Tag: শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা, সূর্যাস্তের আগেই নিবেদন

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা, সূর্যাস্তের আগেই নিবেদন

    এবিএনএ: মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে যাত্রা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেলে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে তিনি সাভারের পথে রওনা হন।

    তবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগেই বেদিতে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক। সময়স্বল্পতার কারণে তারেক রহমান স্বশরীরে সেখানে পৌঁছাতে না পারায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে তার পক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তারেক রহমানের প্রতিনিধিত্বে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায় ও ড. আব্দুল মঈন খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও লুৎফুজ্জামান বাবর অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, আইয়ুব খান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

  • বিজয়ের ৫৪ বছরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা, নীরবতায় স্মরণ শহীদদের আত্মত্যাগ

    বিজয়ের ৫৪ বছরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা, নীরবতায় স্মরণ শহীদদের আত্মত্যাগ

    এবিএনএ: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ৫৪তম বিজয় দিবসের সকালে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করেন।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত হয়ে বীর শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

    এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন প্রদান করে। পরে রাষ্ট্রপতি উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

    মহান বিজয় দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়। ঢাকার পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি আর্টিলারি রেজিমেন্টের ছয়টি গান থেকে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সালাম জানানো হয়।

    প্রতি বছরের মতো এবারও সারাদেশে যথাযথ মর্যাদা, গাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হচ্ছে, যা জাতির ইতিহাস ও আত্মত্যাগের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে।