Tag: শিক্ষার্থী আন্দোলন

  • চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ, সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে তীব্র বিক্ষোভ

    চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ, সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে তীব্র বিক্ষোভ

    এবিএনএ:  চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানির কাছে লিজ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে তড়িঘড়ি করে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী।

    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলন দমাতে প্রশাসনিক বদলি ও দমনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

    সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে কেবল টার্মিনাল অপারেটর নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি কনসেশনিয়ার হিসেবে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরকে কার্যত বিদেশি নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার শামিল। এতে রাজস্ব কমে যাওয়া, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকি রয়েছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

    বক্তারা আরও বলেন, উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়া চুক্তি সম্পাদনের চেষ্টা অস্বচ্ছতা ও কমিশন বাণিজ্যের প্রশ্ন তুলছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরকে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পথ রুদ্ধ করতেই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় লবিস্টদের তৎপরতা চলছে বলে অভিযোগ করা হয়।

    সমাবেশে ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’র নেতারা দাবি করেন, বন্দর ব্যবস্থাপনায় বিকেন্দ্রীকরণ ও দেশীয় অপারেটরদের সক্ষমতা বাড়ালে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। বিদেশি সিন্ডিকেটের হাতে বন্দর তুলে দিলে জাতীয় স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

    বিক্ষোভে সংগঠনের আহ্বায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক মুহিউদ্দিন রাহাতসহ বিভিন্ন নেতাকর্মী ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী-সাধারণ মানুষ অংশ নেন। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণাও দেওয়া হয়।

  • চবিতে সহিংসতার পর ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা

    চবিতে সহিংসতার পর ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা

    এবিএনএ: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের জেরে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

    সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবারের নির্ধারিত সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। তবে আগামী রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে পরীক্ষাগুলো রুটিন অনুযায়ী যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

    পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রমও যথাসময়ে চলবে।

  • উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাকৃবি বন্ধ, শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ

    উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাকৃবি বন্ধ, শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ

    এবিএনএ:  ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। রবিবার (৩১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভার্চ্যুয়াল জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক শিক্ষার্থীকে ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম জানান, জরুরি সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

    এর আগে কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে আন্দোলনরত পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যসহ দুই শতাধিক শিক্ষককে মিলনায়তনে অবরুদ্ধ করে রাখেন। সন্ধ্যায় আলোচনার সময় লাঠিসজ্জিত বহিরাগতরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় এবং পরে অবরুদ্ধ শিক্ষকদের বের করে আনে।

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে ক্যাম্পাসজুড়ে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে।

  • শিবিরের প্রদর্শনীতে রাজাকারদের ছবি! বিতর্কের মুখে ব্যবস্থা নিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

    শিবিরের প্রদর্শনীতে রাজাকারদের ছবি! বিতর্কের মুখে ব্যবস্থা নিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

    এবিএনএ:  জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে টিএসসির পায়রা চত্বরে তিন দিনব্যাপী একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। এই প্রদর্শনীতে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াতের কয়েকজন নেতার ছবি স্থান পায়—যার ফলে ক্যাম্পাসে শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যানারটি সরিয়ে নেয়।

    মঙ্গলবার দুপুরে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত ছবিটি ছড়িয়ে পড়তেই একাধিক শিক্ষার্থী এবং প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠন টিএসসিতে এসে প্রতিবাদ জানায়। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম শিবির নেতাদের সাথে কথা বলে ব্যানারটি সরিয়ে নেন।

    ছবিতে দেখা যায়, ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ড’ শিরোনামে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের—যেমন নিজামী, কাদের মোল্লা, মুজাহিদ, সাঈদী প্রমুখের ছবি টাঙানো হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ছাত্রমৈত্রী ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদসহ মুক্তিযুদ্ধপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতারা।

    ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে একাত্তরের ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা চলছে। প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, তারা ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলন চলবে।”

    গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বলেন, “শিবির ২০২৪ সালের ঘটনাকে সামনে এনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা করছে। এটি ঠেকাতেই হবে।”

    অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই প্রদর্শনী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তারা প্রশাসনের অনুরোধে ছবি সরিয়ে ফেলেছে।

    শিবিরের প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, “একটি মহল বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা করছে। বিষয়টি পরিষ্কার করতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।”

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, শিক্ষার্থীদের আবেগ ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এটি শুধু প্রশাসনিক নয়, আদর্শিক বিষয় বলেও মনে করছে শিক্ষার্থীরা।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও সামনে এসেছে রাজাকারদের পুনর্বাসনের অভিযোগ, এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ বিভাজনের তীব্রতা। প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা না থাকলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

  • বিএনপি-জামায়াতসহ ৪ দলের সঙ্গে রাতে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    বিএনপি-জামায়াতসহ ৪ দলের সঙ্গে রাতে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    এবিএনএ: রাজধানীর রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে দেশের চলমান সংকট ও আন্দোলন নিয়ে আলোচনার জন্য বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার রাত ৯টায় এই বৈঠকটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতের নায়েবে আমীর আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও যুগ্ম-মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।

    সূত্র জানায়, বৈঠকে দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সোমবার রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩১ জন নিহত এবং ১৬৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    এই দুর্ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন মাইলস্টোন কলেজ ও আশপাশের শিক্ষার্থীরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রায় ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন।

    এছাড়াও মাইলস্টোন ও এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সচিবালয়ের গেটে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। গেট ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর গুলিস্তান ও সচিবালয় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে সাধারণ মানুষকেও অংশ নিতে দেখা যায়।

    এই পটভূমিতে দেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পদক্ষেপ নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টার এ বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • সাত কলেজের দায়িত্বে প্রশাসক এলো, ঢাকা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে ফিরলেন এ কে এম ইলিয়াস

    সাত কলেজের দায়িত্বে প্রশাসক এলো, ঢাকা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে ফিরলেন এ কে এম ইলিয়াস

    এবিএনএ: সাত সরকারি কলেজ পরিচালনার জন্য রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক কে এম ইলিয়াসকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাকে এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মূলত সাত কলেজের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে।

    রবিবার (১৮ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী তার অবসরোত্তর ছুটি সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত করে আগামী দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিনি অন্য কোনো সরকারি-বেসরকারি চাকরি বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারবেন না।

    এই প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর আন্দোলনরত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, দাবির অংশ হিসেবে এই নিয়োগ সরকার পূরণ করেছে বলে তারা মনে করছেন।

    সাত কলেজের সমন্বিত কাঠামো এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম ঢাকার ঢাকা কলেজকে কেন্দ্র করে পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসি। এর অংশ হিসেবেই এই নিয়োগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানা যায়।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়টি তাদের মাধ্যমে হলেও পরবর্তী প্রশাসনিক কাজগুলো এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

    উল্লেখ্য, ঢাকা কলেজ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ। এই সাত কলেজে মোট শিক্ষার্থী প্রায় দুই লাখ এবং শিক্ষক সংখ্যা এক হাজারের বেশি।

    এর আগে, সাত কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সরকারের প্রতি ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিল। ইডেন কলেজে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা জানান, দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচি এবং মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের মতো আন্দোলনে যাবে।

    এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে অধ্যক্ষ কে এম ইলিয়াসের নিয়োগকে আন্দোলনের একটি তাৎক্ষণিক সাড়া হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, দাবির পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে না।