Tag: শীতকাল

  • শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: দেশজুড়ে শীত ও কুয়াশার প্রভাব আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে এবং রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা দিতে পারে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারাদেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাসেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন হবে না।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে তৃতীয় দিনে দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা দেখা দিতে পারে। এই সময়ে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে চতুর্থ দিনে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে পঞ্চম দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে এবং রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের পরেও দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা আপাতত নেই।

  • শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ, সেই সঙ্গে সাগরে নিম্নচাপ—কী বলছে আবহাওয়া অফিস?

    শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ, সেই সঙ্গে সাগরে নিম্নচাপ—কী বলছে আবহাওয়া অফিস?

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বর্তমানে দেশের ৪৪টি জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি থেকে তীব্র শীতপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পূর্ব নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগর এলাকায় অবস্থানরত একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে।

    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি আগামী দিনে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। তবে এই মুহূর্তে দেশের কোনো সমুদ্রবন্দর বা উপকূলীয় এলাকার জন্য সতর্কসংকেত জারি করা হয়নি।

    আবহাওয়াবিদরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • শীতের রাতে মোজা পরে ঘুমান? জানুন উপকারের পাশাপাশি লুকিয়ে থাকা ঝুঁকিগুলো

    শীতের রাতে মোজা পরে ঘুমান? জানুন উপকারের পাশাপাশি লুকিয়ে থাকা ঝুঁকিগুলো

    এবিএনএ: শীতের মৌসুম এলেই রাতের বেলা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার সমস্যা বেড়ে যায়। অনেক সময় ভারী লেপ বা কম্বল ব্যবহার করেও পায়ের শীত কমে না। এ কারণে স্বস্তি পেতে অনেকেই ঘুমানোর সময় মোজা পরেন। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, এই অভ্যাসের ভালো-মন্দ দুই দিকই রয়েছে।

    মোজা পরে ঘুমানোর উপকারিতা

    ঘুম দ্রুত আসতে সহায়ক:
    চিকিৎসকদের মতে, পা উষ্ণ থাকলে শরীরের রক্তনালী প্রসারিত হয়, যা মস্তিষ্ককে বিশ্রামের সংকেত দেয়। ফলে অনিদ্রায় ভোগা ব্যক্তিদের ঘুম দ্রুত আসতে পারে।

    পা ফাটা কমায়:
    শীতকালে পায়ের ত্বক শুষ্ক হয়ে ফাটার প্রবণতা বাড়ে। রাতে পায়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে সুতির মোজা পরলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং পা নরম থাকে।

    রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে:
    ঠান্ডায় অনেকের আঙুল অবশ হয়ে যায় বা রঙ পরিবর্তন হয়। মোজা পরলে পায়ে রক্ত চলাচল ঠিক থাকে, ফলে এ ধরনের সমস্যার ঝুঁকি কমে।

    মোজা পরে ঘুমানোর সম্ভাব্য ঝুঁকি

    রক্ত চলাচলে বাধা:
    অতিরিক্ত টাইট মোজা পায়ে চাপ সৃষ্টি করে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এতে ঝিঁঝিঁ ধরা বা ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।

    সংক্রমণের আশঙ্কা:
    সারাদিন ব্যবহৃত বা অপরিষ্কার মোজা পরে ঘুমালে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। সিন্থেটিক মোজায় অতিরিক্ত ঘাম জমে দুর্গন্ধও হতে পারে।

    অতিরিক্ত গরম অনুভূতি:
    বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে মোজা পরে ঘুমালে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

    নিরাপদ থাকতে যা করবেন

    • ঢিলেঢালা সুতির বা নরম উলের মোজা ব্যবহার করুন

    • সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো মোজা পরুন

    • ঘুমানোর আগে পা ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন

    • মোজা অস্বস্তিকর হলে কুসুম গরম পানিতে পা ধোয়া বা গরম পানির ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক নিয়ম মেনে মোজা ব্যবহার করলে শীতে ঘুম হতে পারে আরামদায়ক, তবে অসতর্কতা ডেকে আনতে পারে বিপদ।

  • হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এবিএনএ: দেশজুড়ে চলমান হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন করে দুশ্চিন্তার খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

    ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপথ এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ সময় সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে কুয়াশার প্রভাবে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে।

    বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কুয়াশার প্রকোপ অব্যাহত থাকবে। এ সময় দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়লেও শীতের অনুভূতি পুরোপুরি কমবে না।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পরবর্তী দুই দিন তাপমাত্রা প্রায় স্থির থাকতে পারে। এরপর আবারও শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • রাত বাড়লেই বাড়বে শীতের কামড়, উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশার সতর্কতা

    রাত বাড়লেই বাড়বে শীতের কামড়, উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশার সতর্কতা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে রাতের শীত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা পড়তে পারে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে কোথাও কোথাও ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাব বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি মৌসুমী স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় দেশের আবহাওয়ায় শুষ্কতা বজায় থাকলেও কুয়াশা ও তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটতে পারে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রথম দিন সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমার আশঙ্কা রয়েছে।

    ২৬ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী কয়েক দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা দিতে পারে। কিছু দিনে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও সামগ্রিকভাবে শীতের অনুভূতি বজায় থাকবে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে, ফলে শীতের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • শীতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়! বিশেষজ্ঞরা জানালেন সঠিক গোসলের নিয়ম

    শীতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়! বিশেষজ্ঞরা জানালেন সঠিক গোসলের নিয়ম

    এবিএনএ: শীত এলেই অনেকের মধ্যে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাপমাত্রা কমে গেলে রক্তনালীগুলো সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে এবং রক্তচাপ বেড়ে যায়। তাই শীতের শুরু থেকেই সচেতন না থাকলে ছোট ভুলও বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

    অনেকে শীতে গরম পানি দিয়ে গোসল করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে এটি শরীরের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। দীর্ঘদিন গরম পানি ব্যবহারে ত্বক, হৃদপিণ্ড এমনকি পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

    পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে
    গবেষণায় দেখা গেছে, গরম পানির তাপে টেস্টিকলসের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে শুক্রাণু উৎপাদন কমে যায়। এতে পুরুষদের সন্তান ধারণের ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই চিকিৎসকরা ঠান্ডা বা হালকা কুসুম গরম পানিতে গোসল করার পরামর্শ দেন।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় গরম পানি
    চিকিৎসকদের মতে, প্রচণ্ড ঠান্ডায় সরাসরি গরম পানি ব্যবহার করলে রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। এতে হৃৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

    ত্বকের ক্ষতি ও আর্দ্রতা হ্রাস
    নিয়মিত গরম পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক, খসখসে ও উজ্জ্বলতাহীন। শীতকালে তাই হালকা গরম বা ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করা ত্বকের পক্ষে উপকারী।

    ঠান্ডা পানিতে গোসলের উপকারিতা
    ঠান্ডা পানি শরীরের রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে, মানসিক চাপ কমায় এবং ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। পাশাপাশি এটি শরীরকে সতেজ রাখে ও ঘুমের মান উন্নত করে।

    দুর্গন্ধ রোধে সহজ সমাধান
    অনেকে গরম পানি ব্যবহার করলে বাথরুমে দুর্গন্ধ অনুভব করেন। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, বাথরুমে একটি ছোট ফিটকিরি রাখলে তা বাতাস বিশুদ্ধ করে এবং দুর্গন্ধ শোষণ করে নেয়।

    শীতের এই মৌসুমে তাই একটু সচেতন হলেই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব। হৃদরোগীদের জন্য বিশেষ করে পরামর্শ—শরীর গরম রাখুন, কিন্তু অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।