Tag: সংস্কৃতি অঙ্গন

  • শিল্পকলা একাডেমিতে স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগের দাবিতে প্রতিবাদ

    শিল্পকলা একাডেমিতে স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগের দাবিতে প্রতিবাদ

    এবিএনএ: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগ প্রতিষ্ঠার দাবিতে প্রতিবাদী আবৃত্তি ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন আবৃত্তি শিল্পী ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তারা মনে করেন, আবৃত্তি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হলেও এখনো রাষ্ট্রীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে এ শিল্পচর্চার জন্য আলাদা বিভাগ গড়ে ওঠেনি।

    রাজধানীতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন আবৃত্তি সংগঠনের শিল্পী, প্রশিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচির শুরুতে কবিতার মাধ্যমে প্রতিবাদী আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়। পরে সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আবৃত্তি শিল্পের বিকাশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

    বক্তারা বলেন, নাটক, সংগীত ও নৃত্যের মতো আবৃত্তিও বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী মাধ্যম। অথচ শিল্পকলা একাডেমিতে এ শিল্পচর্চার জন্য কোনো স্বতন্ত্র বিভাগ নেই। ফলে প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং নতুন শিল্পী তৈরির কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    তাদের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে একটি পূর্ণাঙ্গ আবৃত্তি বিভাগ চালু করা হোক। এ বিভাগ চালু হলে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, উৎসব এবং গবেষণার মাধ্যমে আবৃত্তি শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আবৃত্তি শিল্পীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এ দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু এখনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হয়েছেন। ভবিষ্যতেও দাবি আদায়ে সাংস্কৃতিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তারা ঘোষণা দেন।

  • বিদায়ের মিছিলে ২০২৫: যাদের হারিয়ে শূন্য হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গন

    বিদায়ের মিছিলে ২০২৫: যাদের হারিয়ে শূন্য হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গন

    এবিএনএ: আর ক’দিন পরই বিদায় নেবে ২০২৫, সামনে আসবে নতুন বছর। তবে বিদায়ী এই বছরটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের জন্য রেখে যাচ্ছে গভীর শূন্যতা ও বিষাদের স্মৃতি। সংগীত, চলচ্চিত্র, নাটক ও গবেষণায় অবদান রাখা একাধিক কিংবদন্তি শিল্পী ও সৃষ্টিশীল মানুষ এ বছরে চিরবিদায় নিয়েছেন।

    চলতি বছরে প্রয়াতদের তালিকায় রয়েছেন ছায়ানটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সংগীতজ্ঞ সন্‌জীদা খাতুন, ফোক সংগীত গবেষক মুস্তাফা জামান আব্বাসী, লালনসংগীতের কিংবদন্তি কণ্ঠ ফরিদা পারভীন, জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান, রুপালি পর্দার নবাবখ্যাত অভিনেতা প্রবীর মিত্র, গায়িকা জীনাত রেহানা, অভিনেত্রী গুলশান আরা আহমেদ, ব্যান্ডশিল্পী এ কে রাতুল, অভিনেত্রী ও নির্মাতা জাহানারা ভূঁইয়া, সংগীতশিল্পী জেনস সুমন, নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম, খল অভিনেতা সাঙ্কু পাঞ্জা এবং অভিনেত্রী তানিন সুবহা

    এই শিল্পীরা কেউ সংগীতে, কেউ অভিনয়ে, কেউ নির্মাণে কিংবা গবেষণায় রেখে গেছেন অমলিন ছাপ। তাদের সৃষ্টি ও অবদান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাঙালির সংস্কৃতিচর্চাকে সমৃদ্ধ করে যাবে। ২০২৫ তাই শুধু একটি ক্যালেন্ডারের বছর নয়—বাংলা সংস্কৃতির ইতিহাসে এক শোকাবহ অধ্যায়।