Tag: শরিফুল ইসলাম

  • শেষ বলেই ইতিহাস! শান্তকে ফিরিয়ে বিপিএলে নতুন রেকর্ড গড়লেন শরিফুল

    শেষ বলেই ইতিহাস! শান্তকে ফিরিয়ে বিপিএলে নতুন রেকর্ড গড়লেন শরিফুল

    এবিএনএ: একটি উইকেটই ছিল কাঙ্ক্ষিত, আর সেটি এলো ইনিংসের একেবারে শেষ বলে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে ফিরতি ক্যাচে আউট করে বিপিএলের ইতিহাসে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখালেন শরিফুল ইসলাম।

    চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই পেসার বিপিএলের চলতি আসরে শিকার করলেন ২৬টি উইকেট, যা এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার নতুন রেকর্ড। ১২ ম্যাচে এই কীর্তি গড়ে তিনি ছাড়িয়ে গেলেন গত মৌসুমে তাসকিন আহমেদের করা ২৫ উইকেটের রেকর্ড।

    শুক্রবারের ফাইনালের আগে তাসকিনের রেকর্ড ছুঁতে শরিফুলের প্রয়োজন ছিল মাত্র এক উইকেট। শেষ ম্যাচে দুটি উইকেট নিয়ে তিনি কেবল রেকর্ড স্পর্শই করেননি, বরং জাতীয় দলের সতীর্থকে পেছনে ফেলে এককভাবে শীর্ষে উঠে যান।

    এই আসরে শরিফুল মোট ২৬৯ বল করে দিয়েছেন ২৬২ রান। তার সেরা বোলিং ফিগার ছিল ৯ রানে ৫ উইকেট। পুরো টুর্নামেন্টে ১০.০৭ গড়ে ও ৫.৮৪ ইকোনমি রেটে বোলিং করে নজর কাড়েন এই বাঁহাতি পেসার।

    নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ম্যাচেই তার ক্যারিয়ারসেরা পারফরম্যান্স দেখা যায়। একই দলের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে পান দুটি উইকেট। পুরো আসরে কেবল রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে একটি ম্যাচে উইকেটশূন্য ছিলেন তিনি। তিন উইকেট নিয়েছেন তিনবার এবং দুই উইকেট নিয়েছেন চার ম্যাচে।

    সব মিলিয়ে, এবারের বিপিএলে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির স্বীকৃতি পাচ্ছেন শরিফুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিলেট টাইটান্সের নাসুম আহমেদ, যার উইকেট সংখ্যা ১৮।

  • এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই পরিবর্তন নিয়ে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    এবিএনএ:  এশিয়া কাপে আফগানিস্তানকে হারিয়ে সুপার ফোরে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই পর্বে লাল-সবুজের প্রথম প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। শনিবার অনুষ্ঠিত ম্যাচের টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অধিনায়ক লিটন দাস।

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। জায়গা পাননি উইকেটকিপার ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান ও লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। পরিবর্তে দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান ও বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছে। দলের হয়ে খেলছেন দুনিথ ভেল্লালাগে, যিনি আফগানিস্তান ম্যাচ শেষে বাবার মৃত্যুর সংবাদ পান।

    টস-পরবর্তী মন্তব্যে লিটন দাস বলেন, “প্রথম রাউন্ডে দেখেছি, যে দল পরে ব্যাট করেছে তারাই জিতেছে। তাই ফিল্ডিং নেওয়াই সঠিক মনে হয়েছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী এবং সবাই দারুণ করছে।”

    শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা জানান, “টসে জিতলে আমরাও ফিল্ডিং নিতাম। তবে এখন ব্যাটিং করতে হচ্ছে। উইকেট কিছুটা ব্যবহৃত, তবে ব্যাটিংয়ের জন্য সুবিধাজনক হবে।”

    বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী, শামীম হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ।

    শ্রীলঙ্কা একাদশ: পাথুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কামিল মিশারা, কুশল পেরেরা, চারিথ আসালাঙ্কা, কামিন্দু মেন্ডিস, দাসুন শানাকা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুশমন্ত চামিরা, নুয়ান থুসারা, দুনিথ ভেল্লালাগে।

