Tag: সামরিক সম্পর্ক

  • গাজায় নীরব ভারত এবার ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক জোট আরও শক্ত করছে

    গাজায় নীরব ভারত এবার ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক জোট আরও শক্ত করছে

    এবিএনএ:  গাজায় মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যেও ইসরায়েলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্ক আরও মজবুত করছে ভারত। নয়াদিল্লিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির বারাম সামরিক সহযোগিতা জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

    দ্য মিডলইস্ট আই–এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুই দেশের মধ্যে এই বৈঠক এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন গাজায় ইসরায়েলের অবরোধে দুর্ভিক্ষ ও মৃত্যু মিছিল চলছে। তবুও নয়াদিল্লি মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছে।

    বৈঠকে জানানো হয়, ‘দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে’। ভারত স্পষ্টভাবে ইসরায়েলকে তার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক মিত্র হিসেবে ধরে রাখছে, এমনকি অনেক দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনলেও।

    এটি ছিল গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ। এর আগে, দিল্লির মেয়র ও বিজেপি নেতা রাজা ইকবাল সিং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার-এর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। সেই বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে গাজায় ইসরায়েলের পাশে থাকার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

    রাজা ইকবাল সিং বলেন,

    “ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এক শক্তিশালী সম্পর্ক।”

    এমন এক সময়ে যখন গাজায় প্রতিদিন মানবিক বিপর্যয়ের খবর আসছে, তখন ভারত সরকার ও বিজেপির নেতাদের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত তার মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও কৌশলগত সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে।

  • দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

    দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ সোমবার কাতার সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। সরকারি এই সফরে তিনি কাতারের শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সফরটি ছিল কাতার-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

    সফরকালে, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকগুলোতে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়ন, ও দক্ষ জনশক্তি বিনিময় সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

    গত ৩ মে সেনাপ্রধান কাতার অলিম্পিক কমিটির প্রেসিডেন্ট শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। উভয় দেশের মধ্যে ক্রীড়াক্ষেত্রে সহযোগিতা, খেলাধুলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও ‘অলিম্পিক ভিলেজ’ গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে তাঁরা মতবিনিময় করেন।

    ৪ মে তিনি কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী শেখ সাউদ এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল আজিজের সঙ্গে পৃথক সাক্ষাতে মিলিত হন। আলোচনায় উঠে আসে সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত।

    সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল কাতারের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জসিমের সঙ্গে তাঁর বৈঠক। এই বৈঠকে যৌথ প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণার্থী বিনিময় এবং কাতারে অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশি সেনাসদস্যদের কর্মসংস্থান সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

    উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান ৩ মে সরকারি সফরে কাতারে যান। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।