Tag: সাক্ষাৎকার

  • কম কাজেই স্বাচ্ছন্দ্য স্পর্শিয়ার, নিজেকে ‘অলস’ বলেই ব্যাখ্যা দিলেন অভিনেত্রী

    কম কাজেই স্বাচ্ছন্দ্য স্পর্শিয়ার, নিজেকে ‘অলস’ বলেই ব্যাখ্যা দিলেন অভিনেত্রী

    এবিএনএ: ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া নিয়মিত কাজ করলেও অন্য অনেক তারকার মতো ব্যস্ত সময়সূচিতে নিজেকে জড়ান না। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তিনি বেছে বেছে কাজ করছেন। ফলে সমসাময়িকদের তুলনায় পর্দায় তার উপস্থিতি তুলনামূলক কম।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের কাজের ধরন ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। সেখানে তিনি জানান, সচেতনভাবেই কম কাজ করেন এবং এতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

    নিজেকে ‘অলস’ বললেন অভিনেত্রী

    অর্চিতা স্পর্শিয়া বলেন, তিনি স্বভাবগতভাবেই অলস। তার মতে, জীবনে অতিরিক্ত চাহিদা না থাকায় কাজের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনও অনুভব করেন না। তিনি বলেন, “আমি খুব বেশি কাজ করি না, কারণ আমি একটু অলস প্রকৃতির। আমার জীবনে খুব বেশি চাওয়া-পাওয়া নেই, তাই কম কাজ করলেও চলে।”

    তারকা জীবন নিয়ে ভুল ধারণা

    অভিনেত্রীর মতে, দর্শকদের অনেকেই তার জীবনযাপন নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করেন। অনেকের ধারণা তিনি হয়তো খুব মুডি বা বিলাসী জীবনযাপন করেন। তবে বাস্তবে তিনি নিজেকে একেবারেই সাধারণ মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

    তিনি বলেন, বাইরে থেকে তাকে দেখে অনেকেই ভাবেন তার জীবন খুব আড়ম্বরপূর্ণ। কিন্তু বাস্তবে তিনি খুব সাধারণভাবে জীবন কাটান এবং ব্যক্তিগতভাবে খুব কম চাহিদা নিয়েই চলেন।

    সাধারণ জীবনেই স্বাচ্ছন্দ্য

    স্পর্শিয়া জানান, তার জীবনযাপন সাদামাটা হওয়ায় কাজের চাপ বাড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করেন না। তিনি মনে করেন, কম কাজ করেও ভালোভাবে বেছে নেওয়া প্রকল্পে অংশ নেওয়াই তার জন্য বেশি উপযুক্ত।

    এই কারণেই তিনি ব্যস্ততার চেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দেন এবং নিজের মতো করেই ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে চান।

  • মেসির ম্যাজিকে স্তম্ভিত এমবাপে! ট্রেনিং গ্রাউন্ডের সেই অভিজ্ঞতা শুনে অবাক ফুটবল দুনিয়া

    মেসির ম্যাজিকে স্তম্ভিত এমবাপে! ট্রেনিং গ্রাউন্ডের সেই অভিজ্ঞতা শুনে অবাক ফুটবল দুনিয়া

    এবিএনএ:  বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তারকা কিলিয়ান এমবাপে নিজের ক্যারিয়ারে অনেক বড় খেলোয়াড়ের সঙ্গে খেলেছেন ও অনুশীলন করেছেন। তবে লিওনেল মেসি-র সঙ্গে কাটানো সময় তার কাছে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা হয়ে আছে।

    যদিও এমবাপে ব্যক্তিগতভাবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো-কে নিজের অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখেন, তবুও মেসির অসাধারণ প্রতিভা তাকে মুগ্ধ করেছে খুব কাছ থেকে। প্যারিসের ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইন-এ একসঙ্গে খেলার সময় প্রতিদিনের অনুশীলনে মেসির দক্ষতা দেখে বিস্মিত হতেন তিনি।

    সম্প্রতি ‘দ্য ব্রিজ’ নামের একটি পডকাস্টে এমবাপেকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তার দেখা সবচেয়ে ব্যতিক্রমী ফুটবলার কে? জবাবে তিনি মজার ছলে বলেন, “মেসি যেন প্রতারণা করত!”—এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, মেসির খেলা এতটাই নিখুঁত ছিল যে তা অবিশ্বাস্য মনে হতো।

    সেই সময় পিএসজির আক্রমণভাগে ছিলেন নেইমার-ও। তিন তারকার সমন্বয়ে অনুশীলনের সময় ছিল দারুণ উপভোগ্য। তবে দক্ষতার বিচারে মেসি আলাদা বলেই মন্তব্য করেন এমবাপে। তার ভাষায়, “নেইমার অসাধারণ, কিন্তু মেসি সবকিছু আরও নিখুঁতভাবে করতে পারত।”

    একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা তুলে ধরে এমবাপে বলেন, একদিন অনুশীলনে তারা ১০টি করে শট নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ও নেইমার ৬-৭টি গোল করলেও মেসি ৯টি শটেই গোল করেন, যা দেখে তিনি অবাক হয়ে যান। তার মতে, মেসির কাছে বিষয়টি যেন খুবই সহজ ছিল, ঠিক শিশুদের অনুশীলনের মতো।

