Tag: শরিফ ওসমান হাদি

  • খুনিদের ধরতে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিল ইনকিলাব মঞ্চ, শাহবাগে আবারও কর্মসূচি

    খুনিদের ধরতে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিল ইনকিলাব মঞ্চ, শাহবাগে আবারও কর্মসূচি

    এবিএনএ: শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। একই সঙ্গে হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সে বিষয়ে জনগণের সামনে স্বচ্ছ জবাবদিহির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

    শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের এ আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন। এর আগে দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি বলেন, হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রত্যক্ষ ঘাতক থেকে শুরু করে পরিকল্পনাকারী ও সহায়তাকারী—সবার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    তিনি জানান, আগামী রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় শাহবাগে আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও সহকারী উপদেষ্টাকে জনগণের সামনে এসে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা না হলে তাদের পদত্যাগ দাবি করা হবে।

    আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, “এটি কোনো একক ব্যক্তির কাজ নয়। এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়। আমরা কাউকে অন্ধভাবে দোষারোপ করছি না, আবার কাউকে সন্দেহের ঊর্ধ্বেও রাখছি না।”

    তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদির রাজনৈতিক সংগ্রাম কেবল একটি দলের জন্য নয়, বরং বিভিন্ন মহলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিল। তাই এই হত্যাকাণ্ডকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    তিনি আরও বলেন, হত্যার ১৭২ ঘণ্টা পার হলেও রাষ্ট্র এখনো জানাতে পারেনি—খুনিরা কোথায়। “ওসমান হাদির রক্তের বিনিময়ে আমরা ঘোষণা করছি—খুনিদের সঙ্গে কোনো আপস নেই। যারা গণমাধ্যমে বা টকশোতে এই হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করবে, জনগণ তাদের প্রতিহত করবে।”

    নির্বাচন সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, নির্বাচন বানচাল করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক শক্তিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করতেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    বিক্ষোভ চলাকালে জনগণকে শান্ত থাকার এবং ভাঙচুরে না জড়ানোর আহ্বান জানান ইনকিলাব মঞ্চের এই নেতা।

    এদিকে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শাহবাগ এলাকায় নেয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, এপিবিএন ও বিজিবির বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়। প্রস্তুত রাখা হয় জলকামান ও এপিসি। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে মিন্টো রোডমুখী সড়ক সাময়িকভাবে ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ রাখা হয়।

    এর আগে শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়। জানাজা ও দাফনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • চট্টগ্রামে ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা 

    চট্টগ্রামে ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা 

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: সারাদেশের মত চট্টগ্রামেও অনুষ্ঠিত হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে বিকেল চারটায় চট্টগ্রামের সর্বস্থরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে এ জানাজা অনুষ্ঠিতহয়। জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাসহ বিপুলসংখ্যক মুসল্লি এ জানাজায় অংশ নেয়। জানাজা শেষে মিছিল নিয়ে নগরের নিউ মার্কেট মোড়ে গিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়।

    জানাজা পূর্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাবেক সমন্বয়ক জুবায়েরুল ইসলাম মানিক, ইবনে ওমর যায়েদ ও চট্টগ্রাম জুলাই ঐক্যের আহ্বায়ক ইবনে হাসান জিয়াদ।​

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ইবনে ওমর যায়েদ বলেন, আজকের এই জানাজা থেকে আমরা একটি বার্তা দিতে চাই। আমাদের হাদি ভাইয়ের লড়াই ছিল সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে। আমাদের হাদি ভাইয়ের লড়াই ছিল ইনসাফের পক্ষে। আমাদের হাদি ভাইয়ের লড়াই ছিল ইনকিলাবের পক্ষে। আমরা বলতে চাই—ইনসাফের লড়াই, ইনকিলাবের লড়াই। আমরা ফ্যাসিবাদী সরকারকে বিদায় করেছি। সুতরাং কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তি যদি বাংলাদেশকে নেক্সট টার্গেট করতে চায়, বাংলাদেশকে বাইরে ঠেলে দিতে—তাহলে বাংলার জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের প্রতিরোধ করবে, ইনশাআল্লাহ।

    জানাজায় ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন কল্পোলোক আবাসিক জামে মসজিদের খতিব ইমরানুল হক সায়েম

