Tag: শাপলা প্রতীক

  • নৌকা প্রতীক স্থগিত, নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করলো নতুন ১১৫ প্রতীকের তালিকা

    নৌকা প্রতীক স্থগিত, নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করলো নতুন ১১৫ প্রতীকের তালিকা

    এবিএনএ: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) নৌকা প্রতীক স্থগিত রেখে নতুন করে ১১৫টি প্রতীকের তালিকা প্রকাশ করেছে। বুধবার কমিশনের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। তবে আলোচিত শাপলা প্রতীক এবার তালিকায় রাখা হয়নি।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (প্রেসিডেন্স অর্ডার নং ১৫৫ অব ১৯৭২) এর আর্টিকেল ৯৪ অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এ সংশোধনী এনে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নৌকা প্রতীক স্থগিত রেখে পুরনো দাঁড়িপাল্লা প্রতীক আবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    প্রকাশিত প্রতীকের তালিকায় রয়েছে—আপেল, আনারস, কোদাল, টেবিল ঘড়ি, ফ্রিজ, মোড়া, খাট, ট্রাক, মোরগ, আম, খেজুর গাছ, টেলিফোন, বাঘ, আলমিরা, রকেট, গরুর গাড়ি, টেলিভিশন, বই, ঈগল, রিকশা, গাভী, ডাব, বটগাছ, লাউ, উটপাখি, গামছা, ঢেঁকি, বাঁশি, লিচু, উদীয়মান সূর্য, গোলাপ ফুল, তবলা, বেঞ্চ, লাঙ্গল, একতারা, ঘণ্টা, তরমুজ, বেগুন, শঙ্খ, কাঁচি, ঘুড়ি, তারা, বাইসাইকেল, সোনালী আঁশ, কবুতর, ঘোড়া, থালা, বালতি ও সেলাই মেশিন।

    এছাড়া রয়েছে—কলম, চাকা, দাঁড়িপাল্লা, বেলুন, সোফা, কলস, চার্জার লাইট, দালান, বৈদ্যুতিক পাখা, সিংহ, কলার ছড়ি, চাবি, দেওয়াল ঘড়ি, স্যুটকেস, কাঁঠাল, চিংড়ি, দোয়াত-কলম, মগ, হরিণ, কাপ-পিরিচ, চেয়ার, দোলনা, মাইক, পাঞ্জা (হাত), কাস্তে, কেটলি, চশমা, ধানের শীষ, মোটরগাড়ি, হাতঘড়ি, ছড়ি, নোঙ্গর, মশাল, হাতপাখা, কুমির, ছাতা, ময়ূর, হাঁস, কম্পিউটার, জগ, প্রজাপতি, মাছ, হাতি, কলা, জাহাজ, ফুটবল, মাথাল, হাতুড়ি, কুড়াল, টিউবওয়েল, ফুলকপি, মিনার, হারিকেন, কুলা, কুঁড়েঘর, টিফিন ক্যারিয়ার, ফুলের টব, মোমবাতি, হুঁকা, টেবিল, ফুলের মালা, মোবাইল ফোন এবং হেলিকপ্টার।

    এবারের প্রতীক তালিকায় শাপলা প্রতীক বাদ পড়লেও অন্যান্য জনপ্রিয় প্রতীক যুক্ত থাকায় আসন্ন নির্বাচনে স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থীদের জন্য বিকল্প অনেক প্রতীক উন্মুক্ত থাকছে।

  • জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ আসনের স্বপ্ন দেখছে এনসিপি, বিএনপিকে সীমিত আসনের পূর্বাভাস দিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ আসনের স্বপ্ন দেখছে এনসিপি, বিএনপিকে সীমিত আসনের পূর্বাভাস দিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    এবিএনএ:  জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫০ আসন পাবে বলে আত্মবিশ্বাসী মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার দাবি, বিএনপি সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ আসনের বেশি পাবে না।

    সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ মন্তব্য করেন তিনি।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, নিবন্ধন, প্রতীক ও প্রবাসী ভোটাধিকার নিয়ে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আশা করছি, নির্বাচন কমিশন আমাদের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে এবং শিগগির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।

    তিনি দৃঢ় কণ্ঠে জানান, “শাপলা প্রতীক আমাদের পরিচয়, সাদা শাপলা, লাল শাপলা—এ তিনটি প্রতীক নিয়েই নিবন্ধন চাই। এর বাইরে অন্যকিছু মানা হবে না। ষড়যন্ত্র চলছে, তবে ইসি আমাদের দাবি না মানলে কিভাবে আদায় করতে হয় তা আমরা জানি।”

    এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক আরও বলেন, জেলায় জেলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা, জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী নারী, কৃষক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন আন্দোলনের কর্মীরা এনসিপির প্রার্থী হবেন। এ নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা চলছে।

    রাজনীতির মাঠে এনসিপির এমন আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা আসন্ন নির্বাচনে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • “শাপলা নিষিদ্ধ হলে ধানের শীষও অবৈধ”— নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ সারজিস আলমের!

    “শাপলা নিষিদ্ধ হলে ধানের শীষও অবৈধ”— নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ সারজিস আলমের!

    এবিএনএ: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম নির্বাচন কমিশনের প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছেন, যদি শাপলা প্রতীক হিসেবে অনুমোদন না পায়, তবে ধানের শীষ প্রতীককেও অবৈধ ঘোষণা করতে হবে।

    বুধবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম বলেন, “শাপলা জাতীয় প্রতীক নয়, বরং জাতীয় প্রতীকের অংশ। একইভাবে ধানের শীষ, পাটপাতা কিংবা তারা—এসবও জাতীয় প্রতীকের অংশ। যদি একটিকে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে বাতিল করা হয়, তাহলে অন্যগুলোকে বৈধ রাখা যায় না।”

    তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ফুল হিসেবে শাপলার প্রতীক হতে কোনো আইনগত বাধা নেই। কারণ, জাতীয় ফল কাঁঠাল ইতোমধ্যেই একটি মার্কা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যদি মার্কা দেখেই ভয় পান, তাহলে সেটা আগেই বলে দিন!”

    এনসিপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে দলের নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল, যেখানে সম্ভাব্য প্রতীক হিসেবে শাপলা ছাড়াও আরও দুটি প্রতীকের নাম প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নীতিগতভাবে শাপলাকে তপশিলভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে এটি প্রতীক হিসেবে অনুমোদিত নয়।

    সারজিস আলমের বক্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর পোস্ট ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে যেসব দল দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় প্রতীকের অংশবিশেষকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।