Tag: শাহবাগ অবরোধ

  • শিক্ষকদের অনশন কর্মসূচি শুরু, রোববার যমুনা অভিমুখে পদযাত্রার প্রস্তুতি

    শিক্ষকদের অনশন কর্মসূচি শুরু, রোববার যমুনা অভিমুখে পদযাত্রার প্রস্তুতি

    এবিএনএ: তিন দফা দাবিতে টানা ছয় দিন ধরে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন। তারা ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী রোববার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা করবেন।

    শুক্রবার জুমার নামাজের পর শিক্ষকরা শহীদ মিনারের মূল বেদিতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন। তবে কারও নির্দিষ্টভাবে অনশনরত অবস্থান লক্ষ্য করা যায়নি; বরং বৃষ্টির মধ্যেই অনেকে চারপাশে বসে থেকে কর্মসূচিতে অংশ নেন।

    এর আগে সকালে শিক্ষকরা টিএসসি চত্বরে জড়ো হয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সেখানে তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় ফলপ্রসূ কোনো সমাধান না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী জানান,
    “আজ আমাদের পরিকল্পনা ছিল অনশন শুরু করা, আমরা তা করেছি। রোববার আমরা যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা করব।”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সরকার আমাদের দাবিকে তামাশায় পরিণত করেছে। মন্ত্রণালয় আমাদের তিন দফা দাবি স্বীকারের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন মাত্র একটির আংশিক বাস্তবায়নে আগ্রহী। বাকি দুটি দাবি নিয়ে তারা কোনো কথাই বলছে না।”

    শিক্ষক ও কর্মচারীদের তিনটি মূল দাবি হলো—
    ১️⃣ মূল বেতনের ২০ শতাংশ বা ন্যূনতম তিন হাজার টাকা বাড়িভাড়া বৃদ্ধি,
    ২️⃣ শিক্ষক ও কর্মচারী উভয়ের জন্য ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা,
    ৩️⃣ কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদান।

    গত ১২ অক্টোবর থেকে তারা এই দাবিতে আন্দোলনে নেমে পুলিশের লাঠিচার্জের শিকার হন। এরপর থেকে শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং গত বুধবার আড়াই ঘণ্টা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন।

    বৃহস্পতিবার শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারের সঙ্গে তাদের বৈঠক হলেও কোনো সমাধান আসেনি। সেখানে সরকার পক্ষ থেকে মাত্র ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়, যা শিক্ষকরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।


    চলমান এই অনশন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শিক্ষকেরা সরকারের কাছে তাদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এখন সবার দৃষ্টি রোববারের যমুনা অভিমুখে তাদের পদযাত্রার দিকে।

  • রেলভবনে বৈঠকে তিন উপদেষ্টা, আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি পুনর্ব্যক্ত

    রেলভবনে বৈঠকে তিন উপদেষ্টা, আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি পুনর্ব্যক্ত

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের তিন উপদেষ্টা আজ বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে রেলভবনে আন্দোলনরত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের ১১ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

    তবে বৈঠকের সমান্তরাল সময়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সড়ক থেকে সরে যাবেন না।

    এর আগে দুপুরে সরকার প্রকৌশল পেশায় বিএসসি ডিগ্রিধারীদের দাবি যাচাই ও সুপারিশ তৈরির জন্য আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সেই কমিটি প্রত্যাখ্যান করে নতুন করে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন।

    শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি হলো:
    ১. স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ ও জবাবদিহি করতে হবে।
    ২. গঠিত কমিটি বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমন্বিত নতুন কমিটি গঠন করতে হবে। পূর্বে ঘোষিত তিন দফা দাবি দ্রুত নির্বাহী আদেশে কার্যকর করতে হবে। এ বিষয়ে তিন উপদেষ্টা—ড. ফাওজুল কবির খান, আদিলুর রহমান খান ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে নিশ্চয়তা দিতে হবে।
    ৩. হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা খরচ সরকারকে বহন করতে হবে এবং আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
    ৪. রোকনের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে চাকরি থেকে বহিষ্কার করতে হবে।
    ৫. শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে হামলার দায়ে ডিসি মাসুদকে পদচ্যুত করতে হবে।

    এর আগে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে—
    ১. ইঞ্জিনিয়ারিং বা নবম গ্রেডে প্রবেশের ক্ষেত্রে সকলকে সমান পরীক্ষা দিতে হবে; কোটার মাধ্যমে পদোন্নতি বা সমমানের পদ সৃজন করা যাবে না।
    ২. টেকনিক্যাল দশম গ্রেডে পদ পূরণে বিএসসি ও ডিপ্লোমাধারীদের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
    ৩. বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ছাড়া কেউ প্রকৌশলী পরিচয়ে কাজ করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

    বর্তমানে শাহবাগ মোড়ে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সড়ক না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

  • শাহবাগে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের কমিটি প্রত্যাখ্যান

    শাহবাগে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের কমিটি প্রত্যাখ্যান