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়​
    শনিবার (২০ ডিসেম্বর) জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)র উদ্যোগে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. আবদুল কাদের।​

    জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অধ্যাপক মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমরা ওসমান হাদির মতো কোনো সন্তানকে হারাতে চাই না। আমরা জীবনের বৃত্ত পূরণ করে ফেলেছি, আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও আল্লাহ যেন এই সন্তানগুলোকে বাঁচিয়ে রাখেন। ওসমান হাদি আমাদের দেখিয়ে গেছেন, কীভাবে স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ন্যায় ও নীতির পথে চলতে হয় এবং কীভাবে দেশের জন্য আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়।’

    চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, ‘মাত্র ৩২ বছর বয়সে আমাদের ভাই ওসমান হাদি বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এত অল্প বয়সে এমন প্রভাব বিস্তার কেউ করতে পারেনি। তিনি যেমন প্রকৃত শত্রু চিনতে পেরেছিলেন, তেমনি তার শত্রুরাও একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিককে চিনতে পেরেছিল।’

    চাকসুর সাধারণ সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিবের সঞ্চালনায় জানাজায় উপস্থিত ছিলেন দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোজাম্মেল হক, চবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, চাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনিসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

  • হাদি হত্যার বিচার দাবীতে চট্টগ্রামে ‘কফিন মিছিল’ 

    হাদি হত্যার বিচার দাবীতে চট্টগ্রামে ‘কফিন মিছিল’ 

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার ও প্রতিবাদে শুক্রবারের দুপুরটা বিক্ষোভে উত্তাল ছিল চট্টগ্রাম নগরী। ‘জুলাই ঐক্যের’ ব্যানারে দুপুরে নামাযের পর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ থেকে কফিন মিছিল করা হয়। যেখানে গেল বছরের জুলাই-অগাস্ট মাসের আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সংগঠনও অংশগ্রহণ করে। জুলাই ঐক্যের ব্যানারে জাতীয় পতাকা মোড়ানো প্রতিকী কফিন নিয়ে আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ থেকে বের হওয়া মিছিলটি জামালখান মোড়ে গিয়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

    বক্তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলমের পদত্যাগ, ওসমান হাদির খুনিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবির পাশাপাশি ভারতীয় আধিপত্যবাদমুক্ত দেশ গড়ার কথা বলেন। সমাবেশে জুলাই ঐক্যের সংগঠক আবরার হাসান রিয়াদের সঞ্চালনায় বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ইবনে হাসান জিয়াদ বলেন, ওসমান হাদি হত্যার দায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এড়াতে পারে না। হত্যাকারীদের জীবিত বা মৃত দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।

    জমিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদ থেকে মিছিল বের করে ইসলামী ছাত্র শিবির।
    মব ট্যাগ দিয়ে যারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিয়েছেন, তাদের বিচার দাবি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব তৌসিফ ইমরোজ।

    গণঅধিকার পরিষদের নেতা জসীম উদ্দিন বলেন, অতীতের যেকোনো সরকারের চেয়ে সবচেয়ে বেশি জনসর্থন নিয়ে ইন্টেরিম সরকার গঠিত হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে তারাই সবচেয়ে ব্যর্থ সরকার। সমাবেশে বক্তরা জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর কোনো হামলা হলে দলমত ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, হাদির স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ধৈর্য্যসহ আন্দোলন চালিয়ে নিতে হবে। কোনো ধরনের উস্কানিতে পা দেওয়া যাবে না।

    সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুবশক্তির নেতা টিপু সুলতান, জুলাই আন্দোলনে নিহত মাহবুবর রহমানের ভাই মঞ্জুর আলমসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
    এদিকে জমিয়াতুল ফালাহ জামে মসজিদ থেকে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিল দেওয়ান হাট মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

  • বিদ্রোহী কবির চিরনিদ্রার পাশে বিপ্লবীর শেষ ঠিকানা: নজরুলের সমাধিতে শায়িত শহীদ হাদি

    বিদ্রোহী কবির চিরনিদ্রার পাশে বিপ্লবীর শেষ ঠিকানা: নজরুলের সমাধিতে শায়িত শহীদ হাদি

