানভীর সিরাজ জানান, সাংবাদিক তুহিনকে একটি অপরাধী চক্র ভিডিও ধারণ করার জেরে হত্যা করে। অথচ এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দিতে সারজিস আলমের বক্তব্য দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি মামলা দায়ের করেছেন এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

    গাজীপুর কোর্ট ইন্সপেক্টর আহসান উল্লাহ চৌধুরী জানান, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক আলমগীর আল মামুনের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

  • গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা, সাঁজোয়া যানে নিরাপত্তায় ঘেরা যাত্রা

    গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপি নেতারা, সাঁজোয়া যানে নিরাপত্তায় ঘেরা যাত্রা

    এবিএনএ: গোপালগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে হামলার শিকার হয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা অবশেষে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে নিরাপদে এলাকা ত্যাগ করেছেন।

    বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে সংঘটিত সহিংসতার পর এনসিপির শীর্ষ নেতারা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সেনাবাহিনীর বর্মযান (এপিসি) ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের সেখান থেকে বের করে আনা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান থেকে নামছেন এবং পরে সেই গাড়িতেই গোপালগঞ্জ ত্যাগ করছেন।

    এ বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন,

    “হামলার মুখে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা কাছাকাছি একটি ভবনে আশ্রয় নেন, পরে জানা যায় সেটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়। সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তারা এলাকা ছাড়েন।”

    একজন স্থানীয় সাংবাদিক জানান, তিনি নিজ চোখে দুটি সাঁজোয়া যান দেখেছেন, যাতে করে এনসিপির নেতাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হলে, জেলা প্রশাসন গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করে এবং সেনা মোতায়েন করা হয়।

    এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়,

    “আন্দোলনের অংশ হিসেবে পদযাত্রা কর্মসূচি চলমান থাকবে, তবে নেতৃত্বকে সুরক্ষিত রাখা ছিল জরুরি।”

  • “শাপলা নিষিদ্ধ হলে ধানের শীষও অবৈধ”— নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ সারজিস আলমের!

    “শাপলা নিষিদ্ধ হলে ধানের শীষও অবৈধ”— নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ সারজিস আলমের!

    এবিএনএ: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম নির্বাচন কমিশনের প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছেন, যদি শাপলা প্রতীক হিসেবে অনুমোদন না পায়, তবে ধানের শীষ প্রতীককেও অবৈধ ঘোষণা করতে হবে।

    বুধবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম বলেন, “শাপলা জাতীয় প্রতীক নয়, বরং জাতীয় প্রতীকের অংশ। একইভাবে ধানের শীষ, পাটপাতা কিংবা তারা—এসবও জাতীয় প্রতীকের অংশ। যদি একটিকে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে বাতিল করা হয়, তাহলে অন্যগুলোকে বৈধ রাখা যায় না।”

    তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ফুল হিসেবে শাপলার প্রতীক হতে কোনো আইনগত বাধা নেই। কারণ, জাতীয় ফল কাঁঠাল ইতোমধ্যেই একটি মার্কা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যদি মার্কা দেখেই ভয় পান, তাহলে সেটা আগেই বলে দিন!”

    এনসিপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে দলের নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল, যেখানে সম্ভাব্য প্রতীক হিসেবে শাপলা ছাড়াও আরও দুটি প্রতীকের নাম প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নীতিগতভাবে শাপলাকে তপশিলভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে এটি প্রতীক হিসেবে অনুমোদিত নয়।

    সারজিস আলমের বক্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর পোস্ট ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে যেসব দল দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় প্রতীকের অংশবিশেষকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

  • হাইকোর্ট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, সারজিস আলমকে আইনি নোটিশ জারি

    হাইকোর্ট নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, সারজিস আলমকে আইনি নোটিশ জারি

    এবিএনএ: 

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলমকে হাইকোর্টের বিরুদ্ধে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী মো. জসিম উদ্দিন এই নোটিশটি প্রেরণ করেন।

    সম্প্রতি বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর জন্য করা রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায়ের যৌথ বেঞ্চ। রিট খারিজ হওয়ার পরপরই এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি বিতর্কিত স্ট্যাটাস দেন।

    ওই পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, “মব তৈরি করে যদি হাইকোর্টের রায় নেওয়া যায় তাহলে এই হাইকোর্টের দরকার কি?” — যা আদালতের মর্যাদার পরিপন্থী এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

    আইনি নোটিশে সারজিস আলমকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিতভাবে দুঃখ প্রকাশ করার পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত দুই ঘণ্টার মধ্যে এই পদক্ষেপ না নিলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ বিষয়ে অনেকেই মত দিয়েছেন যে, এ ধরনের মন্তব্য একজন সংগঠকের কাছ থেকে অনভিপ্রেত এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন। আদালতের প্রতি সম্মান রক্ষা করা সকল নাগরিকের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

    সারজিস আলমের প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি, তবে তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আদালতের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়ে আগ্রহ দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক ও আইনজীবী মহলে।