    বার্সেলোনা ছাড়ার পর দুই মৌসুম পিএসজি-তে একসঙ্গে খেলেন মেসি ও এমবাপে। সেই সময়টুকু এখনো এমবাপের কাছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে রয়েছে, যা তাকে বারবার মেসির অসাধারণত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়।

  • এফডিসির পাশ দিয়ে গেলেই মনটা ভারী হয়ে আসে: ববিতা

    এফডিসির পাশ দিয়ে গেলেই মনটা ভারী হয়ে আসে: ববিতা

    এবিএনএ: বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের সোনালি সময়ের কথা উঠলেই যে নামটি আলাদা করে উচ্চারিত হয়, তিনি ববিতা। কৈশোরেই এফডিসির আঙিনায় পা রাখা এই কিংবদন্তির কাছে এক সময়ের প্রাণচঞ্চল প্রাঙ্গণ এখন কেবলই বিষণ্ন স্মৃতির নাম। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান বাস্তবতা ও এফডিসির পরিবর্তন নিয়ে নিজের গভীর হতাশার কথা খুলে বলেছেন তিনি।

    ববিতা জানান, এফডিসির পাশ দিয়ে যাওয়া মানেই হৃদয়ে চাপা কষ্ট। গাড়ি চলতে চলতে এক নজর তাকালেও আর আগের মতো ভালো লাগে না। শৈশবে যেখানে খেলার ছলে যাতায়াত শুরু, সেখানেই পরবর্তীতে প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে টানা কাজ—সকাল, বিকাল, রাত মিলিয়ে কখনো কখনো তিন শিফটেও শুটিং করেছেন তিনি। অথচ এখন সেই পরিচিত ফ্লোরগুলো আর আগের মতো নেই; কিছু জায়গা ভেঙে ফেলা হয়েছে, পরিবেশটাও বদলে গেছে।

    বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, আগে যেখানে সিনেমার শুটিংয়ে মুখর থাকত এফডিসি, এখন সেখানে নাকি ফাঁকাই বেশি। চলচ্চিত্র নির্মাণের চেয়ে বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য কাজের চাপ বেড়েছে, ফলে প্রাঙ্গণের প্রাণচাঞ্চল্য হারিয়ে যাচ্ছে।

    গুণী নির্মাতাদের অভাবের কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। এক সময়ের জহির রায়হান, খান আতা, আমজাদ হোসেন, সুভাষ দত্ত কিংবা নারায়ণ ঘোষ মিতার মতো নির্মাতাদের সান্নিধ্যে কাজ করার সৌভাগ্যকে নিজের জীবনের বড় অর্জন হিসেবে দেখেন তিনি। আজকের দিনে সেই মানের দিকনির্দেশক খুঁজে পাওয়া কঠিন বলেও মন্তব্য করেন ববিতা।

    এফডিসির প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। চলচ্চিত্রের উন্নয়নে অভিজ্ঞ ও কিংবদন্তিদের মতামত নেওয়া হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নে তার উত্তর ছিল সোজাসাপ্টা। সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় চলচ্চিত্র বিষয়ে গভীর বোঝাপড়া না থাকলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও মনে করেন এই কিংবদন্তি অভিনেত্রী।

  • ‘আমি এখনও শিখছি, প্রতিনিয়ত ভুল করি’ অকপট তমা মির্জা

    ‘আমি এখনও শিখছি, প্রতিনিয়ত ভুল করি’ অকপট তমা মির্জা

    এবিএনএ: বাংলা চলচ্চিত্রে প্রায় দেড় যুগ ধরে কাজ করে আসছেন চিত্রনায়িকা তমা মির্জা। দীর্ঘ সময় ধরে দর্শকের ভালোবাসা পেলেও এখনো নিজেকে শিক্ষানবিশ ভাবেন তিনি।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অকপটভাবে জানিয়েছেন নিজের অভিনয় অভিজ্ঞতা ও সীমাবদ্ধতার কথা। তমা বলেন,
    “আমি এখনো শিখছি। মনে হয় কিছুই পারি না, প্রতিনিয়ত ভুল করছি। আরও ভালো করার চেষ্টা করছি, দেখা যাক সামনে কী হয়।”

    অভিনয়ের পাশাপাশি গান নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ফাঁকা সময়ে সিনেমা দেখা বা গান শোনা তার অন্যতম প্রিয় কাজ। তবে শ্রোতা হিসেবে গানকে ভালোবাসলেও নিজের কণ্ঠ নিয়ে সন্তুষ্ট নন তিনি।

    তিনি বলেন,
    “রোমান্টিক গান, স্যাড সং, কাওয়ালি—সবই আমার ভালো লাগে। কিন্তু আমি গান গাইতে পারি না। আমার কণ্ঠ খুবই খারাপ। এটা আসলে গড গিফটেড জিনিস। আল্লাহ আমাকে গান করার ক্ষমতা দেননি, তবে অভিনয়ের সামান্য দক্ষতা দিয়েছেন। সেটাই দিয়ে চেষ্টা করছি মানুষের মন জয়ের।”

    দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পরও এমন সরল স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে, তমা মির্জা এখনও নিজেকে উন্নত করার চেষ্টায় আছেন।