    এবিএনএ: লাখো মানুষের ভালোবাসা ও অশ্রুসিক্ত বিদায়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন জুলাই বিপ্লবের শহীদ নেতা শরিফ ওসমান বিন হাদি। শনিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন নজরুল সমাধি প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হয়।

    দাফন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদ, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্রসংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    শহীদ হাদির দাফনকে কেন্দ্র করে নজরুল ইসলাম সমাধি কমপ্লেক্স ও আশপাশের পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় রাখা হয়। টিএসসি, কেন্দ্রীয় মসজিদ ও সমাধির প্রধান ফটকের সামনে ব্যারিকেড বসানো হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রীয় মসজিদের একাধিক ফটক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

    এর আগে শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা এবং সর্বস্তরের জনগণ।

    জানাজার আগে বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শহীদ হাদির আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। তার ভাই আবু বকর সিদ্দিকও আবেগঘন কণ্ঠে হাদির সংগ্রামী জীবনের কথা তুলে ধরে দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।

    জানাজায় অংশ নিতে সকাল থেকেই সংসদ ভবন এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। অনেক মানুষ ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবস্থান নিয়েই জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

    এর আগে সকালে ময়নাতদন্ত শেষে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে হাদির মরদেহ নেওয়া হয়। সেখানে শেষ গোসল সম্পন্ন করে সংসদ ভবনে জানাজার জন্য পাঠানো হয়।

    শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শনিবার সারাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের সব সরকারি ও আধা-সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।

    ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সম্মুখ সারির নেতা ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। তিনি আধিপত্যবাদবিরোধী সংগঠন ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর মুখপাত্র এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।

    গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে নির্বাচনী প্রচারণাকালে দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। শুক্রবার তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

  • হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল শাহবাগ, ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে ছাত্র-জনতা

    হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল শাহবাগ, ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে ছাত্র-জনতা

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্র-জনতা দলে দলে শাহবাগে এসে জড়ো হতে থাকেন।

    সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। কেউ মিছিল নিয়ে, আবার কেউ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেখানে পৌঁছান। হাতে জাতীয় ও প্রতিবাদী পতাকা, মুখে উচ্চারিত হচ্ছে স্লোগান—হাদির হত্যার বিচার চাই, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান।

    শনির আখড়া এলাকা থেকে আসা মাদ্রাসাছাত্র আশফাকুর রহমান বলেন, শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও সাহসী কণ্ঠস্বর। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। প্রতিবাদ জানাতে আর ঘরে বসে থাকতে পারিনি।

    রামপুরা থেকে আসা ইমরুল কায়েস জানান, হাদির মৃত্যুর খবর গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, এই শোককে শক্তিতে পরিণত করে হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ শুরু হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের মাত্রা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

  • বিক্ষোভ-অগ্নিসংযোগে থমথমে ধানমন্ডি ৩২ এলাকা

    বিক্ষোভ-অগ্নিসংযোগে থমথমে ধানমন্ডি ৩২ এলাকা

    এবিএনএ:  ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকাতেও বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই আন্দোলনকারীরা ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা ওই এলাকার একটি ভবনের ভেতরে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

    বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কয়েকশ বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ওই এলাকায় সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেয়। এতে আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিছু বিক্ষোভকারী ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে অগ্নিসংযোগ করে এবং বাইরে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। এদিকে হাদির মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও মিছিল ও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

    সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় আন্দোলনকারীদের অবস্থান অব্যাহত ছিল।

  • সিঙ্গাপুরে জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে শরিফ ওসমান হাদি, অবস্থা চরম সংকটাপন্ন

    সিঙ্গাপুরে জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে শরিফ ওসমান হাদি, অবস্থা চরম সংকটাপন্ন

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।

    বুধবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরিফ ওসমান হাদিকে দেখতে যান।

    রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় তিনি হাদির চিকিৎসা কার্যক্রম ও বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং জানান, তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদির দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও প্রার্থনার অনুরোধ জানিয়েছেন।

    এর আগে, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলযোগে আসা দুই যুবক শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়।

    পরবর্তীতে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।

  • হাদিকে গুলির ঘটনায় নতুন মোড়, ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক হান্নান ৩ দিনের রিমান্ডে

