Tag: সাংবাদিক মৃত্যু

  • লাইভ সম্প্রচারের পর সাংবাদিক শিবলীর মৃত্যু, সহকর্মীদের চোখে অশ্রু

    লাইভ সম্প্রচারের পর সাংবাদিক শিবলীর মৃত্যু, সহকর্মীদের চোখে অশ্রু

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচন কভার করতে গিয়ে লাইভ শেষে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন চ্যানেল এস টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার তরিকুল ইসলাম শিবলী। তার হঠাৎ মৃত্যুতে সহকর্মী ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কার্জন হলের সামনে থেকে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে সরাসরি লাইভ সম্প্রচার করেন শিবলী। ভোটারদের অভিমত তুলে ধরছিলেন পাঠকদের সামনে। কিন্তু অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত সহকর্মীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    শিবলীর মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকের জোয়ার ওঠে। সহকর্মীরা ফেসবুকে নানা স্মৃতি শেয়ার করেন। কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, কিছুক্ষণ আগে যিনি লাইভে প্রাণবন্তভাবে কথা বলছিলেন, তিনিই হঠাৎ নেই।

    চ্যানেল এস-এর অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর শাফি উদ্দিন আহমেদ জানান, ডাকসু নির্বাচন কভার করতে পাঁচ সদস্যের টিম গিয়েছিল। শিবলী ছিলেন তিন রিপোর্টারের একজন। তিনি শুধু সংবাদ সংগ্রহ করতেন না, আন্তরিকভাবে দায়িত্বও পালন করতেন। সকালেই সহকর্মীদের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন ফেসবুকে, যেখানে তার মুখভরা হাসি ছিল।

    প্রায় এক বছর ধরে চ্যানেল এস-এ কাজ করছিলেন শিবলী। তিনি উত্তরায় স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে বসবাস করতেন। সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তার প্রথম জানাজা হবে কর্মস্থল সেগুনবাগিচায়।

    শিবলীর মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজ শোকাহত। অনেকেই বলেছেন, “যিনি মাঠে থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত খবরের সঙ্গে ছিলেন, তাকেই হারালাম সংবাদ কভারেজের মাঝেই।”

  • মেঘনা নদীতে মিলল সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহ, পরিবারে শোকের ছায়া

    মেঘনা নদীতে মিলল সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহ, পরিবারে শোকের ছায়া

    এবিএনএ:  নিখোঁজের একদিন পর মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করা হলো প্রবীণ সাংবাদিক ও কলাম লেখক বিভুরঞ্জন সরকারের (৭১) মরদেহ। শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার কলাগাছিয়া এলাকার চর বলাকিয়ায় ভাসমান অবস্থায় তার দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে নৌ–পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

    রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলম সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। কীভাবে তিনি সেখানে গেলেন ও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

    নারায়ণগঞ্জ নৌ–পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি একদিন আগে মারা গেছেন। দেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই, তবে কিছুটা বিকৃত হতে শুরু করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বাসা থেকে অফিস যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলেও কর্মস্থলে যাননি। মোবাইল ফোনটিও বাসায় রেখে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় রমনা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল।

    আজকের পত্রিকা সূত্রে জানা যায়, ১৬ আগস্ট থেকে সাত দিনের ছুটিতে ছিলেন বিভুরঞ্জন সরকার। নিখোঁজের পর থেকে পরিবার ও সহকর্মীরা গভীর উৎকণ্ঠায় ছিলেন।

    তার ভাই চিররঞ্জন সরকার বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে লিখেছিলেন, “আমার দাদা প্রতিদিনের মতো আজও অফিসে যাবেন বলে বের হন। কিন্তু কোথাও যাননি, কেউ তাকে দেখেনি, রাতেও বাসায় ফেরেননি।”

    এই ঘটনার পর সাংবাদিক সমাজে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।