Tag: শেখ হাসিনা

  • প্রত্যর্পণ নিয়ে বার্তা দিলেন তারেক: শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আইনি পথে

    প্রত্যর্পণ নিয়ে বার্তা দিলেন তারেক: শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আইনি পথে

    এবিএনএ: সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে; কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না।

    শনিবার বিকেলে ঢাকার শাহবাগ এলাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান নতুন সরকারের সামনে থাকা বড় চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরেন। তার ভাষ্য, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও পুঁজি সংকট কাটানোই সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। ব্যাংকিং খাতে তারল্য জোরদার, ঋণপ্রবাহ বাড়ানো এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে দ্রুত সংস্কার শুরু হবে। পাশাপাশি নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারিত্ব ও সুশাসন ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    তরুণদের পাশাপাশি প্রবীণ, নারী ও প্রতিবন্ধীদের চাহিদা নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব পাবে জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন থাকবে। আঞ্চলিক কূটনীতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক-কে আবার কার্যকর করতে বাংলাদেশ উদ্যোগী ভূমিকা নেবে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে দূরত্ব কমাতে সংলাপ জোরদার করা হবে।

    বিদেশি বিনিয়োগ ও চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ-এর মতো যেকোনো আন্তর্জাতিক উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আগে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। উদ্যোগটি দেশের অর্থনীতিতে বাস্তব সুফল আনলে তবেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ের পেছনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ছিল জনগণের আস্থা অর্জন—মানুষকে বিশ্বাসে আনা। সেই জায়গাতেই দল সফল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং নতুন সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বার্তা দেন।

  • বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক প্রভাব ও উত্তাপ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এ বিষয়ে খুব একটা সরব নন।

    সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
    “আমি তেমন কিছু ফলো করিনি। যারা দায়িত্বে আসবেন, আশা করব তারা বিসিবির উন্নতির জন্য কাজ করবেন। সবার জন্য শুভকামনা রইল।”

    এর আগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বিসিবি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এ বিষয়ে সাকিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,
    “নির্বাচনের খবর তেমন দেখি না বা পড়ি না। তাই মন্তব্য করাটা আমার জন্য কঠিন। যা জানি না, সে বিষয়ে কিছু বলা ঠিক হবে না।”

    সাম্প্রতিক সময়ে সাকিবের সঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর সূত্রপাত হয় ২৮ সেপ্টেম্বর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে সাকিবের দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। ওই পোস্টে সাকিব লিখেছিলেন, “শুভ জন্মদিন, আপা।”

    এর জবাবে আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন, “খুনিদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া কাউকে কেবল ভালো ক্রিকেটার বলেই পুনর্বাসন করা যায় না। আইন সবার জন্য সমান।”

    এই ভার্চুয়াল দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও সাকিব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং তিনি রাজনীতি এড়িয়ে বলেন,
    “রাজনীতি নিয়ে কিছু বলার মানে নেই। আমি ক্রিকেটেই থাকি।”

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সাকিব ছিলেন দেশের বাইরে। যদিও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর দেশে ফিরতে না পারলেও বর্তমানে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা চলছে।

  • বাংলাদেশ দলে ফিরবেন না সাকিব আল হাসান: ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফের স্পষ্ট ঘোষণা

    বাংলাদেশ দলে ফিরবেন না সাকিব আল হাসান: ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফের স্পষ্ট ঘোষণা

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম তারকা সাকিব আল হাসানকে ঘিরে ফের বড় বিতর্ক দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রমের কারণে এবার সরাসরি ঘোষণা এসেছে—আর কখনো জাতীয় দলে ফিরতে পারবেন না তিনি।

    যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া সোমবার রাতে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “তাকে (সাকিব) বাংলাদেশের পতাকা বহন করার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। আমার পক্ষ থেকে বোর্ডকে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকবে—সাকিব আর কখনো জাতীয় দলে খেলবেন না।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাকিব বারবার নিজের রাজনৈতিক অবস্থান আড়াল করার চেষ্টা করেছেন। যদিও বাস্তবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেই তিনি যুক্ত ছিলেন বলে দাবি আসিফের।

    এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় গত রোববার রাতে, যখন সাকিব সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন। এর পরপরই আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন, “আমি ঠিক ছিলাম, তাকে ফেরানো যাবে না।”

    সেই পোস্টে সাকিব পাল্টা জবাব দিয়ে লেখেন, “শেষমেশ প্রমাণ হলো, আমার আর বাংলাদেশের হয়ে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়নি।”

    পরদিন আসিফ আবারও ফেসবুকে লিখে সাফ জানিয়ে দেন, যে ব্যক্তি খুনিদের প্রশ্রয় দেন এবং অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত, তাকে কেবল ক্রিকেট দক্ষতার কারণে পুনর্বাসন করা সম্ভব নয়।

    অন্যদিকে, শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানানোর বিষয়ে সাকিবের ব্যাখ্যা—তিনি শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গা থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার পতনের সময় সাকিব ছিলেন দেশের বাইরে। এর আগে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও দেশে ফিরতে পারেননি। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি এবং দুর্নীতির মামলাও চলমান রয়েছে।

  • টুকুর অভিযোগ: মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীরা এখন ইতিহাসকেই চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাচ্ছে

    টুকুর অভিযোগ: মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীরা এখন ইতিহাসকেই চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাচ্ছে

    এবিএনএ:  জামালপুরে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু অভিযোগ করে বলেন, যারা একসময় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাচ্ছে। তার মতে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    টুকু বলেন, “যুদ্ধ না হলে স্বাধীন ভূখণ্ড আসতো না, জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা না দিলে বাংলাদেশ গড়ে উঠতো না। অথচ আজ এই রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। কেউ কেউ বলছে ’২৪ সালের আন্দোলন দ্বিতীয় স্বাধীনতা। কিন্তু স্বাধীনতা একবারই হয়, আমাদের মানচিত্র দিয়েছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধই।”

    শনিবার বিকেলে শহরের বেলটিয়া এলাকায় আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও সমালোচনা করেন প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) ভোট পদ্ধতির। তার ভাষায়, “বাংলাদেশের মানুষ চায় তাদের প্রার্থীকে দেখতে, তাকে চিনতে। কিন্তু এই পিআর পদ্ধতি বাস্তবে গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এই শর্ত চাপাচ্ছে, তারা ’৪৭ সালেও দ্বিচারিতা করেছে, পাকিস্তানের সময়েও গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করেছে এবং মুক্তিযুদ্ধেও স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল।”

    জামালপুর জেলা বিএনপির এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। এছাড়া সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মো. শরিফুল আলম, অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, আবু ওয়াহাব আকন্দসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

    প্রায় নয় বছর পর আয়োজিত এই সম্মেলনে সাত উপজেলা ও আট পৌর শাখা থেকে এক হাজার ৫১৫ জন কাউন্সিলরসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। দীর্ঘ বিরতির পর আয়োজিত এই সম্মেলন ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা এবং উৎসবের পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।

  • গোপালগঞ্জে সহিংসতার প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

    গোপালগঞ্জে সহিংসতার প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক গ্রেফতারের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে স্টেট ডিপার্টমেন্টের সামনে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচির আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ।

    গত ২৫ জুলাই, শুক্রবার বিকেলে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ।

    সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ছাড়াও নিউইয়র্ক স্টেট ও মহানগর আওয়ামী লীগ, ওয়াশিংটন মেট্রো আওয়ামী লীগ, ভার্জিনিয়া ও মেরিল্যান্ড স্টেট আওয়ামী লীগ, মহিলা লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

    সমাবেশে নিউইয়র্ক থেকে আসার পথে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে টেলিফোনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা।

    প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঘোষিত ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন এবং অন্তত ৫০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে পুলিশ ও সংবাদকর্মীও রয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে প্রতিবাদী অবস্থান জানান।

    বক্তারা বলেন, “গণতন্ত্রবিরোধী ও ষড়যন্ত্রমূলক এই কর্মসূচির নামে দেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের শান্তিকামী নেতাকর্মীদের ওপর অপপ্রচার চালিয়ে সহিংসতার দায় চাপানো হচ্ছে।”

    তারা আরও জানান, গোপালগঞ্জে যারা সহিংসতা করেছে, তারা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে, আর সে বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলকে সচেতন করতেই এ কর্মসূচি।

  • নির্বাচনই দেশের মুক্তির পথ: যত দ্রুত ট্র্যাকে ফেরা যাবে, ততই মঙ্গল — মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনই দেশের মুক্তির পথ: যত দ্রুত ট্র্যাকে ফেরা যাবে, ততই মঙ্গল — মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ:  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের সঠিক ধারায় ফিরে আসা দরকার। বুধবার সকালে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন দলের উপদেষ্টা অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এবং অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমেদ-কে দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে বেশি লড়াই করেছে বিএনপি। একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং পরবর্তীতে সংসদীয় গণতন্ত্রে যাত্রার পেছনে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এখন সকল রাজনৈতিক দলকে মিলেই দেশের জন্য সঠিক পথ খুঁজে নিতে হবে। যত দ্রুত নির্বাচনমুখী ট্র্যাকে দেশ ফিরবে, ততই মঙ্গল।”

    তিনি বলেন, “নির্বাচনকে অপ্রয়োজনীয় ভাবা ভুল। জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচন না হলে দেশ গণতন্ত্রহীন হয়ে পড়ে। আর সে কারণেই আমরা রাজনৈতিক সংস্কারের বিষয়গুলো সামনে এনেছি। নির্বাচনের সঙ্গে সংস্কার সাংঘর্ষিক নয়, বরং দুটি একসাথে চলতে পারে।”

    এক প্রশ্নের উত্তরে ফখরুল জানান, আওয়ামী লীগ সরকার ‘ফ্যাসিস্ট’ পন্থায় দেশ চালাচ্ছে এবং বিএনপি হচ্ছে সেই শাসনের সবচেয়ে বড় ভিকটিম। তিনি বলেন, “আমার নামে রয়েছে ১১২টি মামলা, আমি ১৩ বার জেলে গিয়েছি। আমাদের নেতা-কর্মীরা গুম, খুন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর দায় সরকারকে নিতে হবে।”

    শেখ হাসিনাকে সরাসরি দায়ী করে ফখরুল বলেন, “আমি মনে করি, শেখ হাসিনা হাজারো মানুষের মৃত্যুর জন্য সরাসরি দায়ী। তার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়েছে এবং যারা গণহত্যা ও নিপীড়নের সঙ্গে যুক্ত, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা উচিত। প্রয়োজনে দলগতভাবে বিচার হওয়াও সময়ের দাবি।”

    তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ আজ মুক্তি চায়, শান্তি চায়, গণতন্ত্র চায়। এ জন্য একটি নির্বাচিত সরকার দরকার, যে সরকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে, জবাবদিহিতার জায়গায় দাঁড়াবে।

  • গণভবনে শেখ হাসিনার পদত্যাগের অনুরোধ, পা ধরে কেঁদে ফেলেন শেখ রেহানা!

    গণভবনে শেখ হাসিনার পদত্যাগের অনুরোধ, পা ধরে কেঁদে ফেলেন শেখ রেহানা!

    এবিএনএ, 

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পা ধরে তাকে পদত্যাগের অনুরোধ করেছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা।

    রোববার (২৫ মে) ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে বিচারকদের সামনে লিখিতভাবে এ তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

    চিফ প্রসিকিউটর আদালতে জুলাই-আগস্ট মাসের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরে বলেন, শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ এবং তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য শেষ মুহূর্তেও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং রক্তপাতের পথ বেছে নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

    তিনি আরও জানান, ৫ আগস্ট শেখ রেহানা গণভবনে শেখ হাসিনার পা ধরে পদত্যাগ করার অনুরোধ করেছিলেন। পরিবারের সদস্যদের অনুরোধের পর তিনি পদত্যাগ করতে রাজি হন।

    আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে চিফ প্রসিকিউটর জোর দিয়ে বলেন, এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আদালতে প্রমাণ করা সম্ভব যে শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। আন্তর্জাতিক মানের বিচার এবং অপরাধ প্রমাণে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য প্রসিকিউশনের কাছে রয়েছে।

    এই চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনটি রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।