  • পাকিস্তানকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ

    এবিএনএ: মিরপুরে আয়োজিত দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১৩৩ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। মনে হচ্ছিল, জয়ের পথটা সহজ হবে। কিন্তু সেই সহজ লক্ষ্যও কঠিন হয়ে দাঁড়ায় ফাহিম আশরাফের একক প্রতিরোধে। শেষ পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৮ রানের জয় পায় লাল-সবুজ বাহিনী এবং এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।

    মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে খেলাটি শুরু হয় মাইলস্টোন কলেজে বিমান বিধ্বস্তে নিহতদের স্মরণে শোক জানিয়ে। একাদশে ছিল দুটি পরিবর্তন—নাঈম শেখ সুযোগ পান তানজিদ তামিমের পরিবর্তে, জাকের আলী ফিরেন দলে। কিন্তু শুরুটা হতাশাজনক ছিল ব্যাটিংয়ে। লিটন দাস, হৃদয়, ইমন কেউই দাঁড়াতে পারেননি। ২৫ রানের মধ্যেই ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।

    তবে শেখ মেহেদি ও জাকের আলীর ৫৩ রানের জুটি কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। মেহেদি ২৫ বলে ৩৩ রান করেন, আর জাকের শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৫৫ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা ও ১টি চার। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রান।

    জবাবে পাকিস্তান ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে শুরুতেই। মাত্র ১৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। শরিফুল ইসলাম ও তানজিম সাকিবের আগুনঝরা স্পেলে পাকিস্তানের টপ অর্ডার ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। এক পর্যায়ে ৭ উইকেটে ৪৭ রানে পরিণত হয় সফরকারীরা।

    তবে পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ একাই লড়াই চালিয়ে যান। আব্বাস আফ্রিদিকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়েন। ফাহিম ৩২ বলে ৫১ রান করে রিশাদের বলে বোল্ড হন। শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। প্রথম বলেই মুস্তাফিজ চার খেয়ে চাপে পড়লেও পরের বলেই উইকেট তুলে নিয়ে জয় এনে দেন বাংলাদেশকে।

    বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ৩ উইকেট, তানজিম ও মেহেদি ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হন জাকের আলী।

  • লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    এবিএনএ: ডাম্বুলার রাঙগিরি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে একেবারে গুড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা ভুলে লঙ্কানদের ৯৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এর ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে সফরকারীরা।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা হতাশাজনক হলেও, লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের দায়িত্বশীল জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দল। উদ্বোধনী দুই ব্যাটার পারভেজ ইমন (০) ও তানজিদ তামিম (৫) দ্রুত আউট হলেও, তৃতীয় উইকেটে ৬৯ রানের জুটি গড়েন লিটন-হৃদয়। হৃদয় ২৫ বলে করেন ৩১ রান, যার মধ্যে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কা।

    অফ ফর্ম কাটিয়ে ফিরে আসা লিটন দাস তুলে নেন ঝকঝকে এক অর্ধশতক। তার ৫০ বলে ৭৬ রানের ইনিংসে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও একটি চার। অপরদিকে শামীম হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৪৮ রান, যার মধ্যে পাঁচটি ছক্কা ও দুটি চার ছিল। এই দুই ইনিংসেই বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ, স্কোর দাঁড়ায় ১৭৮ রান।

    লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। মাত্র ৩০ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারায় দলটি। ওপেনার কুশল মেন্ডিস (৮) রানআউট হন। কুশল পেরেরা (০), আভিস্কা ফার্নান্দো (২) ও আশালঙ্কা (৫) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন।

    তবুও একমাত্র ওপেনার নিশাঙ্কা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে তিনিও ফেরেন ২৯ বলে ৩২ রান করে। এরপর দাশুন শানাকার ২০ রানের ইনিংসটি ছিল লঙ্কানদের শেষ প্রতিরোধ।

    বাংলাদেশি বোলারদের দাপটে শতরানও ছুঁতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। শরিফুল ইসলাম মাত্র ১২ রান খরচায় দুই উইকেট নেন, রিশাদ হোসেন ৩.২ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট, সাইফউদ্দিন ২১ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। মুস্তাফিজ ও মেহেদী হাসান মিরাজও একটি করে উইকেট দখল করেন।

    তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুলাই, একই ভেন্যুতে।