Tag: শাহবাগ মামলা

  • রাজধানীতে গ্রেপ্তার সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান, সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় অভিযুক্ত

    রাজধানীতে গ্রেপ্তার সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান, সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় অভিযুক্ত

    এবিএনএ: সাবেক সিনিয়র সচিব এবং এক সময়ের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আবু আলম শহীদ খানকে রাজধানীর রমনা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শাহবাগ থানায় দায়েরকৃত একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে আটক করা হয়।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুপুর ১২টার দিকে অভিযান চালিয়ে আবু আলম শহীদ খানসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে ডিবি সূত্রে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, আবু আলম শহীদ খান ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পর তিনি অবসর নেন।

    তবে কী কারণে এই মামলায় তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বা গ্রেপ্তারের পেছনের নির্দিষ্ট কারণ কী—তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

    এ ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনের গ্রেপ্তার নিয়ে ডেভিড বার্গম্যানের তীব্র সমালোচনা

    লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনের গ্রেপ্তার নিয়ে ডেভিড বার্গম্যানের তীব্র সমালোচনা

    এবিএনএ:  সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান। তিনি বলেন, এটি শুধু অযৌক্তিক পদক্ষেপ নয়, বরং দেশের স্বার্থবিরোধী।

    শুক্রবার (২৯ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়ে বার্গম্যান লিখেছেন, “মঞ্চ ৭১ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে সাবেক মন্ত্রীসহ আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত সরকার না পুলিশ—কেউ নিয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে নিশ্চিতভাবেই এটি দেশের স্বার্থে নেওয়া পদক্ষেপ নয়।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, সভায় যা বলা হয়েছিল বা বলা হতে পারত, তা কিছু মহলের কাছে উসকানিমূলক মনে হতে পারে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ১৬ জন কোনো অপরাধ করেননি, তারা কেবল অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন।

    বার্গম্যানের মতে, সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি সত্যিই দেশকে নতুন পথে এগিয়ে নিতে চায়, তাহলে তাদের বুঝতে হবে—রাজনৈতিক সুবিধার জন্য কাউকে গ্রেপ্তার বা মানবাধিকার হরণ কোনো সমাধান নয়। আওয়ামী লীগের অতীত ভুলগুলোর একটি বড় কারণও ছিল এই ধরনের দমননীতি।

    তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এভাবে নির্বিচারে গ্রেপ্তার কেবল বিচার প্রক্রিয়ার পরিপন্থীই নয়, বরং এটি মব বা বিশৃঙ্খলাকারীদের উৎসাহিত করে। ফলে ভবিষ্যতে একই ধরনের সভা-সমাবেশে বাধা দেওয়া স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়াতে পারে।