Tag: সংস্কার

  • সংস্কারের নামে বিভ্রান্তি, নারীর স্বাধীনতা নিয়ে নীরবতা: বগুড়ার জনসভায় তারেক রহমান

    সংস্কারের নামে বিভ্রান্তি, নারীর স্বাধীনতা নিয়ে নীরবতা: বগুড়ার জনসভায় তারেক রহমান

    এবিএনএ: কিছু রাজনৈতিক শক্তি সংস্কারের নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যারা সংস্কারের কথা বলছে তারা নারীর স্বাধীনতা, স্বাস্থ্যসেবা, প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এড়িয়ে যাচ্ছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছিল। এসব কমিশনের মধ্যে সংবিধান, বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও নারীবিষয়ক কমিশনও রয়েছে। কিন্তু একটি মহল শুধুমাত্র সংবিধান ইস্যু সামনে এনে অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আড়াল করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষের চিকিৎসা সহজ করা, ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা কিংবা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে তারা কোনো বক্তব্য দেয় না।

    তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক একটি ব্যক্তিগত পারিবারিক ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দিয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অতীতেও বিভিন্ন সময় একই কৌশলে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ এবং যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কিছু মহল এসব উদ্যোগের বিরোধিতা করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১৬ সালে খালেদা জিয়া ‘ভিশন ২০৩০’ ঘোষণা করেছিলেন, যেখানে দেশের উন্নয়নের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে বিএনপি ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি জনগণের সামনে উপস্থাপন করে। তখন অন্য রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার নিয়ে কথা বলতেও সাহস পায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

    তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছরে স্বাস্থ্য, ব্যাংকিং, শিক্ষা ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাত দুর্বল হয়ে পড়েছে। কিছু বড় প্রকল্পের আড়ালে দুর্নীতি হয়েছে, কিন্তু জনগণের প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতেই বিএনপি সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, স্বৈরাচার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন কমিশনের কাছে বিএনপি নিজেদের প্রস্তাব জমা দিয়েছে। কোন বিষয়ে একমত আর কোন বিষয়ে মতভেদ রয়েছে—সবকিছুই স্বচ্ছভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। গণতন্ত্রে মতপার্থক্য স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এর আগে সকালে সড়কপথে ঢাকা থেকে বগুড়ায় পৌঁছান তারেক রহমান। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে তিনি জেলা জজ আদালতের নবনির্মিত ভবন ও ‘ই-বেইল বন্ড’ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পরে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের নামফলক উন্মোচন, গাবতলীর বাগবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা পরিদর্শন এবং শহীদ জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

    সন্ধ্যায় বগুড়া প্রেস ক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধনের পর তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

  • সরকার গঠন করলে প্রথমদিন ফজর পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করব

    সরকার গঠন করলে প্রথমদিন ফজর পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করব

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মানবিক, নিরাপদ ও উন্নত রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, জনগণের সমর্থনে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে প্রথম দিন ফজরের নামাজ শেষে রাষ্ট্র পরিচালনার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করবেন। তাঁর ভাষ্যে, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ভোগের বিষয় নয়—এটি আমানত ও জবাবদিহিতার বিষয়।

    ভাষণে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবার—ধর্ম ও পরিচয় নির্বিশেষে নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষাই হবে রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার। নারী-পুরুষের নিরাপত্তা, ভোটাধিকার ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দিতে প্রশাসনিক সংস্কার জরুরি। তিনি জানান, নীতিনির্ধারণে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে দলীয় ইশতেহার ও নীতিকৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে; সুযোগ পেলে সেগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হবে সঙ্গে সঙ্গেই।

    তিনি অতীতের দমন-পীড়ন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সমালোচনা করে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী না হলে জনগণের অধিকার সুরক্ষিত হয় না। তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণকে ভবিষ্যৎ নির্মাণের চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে ঐক্যের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘না’ বলার আহ্বান জানিয়ে সততা, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি করার কথা বলেন।

    রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, কাঠামোগত পরিবর্তন সময়ের দাবি—এ কারণেই সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের মতামতের মাধ্যমে সংস্কারকে টেকসই করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়া, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষার প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরেন।

    ভাষণের শেষে তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন, আচরণবিধি মানা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, রাষ্ট্র সবার—সরকার হবে জনগণের। ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার নীতিতে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকারেই তাঁর বক্তব্য শেষ হয়।

  • সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    এবিএনএ: জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আট খণ্ডের প্রতিবেদন জনগণের জ্ঞাতার্থে উন্মুক্ত করে সহজবোধ্য বই আকারে প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার হাতে প্রতিবেদনটি তুলে দেন। প্রতিবেদনে কমিশনের সুপারিশ, বৈঠক, আলোচনার কার্যবিবরণী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামতের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    প্রতিবেদন গ্রহণের সময় প্রফেসর ইউনূস বলেন,

