Tag: শৈত্যপ্রবাহ

  • শেষরাত থেকে কুয়াশায় ঢাকবে দেশ: সকালের আগে দৃশ্যমানতা কমার সতর্কতা আবহাওয়া অফিসের

    শেষরাত থেকে কুয়াশায় ঢাকবে দেশ: সকালের আগে দৃশ্যমানতা কমার সতর্কতা আবহাওয়া অফিসের

    এবিএনএ: শেষরাত থেকে ভোর ও সকালবেলা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশার প্রভাব বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সকালের দৃশ্যমানতা কমাতে পারে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে এবং এই পরিস্থিতি আরও কিছু সময় স্থায়ী হতে পারে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। রাতের তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাতের তথ্য পাওয়া যায়নি। এ সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ২৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে, যার বিস্তার উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে।

  • শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ, সেই সঙ্গে সাগরে নিম্নচাপ—কী বলছে আবহাওয়া অফিস?

    শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ, সেই সঙ্গে সাগরে নিম্নচাপ—কী বলছে আবহাওয়া অফিস?

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বর্তমানে দেশের ৪৪টি জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি থেকে তীব্র শীতপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পূর্ব নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগর এলাকায় অবস্থানরত একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে।

    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি আগামী দিনে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। তবে এই মুহূর্তে দেশের কোনো সমুদ্রবন্দর বা উপকূলীয় এলাকার জন্য সতর্কসংকেত জারি করা হয়নি।

    আবহাওয়াবিদরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • হাড় কাঁপানো শীতের সতর্কতা: আগামীকাল দেশের কিছু এলাকায় নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা

    হাড় কাঁপানো শীতের সতর্কতা: আগামীকাল দেশের কিছু এলাকায় নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে কনকনে ঠাণ্ডার দাপট আরও বাড়তে যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে ভোরের দিকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, বুধবার ভোরে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু জেলায় ভোর ৬টার দিকে তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কুয়াশার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ফেনী, সিলেট ও সুনামগঞ্জ ছাড়া দেশের প্রায় ৬১টি জেলার ওপর কুয়াশার চাদর বিস্তৃত রয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকলেও অন্যান্য বিভাগে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দুপুর ১২টার আগ পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলবে না। অন্য বিভাগগুলোতে সকাল ১০টা থেকে দুপুরের মধ্যে ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে রোদ উঠতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, সোমবার রাত থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে এবং মাসের মধ্যে এক থেকে দুইটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শীতের তীব্রতা বাড়ায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক ও আবহাওয়াবিদরা।

  • সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সারাদেশে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সামগ্রিকভাবে তাপমাত্রা নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও স্বল্প সময়ের জন্য রাত ও দিনের তাপমাত্রায় সামান্য ওঠানামা হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে বিমান চলাচল, সড়ক ও নৌ যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

    বর্তমানে মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কিছু এলাকায় এই শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব ধীরে ধীরে কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    পরবর্তী কয়েক দিনে নদী অববাহিকা ও খোলা এলাকায় কুয়াশার প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার নাগাদ রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের শীত ও কুয়াশাজনিত ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।