    হাদিকে গুলির ঘটনায় নতুন মোড়, ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক হান্নান ৩ দিনের রিমান্ডে

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক মো. আব্দুল হান্নানকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত রোববার সন্ধ্যায় এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এর আগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে হান্নানকে আদালতে হাজির করা হয়। প্রাথমিকভাবে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হলেও পরবর্তীতে তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড অনুমোদন দেন।

    মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২৪ মিনিটে রাজধানীর পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

    ঘটনার পর আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় চলার সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

    সিসিটিভি সূত্র ধরে র‍্যাব-২ হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর শনাক্ত করে। পরে বিআরটিএর তথ্য যাচাই করে ওই মোটরসাইকেলের মালিক হিসেবে মো. আব্দুল হান্নানের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।

  • জীবন রক্ষায় ১১ দফা চিকিৎসা সিদ্ধান্ত, হাদিকে ঘিরে বিশেষ মেডিকেল বোর্ডের কঠোর নজরদারি

    জীবন রক্ষায় ১১ দফা চিকিৎসা সিদ্ধান্ত, হাদিকে ঘিরে বিশেষ মেডিকেল বোর্ডের কঠোর নজরদারি

    এবিএনএ: রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় থাকা ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশেষ মেডিকেল বোর্ড। মাথায় গুলিবিদ্ধ এই রাজনীতিকের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল থাকলেও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    শনিবার এক বিবৃতিতে হাসপাতালের আইসিইউ ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও সমন্বয়ক ডা. মো. জাফর ইকবাল জানান, বিভিন্ন বিভাগের ১৫ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড হাদির চিকিৎসা নিয়ে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    বিবৃতিতে জানানো হয়, শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। অস্ত্রোপচার পরবর্তী জটিলতা মোকাবিলায় এখন কনজারভেটিভ চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

    চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, হাদির মস্তিষ্কে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে এবং ব্রেন সুরক্ষায় নির্দিষ্ট প্রটোকল অনুযায়ী চিকিৎসা চলছে। ফুসফুসে আঘাত থাকায় ভেন্টিলেটর ও চেস্ট ড্রেইনের সহায়তা অব্যাহত রাখা হয়েছে, যাতে সংক্রমণ বা এআরডিএসের ঝুঁকি না বাড়ে।

    এ ছাড়া কিডনির কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে তরল ব্যবস্থাপনা, রক্ত জমাট ও রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত সঞ্চালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্রেন স্টেমে আঘাতের কারণে হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ ওঠানামা করায় বিশেষ সাপোর্ট ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    মেডিকেল বোর্ড জানায়, রোগীর সামগ্রিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। পরিবারকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়েছে এবং তারাই গণমাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য জানাতে পারবেন। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অপ্রয়োজনে ভিড় না করা, গুজব বা ভুল তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

    চিকিৎসকরা বলেন, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে হাদির চিকিৎসা চালানো হচ্ছে। তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন মেডিকেল বোর্ড ও পরিবারের সদস্যরা।

  • গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদির জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, উন্নত চিকিৎসায় এভারকেয়ারে স্থানান্তর

    গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদির জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন, উন্নত চিকিৎসায় এভারকেয়ারে স্থানান্তর

    এবিএনএ: গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির প্রাথমিক অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাঁর মাথা, বুকে ও পায়ের আঘাতের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, হাদির মাথায় বুলেটবিদ্ধ ক্ষত রয়েছে, পাশাপাশি বুকেও আঘাত পাওয়া গেছে। পায়ের চোটটি রিকশা থেকে পড়ে যাওয়ার কারণে হতে পারে বলে ধারণা করছেন চিকিৎসকরা।

    তিনি আরও জানান, পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাদিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। প্রথমে তাঁকে সিএমএইচে নেওয়ার কথা থাকলেও পরিবার পরে মত বদলে এভারকেয়ারকেই চূড়ান্ত করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আগেই প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

    এর আগে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে বিজয়নগর কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় চলার সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত হাদির ওপর গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলি তাঁর বাম কানের নিচে বিদ্ধ হয়। আহত অবস্থায় সহকর্মীরা তাঁকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন, যেখানে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করা হয়।