    “এই প্রতিবেদনটি যেন শুধু কর্মকর্তাদের টেবিলে না থাকে, সাধারণ মানুষেরও বুঝতে পারে—সেজন্য সহজ ভাষায় বই আকারে প্রকাশ করতে হবে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও যেন এটি পড়ে দেশের সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারে।”

    তিনি আরও নির্দেশ দেন, প্রতিবেদনটি বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষায় প্রকাশ করতে হবে, যাতে এটি দেশে-বিদেশে গবেষণার জন্যও প্রামাণ্য দলিল হয়ে ওঠে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন,

    “এই বইটি ভবিষ্যতে তরুণদের অবশ্যপাঠ্য হতে হবে। তারা যেন জানতে পারে, এই দেশের গণতন্ত্র ও সংস্কার আন্দোলনের ভিত্তি কীভাবে গড়ে উঠেছে।”

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

    প্রফেসর আলী রীয়াজ জানান,

    “এই আট খণ্ডের প্রতিবেদনে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫, কমিশনের কার্যক্রম, প্রাপ্ত প্রস্তাবনা ও সংলাপসহ সকল প্রক্রিয়া লিপিবদ্ধ আছে। এটি ভবিষ্যতের গবেষণার জন্য একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে ভূমিকা রাখবে।”

    এর আগে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) কমিশন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার হাতে তুলে দেয়।

  • প্রধান উপদেষ্টা আবারও বিএনপিকে ডেকেছেন: আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও ‘কাজের খবর নেই’—সালাহউদ্দিন আহমদ

    প্রধান উপদেষ্টা আবারও বিএনপিকে ডেকেছেন: আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও ‘কাজের খবর নেই’—সালাহউদ্দিন আহমদ

    এবিএনএ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আবারও প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণ পেয়েছে ২ জুনের আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য। তবে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই উদ্যোগকে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, “আলোচনার কোনো অভাব নেই, কিন্তু কাজের কোনো খবর নেই।”

    শনিবার, রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “২ জুন দ্বিতীয় পর্বের আলোচনার শুভ উদ্বোধন হবে, কিন্তু কেন বারবার উদ্বোধন করতে হবে? এটি আমাদের সংস্কারের কলা দেখানোর মতো।”

    তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন দিতে হবে, কারণ এটি বাংলাদেশের মানুষের দাবি। একটিও কারণ নেই ডিসেম্বরের বাইরে নির্বাচন যাওয়ার।”

    বিএনপির এই নেতা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “সংস্কার হবে, তবে তার থেকে বেশি জরুরি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিচার। যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল, তাদের সবাইকে কাঠগড়ায় নিয়ে আসা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে কথা বললে ইসলামবিরোধী অপপ্রচারের ট্যাগ লাগিয়ে তাদের দমন করা হচ্ছে। এটি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

    সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারের প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, “যে ব্যক্তি ইতিহাসের বিবেচনায় চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী, তাকে নির্দোষ ঘোষণার মাধ্যমে ইতিহাসকেই বিকৃত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ৭১–এর শহীদ, নির্যাতিত নারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বর্তমান তরুণ কর্মীদের অনেকেই ৭১ সালে জন্মায়নি। তারা যুদ্ধাপরাধ করেনি ঠিকই, কিন্তু তারা যদি সেই রাজনীতি ধারণ করে, তবে সেই অপরাধের দায় থেকেও তারা মুক্ত থাকতে পারে না।”

    বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যুদ্ধাপরাধী আজহারের খালাসের প্রতিবাদে মশাল মিছিলে ছাত্র শিবির দুই দফা হামলা চালায়। ১৯৯৩ সালে শহীদ রিমুর হত্যার মতোই আজ আবার শিবির সন্ত্রাস শুরু করেছে।”

    তিনি আরও বলেন, “ছাত্ররাজনীতিকে দখলের হাতিয়ার বানিয়ে যারা ক্যাম্পাসে সহিংসতা ছড়াচ্ছে, তাদের প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদেরই এগিয়ে আসতে হবে।”

    সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশীদ, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মানজুর আল মতিনসহ অন্যান্যরা।

    এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় দলটির নেতারা হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা দাবি করেছেন, সরকার আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমাধান চায় না, বরং সময়ক্ষেপণ করছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি সরকার আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান না করে, তাহলে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে।

    এদিকে, বিএনপি আগামী ২ জুনের আলোচনায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে তারা সরকারের প্রতি তাদের দাবি-দাওয়া স্পষ্টভাবে তুলে ধরবে বলে জানিয়েছে।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই আলোচনার ফলাফল দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আশা করছেন, সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই জনগণের স্বার্থে সমঝোতায় আসবে।

    এমন পরিস্থিতিতে, দেশের জনগণ অপেক্ষা করছে সরকারের সদিচ্ছার প্রমাণ দেখতে, যাতে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার যদি আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান না করে, তাহলে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে।