Tag: সন্ত্রাসবিরোধী আইন

  • হাইকোর্টের জামিনে জালিয়াতি কেলেঙ্কারি: ‘কুকি-চিন’ পোশাক মামলায় তদন্তে প্রধান বিচারপতির কড়া নির্দেশ

    হাইকোর্টের জামিনে জালিয়াতি কেলেঙ্কারি: ‘কুকি-চিন’ পোশাক মামলায় তদন্তে প্রধান বিচারপতির কড়া নির্দেশ

    এবিএনএ: চট্টগ্রামে ‘কুকি-চিন’ সংশ্লিষ্ট পোশাক জব্দ মামলায় হাইকোর্টের জামিন আদেশ জালিয়াতির এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। তথ্য গোপন করে জামিন নেওয়ার পর বিচারপতিদের স্বাক্ষরযুক্ত আদেশ পরিবর্তন করে নতুনভাবে জাল নথি তৈরি করা হয়। সেই ভুয়া আদেশ কারাগারে দাখিল করে আসামি সাহেদুল ইসলাম মুক্তি পান।

    এই গুরুতর অনিয়মের বিষয়টি সম্প্রতি উচ্চ আদালতে আরেক আসামির জামিন শুনানির সময় সামনে আসে। বিষয়টি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সরাসরি প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী-এর নজরে আনেন। অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী-কে তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

    বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রার জেনারেল জানান, তদন্ত কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং অগ্রগতি রয়েছে। শিগগিরই বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

    প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই জালিয়াতির সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বেঞ্চ কর্মকর্তা বা ফৌজদারি শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনজীবীদের মতে, এত বড় ধরনের জালিয়াতি অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। তাই ঘটনার গভীরে গিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    মামলার পটভূমি

    ২০২৫ সালের ১৭ মে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় অবস্থিত রিংভো অ্যাপারেলস কারখানার গুদাম থেকে প্রায় ২০ হাজার ৩০০টি পোশাক জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযোগ ছিল, এসব পোশাক পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট-এর সদস্যদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

    এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন কারখানার মালিক সাহেদুল ইসলাম (২৫), অর্ডারদাতা গোলাম আজম (৪১) এবং নিয়াজ হায়দার (৩৯)।

    মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রায় দুই কোটি টাকার বিনিময়ে এসব পোশাক তৈরির অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। উৎপাদন ব্যবস্থাপক মো. কামরুজ্জামানকে জব্দ অভিযানের সাক্ষী করা হয়।

    সংগঠনটির প্রেক্ষাপট

    পার্বত্য চট্টগ্রামে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট নামে সশস্ত্র সংগঠনটির অস্তিত্ব প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২২ সালের দিকে। বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত হলেও স্থানীয়ভাবে এটি ‘বম পার্টি’ নামেও পরিচিত।

  • সংসদে একদিনেই ১৩ বিল পাস, সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধন থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন—অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

    সংসদে একদিনেই ১৩ বিল পাস, সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধন থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আইন—অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত

    এবিএনএ: অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একাধিক অধ্যাদেশের ভিত্তিতে প্রস্তুত ১৩টি বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত আইনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতের বিল অনুমোদনের মাধ্যমে আইনগত কাঠামোয় নতুন পরিবর্তনের পথ খুলেছে।

    বুধবার (৮ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের একাদশ কার্যদিবসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করেন। পরে আলোচনা শেষে সেগুলো কণ্ঠভোটে পাস করা হয়।

    সকালের অধিবেশনে যেসব বিল পাস হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা আইন, ২০২৬’, ‘প্রোটেকশন অ্যান্ড কনসারভেশন অব ফিস (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি জামালপুর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ এবং ‘পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’।

    বিকেলের অধিবেশনে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়। এর মধ্যে রয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’, ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা রহিতকরণ আইন, ২০২৬’, ‘স্থানিক পরিকল্পনা আইন, ২০২৬’ এবং ‘পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলী) আইন, ২০২৬’।

    একই দিনে দ্বিতীয় দফায় আরও চারটি বিল অনুমোদন পায়। এগুলো হলো ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) আইন, ২০২৬’ এবং ‘কোড অব সিভিল প্রসিডিউর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’।

    সংসদে একদিনে এতগুলো বিল পাস হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব আইনের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাঠামো, বিনিয়োগ পরিবেশ, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • জামিন মিললেও মুক্তি অনিশ্চিত! যশোর কারাগারে কেন আটকে আছে সাদ্দামের মুক্তি

    জামিন মিললেও মুক্তি অনিশ্চিত! যশোর কারাগারে কেন আটকে আছে সাদ্দামের মুক্তি

    এবিএনএ: হাইকোর্টের আদেশে ছয় মাসের জামিন পেলেও এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ সংগঠন) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম। কারণ, তার জামিননামা এখনো কারাগারের জেলগেটে পৌঁছায়নি।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ। তিনি জানান, আদালতের জামিন আদেশ থাকলেও আনুষ্ঠানিক জামিননামা হাতে না পাওয়ায় সাদ্দামকে আপাতত মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পৌঁছানোর পরই তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

    মানবিক দিক বিবেচনায় সাদ্দামকে এই জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন। আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।

    আইনজীবী জানান, বাগেরহাটের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাদ্দাম জামিন পেয়েছেন। অন্য মামলাগুলোতে তিনি আগেই জামিনে ছিলেন। ফলে আইনি দিক থেকে তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকার কথা নয়।

    উল্লেখ্য, একাধিক মামলায় কারাবন্দি সাদ্দাম সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে চরম ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হন। গত ২৪ জানুয়ারি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য তাকে মৃত স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী শিশুপুত্রকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। প্যারোল মঞ্জুর না হওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সে করেই মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কারাগারের সামনে।

    এর আগে, বাগেরহাট সদর উপজেলার বেখেডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী এবং শিশু সন্তান নাজিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় প্যারোল না দেওয়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন সাদ্দাম। পরে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হয়ে তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হন।

  • “গোলাম হতে চাই না”– আদালতে নিজ বক্তব্য রাখলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

    “গোলাম হতে চাই না”– আদালতে নিজ বক্তব্য রাখলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর

    এবিএনএ: ঢাকায় আদালতে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রিমান্ডের আদেশ দেন।

    আদালতে রিমান্ড শুনানিতে আনিস আলমগীর বলেন, “একটি নির্দিষ্ট দল আমাকে তাদের গোলাম বানাতে চায়। কিন্তু আমি তাদের হালুয়া-রুটি খাবো না। সাংবাদিক হিসেবে আমার কাজ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা। আমি তা করবো।”

    এর আগে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার ইন্সপেক্টর মুনিরুজ্জামান আদালতে রিমান্ড আবেদন করেন। আদালতে আনিস আলমগীরকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হাজির করা হয়। তিনি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেট ও হাতকড়া পরেই আদালতে ওঠেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে বলেন, সাংবাদিকতার আড়ালে আনিস আলমগীর দেশদ্রোহী কার্যক্রম ও উস্কানিমূলক বক্তব্যে জড়িত। অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী নাজনীন সুলতানা বলেন, তিনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও শিক্ষক, এবং তার বক্তব্য সাংবাদিকতার স্বাধীনতার অংশ।

    আদালতে নিজ বক্তব্যে আনিস আলমগীর বলেন, “যুদ্ধে তালেবানরা আমাকে গ্রেপ্তার করেছিল। মৃত্যু ভয় আমাকে আর তাড়াতে পারে না। খালেদা জিয়ার আমলেও প্রশ্ন করেছি, শেখ হাসিনার আমলেও করেছি, এখনো করি এবং করবো।”

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পরও কিছু গ্রুপ দেশের অবকাঠামো ধ্বংস ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম চালানোর ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া ও টেলিভিশন টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনরায় সক্রিয় করার প্রচেষ্টা চলছে।

    আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ৫ দিনের রিমান্ডে রাখার আদেশ দেন।

  • সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠালেন আদালত

    সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠালেন আদালত

    এবিএনএ: রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে তাকে পুলিশের হেফাজতে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান আদালতে আনিস আলমগীরকে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আংশিকভাবে আবেদন মঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ড অনুমোদন দেন।

    এর আগে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে বের হওয়ার সময় আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

    ওই রাতেই জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদের করা মামলায় আনিস আলমগীরসহ চারজনকে আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন— অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, ফ্যাশন মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে তৎপরতা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোর মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনরুজ্জীবনের গুজব ও প্রচারণা চালানো হয়।

    এতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু কর্মী উৎসাহিত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম ও সহিংসতায় জড়াচ্ছে বলেও মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

    সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

    এবিএনএ: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে উত্তরা পশ্চিম থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান ঢাকার আদালতে এ আবেদন করেন।

    ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। উত্তরা পশ্চিম থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এর আগে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে বের হওয়ার সময় আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

    ওই রাতেই জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদের দায়ের করা মামলায় আনিস আলমগীরসহ চারজনকে আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন— অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং উপস্থাপক ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ।

    মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অস্থিতিশীলতা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি গোষ্ঠী গোপনে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনের বিভিন্ন টকশোতে অংশ নিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন পুনর্বাসনের পক্ষে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।

    এ ধরনের প্রচারণার ফলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু কর্মী রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা এবং সহিংস কার্যক্রমে উৎসাহিত হচ্ছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

  • বাংলাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহারের অভিযোগে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

    বাংলাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহারের অভিযোগে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

    এবিএনএ: বাংলাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধিত ধারা ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটি বলেছে, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগপন্থী রাজনীতিক ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে এই আইন প্রয়োগ করছে।

    বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে জানায়, বাংলাদেশে নির্বিচারে আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের উচিত এ বিষয়ে জরুরি হস্তক্ষেপ করা।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত টানা সহিংসতায় প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হওয়ার পর শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। পরে দায়িত্ব গ্রহণ করে ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যারা চলতি বছরের মে মাসে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে আওয়ামী লীগের সব রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়।

    এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার যেন অতীতের মতো রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফাঁদে না পড়ে। শান্তিপূর্ণ ভিন্নমত দমন গণতন্ত্রের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।”

    তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তার বন্ধে দ্রুত ভূমিকা নিতে হবে।

    সংস্থাটির দাবি, অন্তর্বর্তী সরকার এখন পর্যন্ত হাজারো মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের অনেকের বিরুদ্ধেই অস্বচ্ছ অভিযোগ আনা হয়েছে। কিছু আটক ব্যক্তিরা পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন, যা অতীত সরকারের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি বলে মনে করা হচ্ছে।

    উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা ঘটে গত ২৮ আগস্ট ঢাকায়, যখন ‘মঞ্চ ৭১’ সংগঠন স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে এক সভা আয়োজন করে। সেখানে হামলার পর পুলিশের বদলে সভায় অংশ নেওয়া ১৬ জনকেই আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান এবং সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী

    পরে তাঁদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, শান্তিপূর্ণ আলোচনাকেই ‘সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

    মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ২০০৯ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের প্রণীত এই আইন এখন শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বাংলাদেশ এডিটরস কাউন্সিলও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, আইনটির সংশোধন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সীমিত করতে পারে। যদিও ড. ইউনূস এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    অন্যদিকে দেশের আইন সহায়তা সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানিয়েছে, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে জনতার হাতে অন্তত ১৫২ জন নিহত হয়েছেন, যা সামাজিক অস্থিরতা ও বিচারহীনতার ইঙ্গিত বহন করছে।

    জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় ইতোমধ্যে বাংলাদেশে তিন বছরের সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার লক্ষ্য মানবাধিকার রক্ষা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, “বাংলাদেশ সরকারের উচিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার বন্ধ করে নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা।”

  • রাজধানীতে গ্রেপ্তার সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান, সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় অভিযুক্ত

    রাজধানীতে গ্রেপ্তার সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান, সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় অভিযুক্ত

    এবিএনএ: সাবেক সিনিয়র সচিব এবং এক সময়ের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আবু আলম শহীদ খানকে রাজধানীর রমনা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শাহবাগ থানায় দায়েরকৃত একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে আটক করা হয়।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুপুর ১২টার দিকে অভিযান চালিয়ে আবু আলম শহীদ খানসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে ডিবি সূত্রে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, আবু আলম শহীদ খান ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পর তিনি অবসর নেন।

    তবে কী কারণে এই মামলায় তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বা গ্রেপ্তারের পেছনের নির্দিষ্ট কারণ কী—তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

    এ ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    এবিএনএ:  রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    শুক্রবার (২৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক আসামিদের জামিন আবেদন খারিজ করে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

    কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম পান্না, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌসিফুল বারী খান, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহাম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।

    শুক্রবার সকালে তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক তৌফিক হাসান আসামিদের আদালতে হাজির করে আটক রাখার আবেদন জানান। তবে তাদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলে তা নামঞ্জুর হয়।

    এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ‘মঞ্চ ৭১’ আয়োজিত “আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত হন লতিফ সিদ্দিকী। ওই সভায় আন্দোলনকারীরা তাকে ঘিরে ধরে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিলে পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়। পরে পুলিশ এসে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    বিকেলে শাহবাগ থানা থেকে ডিবিতে হস্তান্তরের পর রাতে পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে।

  • জামিন নিতে অস্বীকৃতি, আদালতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে লতিফ সিদ্দিকী

    জামিন নিতে অস্বীকৃতি, আদালতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে লতিফ সিদ্দিকী

    এবিএনএ:  রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিন নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। তিনি আইনজীবীর ওকালতনামায় স্বাক্ষর না করায় তার পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি।

    শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিষয়টি আদালতে উপস্থিত হয়ে নিশ্চিত করেন তার আইনজীবী সাইফুল ইসলাম সাইফ। তিনি জানান, জামিন সংক্রান্ত ওকালতনামায় স্বাক্ষরের প্রস্তাব দিলে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “যে আদালতের জামিন দেওয়ার এখতিয়ার নেই, সেখানে আমি কেন আবেদন করব? আমি স্বাক্ষর করব না, জামিনও চাইব না।”

    অন্যদিকে মামলার বাকি আসামিদের জামিন আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা। তবে শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক সেসব আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    কারাগারে প্রেরিতদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌসিফুল বারী খানসহ আরও অনেকে।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক তৌফিক হাসান আদালতে আসামিদের আটক রাখার আবেদন জানান। তবে আইনজীবীরা তাদের জামিনের চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।

    এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ‘মঞ্চ ৭১’-এর উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, এটি আসলে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের প্ল্যাটফর্ম।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীও। তবে তাকে ঘিরে একদল আন্দোলনকারী আওয়ামী লীগের সহযোগী আখ্যা দিয়ে স্লোগান শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রাতেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।