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত ‘নিরীক্ষা কমিটি’ প্রত্যাখ্যান করে পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেছে বুয়েটসহ দেশের প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা। বুধবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে শাহবাগের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের এক্সিট গেটের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি ঘোষণা করেন বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ। পরে তারা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিলে আশপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    সংবাদ সম্মেলনে জুবায়ের আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর আজকের হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে দুঃখ প্রকাশ করে জবাবদিহি করতে হবে। একই সঙ্গে হামলায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঘোষিত কমিটি শিক্ষার্থীরা প্রত্যাখ্যান করছে। তার পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি নতুন কমিটি দ্রুত গঠন করতে হবে।

    তিনি দাবি করেন, পূর্বে ঘোষিত তিন দফা দাবি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে হবে। এ ছাড়া উপদেষ্টা ড. ফাওজুল কবির খান, আদিলুর রহমান খান ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে এসে শিক্ষার্থীদের নিশ্চয়তা দিতে হবে। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করা এবং আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, পুলিশের হামলায় অন্তত ৬০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এর আগে সকালে ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা শাহবাগে অবস্থান নেন। দুপুরে যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।

    বর্তমানে শাহবাগ মোড়ে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মনসুর জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের অবস্থানের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিকল্প হিসেবে কাঁটাবন, মৎস্য ভবন ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে নতুন রুট চালু করা হয়েছে।

  • তিন দফা দাবিতে শাহবাগ অবরোধ: সমাধান না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের

    তিন দফা দাবিতে শাহবাগ অবরোধ: সমাধান না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের

    এবিএনএ:  তিন দফা দাবির বাস্তবায়নের দাবিতে শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভ করেছে প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে শুরু হওয়া এ অবরোধে তারা জানান, রাত ৮টার মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার সমস্যার সমাধানে না বসলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নামের আগে “প্রকৌশলী” উপাধি ব্যবহার না করা, তাদের কাউকে নবম গ্রেডে পদোন্নতি না দেওয়া এবং দশম গ্রেডের চাকরিতে শুধুমাত্র স্নাতক প্রকৌশলীদের নিয়োগ নিশ্চিত করা।

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) বিভিন্ন বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এ কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

    অবরোধ চলাকালে প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের সহ-সভাপতি শাকিল আহমেদ বলেন, “ছয় মাস ধরে আমাদের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু সরকারের উদাসীনতার কারণে আজ রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। রাত ৮টার মধ্যে সমাধান চাই, নইলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেব।”

    সংগঠনের সভাপতি ওয়ালি উল্লাহ অভিযোগ করেন, সরকার দিনের পর দিন সচিবালয়ে থেকেও আলোচনায় বসেনি, যার ফলে শিক্ষার্থীরা শাহবাগ অবরোধে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

    এ সময় আরও জানানো হয়, রংপুরে প্রকৌশলী রোকনকে আটক রেখে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

    অবরোধের কারণে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। অফিস শেষে ঘরমুখী মানুষকে দীর্ঘ সময় ভোগান্তি পোহাতে হয়।

  • ষড়যন্ত্র হলে রাজপথেই জবাব দেবে বিএনপি: স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি

    ষড়যন্ত্র হলে রাজপথেই জবাব দেবে বিএনপি: স্বেচ্ছাসেবক দলের হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ:  রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এবং ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে রাজপথে সরব হয়ে উঠেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে দলটির নেতারা হুঁশিয়ারি দেন—বিএনপি ও তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে যে কোনো ষড়যন্ত্র রাজপথেই প্রতিহত করা হবে।

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল সমাবেশে বলেন, “সন্ত্রাস ও খুনের কোনো দল বা আদর্শ থাকে না। মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আগে নিজের মুখ আয়নায় দেখুন, তারপর অন্যের দিকে আঙুল তুলুন।”

    তিনি আরও বলেন, “যদি কোনো মহল বিএনপি ও তার নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, তবে সে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে রাজপথেই। আমাদের ধৈর্যের সীমা পরীক্ষা করবেন না। ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।”

    সমাবেশ শেষে বিকেল ৫টায় নয়াপল্টন থেকে মিছিল শুরু হয়ে কাকরাইল, মৎস্য ভবন হয়ে শাহবাগ মোড় গিয়ে শেষ হয়। সেখানেই সোয়া ৬টার দিকে ১৫ মিনিটের অবস্থান কর্মসূচি পালন করে স্বেচ্ছাসেবক দল। এর ফলে শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট।

    বিক্ষোভে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন ও পতাকা নিয়ে অংশ নেন। বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে তাঁরা স্লোগানে স্লোগানে গর্জে ওঠেন।

    সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এস এম জিলানী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান। বক্তব্য দেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান ও ফখরুল ইসলাম রবিন।

    বক্তারা সরকারের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র’ ও ‘প্রশাসনিক সহায়তায় বিরোধী দল দমন’ করার অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলনের প্রস্তুতির আহ্বান জানান।